নতুন পাসপোর্ট করা
নতুন পাসপোর্ট করতে গেলে পুলিশ ভেরিফিকেশন নামে সার্কেল পুলিশ কর্মকর্তা ১২০০ আমাকে দিতে ব্যাধ করে,
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নতুন পাসপোর্ট করতে গেলে পুলিশ ভেরিফিকেশন নামে সার্কেল পুলিশ কর্মকর্তা ১২০০ আমাকে দিতে ব্যাধ করে,
আমি ১ম অনলাইনে নিজে আবেদন করে সেটা প্রিন্ট করে ঢাকা যাত্রাবাড়ির পাসপোর্ট অফিসে যাই।৫ ঘন্টা লাইনে দাড়িয়ে ভিতরে যাই, অফিসার আইডি দেখে বললো আপনার জেলায় যান এবং আবেদন কেটে দিল। এরপর এটা নিয়ে কুড়িগ্রাম পাসপোর্ট অফিসে যাই,সেখানকার দায়িত্বর অফিসার বললো কাটা আবেদন চলবে না নতুন লাগবে।নতুন নিতে এটা আগে বাতিল করতে হবে। ১ বছর পর হবে। পরে ওখানকার এক দালালের দেখা হলে সে বলে আমাকে দেন আজই করে দিব টাকা দিতে হবে ৯০০০। পদ বললাম ব্যাংকের টাকা জমা দিছি।তখন বলে ২৫০০ টাকা তাহলে লাগবে।তাহলে আমার ১০ বছরে ৭০০০+২৫০০=৯৫০০-২০০ =৯৩০০ টাকা। ১ বছর সময় লাগবে তাই দিতে রাজি হলাম। দালাল আবেদন করে দিয়ে আমাকে পাঠাল তাকে( সেই অফিসার) কানে কানে কি বলে আসলো আর কোড লিখে দিল। এরপর ওইদিন ছবি, ছাপ সব নিলো ওই অফিসার কোন প্রশ্ন করলো না।
২০২০ সালে পাসপোর্ট করতে যাই তখন দুইবার অরজিনাল কাগজ নিয়ে যাই উক্ত অফিসে৷ কিন্তু কাগজ দেখে তারা বলে এটা কম ওটা কেন লিখছেন? বিভিন্ন অযুহাত দেয় এবং আমাকে পুলিশ সদস্য দিয়ে হ্যারেজ করে অথচ আমি নিজের ভাইয়া আবেদন করেছে অনলাইনে পেপার৷ তারা আমাকে দালাল বানানো চেষ্টা করে দুইদিন যাওয়ার পর বিরক্ত হয়ে যাই৷ দালালের মাধ্যমে ১৫০০ টাকা ঘুষ দিয়ে জাস্ট কয়েকটা পেপার যখন নিয়ে লাইনে দাড়াই তারা আগের থেকে অথেনটিক পেপার ছাড়াই জমা নেয় পাসপোর্ট করে দেয়৷ পাসপোর্ট অফিসের ভিতরের চ্যানেল আছে তারা সত্যায়িত সিল আর সাইন দেখে বুঝে এটা কোন দালালের৷ ২য় বার নবায়ন করতে আগের অভিজ্ঞতা থেকে দালালের মাধ্যমে এই নবায়ন করে নেই তাও ১৫০০ বেশি দিয়ে৷
আমি কোনো দালাল ছাড়া পাসপোর্ট নবায়ন করতে গেলে বলে কমিশনার সার্টিফিকেট এর সমস্যা আছে হবেনা আবেদন ফর্ম এ দালালের নির্দিষ্ট কিছু সংকেত আছে সেটা দেখে তারা জমা নিচ্ছে তাদের কমিশনার সার্টিফিকেট না থাকা সত্বেও আমি বললাম এটা তাহলে কেন নিলেন তখন একজনকে দেখিয়ে বলে তার সাথে কথা বলেন কথা বলার পর তিনি বলে ২০০০ টাকা দেন কোনো কাগজ লাগবেনা সব আমি বুঝবো কাজ হয়ে যাবে
নতুন পাসপোর্ট করার জন্য সকল কাগজপত্র জমা দিই, কিন্তু আমার পুলিস ভেরিফিকেশন করার সময় পাসপোর্ট অফিসে ২০০০ টাকা জমা দিতে বলা হয়। পরে আরও ৫০০ টাকা দাবি করে, যা বিকাশের মাধ্যমে আরেকজনের কাছে পাঠানো হয়। নিজের নম্বরে কিন্ত জমা নেই নি। আজব একটা সিস্টেম রে ভাই। আমরা নাগরিকরা সবাই দোচণে আছি।
Passport officer Ansar sodossorae amk deke Nia ghush dabi korte silo.ghush dile oray sob kore dibe.
