সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

২,০৭২ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
পাসপোর্ট অফিস

New or renew passport

পাসপোর্ট অফিসে সবকিছু ঠিক থাকার পরেও বারবার ঘুরিয়ে টাকা নিয়ে দালালের মাধ্যমে কাজ করে দিয়েছে। সিরাজগঞ্জ পাসপোর্ট অফিস।

ঘুষ দিয়েছি
Sirajganj ৳২.০ হাজার
২২ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

application status enquiry

আমার আবেদনটির অবস্থা জানতে কয়েকবার অফিসে যোগাযোগ করেও পরিষ্কার উত্তর পাচ্ছিলাম না। একদিন একজন দালাল আমাকে বলেন, সংশ্লিষ্ট ডেস্কে কথা বলে ফাইলের বর্তমান অবস্থা জানাতে এবং দ্রুত নড়াচড়া করাতে ১১,৯০০ টাকা দিতে হবে। আমি জানতাম এটি নির্ধারিত ফি নয়, কিন্তু দীর্ঘ অপেক্ষার কারণে রাজি হয়ে যাই। টাকা দেওয়ার পর তিনি আমাকে ফাইলের অগ্রগতি জানান এবং পরের সপ্তাহে নতুন বার্তা পাই।

ঘুষ দিয়েছি
Agargaon ৳১১.৯ হাজার
২২ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

passport information correction

পাসপোর্টে মায়ের নামের বানান সংশোধনের আবেদন নিয়ে অফিসে যাই। আমার আবেদনটি দেখছিলেন এমন একজন ব্যক্তি বলেন, সংশোধনের ফাইল আলাদা করে খুঁজে অনুমোদনের জন্য পাঠাতে অতিরিক্ত ৯,৬৫০ টাকা লাগবে। তিনি এটিকে সরকারি ফি হিসেবে কোনো রসিদে দেখাতে পারবেন না বলেও জানান। ভুলটি দ্রুত ঠিক করা দরকার ছিল, তাই অনিচ্ছা সত্ত্বেও আমি টাকাটি পরিশোধ করি এবং সংশোধনের কাগজ জমা নেওয়া হয়।

ঘুষ দিয়েছি
Keraniganj ৳৯.৭ হাজার
২২ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

passport renewal

পাসপোর্ট নবায়নের আবেদন নিয়ে দ্বিতীয়বার অফিসে গেলে একজন মধ্যস্থতাকারী আমার সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, ফাইলে ছোটখাটো অসঙ্গতি দেখিয়ে আবেদন ফেরত পাঠানো হতে পারে, কিন্তু ৬১,২৫০ টাকা দিলে ভেতরের কর্মী সেটি ঠিকভাবে এগিয়ে দেবেন। আমি বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিত ছিলাম না, তবু দীর্ঘ বিলম্ব এড়াতে শেষ পর্যন্ত অনানুষ্ঠানিক অর্থ প্রদান করি। এরপর আমার আবেদনটি পরবর্তী পর্যায়ে পাঠানো হয়।

ঘুষ দিয়েছি
Uttara ৳৬১.৩ হাজার
২২ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

biometric enrolment

বায়োমেট্রিক দেওয়ার নির্ধারিত দিনে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার সময় একজন কর্মচারী আমাকে আলাদা করে বলেন, নিয়মিত সিরিয়ালে আজ আমার কাজ নাও হতে পারে। ১২,৮০০ টাকা দিলে দ্রুত আঙুলের ছাপ ও ছবি নেওয়ার ব্যবস্থা করবেন বলে তিনি জানান। অপেক্ষা ও যাতায়াতের সমস্যা থাকায় আমি শেষ পর্যন্ত চাওয়া টাকাটি দিয়ে দিই। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই আমার বায়োমেট্রিক সম্পন্ন হয়।

ঘুষ দিয়েছি
Aftabnagar ৳১২.৮ হাজার
২২ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

passport information correction

আমার পাসপোর্টের নামের বানান সংশোধনের জন্য আগারগাঁও অফিসে আবেদন জমা দিই। কাগজপত্র পরীক্ষা করার পর কাউন্টারের একজন কর্মী আমাকে আলাদা করে বলেন, অতিরিক্ত টাকা দিলে সংশোধনের কাজ দ্রুত শেষ হবে, নইলে ফাইল অনেকদিন পড়ে থাকতে পারে। তিনি ১৮,৭৫০ টাকা চান। আবেদনটি জরুরি হওয়ায় এবং দেরির আশঙ্কায় আমি শেষ পর্যন্ত ওই অনানুষ্ঠানিক টাকা পরিশোধ করি। পরে আমার আবেদনটি গ্রহণ করে সংশোধিত পাসপোর্ট দেওয়ার সম্ভাব্য তারিখ জানানো হয়।

