passport verfication
TK 2000 was asked and needed to pay to the investigate officer for my passport verfication. The police was corrupted. Zanjira thana
17,743 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
TK 2000 was asked and needed to pay to the investigate officer for my passport verfication. The police was corrupted. Zanjira thana
পাসপোর্ট রিনিউ। ৪৫০০ টাকা অতিরিক্ত চাওয়া হয়েছিল।
বেবিদের পার্সপোর্ট করতে গিয়ে হয়রানীর স্বিকার হয়েছে, দালালের পাসপোর্ট মেইল লিংক দিয়ে 4000 বেশি নিয়েছে।
আমি নতুন পাসপোর্ট বানাতে দিয়েছিলাম। ডকুমেন্টস জমার দিন যত ডকুমেন্টস লাগে এবং লাগতে পারে অর্থাৎ ১০০% এ ২০০% ডকুমেন্টস ঠিক ছিলো এরপরেও আবেদনপত্রটি বাতিল করে দেই। বলে আবার এপ্লাই করে আনেন আর নাগরিক সনদ হালনাগাদ করে আনেন। তো আমি নিরুপায় হয়ে বের হয়ে আসি পরে। পাসপোর্ট অফিসের বাহিরে থাকা ৪/৫ জন লোক ঘুরাঘুরি করে একজন আমাকে ডেকে বলে ভাই করতে পারেন নাই? আমি বললাম না। তারা বললো ২০০০ লাগবে ফিক্সড তাহলে এই বাতিল আবেদনটাই সব ঠিক করে ৩০ মিনিটের মধ্যে আপনি ছবি ফিংগার দিতে পারবেন। পরে আমার জরুরী পাসপোর্ট করানো প্রয়োজন তাই কি আর করা ২০০০ দিয়েছি দেখি আসলেই আমার এত কোনো ডকুমেন্টস কিছুই লাগেনি। শুধুমাত্র আমার ভোটার আইডি আর বাবা-মার ভোটার আইডি নিয়েছে। আর কিছুই লাগেনি।
পাসপোর্ট বানাতে গিয়ে দিতে হয়েছিল
পাসপোর্ট ভেরিফাই এর জন্য
papers joma dayar pore aro papers chaicilo, dalal tk dabe kore 2000, pore 1500 dayar pore joma daya papers er sob paper o laglona. same table a joma dilam kaj kore dilo
I submitted all the documents properly for my daughter's passport. But they couldn't receive my papers showing some lame excuses. Finally, after paying 2k tk ( I was helpless) they did my every work.
পাসপোর্ট এর আবেদন জমা দিলে অফিসার বলে কি করো, আমি বললাম প্রাইভেট অফিসে চাকরি করি, পাসপোর্ট এর আবেদন ফর্মে পেশা দিয়েছিলাম প্রাইভেট সার্ভিস কিন্তু অফিসার বললো এটি হবেনা। চেঞ্জ করে নিয়ে আসো বলে ফাইল আটকে দিলো, পরে দালাল দরে ২০০০টাকায় সব সমাধান।
পাস্পোর্টের জন্য ছবি বা অন্যান্য কাজ করে বাসায় আসার পর, এসবি পরিচয়ে কয়েকবার ফোন করা হয়েছিলো কিন্তু আমি রিসিভ করলে বিভিন্ন কথা বলে টাকা চায় ৫০০০। আমি বলেছি কোন থানা তা আমাকে জানান আমি থানায় এসে কথা বলছি। পরে উলিপুর থানায় আসতে বলেছিলো। কিন্তু এরপর কল করলে আর ফোন রিসিভ করেনি। পরে অন্য নাম্বার দিয়ে অরিজিনাল এসবি অফিসার ভেরিফিকেশন করেছিলো। দুর্নীতি দেশের প্রতি কোনায়।
Passport baniye deyar jonno ghush chaise
তীর্থ ভ্রমনে জন্য নতুন পাসপোর্ট আবেদন অনলাইনে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ও ব্যাংক চালান জমা দেয়া পর পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে গেলে এ কাগজ নেই ঐ কগজ বলে ঘুরিয়ে রাখে। যেহেতু বয়স্ক মা-বাবা দুর থেকে আসা কারণে অনেক সময় নষ্ট হওয়ায় কাজ হয়না দেখে খুব চিন্তিত হয়ে পড়ি। পরবর্তীতে পাসপোর্ট অফিস হতে বের হয়ে জানতে পারলাম যে, কিছু টাকা না দিলে কাজ হবে না। তাই উপায় না দেখে অবশেষে কোনো এক কম্পিউটার দোকান তাদের সাথে লিংক আছে বলে তাদের মাধ্যমে টাকাটা নগদ তাদের হাতে দিয়ে দিই। পরে আবার পাসপোর্ট অফিসে গেলে কোনো কথা ছাড়া কাজ হয়ে গেলো।
পাসপোর্ট আবেদন সময় ওয়ার্ড নাম্বার অপশনাল ছিল তা আমি দেই বলে আবেদন জমা নেয়নি।পরে ৩০০০ টাকা দেয়ার পী জমা নেয়
মানুষ আসলে অপারগ , ঘুষ না দিলে তো আর কাজ হয় না ,
সরকারি ফি বাদে অতিরিক্ত ২০০০ টাকা দিতে হইছে।
আমার সব ডকুমেন্ট ঠিক তাও তারা 4000 টাকা দাবী করে আমার নাকী ফাইল এ প্রভলেম
আইডি কার্ডের নামের সাথে পাসপোর্টের নামের মিল ছিলো না।আইডি কার্ডের নামের আগে মো: ছিলো আর পাসপোর্টে শুধু নাম ছিলো।আইডি কার্ড আর পাসপোর্টের বয়সেও অমিল ছিলো তাই সেগুলো ঠিক করার জন্য কম্পিউটারে আবেদন করে ব্যাংকের মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করার পর যখন ফিঙ্গার আর ছবি তুলতে গেছে ঐদিন নতুন করে ১৫০০ এবং আবারো ২০০০ টাকা দালালকে দেয়া লাগছে।আমার প্রশ্ন হলে দালালকে টাকা দিলেই সব সমাধান হলো তাহলে আমরা নির্দিষ্ট যে টাকা দিলাম সেটা কি হলো?