সব ডকুমেন্টস ঠিক থাকার পরেও পাসপোর্ট প্রতি ১৫০০টাকা করে দিতে হয়েছে।
personal service ar jonno tk niche
নতুন পাসপোর্ট করার সময় আমার কাছে ১৫০০ টাকা বেশি দাবি করছে,এক টাকা কম হলেও নাকি হবেনা, পাসপোর্ট টা যেহেতু আমার খুব প্রয়োজন, তাই করেই ফেলছি।
নতুন পাসপোর্ট অতিরিক্তদাবি,
আমাদের পাসপোর্ট করতে গেলে, কতটা হয়রানি পোহাতে হয়, কক্সবাজারের নাগরিক হয়ে ও আমরা সেবা পাই না, ভিন্ন দেশের রোহিঙ্গাদের যেভাবে টাকা খেয়ে কাজ করে, কিন্তু আমরা ঘুষ না দিলে করে না,সরকারি সেবা পেতে ও আমাদের স্টুডেন্ট বলেন, সাধারণ মানুষ বলেন নাজেহাল করে।
পাসপোর্ট নবায়নের ক্ষেত্রে আর্জেন্ট করা দরকার ছিল পরবর্তীতে ৩ হাজার টাকা অতিরিক্ত দিয়ে আর্জেন্ট পাসপোর্ট করিয়ে দিয়েছিল ব্যাংক ড্রাফ টাকা বাদেই,না হয় বলেছিল 15 দিন সময় লাগবে তাই ৩০০০ টাকা দিয়েই ৫দিনের মধ্যে নবায়ন করেছি।
টাকা না দিলে পাসপোর্ট করতে দিবে না, টাকা দিলে করতে দিবে।
ঝিনাইদহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে নতুন পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করতে গেলে সকল কাগজ সঠিক থাকার পরেও ফাইল ছুড়ে মারে এবং বলে আপনি পাসপোর্ট পাবেন না,আপনার কাগজে ভুল আছে,কি ভুল আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আপনি নিজেই খুজে দেখেন কোথায় ভুল করেছেন। কিন্তু কোন ভুল দেখাতে পারেন নি,পরে এডি স্যার এর রুমে ফাইল নিয়ে দেখালে তিনিও বলেন কাগজপত্র সঠিক আছে।নিচের ডেস্কে বসা ব্যাক্তিকে ডেকে কথা বলেন এবং আমাকে সাথে করে নিচে নামার সময় বলেন ২০,০০০ টাকা দিয়ে যান, কোন কাগজ ঠিক করা লাগবে না,১ সপ্তাহ পরে এসে পাসপোর্ট নিয়ে যাবেন,টাকা দেইনি বলে আজ ৭ দিন পাসপোর্ট অফিসে ঘুরে ঘুরে আজো পাসপোর্ট করতে পারিনি। আজ আবার আবেদন বাতিল করে দিয়েছে।
আমি কুমিল্লা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আমার পাসপোর্টের আবেদন জমা দিতে গিয়েছিলাম। আমার প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র সঠিক ও সম্পূর্ণ থাকা সত্ত্বেও সেদিন আমি ফাইলটি জমা দিতে পারিনি। কারণ আমি কোনো দালালের সহায়তা না নিয়ে নিজে সরাসরি পাসপোর্টের আবেদন জমা দিতে গিয়েছিলাম। বিষয়টি আমার জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক ছিল।
There are so many broker in front of Passport office ,Agargaon where they requested me to provide 10 k taka bribe and that person communicate with officer where the token were given ( Mathar chul kom) and he just take the money and communicate with high official and broker to settle the dead. Unfortunately that day the server was not functioning, the broker told me if you want to make the pasport you have to go to Siddirganj branch-Narayanganj, can I arrange it? Then I went to Siddirganj Passport office and agreed to provide 10 k taka to respective broker and he sent me to Siddirganj and I give my finger. This is the process of ghush, but after getting the passport, i didn't provide gush.
নতুন আবেদন করলে সেখানে পেশা শ্রমিক দেওয়ার কারণে এটি জমা নেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে ১৫০০ টাকা দিয়ে জমা দেওয়া হয়েছে।
আমি কুমিল্লা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আমার পাসপোর্টের আবেদন জমা দিতে গিয়েছিলাম। আমার প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র সঠিক ও সম্পূর্ণ থাকা সত্ত্বেও সেদিন আমি ফাইলটি জমা দিতে পারিনি। কারণ আমি কোনো দালালের সহায়তা না নিয়ে নিজে সরাসরি পাসপোর্টের আবেদন জমা দিতে গিয়েছিলাম। বিষয়টি আমার জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক ছিল। পরে দালালের সহযোগিতায় অবশেষে পাসপোর্ট এপ্লিকেশন জমা করে পাসপোর্ট পাই । উল্লেখ্য সব মিলিয়ে আমার পাসপোর্ট ৪ টি । ১ কি সিঙ্গাপুরে করিয়েছি কোন ঘুষ ছাড়া, বাকি তিনটি বাংলাদেশে ঘুষের বিনিময়ে।
সাল ২০২২ মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়। পাসপোর্ট করার সময় পুলিশ ভেরিফিকেশন এর সময় পুলিশ আমাকে বলে খরচের টাকা দাও। পরে আমি বলি কিসের টাকা উনি বলে টাকা দিতে হয় সবাইকে খরচের টাকা পরে আমি উত্তরে বলি আপনাকে তো গভমেন্ট সরকার টাকা দেয় আমি কেন টাকা দিব আপনাকে কি বেতন দেয় না? আপনার কাজই তো এটা, আমি তো স্টুডেন্ট টাকা পাবো কোথায়; পরে উনি আমাকে জোরজবস্তি করে বলে যে এটা না দিলে তোমার প্রবলেম হবে আমি চাইনা তোমায় কোন সমস্যায় পড়ো তারপর আমি ভয়ে উনাকে টাকা দিয়ে আসছি ইচ্ছার বিরুদ্ধে
মোহাম্মদপুর বেরিবাদ এলাকায় পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম প্রথমে আমার কাগজ দেখে বলে দেখা করবে অনেক সমস্যা আছে আপনি পরে আসেন তারপর এক দালাল আছে বলে ওকে আপনি আড়াই হাজার টাকা দিয়েন আমি পাসওয়ার্ড করে দেবো আমি বাধ্য হয়ে আড়াই হাজার টাকা দেই তারপর আমার পাসপোর্ট করে দেয়