ঘুষ দিয়েছি
Agargaon ৳১৮.৮ হাজার
২২ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

Passport নতুন করা

আমরা ৪ জন পাসপোর্ট ফাইল জমা দিতে যাই।নিজেরাই অনলাইন আবেদন করে।সব কাগজ ঠিক ছিল আমাদের । পাসপোর্ট অফিসের ১০১ এ ২ জন কর্মকর্তা রিজের্ট করেন ।দেখান যেন একজন আংকেল এর বাবার নাম উনার বাবা NId থেকে উনার NId একটা শব্দ আলাদা ছিল।তাই সবার আমাদের অন্য দিন এ ডেট দেন।পরে পরিচিত একজন আমাদের passport অফিসের পাসে কম্পিউটার দোকানে যেতে ড বলল।আমরা গেলাম ।তারা অফিসের সাথে কথা বলে ওইদিনে ফ্রিঞ্গার প্রিন্ট ও ছবি পাসপোর্ট অফিসের করে দিবে ।তবে যদি জনপতি১৩০০ টাকা দিই ।তবেই ওইদিন এ করে দিত

ঘুষ দিইনি
Thakurgaon ৳১.৩ হাজার
২২ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্টের আবেদন

এখানে ঘুষের আদানপ্রদানটা হয় মূলত ওপেন সিক্রেট ভাবে। আপনি যদি পাসপোর্ট অফিসের সামনের ফটোকপির দোকান গুলো থেকে এক্সট্রা টাকা দিয়ে পেমেন্ট চালান স্লিপে কোড সিল মেরে না নিয়ে কাগজ জমা দিতে যান আপনাকে তারা প্রচন্ড হ্যারাস করবে। মূল কাবিননামা, সার্টিফিকেটের কপি, জাতীয়তা সনদ, যত রকম কাগজ চাওয়া পসিবল, সব চাইবে। আর যদি ১২০০ বা ১৫০০টাকা বেশি দেন, তাহলে সেই দোকান গুলো থেকে কাগজে একটা সিল দিয়ে একটা সাইন দিয়ে দিবে। আপনি বিনা বাধায় কাগজ জমা দিয়ে বের হয়ে আসতে পারবেন। আমার সামনে অন্তত ৫জনকে তারা ফিরিয়ে দিয়েছে নানান রকম কাগজ চেয়ে। সেখানে আমি ১২০০ টাকা বেশি দিয়েছিলাম তাই কোনো ঝামেলা ছাড়াই, শুধু স্মার্ট এনআইডির কপি দিয়ে কাজ সম্পন্ন করেছি।

ঘুষ দিয়েছি
জামালপুর ৳১.২ হাজার
২২ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট ফিঙ্গার প্রিন্ট

যাচাই বাছাই এর সময় বলে আমার কাগজে সমস্যা আছে । জিজ্ঞেস করলাম কোথায় সমস্যা বলে খতিয়ান, কারেন্ট বিল বং চং । যাওয়ার সময় এক দালাল বুঝতে পারলেন । বললেন উনার লোক আছে । এপ্লিকেশন এর পেছনে একটা সিরিয়াল নম্বর লিখলেন তারপর বললেন সরাসরি জমা দিতে । আমি সরাসরি ওই অফিসারের কাছে জমা দিলাম। সে নম্বরটি দেখে আর কিছু বললেন না । আমাকে ভেতরে পাঠিয়ে দিলেন । তবে একটা জিনিস লক্ষ করলাম ২ বার ওই অফিসারের সামনে গিয়েছি, তিনি আমার চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারেননি। বুঝলাম আসলে এসব ইতরামি করে টাকা খাওয়া যায় কিন্তু তাতে আত্ম সম্মান থাকে না ।

ঘুষ দিয়েছি
কুমিল্লা ৳১.৫ হাজার
২২ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট ফাইল জমা নেয় নাহ, ফিরাই দিসে ফাইল ঠিক থাকার পরও।

পাসপোর্ট ফাইল জমা নেয় নাহ, এজন্য দিসি, দেওয়ার পর ঠিকি এই ফাইলটাই জমা নিছে পরে।

ঘুষ দিয়েছি
কুমিল্লা ৳১.৫ হাজার
২২ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

