Passport
নতুন পাসপোর্ট বানানোর জন্য আবেদন করেছিলাম। সেজন্য ঘুষ চেয়েছিল তাই দিতে বাধ্য হয়েছি।
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নতুন পাসপোর্ট বানানোর জন্য আবেদন করেছিলাম। সেজন্য ঘুষ চেয়েছিল তাই দিতে বাধ্য হয়েছি।
২০২১ সালে দুইজনের পাসপোর্ট করতে যাই। প্রথমে ভাবলাম, দালালকে ছাড়াই করবো। দেখলাম পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের একের পর এক অভিযোগ। এটা ঠিক নেই, ওটা ঠিক নাই। নামের ভুল, পেশা ভুল। একসময় পূরণ করা ফর্ম গুলো লাল কালি দিয়ে কেটে দিলো। ইশারা ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিলো দালাল ছাড়া কাজ হবে না। দুজনের জন্য ১৬০০x২= ৩২০০ টাকা চাইলো। বাধ্য হয়েই দিতে হলো। তারপর তথা কথিত কাগজ পত্রের ভুল নিমেষেই ঠিক হয়ে গেলো।
আমি কিশোরগঞ্জের পাসপোর্ট অফিসে গেছি পাসপোর্ট করতে । আমার আগের পাসপোর্ট এ নামের ভুল আছিল এইটা সংশোধন করতে । আমি স্টুডেন্ট ভিসায় বিদেশ আসতে চায় তাই সব কিছু সার্টিফিকেট এর সাথে মিল থাকতে হয়ব। যখন গেলাম তখন তারা বলে যদি ঠিক করতে চায় ফাষ্ট আসবে ৫০০০ টাকা দিতে হয়ব আর না হয়লে কয়েক মাস অফিসেই পরে থাকবে কি আর করার বাধ্য হয়ে দিছি ৫ হাজার টাকা দিলাম
জামালপুর পাসপোর্ট অফিসে আমার বাবা ও তিন চাচার পাসপোর্টের আবেদন করতে গিয়ে অভিযোগের সম্মুখীন হই। অনলাইনে সঠিকভাবে আবেদন করার পরও রিসেপশন থেকে বিভিন্ন ভুল দেখিয়ে আবেদনগুলো ফেরত দেওয়া হয়। পরে একজন ব্যক্তির মাধ্যমে প্রত্যেকের জন্য ১,০০০ টাকা করে মোট ৪,০০০ টাকা অতিরিক্ত দেওয়ার পর একই আবেদনগুলো কোনো আপত্তি ছাড়াই গ্রহণ করা হয়। টাকা দেওয়ার আগে যেসব ভুল দেখানো হয়েছিল, টাকা দেওয়ার পর একই আবেদনপত্রে আর কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত ও যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি।
ভুল করে পাসপোর্ট এর অ্যাড্রেসের একটু ঠিকানা সমস্যা ছিল তার জন্য আমার পাসপোর্ট ভেরিফাই হচ্ছিল না তারপর আমার থেকে আট হাজার টাকা দাবি করে দেন আমি কি আর করার ৮ হাজার টাকা পরিশোধ করার পরে ভেরিফাই করে দিছে পুলিশ ভেরিফিকেশন
কিয়ারেস হবে না টাকা না দিলে
মায়ের নামে সংশোধন করার জন্য ৮০ হাজার টাকা চাওয়া হয় আমি ৪০ হাজা টাকা দিয়ে কাজ করেছি
আমি প্রথম অনলাইন আবেদন করছি কিন্তু আমাকে বললো ভূল আছে পরে আবার এই আবেদন নিয়ে টাকা দিয়ে যাই হয়ে গেছে
পাসপোর্ট এর সব কাগজপত্র ঠিকঠাক থাকার পর ও কাগজপত্র ঠিক নাই বলা হয়েছে। তারপর টাকা চাওয়া হয়,দিতে না চাইলে নতুন করে আবার কাগজপত্র ঠিক করে আনতে বলে। এরপর টাকা চাওয়া হয় আনসার সদস্যকে দিয়ে। ২০০০ টাকা দেওয়ার পর কাগজপত্র জমা হয়ে যায়।
২০২১ সালে পাসপোর্ট ফেরিফেকেশনের নামে আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা দাবি করা হয় । এবং তা আমি পরিশোধ করতে বাধ্য হই। আমার জেলা শহের কোর্টে ডিএসবির এক এসআই আমার কাছ থেকে তা নেয় তার নাম
আমি একটা পাসপোর্ট করার।জন্য প্রথম। ইউনিয়ন পরিষদে যাই সেখান থেকে ৫০০ টাকা দিয়ে পাসপোর্ট করার জন্য ফর্ম কার্যক্রম সম্পূর্ণ করি করি।চলে চাই চাঁদপুর সোনালি ব্যাংক , সেখার সরকারী ফি সম্পন্ন করে। তার চাঁদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সিরিয়ালে দাঁড়াই চেকিং রুমে যাওয়ার পরে আমাকে বলে আমার ফর্মে ভুল আছে ঠিক করে নিয়ে আসি। তার সেখানে থেকে বের হয়ে পাসপোর্ট অফিসে সামনে ছোট দোকান আছে সেখানেই যাই,তার আমার কাগজ পত্র দেখাই, সে আমাকে বলে ভাই এখানে কোন ভুল নেই,আপনি কি কোন দালাল ধরে আইছেন এখানে।আমি বললাম ন। সে আমাকে জবাব দিল,তাহলে আপনার পাসপোর্ট হবেনা,বললাম কেন? সে আমাকে বলল এখানে সিক্রেট কোড আছে সেটাই নেই অর্থাৎ, দালালের যেই কোড আছে সেটাই নেই,তাই আপনার কোন দালালের মধ্যেই পাসপোর্ট করতে হবে।
