পাসপোর্ট
আমার পাসপোর্ট করতে শুধু শুধু ২০০০ টাকা চায় আনসার পুলিশ। আমি অনিচ্ছা প্রকাশ করি।পরবর্তীতে কিছু দিন পর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবার ৫০০ টাকা চায় পুলিশ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার পাসপোর্ট করতে শুধু শুধু ২০০০ টাকা চায় আনসার পুলিশ। আমি অনিচ্ছা প্রকাশ করি।পরবর্তীতে কিছু দিন পর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবার ৫০০ টাকা চায় পুলিশ।
আমি পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম সেখানে সরকারি মূল্য নির্ধারিত হয়েছিল ৫৭৫০ টাকা কিন্তু অতিরিক্ত ঘোষ হিসাবে আমার লেগেছে ৭৫০০ টাকা প্রাইজ দেড় হাজার বেশি
সকল কাগজপত্র সঠিকভাবে জমা দেওয়ার পরও বারবার রিজেক্ট করছিল। একে একে তিনবার সংশোধন করে নিয়ে যাওয়ার পরও চতুর্থ বারের বেলায় বলল এসব করে আপনি করতে পারবেন না। বরং পাশের রুমে থাকা ব্যক্তির সাথে কথা বলুন তিনি কাজটি করে দেবে। চা চা খাওয়ার জন্য কিছু দিবেন। বললাম কত দিতে হবে? তিনি ইশারায় বললেন ১০ । মানে ১০০০০। আমি বলেছি নিয়ম মেনে যদি করা যায় আমি করব নইলে করব না। আল্লাহ আপনাদের বিচার করবেন। চলে এসেছি।
ঘটনাটি ২০২১-২২ সালের দিকে, চট্টগ্রাম পাঁচলাইশ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আমার প্রতিবেশী এক ভাইয়ের জন্য নতুন পাসপোর্টের আবেদন করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সবকিছু জমা দিয়ে বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করি কোন তৃতীয় মাধ্যমের সহায়তা না নিয়েই। ফাইল জমা দেওয়ার কিছুদিন পর চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে ফোন করে দেখা করতে বলে ভেরিফিকেশনের জন্য। পৌঁছানোর পর অফিসে প্রবেশ করলে সেখান থেকে বাইরে নিয়ে যান কর্মরত একজন। তারপর, জন্ম নিবন্ধন জমা দিয়েছি, এনআইডি কেন দেয়নি, নানা অজুহাত দেখিয়ে বলা হলো কিছু দেন কাজ হয়ে যাবে। "পাসপোর্ট অফিস সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে ফাইল জমা নিয়েছে, আপনি আবার অর্থ দাবি করছেন কেন। যা পারেন করেন।"- এই বলে চলে আসলাম। পরে নিরুপায় হয়ে বিকাশে ২০০০ টাকা পাঠিয়ে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করিয়ে নিলাম।
নোয়াখালী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আমি নতুন পাসপোর্ট করতে গেছে আমি নিচে ফরম পূরণ করে, ঢাকা ব্যাংকে টাকা পরিশোধ করে সকল কাগজপত্র নিয়ে যাই, আমার সকল কাগজপত্র ঠিক ছিল, আমি যখন ফরম জমা দেই, দেওয়ার পরে উনি কাগজ দেখলো তারপর আমাকে বলল আপনার কাগজপত্র ঠিক নাই,আমি তাকে বললাম কোথায় ঠিক নাই কি ঠিক নাই, উনি আমাকে ধমক দিয়ে বলল আপনি এখান থেকে সরেন, পরে আমি সরে গেলাম একটু পরে পিয়ন আশি আমাকে বলল কি সমস্যা হল পরে আমি ওনাকে সব বললাম, আমাকে বলল ৩০০০ টাকা দিলে আপনার আজ হয়ে যাবে। তারপর বাধ্য হয়ে আমি ওনাকে বাড়তি ৩০০০ টাকা দিয়ে গেলাম। অর্থাৎ আমার থেকে তিন হাজার টাকা তারা ঘুষ নিল।
অনলাইনে নিজে থেকেই সব তথ্য দিয়ে পাসপোর্ট এর আবেদন করেছিলাম।পেমেন্ট ও করেছি। আবেদন ফর্ম পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে গেলে উনারা জমা নেন নাই। উনাদের দেখানো কম্পিউটারের দোকান থেকে নতুন করে আবেদন করতে বলেছেন। সেখানে গিয়ে দেখি আবেদন ফি ১৫০০০ টাকা। অথচ অনলাইনে আবেদন করে পেমেন্ট করে দিয়েছি।এখন কি করব বুঝতেছি না। পাবনা পাসপোর্ট অফিস
passport er jonno apply er shomoy tk sara nei na abr verifiction tk sara hoi na.