নতুন পাসপোর্টের আবেদন

আমার পূর্বে জানা ছিল পাসপোর্টে অফিসে ঘুষ না দিলে পাসপোর্টের আবেদন কপি জমা দিতে সমস্যা হয়। তাই নিরুপায় হয়ে ঝামেলা এড়াতে ১০ বছরের মেয়াদে রেগুলার পাসপোর্টের জন্য ৮৫০০৳ দিতে হয়, কিন্তু সরকারি ফি ৫৭৫০৳। আমার একদিনেই সব মিটে যায়। এবং পাসপোর্টের ভেরিফিকেশনের জন্য নিকটবর্তী থানা থেকে পুলিশ ফোন দিলে তার সাথে দেখা করতে যাই, সে ৫০০৳ টাকা দাবি করে । পরে আমি দালালের নাম বললে ঐ পুলিশ দালালকে ফোন করে। সমস্যা সমাধান।

ঘুষ দিয়েছি
Tangail ৳৮.৫ হাজার
২২ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

নতুন পাসপোর্ট আবেদন

আমি আমার ছোট ভাইয়ের জন্য পাসপোর্টের আবেদন করি। বাবা কৃষক ছিলেন কিন্তু NID-তে ব্যবসায়ী হিসেবে ছিল, এরকম প্রায় ৩টি ভুল দেখিয়ে আমাদের দোতলায় একটা রুমে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দেখি আমাদের মতো আরও অনেক লোক। কথা এবং টাকা যা হবে ওই রুম ছাড়া হবে না। পাসপোর্ট অফিসের প্রধান নিজে সেই রুমে ঢুকে বললেন তার সহকর্মী যা বলে তা শুনতে। ওই রুমে ঢোকার পর মোবাইল জমা নেওয়া হয়। লালমনিরহাট পাসপোর্ট অফিস।

ঘুষ দিয়েছি
Lalmonirhat ৳৫.০ হাজার
২২ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট নিবন্ধন

আমি পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম। সকল ডকুমেন্টস ঠিক ছিলো। তবুও আমার ডকুমেন্টস রিজেক্ট করে এবং বলে যে নাগরিক সনদ লাগবে যদিও আমার NID ছিলো। আমি বলেছি এই ডকুমেন্টস লাগে সেটা তো কোথাও দেখিনি। উনি কোন কথায় বলেনি।পাশে দাড়ানো আনসার আমাকে বলেছে ২০০০ হাজার দেন, সব ঠিক হয়ে যাবে। আমি পরবর্তীতে সরাসরি এডির রুমে যায়, উনাকে সব বলি উনিও আমার সাথে বিরক্তিকর সুরে কথা বলে। তারপর বলে আমার অফিসে কোন ঘুষ নাই, আপনাকে সন্দেহ করেছে তাই নাগরিক সনদ চেয়েছে।পরে বললাম আমি ঢাবির স্টুডেন্ট, রাজশাহীতে তেমন থাকি না।যদি সম্ভব হয় বিষয় টা দেখেন। পরে একটা সাইন দিলো আমার কাজ হয়ে গেলো।আর আনসারকে আসার সময় বললাম ভাই সবাইকেই মরতে হবে।টাকায় জীবনের সবকিছু না।

ঘুষ দিইনি
রাজশাহী ৳২.০ হাজার
২২ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

নতুন পাসপোর্ট তৈরির জন্য আবেদন জমা নেওার জন্য দালাল দ্বারা ঘুশ গ্রহন

— Passport office er samnei bosen, cotto ekta computer এর দোকান নিয়ে। তার নম্বর হলো ০১৭৪*****০৫, প্রথমে আমি নিজেই অনলাইনে আবেদন করে আবেদনের কপি জমা দিতে যায়, সেখানে আমি পর পর ২-৩ দিন ফিরিয়ে দেওয়া হই পর্যাপ্ত কাগজ থাকা সত্তেও যে পিতামাতার ভোটার আইডিকার্ডের অরিজিনাল কপি লাগবে। আমি ল্যামিনেট করে একটি কপি নিয়ে যাওয়ার পর আমাকে বলা হয় এখন তৈরি করে নিয়ে গেলে হবে না, পূর্বের পরে থাকা আসল কপিটি লাগবে, এটা একটা আজব চাওয়া। আর বুঝতে বাকি রইলো না যে আমাকে সিস্টেম এর মধ্যে দিয়েই যেতে হবে, যেহেতু জরুরী প্রয়োজন ছিলো তাই বাধ্য হয়ে দালাল দিয়ে কাজটা করিয়েছি, মজার বিষয় হলো দালাল এর সাথে যোগাযোগ করার সঙ্গে সঙ্গে সুধু মাত্র আমার আবেদনের কপি এবং ভোটার আইডি কার্ড এর কপি টি লাগলো, প্রমাণস্বরূপ অডিও আছে

ঘুষ দিয়েছি
কুষ্টিয়া ৳১.৭ হাজার
২২ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য