আমি পাসপোর্ট করতে গিয়ে,, চারবার ঘুরে আসছি অফিস থেকে আমার কাগজ ,, তারা জমা নিচ্ছে না,,পাসপোর্ট অফিসের লোক বলছে কম্পিউটারের দোকানে যান ওনারা বুঝিয়ে দিবে,,, আমি দোকানে গেলাম তারপর তারা বলতেছে,, সবাই করে আসছে আপনি কেন পারছেন না,,আপনার কাগজের নিচে সাইন নাই,, কম্পিউটারের দোকানদার বলল ১০ হাজার লাগবে আপনি অনেকবার গিয়ে ঘুরে আসছেন সেজন্য,,, অথচ ৬ হাজার টাকার জিনিস চার হাজার টাকা বেশি দিয়ে করতে হয়েছে,, এছাড়া কোন ওয়েতে আমি করতে পারিনি,,।
বিদেশে চাকরি করার জন্য পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম আমার কিছু প্রয়োজনীয় কাগজ জমা দিয়েছিলাম নিজে গিয়ে এবং পাসপোর্ট অফিসের কর্মচারীদের কাছে তারা বলল তোমার কাগজে অনেক ভুল আছে ভুলগুলো সংশোধন করে নিয়ে এসো আমি পরের সপ্তাহে সংশোধন করে নিয়ে এসেছিলাম ওই পাসপোর্ট অফিসে তারা আবারা বলল আমার নাকি আরো কিছু ভুল আছে পাসপোর্ট অফিস থেকে বাইর হয়ে আসলাম একটা লোক বলল কি সমস্যা ভাই আমি বললাম স্যার কথা বল বলল আমাকে দুই হাজার টাকা দাও সব সমস্যা সমাধান করে দিব আমি টাকা দেওয়ার সাথে সাথেই আমার ফাইলটা প্রস্তুত হয়ে গেল এ থেকেই বুঝতে পারলাম আমার দেশ কতটুকু দুর্নীতি বা ঘুষ সরকারি অফিস গুলো এরকমভাবে লেনদেন করা হয় তারপরে আমি পাসপোর্ট পেয়ে বিদেশে চাকরির উদ্দেশ্যে চলে আসলাম
নতুন পাসপোর্ট করার সময় সব কাগজপত্র ঠিক ছিল, তবুও ভুল বের করে ফিরিয়ে দিচ্ছিল। পরে অফিসের নিচে দালাল কাগজ দেখে বলল, ঠিক করে দিচ্ছি, কাগজ দিন। কাগজ দিলাম, সে শুধু একটা ছোট সিল মেরে দিল। ওই একই কাগজ নিয়ে পরের বার লাইনে দাঁড়িয়ে জমা দিলে অ্যাপ্রুভ করে দিয়েছে।
আমি পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করি, ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে আসি, অনলাইনে আবেদন করতে সরকারি যত টাকা লাগে সেটা আমি ব্যাংকে দেয়। তারপর যখন পাসপোর্ট আনতে যায় তখন তারা বলে আমার পাসপোর্ট রেডি হয়নি। তারপর তারা একটা তারিখ দেয় তখনও বলে রেডি হয়নি। পরে যখন আমি ভালো করে তাদেরকে জিজ্ঞেস করি তখন তারা বলে যে, ২০০০ হাজার টাকা দিলে একদিনের মধ্যে পেয়ে যাব। তারপর বাধ্য হয়ে তাকে টাকা পরিশোধ করি। পরের দিনই আমাকে পাসপোর্ট দিয়ে দেয়।
Rangamati passport office e ready passport anar somoi 2000 taka cai.nahole naki aro ek sopta por debe amr emergency cilo onk bolar por o deini pore 1000 tk deye Passport ante hoice.
পাসপোর্ট করার জন্য যা যা সরকারি দপ্তরের সাইটে লেখা আছে সব সহ যাই। এরপরও এটা সেটা চেয়ে ঘুরাতে থাকে। প্রথমে নাগরিকত্ব সনদ। এরপর বাড়িওয়ালার অনাপত্তিপত্র, এরপর বাড়িওয়ালার এনআইডি ফটোকপি। শেষে পাশের এক কম্পিউটার দোকান থেকে ২০০০ টাকা দেয়ার পর ফাইল জমা নেয়। তখন আর এসব কিছুই লাগেনি। ফাইলের কোনায় একটা দাগ দিয়ে দেয়। সেই দাগ দেখেই ফাইল ওকে করে জমা নিয়ে নেয়
পাসপোর্ট দ্রুত করে দেয়ার কথা বলে টাকা নিয়েছে। তবুও দেরিতেই পেয়েছি
দালালরা আমার পাসপোর্ট করে দিবে সেই বিনিময়ে তারা বিশ হাজার টাকা চেয়েছিল
দালালের মাধ্যমে টাকা চাওয়া হয়েছে।