ami badho hoye, harrassment eriye cholte ,badho hoye otirikto taka ghus diye passport korechi
আমি আমার ছোট ভাইয়ের জন্য নিজে পাসপোর্ট এর আবেদন করি এবং সকল ডকুমেন্টস সঠিক ভাবে জমা দেই। যখন ফিঙ্গার ও ছবি তুলার জন্য ডাকে তখন ও সব ডকুমেন্টস নিয়ে যায় যেমন nid, Barth registration, application from, payment রসিদ ইত্যাদি। ওকে প্রথম দিন ফিঙ্গার ও ছবি নিতে দেইনি এটা বলে চ্যয়ারম্যান সনদ লাগবে। তারপর দ্বিতীয় দিন বাদ দিলো এটা বলে যে তুমি আবেদন ফরম এ nid ও barth registration নম্বর দিয়েছো যেকোনো একটা দেয়া লাগতো। তখন মনে মনে সরকার কে প্রচুর গালি দিয়েছি এবং খুবই হতাস হই। তারপর একজন আমাকে একটি দালালের নম্বর দিলো তার সাথে যোগাযোগ করার পর সে বললো ১৫০০ টাকা লাগবে সে করে দিবে। আমি দিয়ে দিলাম। আমাকে বললো আপনার ছোট ভাইকে কাল সুদু আবেদন ফরম ও পেমেন্ট এর রসিদ টা নিতে যেতে বলেন। এর পর দিন কি চমৎকার কোনো ভুল নেই
নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে আমার ছোট ভাইয়ের জন্য পাসপোর্ট করতে গিয়েছি, কাগজ পত্র সব কিছু ঠিক ছিলো তারপর ও বললো সমস্যা আছে হবে না, তারপর আমাকে বললো ৪০০০(চার হাজার টাকা) দিলে করে দিতে পারবো, পরে আমি বাধ্য হয়ে ৪০০০টাকা বেশি দিয়ে পাসপোর্ট করায়। একই কাগজ পত্র দিয়ে, মূল কথা হলো আমার কাছ থেকে ৪০০০টাকা ঘুষ নিয়েছে।
পাসপোর্ট করতে গেলে যদি কোন ভুলত্রুটি কিংবা কোন একটা কাগজ কম থাকে অথবা সে ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ করতে পারে না কিন্তু একই কাগজপত্র দিয়ে দোকানদারের ফোন কল কিংবা দালালদের মাধ্যমে কাজ করলে খুব সহজেই কাজ করা যাচ্ছে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে। এক্ষেত্রে সরাসরি পাসপোর্ট এর লোকজন জড়িত। আমার পরিচয়পত্র অনলাইন টা ছিল না, তার জন্য আমার কাছ থেকে পরে এসে টাকা ভরতি চায় এবং তারা ম্যানেজ করে দিতে চেয়েছিল। ব্যাপারটা তাদের একটা ফোন কলের মাধ্যমে সকল সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির মধ্যে আছে। আরো বিভিন্ন ধরনের সমস্যা আছে তবে আমার ক্ষেত্রেই একটা ঘটেছে। সংক্ষিপ্তভাবে বলতে গেলে টাকার মাধ্যমে সহজ হচ্ছে তবে অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছে।
আমি পাসপোর্ট বানানোর জন্য গছিলাম তার পরে আমার কাগজ ভুল বলে আমাকে পাটাই দিছে ۳দিন গেছি অনেক বড লাইন দাঁড়িয়ে ۳দিন এ আমাকে ভুল বলে পাঠাইছে পরে ۳۰۰۰টাকা নেওয়ার পরে আমার কাগজ গুলো জমা নিছে পাসপোর্ট ও বানাই দিছি