আমি একজন কম্পিউটার অপারেটর, আমি পাসপোর্টের আবেদন করে থাকি, ফরিদপুর পাসপোর্ট অফিসে টাকা ছাড়া সেবা না পাওয়ার সংখ্যা প্রায় ৮৫%, কেউ পাসপোর্ট করতে গেলে নির্দ্দিষ্ট সরকারী ফি দেয়ার পরেও গ্রাহক কে আরও এক্সট্রা ২৫০০, ৩০০০ টাকা গুনতে হয়। শুধু সরকারি ফি পরিশোধ করে অফিসে ফাইল সাবমিট করার পরে কর্মকর্তারা খুজে খুজে যে কোন ভুল বের করে, যেমন, mia হবেনা হবে miya, kajol হবেনা হবে kajal ইত্যাদি, অতঃপর গ্রাহক কে কারেকশন করে আনতে বলা হয়, গ্রাহক অফিসের বাইরে আসার সাথে তার সাথে দেখা হয় দালাল চক্রের, দালাল চক্র গ্রাহকের থেকে ২৫০০-৩০০০ টাকা নিয়ে একটা সংকেত দিয়ে আবার অফিসে পাঠালে কাজ টা সম্পুর্ণ হয় ।
করতে গেছি, আমার সকল কাগজ পত্র রেডি করে নিয়ে গেছি ব্যংক ডাব করে গেছি , কিন্তু আমার কাগজ জমা দিতে গেছি তখন আমাকে বলতেছে যে আপনার কাগজে ভুল আছে, আমি বললাম কি ভুল আছে বলেন। বলল আপনার পেশা কি বললাম আমি স্টুডেন্ট, তাইলে পাসপোর্ট অন্য পেশা দেওয়া, এটা হবে না আমি বললাম হবে না কেন আমি যাবো বিদেশ এখানে পেশাই কি সমস্যা করলো, বলল এত কথা বলার টাইম নাই ঠিক করে আনেনে। পরে বাইরে গেলাম দেখা দালাল পিছে পিছে গুরতেছে আর বলতেছে কি সমস্যা ভাই, আমি বললাম ভাই সব ঠিক আছে শুধু পেশার জন্য বের করে দিলো, পরে দালাল বলল লাভ নাই কোন লোক ধরে আরছেন আমি বললাম না তো, লোক কেন ধরবো ওই বলল লোক না ধরলে করতে পারবেন না অরা কোন না কোন সমস্যা ধরবোই, তারপর দালাল কে টাকা দিলাম এর পরে কাগজে কি জানি লিখে দিলো এর পর সাথে সাথে জমা নি
আমি পাসপোর্টের জন্য পাসপোর্ট অফিসে আবেদন করতে যাই। সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমার ফাইলটি দেখে বলেন, **“আপনার NID কার্ডে সমস্যা আছে।”**আমি জানতে চাই, কী ধরনের সমস্যা হয়েছে। কিন্তু তিনি সমস্যাটি পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা না করে আমাকে বলেন, **“এক সপ্তাহ পরে আসবেন।”**এরপর আমি কোনো কাগজপত্র জমা না দিয়েই সেখান থেকে বাইরে চলে আসি।বাইরে আসার পর একজন দালাল/মধ্যস্থতাকারী আমাকে বলে, **“২,০০০ টাকা দিয়ে একটি স্লিপ নেন, তাহলে এখনই আপনার কাজ হয়ে যাবে।”**আমার যেহেতু জরুরি ভিত্তিতে পাসপোর্ট প্রয়োজন ছিল, তাই বাধ্য হয়ে আমি তাকে ২,০০০ টাকা দিই। এরপর একটি স্লিপ নিয়ে আবার অফিসে গিয়ে আমার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিই। তখন সেই দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা নেয়া