নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ছোট ভাইয়ের পাসপোর্ট করাতে গিয়ে পাসপোর্ট অফিসের লোকজন একবার এটা ভুল ধরে একবার ওটা ভুল ধরে শেষে বাইরে দাঁড়ানো দালাল পুলিশকে টাকা দিলে সব ঠিক হয়ে গেলো ৫ মিনিটের মধ্যে। 2500 টাকা নেয়।
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য পুলিশ এসেছিল সে ৫০০ টাকা দাবি করেছে। ১০ দিন পূর্বে
২০২৫ সালের জুন মাসে পাসপোর্ট তৈরির জন্য পাসপোর্ট অফিসে গেলে তারা কাগজপত্র আনতে বলে। আর যদি বাইরে তাদের কম্পিউটারের দোকান থেকে আবেদন করি তাহলে শুধু নিজের এল আইডি কার্ড দিয়ে আবেদন করলেই হয়ে যাবে এইদিকে বাইরের কম্পিউটারের দোকানে সরকারি ফি থেকে ২০০০ টাকা বেশি দাবি করা হচ্ছিল অন্যথায় তা যদি না করি আমার পাসপোর্ট তৈরি করতে অনেক লেট হতে পারে এইগুলা বলে।পরে কাজটি দ্রুত করার জন্য কম্পিউটারের দোকান থেকেই করি
টাকা না দিলে পাসপোট হবে না বিভিন্ন কাগজ ভুল ধরে টাকা দেলে সব ঠিক
পাস পোর্ট বানাতে গিয়ে ৮২০০ টাকা দিয়ে পাসপোর্ট বানানো হয়েছে। পাসপোর্ট অফিসের বাহিরে সকল কম্পিউটার এর দোকানদার দালাল।
আমি অনলাইনে পাসপোর্ট নবায়নের জন্য আবেদন করি এবং নির্ধারিত ফি বিকাশের মাধ্যমে পরিশোধ করি। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে গাইবান্ধা পাসপোর্ট অফিসে ছবি তোলা ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার জন্য যাই। অফিসে যাওয়ার পর সেখানে কর্মরত একজন কর্মকর্তা আমাকে জানান যে সেদিন ছবি তোলা ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়া হবে না। এতে আমি হতাশ হয়ে পড়ি। এ সময় অফিসে অবস্থানরত একজন দালাল আমাকে বলেন যে, তাকে ১,৫০০ টাকা দিলে আমার কাজ হয়ে যাবে এবং আমার ছবি ও ফিঙ্গারপ্রিন্টও নেওয়া হবে। তার কথায় আমি তাকে ১,৫০০ টাকা প্রদান করি। টাকা দেওয়ার পর আমার ছবি তোলা ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। আমার অভিযোগ হলো, সরকারি সেবাটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় পাওয়ার কথা থাকলেও প্রথমে আমাকে ছবি ও ফিঙ্গারপ্রিন্
পাসপোর্ট তৈরি করার জন্য জমা না নিয়ে, বিভিন্ন ভুল দেখায়ে ফেরত পাঠাই , দালালদের মাধ্যমে জমা দিলে জমা নিবে দালাল চক্র বলে ছিল!
আমি আর্জেন্ট পাসপোর্ট রিনিউ করতে দি ২ মাশ হয় যায় তাও আসেনা । শ পরিশালক পরিচালক সবার সাথে কথা বলেও কোনো হয়না ।একদি ওইখানে এক আনসারের সাথে গোপনে কথা বলি, উনি বলে ৩ দিনের ভেতর পাসপোর্ট এনে দেবো। আমি বিশ্বাস করতে পারসিলাম না ।৩০০০ টাকা দেবেন উপায় না পেয়ে বিশ্বাস করতে বাধ্য হলাম ৩ দিন পর সকালে আসতে বলল ২ দিন পর রাতে ফোন দিয়ে বলে সকালে এসে পাসপোর্ট নিয়ে যান ।পাসপোর্ট নিয়ে জানতে চাইলাম কেমনে কি করে পারলেন ?উনি বলল কাউকে বলবেননা ওকে। বলল এইভাবে সবার কস্থেকে টাকা নেওয়া হয় পুরো সপ্তাহ যা টাকা হয় তার অর্ধেক পরিসালক রাখে বাকি টাকা আমাদের মাঝে ভাগাভাগি করে দেওয়া হয়।তখন বুঝলাম সবাই খাই কারকাসে বিসার দেবো । আমি জানি কোনো পরিবর্ত হবেনা জাস্ট আবেগটা বললাম
khul dhortechilo time diye o kaj kortechilo nah.. tai taka dichi 1 hour ai kaj shes hoyeche..