আমার পাসপোর্ট এর সব ঠিক আছে এবং যথাযথ ভাবে সব কাগজ দেওয়ার পরও আমাকে ۳ দিন ধরে ঘুরায়। কারণ একেকবার একেক কাগজ এর ভুল ধরে যদিও ভুল না। আমার আগের পাসপোর্ট আছে সেইটার সাথে সব মিল আছে কিন্তু উনাদের একেকবার একেক কাগজের অরিজিনাল ডকুমেন্ট লাগবে। কখন ও একবারে বলে না। ۳ দিন ۳ কাগজ নিয়েছি তারপর ও তাদের ভুল ধরা শেষ হয় না। এক পর্যায়ে বিরক্ত হয়ে যাই উনারা আরেক রুমে পাঠায় সেইটাতে কাগজ দেখে আবার ও সেম কথা নিয়ে আসেন বা পুনরায় আবেদন করেন। এখন আমি যে অনলাইনে টাকা দিয়েছি সেইটার কি হবে জিজ্ঞাস করতে বলে যে সেইটা বাতিল। এক পর্যায়ে বিরক্ত হয়ে ওখানের এক দালাল এর সন্ধান পাইছি ۵۰۰۰ টাকা চায়। আমি ۲۰۰۰ টাকা দিয়েছি সাথে সাথে আমার সব কাজ কমপ্লিট।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য এক এএসআই ১০০০ টাকা নিয়েছিল, বলেছিল খরচা আছে। আমি দিয়েছি কারণ পাসপোর্ট এর ইমিডিয়েট প্রয়োজন ছিলো, পুলিশ ভেরিফিকেশন এ দেরি হলে ১০০০ টাকার বেশি ক্ষতি হত।
সকল কাগজপত্র নিয়ে প্রথম গেছি, তখন বলে আপনার পুরাতন ডাটা সার্ভারে নেই।এক সপ্তাহ পর আসেন,এক সপ্তাহ পর আসলাম কাজ হয়নি। পরে গেলাম যেখান থেকে আবেদন করেছি ওখানে, তখন দোকানদার বলল যাবেন আসবেন কিছুই হবে না ১৫০০ টাকা দেন সব হবে। ঠিকই ১৫০০ টাকা দিয়ে অফিসে গেলাম কাগজপত্র দিলাম,অফিসার কাগজপত্র না দেখেই ওকে লিখে দিলো।
আমার স্ত্রীর এনআইডি অনুযায়ী ঠিকানা কক্সবাজার। কিন্তু বৈবাহিক সূত্রে বর্তমানে আমার সাথে চট্টগ্রামে বসবাস করে। স্বাভাবিক ভাবেই চট্টগ্রামে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করি। কিন্তু চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ পাসপোর্ট অফিস কোনোরূপ আলোচনার সুযোগ না দিয়ে আবেদন বাতিল করে দেয়। পরবর্তীতে দালালের মাধ্যমে গিয়ে সেই আবেদনকে পুনরুজ্জীবিত করে তাদের দাবীকৃত ৭০০০/- টাকা অতিরিক্ত পরিশোধ করায় পাসপোর্ট ইস্যু করে।
পাসপোর্ট অফিসে সঠিক কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও বিভিন্ন ভুলত্রুটি দেখিয়ে আমাকে বারবার হয়রানি করা হয় এবং পুনরায় আবেদন করতে বলা হয়। পরে অফিসের বাইরে একজন দালাল ২,০০০ টাকার বিনিময়ে একই দিনের মধ্যে আমার কাগজপত্র ঠিক করে ছবি তোলার ব্যবস্থা করে দেয়। এতে আমার সন্দেহ হয়, আবেদনকারীদের ইচ্ছাকৃতভাবে হয়রানি করে দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার একটি পরিকল্পিত ব্যবস্থা সেখানে থাকতে পারে।
আমি পাসপোর্ট তৈরি করার সময় ৩০০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি তাতে আমার কোন ডকুমেন্টের প্রয়োজন হয়নি অন্যথায় তারা অনেক হয়রানি করে
আমার পাসপোর্ট তৈরি করতে প্রায় 21 হাজার টাকার মতো লাগছে কিন্তুক আমার সরকারের ফ্রি ৮ থেকে ৯ হাজার
নতুন পাসেপোর্ট করতে গেলে সব কিছু যদি সঠিক থাকে, তারপরও 1500 টাকা এক্সট্রা ঘুষ দিতে হবে। তা না হলে যে কোন একটি ভুল ইচ্ছা করেই ধরবে এবং বলবে এটা ঠিক করে নিয়ে আসেন। তারপর বাবা মায়ের সাথে নামের বানানে একটা অক্ষর ভুল থাকলেও তখন 2500 টাকা দেওয়া লাগে (পুরাতন পাসপোর্টের ক্ষেত্রে)