পাসপোর্ট তৈরি
রাজশাহী পাসপোর্ট অফিসে দালাল ধরে না গেলে ফাইল নেয় না,,নানা ভাবে হয় রানি করে পাসপোর্ট অফিসের কমকর্তা দের নিজস্ব দালাল ছাড়া আছে কম্পিউটার দোকান গুলো গেলে জানতে পারবেন।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
রাজশাহী পাসপোর্ট অফিসে দালাল ধরে না গেলে ফাইল নেয় না,,নানা ভাবে হয় রানি করে পাসপোর্ট অফিসের কমকর্তা দের নিজস্ব দালাল ছাড়া আছে কম্পিউটার দোকান গুলো গেলে জানতে পারবেন।
বিভিন্ন অজুহাত, ছবি মিলছে না, এনআইডি বানান পাসপোর্টের বানান ক্যাপিটাল আলাদ, মোহাম্মদ মো: লিখলে সার্বারে নেবে না ইত্যাদি, অপিসাররে বললে বললো দেখছি আর দেখে না।
পাসপোর্ট করতে নামের ভুল
সরকারি নিদর্শনানুযায়ী পুরাতন পাসপোর্ট কপিসহ সবকাগজপত্র ছিল। কিন্তু দালালের চিহ্ন ছিল না। জমা নেওয়ার সময় বলে কাবিননামা কপি লাগবে। নিয়মানুযায়ী পুরুষের কাবিননামা লাগে না। ফর্ম জমা নেননি। বাহিরে একজন লোক দেখা দিয়ে বলে কথা বলতে। সে আমার কাছ থেকে ২৫০০টাকা দাবি করে। টাকা দিলে ব্যাবস্থা করে দেব। লক্ষ করে দেখলাম দালালদের চিহ্ন থাকলে কোনো ভুল থাকলে ও জমা নেন।
আমার দেশের বাইরে আমার হাসব্যান্ড থাকে। So উনার সাথে থাকার জন্য পাসপোর্ট করা আমার দরকার। আমি argent পাসপোর্ট যেটা যেটা করতে দিয়েছিলাম ২০২২ সালে। সব ডকুমেন্টস দালাল ছাড়া আমরাই করেছিলাম passport যে দিন নিবো ঐদিন থানা থেকে কল আসে সংগ্রহ করার জন্য। আমি আর আমার বোন যাই পাসপোর্ট নিতে। এর পর তার রুম এ ভালো ব্যবহার কি করি কেন যাবো এইগুলো নরমাল ব্যাপার ask করলো। But রুম থেকে যখন বের হলাম তখন টাকা দাবি করে বসলো ২ হাজার। আমরা বললাম এতো টাকা কোথায় পাবো। আমি স্টুডেন্ট 1000 টাকা রাখেন। দুইজন মেয়ে মানুষ বেশি প্রতিবাদ ও করতে পারি নি যদি কোনো ঝামেলা করে। তাই ১০০০ টাকা দিয়ে পাসপোর্ট নিয়ে এসেছি। যদিও মন থেকে দেই নি।
টাকা চেয়েছিল অনেক কিন্তু আমি দেই নি।
Ami student and amr on-line registration a private service dise tai oita fixed korte 2500 tk chacche
Passport renew application, Ami website theke nije nije application korechilam, Application desk a 2ta line chilo, Ami jokhon desk er samne chilam tokhon amar pasher liner 7~8 jon application submit kore chole jay. Sesh mesh kono vul na peye amay ask korlen amar baba ki koren, ami Jibito nei bolate uni bollen tahole babar occupation a "Onnano" diyechen keno, eita te to business hobe. Jan abar form fillup kore niye ashen. Bollam eita to apnader helpline theke confirm hoye diyechi, Tokhon bollo taile Help line a call kore submit kore den. Ar ei form ta jodi abar fillup kori tohole to OID number change hobe ar se khetre amake abar new OID te pay korte hobe. 3talay dekha koren bole uni line thek
আমি পাসপোর্ট অফিস নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট করতে যাই ভুইঘর,সে খানে ১০১ নাম্বার রোমের ডাটা এন্টিওপারেটর যে প্রথম পাসপোর্ট ফাইল জমা নেয় সে আমার পাসপোর্ট নেবার সময় খুটি নাটি ভুল দেখায় নামে ফুলিস্টপ দিছি হবে না।তারপর বাহিরে কম্পিউটার এর দোকানদার এর কাছে ঠিক করতে গেলে সে বলে এটা আপনাকে হয়্রানি করবে ৪৫০০ টাকা দেন আমি করিয়ে দিচ্ছি।আমার যেহেতু পাসপোর্ট দরকার তাই আমি পাসপোর্ট করতে টাকা দেই পরে একই দিন অই লোক আমার ফাইল জাম নিলো কোন ভুল দরলো না। আর কম্পিউটার এর দোকান দার আমার ফাইলে চিহ্ন দিয়া দিছে এবং আমার ফাইল এর ছবি তার What's apps পাইছে।।তারপর আমি কয়েক দিনের ভিতর পাসপোর্ট পাই।
আর্জেন্ট পাসপোর্ট লাগবে তাই পরিচিত AD এর কাছে যাই. অনুরোধ করি, যা টাকা চাইছে তাই দিয়েসি.
পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা খরচের নাম দেখিয়ে ১০০০ ৳ চাইল এবং দিতে হল
আমি পাসপোর্ট অফিস এ কয়েক দিন ঘুরে ঘুরে কাজ হয় নাই, আমার সকল কাগজ ঠিক ছিল, তবু তারা আমাকে বলে এই কাগজ ঠিক নেই ওই কাগজ ঠিক নেই, এই বলে শুধু সময় নষ্ট করাতো, আমি বাধ্য হয়ে যখন দালাল এর সাহায্য নেই, তখন কোনো কাগজের জটিলতায় পড়তে হয় নাই, অতিরিক্ত টাকা দেয়াই কোনো সিরিয়াল ছাড়াই আমাকে সরাসরি ফিঙ্গার আর ছবি তোলার রুমে নিয়ে গেলো, পরবর্তীতে যখন পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য থানা থেকে কল দিলো, তখন ঈশ্বরদী থানার অফিসার এক পুলিশ কর্মকর্তা আমার থেকে ১০০০ টাকা গ্রহণের বিনিময়ে আমার ভেরিফিকেশন নিশ্চিত করে।
আমি একজন প্রবাসী। ছুটিতে বাংলাদেশে গিয়ে আমার পাসপোর্ট হারিয়ে যায় এবং আমার জরুরি ভিত্তিতে পাসপোর্ট প্রয়োজন হয়। এই পরিস্থিতিতে, আমি যখন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করি, তখন একজন কর্মকর্তা বলেন যে সিরিয়াল নম্বর আসার জন্য আমাকে এক মাস অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু ৫০০০ টাকা দিলে অপেক্ষা ছাড়াই ছবি তোলা যাবে এবং তা পরিশোধ কারি। পরে, পাসপোর্টের পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য ২০০০ টাকা দিতে হবে।
বাহিরে দালাল ছিল। তিনি সবকিছু সুষ্ঠুভাবে করে দেওয়ার জন্য এই পাঁচ হাজার টাকা বাড়তি নিয়েছিল।
আমার ছোট শিশুর পাসপোর্ট করার জন্য উত্তরা পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে আমি চরম হয়রানির শিকার হই। পাসপোর্টের আবেদন সম্পন্ন করার জন্য আমরা দুইবার অফিসে যাই। কিন্তু প্রতিবারই বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে আমাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয় এবং স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় কাজটি সম্পন্ন করতে দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে একজন দালালের মাধ্যমে যোগাযোগ করলে তিনি ৩,০০০ টাকা ঘুষের বিনিময়ে আমার শিশুর পাসপোর্টের কাজটি সম্পন্ন করে দেন। উক্ত ব্যক্তি নিজেই আমাদের জানান যে, তিনি ওই পাসপোর্ট অফিসের একজন আর্মি কর্মকর্তা এবং সেখানেই কর্মরত। তিনি আরও বলেন যে, এভাবে বিভিন্ন অজুহাতে সাধারণ মানুষকে বারবার ঘুরানো হবে এবং দালালের মাধ্যমে টাকা দিলে কাজ সহজে করে দেওয়া হবে।
অযৌক্তিক ভুল ধরে,বলে যে আরো ২ দিন পরে আসেন।নির্দিষ্ট দিন আসার পর সারা দিন বসে রাখেছে।
আমার বাড়ি রংপুর। চাকরির সুবাদে চট্টগ্রাম থাকি ৫ বছর ধরে। পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হওয়ায় অনলাইনে রিনিউর আবেদন করে অনলাইনে পেমেন্ট করি। কাগজ জমা দিতে গেলে তারা আমাকে বলে রংপুরের বাসিন্দাকে রংপুরেই আবেদন করতে হবে। অথচ এমন কোন নিয়ম নাই। প্রত্যেক ব্যক্তি বর্তমান ঠিকানায় আবেদন করতে পারবে। পাসপোর্ট অফিস থেকে যখন বের হতে চাইলাম দেখি গেটের আনসার কর্মি মানুষকে হেল্প করছে, আমিও দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলাম কোন উপায় আছে কি না? আনছার আমাকে বললো ২৫০০ টাকা লাগবে, তাহলে হয়ে যাবে, আমি টাকা না দিয়ে বের হলাম। পরে পাসপোর্ট হটলাইনে অভিযোগ করলাম, তারা আমাকে বললো এমন কোন নিয়ম নাই যে আবেদনকারীর স্থায়ী ঠিকানায় আবেদন করতে হবে। পরে আবার গেলাম সরাসরি এডির রুমে, তিনি সাফ জানায় দিলেন তিনি আমাকে চেনেন না, তাই হেল্প করবেন না। চাদগাও
আমার মায়ের ক্যান্সার ধরা পড়েছিল । দেশের বাইরে উন্নত চিকিৎসার জন্য পুর্বের পাসপোর্ট জরুরি ভিত্তিতে নবায়ন করতে হয়েছিল । এটার জন্য পাসপোর্ট নবায়ন করতে ২ টা পাসপোর্ট এর জন্য ৩০০০০ টাকা নিয়েছিল । আর এদের ব্যবহার বলার মত না ।
saradin line e dariye theke amar turn ashar por boltese apnar kagoj missing. ami bollam konta ? bole nije khuje dekhen. pore gate er ansar mama bollo 1500 taka den ( sokaleo chaisilo serial e wait korar time e ) taka dilam , same lok e sign kore dilo. passport er fingerprint diye chole aslam
nid এর সাথে আগের পাসপোর্টের নামের বানানে কমবেশ ছিল। তো নতুন ডিজিটাল পাসপোর্ট করার সময় তারা রিনিউ হবে না ঠিক ও করবেনা টাকা ছাড়া বলেছিলো। ফলে পাশের দোকানের মাধ্যমে টাকা দিয়ে আসার পর কোন কাগজ ছাড়াই হয়ে গিয়েছে সাথেসাথে।