আমার এবং আমার ওয়াইফের ১০ বছরের জন্য ২টা পাসপোর্ট বানাতে গত ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, তারিখে রাজশাহী পাসপোর্ট অফিসে গেছিলাম। সেখানে ২টা পাসপোর্টের জন্য সরকার নির্ধারিত ফি দিয়েছিলাম। কিন্তু তারা ইশারা ইঙ্গিতে আরও ৪-৫ হাজার টাকা চাচ্ছিলো। অতিরিক্ত টাকা না দেওয়ায় তারা খুবই বাজে আচরণ করেছে এবং বারবার বিভিন্ন জায়গা থেকে ভুল দেখাচ্ছে। একবার বলছে এই ভুল তো আরেকবার বলছে ওই ভুল।একবার বলছে এই রুমে যান সেখানে গেলে বলছে অন্য রুমে যান। এভাবে সেই সকাল থেকে একদম দূপুর পর্যন্ত তারা পুরো পাসপোর্ট অফিস ঘুরিয়েছে। পরে লাঞ্চ ব্রেকের সময় বলছে আজকে আর হবে অন্য একদিন আসেন। অথচ সব কাগজ পত্র একদম ঠিক ছিলো।তারা খালি কাগজে ভুল দেখাচ্ছে কিন্তু কেন ভুল বা ঠিক কীভাবে করবো তার স্পষ্ট কিছুই বলতে পারছিলো না এবং খারাপভাবে আচরণ করছিল
দ্রুত পেতে হলে অতিরিক্ত টাকা ছাড়া হবে না, ঝামেলাহীনভাবে হবে। কোন ভুল ধরবে না
নতুন বা নবায়ন করা জন্য বেশি টাকা দিতে হয়, দালাল আছে।
আমার সকল পেপারস/ কাগজ ঠিক ছিল, কিন্ত যখন জমা দিতে যাই তখন ফিরিয়ে দেয় কাগজ পত্র ঠিক নেই বলে, বলেছিলাম কি লাগবে বলেন, তারা বল্লো বাহিরে লোক আছে দেখেন, তখন একদল দালাল চক্র তাদের থাকে পাসপোর্ট অফিসে, তাদের কাছে গিয়ে দেখি আসলে সবকিছুই ঠিক আছে কিন্তু তাদেরকে টাকা দিলে কাজ হবে না হয় হবে না
উত্তরা পাসপোর্ট অফিসে ৯৫% কেসে, টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না।।।সব গুলো দালাল।।আনসার সদস্য গুলো দালালদের চেলা।।আপনার কাগজ পত্র যতোই সঠিক থাকুন না কেন, এরা কিছু না কিছু ভুল ধরবে।।ঘুস ছাড়া কাজ হয় না।।
আমার বাবার হজে যাবে বলে পাসপোর্ট এর আবেদন করি। আমাকে বলে এটা করতে হবে ওইটা করতে হবে এই কাগজ নিয়ে আসেন এটা সত্যায়িত করে নিয়ে আসেন অনেক ঝামেলা, কি পেশা ইত্যাদি আরোগ্য সমস্যার কথা আমাকে জানাই। পরে আমি বললাম আমার বাবা হজে যাবে এজন্য কাজটা করে দেন যাতে আপনাদের সওয়াব হবে। আমাকে বলেছে সন্ধ্যার পরে দেখা করবেন আমার নাম্বার নিয়ে যান। করে সেই লোকের নাম্বার নিয়ে সন্ধার পরে দেখা করে এবং ফোন দেই সে আমাকে বলে যে ১২০০ টাকা ছাড়া আপনার এটা করা যাবে না পুলিশ ভেরিফিকেশন আছে প্রচুর সমস্যা। যে তোর বাবা হজে যাবে আমিও ছোটখাটো একটা ব্যবসার সাথে জড়িত সময় দিতে পারি না তাই বাধ্য হয়ে ১২০০ টাকার মাধ্যমে কাগজগুলো জমা দিতে সক্ষম হয়। করে পাসপোর্ট হয়ে আসে। হজের যাত্রীর থেকে টাকা খায় তারা বিষয়টা খুবই দুঃখজনক
কাবিন নামা নেই বলে ফিরিয়ে দেয়, পরে কম্পিউটার এর দোকানে কথা বলি,তারা বলে ১৫০০ টাকা দিলে হবে, আমাকে পরের দিন আসতে বলে, পরের দিন ১৫০০ টাকা দিলে কাবিন নামা ছাড়া ফাইল জমা নেয়।
পুলিশের পুলিশ ক্লিয়ারেনস জন্য ৫০০ টাকা নিছে
বাবা নাম নাকি ভুল ছিল। তারপর পাসপোর্ট অফিসের পাশে একটা দোকান থেকে বলে ১৮০০ টাকায় নাকি তাৎক্ষণিকভাবে আবার ভুল সংশোধন করা যাবে। এই দোকানি কিছু না করে পাসপোর্ট অফিসের উপরের লেবেলের কর্মকর্তার সাথে দেখা করে। তারপর ১৮০০ টাকা দিতেই বিষয়টি সমাধান হয়ে গেলে। অথচ বায়োমেট্রিক এর সময় এই সমস্যাটি সংশোধন করা যায়
প্রথমে আমাকে বলে কম্পিউটাররের দোকান থেকে আবেদন কপি পূরণ করতে হবে, আমি নিজে নিজে পূরণ করেছি সেটি নাকি ভূল, এবং আরো ও বলে ১৫ দিনে পার্সপোর্ট দিবে ৩৫০০ টাকা বেশি দেওয়া লাগবে, না দিলে ৩ মাস লাগবে পার্সপোর্ট আসতে
আমার পাসপোর্ট যখন রিনিউ করার জন্য গিয়েছিলাম, আমার ডকুমেন্ট জমা নেয়ার পরে যে ডেটে পাসপোর্ট দেওয়ার কথা ওই ডেটে না দিয়ে আমাকে ঘোরাতে থাকে, পরবর্তীতে টাকা দেওয়ার তিন মাস পর আমার পাসপোর্ট আমি হাতে পাই। আমার সকল ডকুমেন্টস প্রথমে যখন জমা দিয়েছিলাম সেগুলো ঠিক ছিল, তখনও টাকা দাবি করেছিল, আমি দেইনি, তার জন্য আমার কাগজ জমা দিতে সপ্তাহখানেক সময় লাগে।