পাসপোর্ট
নতুন পাসপোর্ট অতিরিক্তদাবি,
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নতুন পাসপোর্ট অতিরিক্তদাবি,
oikhaner ek ansarke 1500 taka ghus diyeci
নতুন পাসপোর্ট করতে গেলে পুলিশ ভেরিফিকেশন নামে সার্কেল পুলিশ কর্মকর্তা ১২০০ আমাকে দিতে ব্যাধ করে,
নতুন পাসপোর্ট করার জন্য সকল কাগজপত্র জমা দিই, কিন্তু আমার পুলিস ভেরিফিকেশন করার সময় পাসপোর্ট অফিসে ২০০০ টাকা জমা দিতে বলা হয়। পরে আরও ৫০০ টাকা দাবি করে, যা বিকাশের মাধ্যমে আরেকজনের কাছে পাঠানো হয়। নিজের নম্বরে কিন্ত জমা নেই নি। আজব একটা সিস্টেম রে ভাই। আমরা নাগরিকরা সবাই দোচণে আছি।
২০২০ সালে পাসপোর্ট করতে যাই তখন দুইবার অরজিনাল কাগজ নিয়ে যাই উক্ত অফিসে৷ কিন্তু কাগজ দেখে তারা বলে এটা কম ওটা কেন লিখছেন? বিভিন্ন অযুহাত দেয় এবং আমাকে পুলিশ সদস্য দিয়ে হ্যারেজ করে অথচ আমি নিজের ভাইয়া আবেদন করেছে অনলাইনে পেপার৷ তারা আমাকে দালাল বানানো চেষ্টা করে দুইদিন যাওয়ার পর বিরক্ত হয়ে যাই৷ দালালের মাধ্যমে ১৫০০ টাকা ঘুষ দিয়ে জাস্ট কয়েকটা পেপার যখন নিয়ে লাইনে দাড়াই তারা আগের থেকে অথেনটিক পেপার ছাড়াই জমা নেয় পাসপোর্ট করে দেয়৷ পাসপোর্ট অফিসের ভিতরের চ্যানেল আছে তারা সত্যায়িত সিল আর সাইন দেখে বুঝে এটা কোন দালালের৷ ২য় বার নবায়ন করতে আগের অভিজ্ঞতা থেকে দালালের মাধ্যমে এই নবায়ন করে নেই তাও ১৫০০ বেশি দিয়ে৷
পাসপোর্ট এর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার জন্য সিরিয়াল নাম্বার ৪৩৮ লিখে দেয়, তারপর বলে আপনি কোত্থেকে এসেছেন, আমি বলি ঢাকা থেকে এসেছি, তারপর সে বলে আপনার তো অনেক দেরি হয়ে যাবে আপনি আমাকে 500 টাকা দিন আপনার কাজ দ্রুত করে দিব। আমার আবার ওই দিন ঢাকায় ফিরা লাগবে, আমি অনেক রিকোয়েস্ট করি। তারপর সে বলে ঠিক আছে 400 টাকা দেন। একটা আনসার আমার কাছ থেকে টাকাটা নিছে
নতুন পাসপোর্ট করার সময় আমার কাছে ১৫০০ টাকা বেশি দাবি করছে,এক টাকা কম হলেও নাকি হবেনা, পাসপোর্ট টা যেহেতু আমার খুব প্রয়োজন, তাই করেই ফেলছি।
personal service ar jonno tk niche
২০২৫ ডিসেম্বরে পাসপোর্ট অফিস পাঁচলাইশে নিজে নিজে আবেদন করে কপি নিয়ে গেছিলাম বিভিন্ন ভুল ধরে আমাকে একবার ২তলা আবার নীচ তলা ঘুরাতে থাকে এর পর বাইরে মন খারাপ করে দাঁড়িয়ে ছিলাম এক দালাল ২৫০০ দিলে পাসপোর্ট করে দিতে পারবে বলে। অনেক দরদাম করে ২২০০ টাকা চুক্তি হয়। একি আবেদন পত্র দালাল তাদের মেইল লিখে দিয়ে পাঠায় জমা দিতে তাও তারা আবেদন নিতে অস্বীকার করে। এরপর দালালের সাথে কথা বললে দালাল পাসপোর্ট অফিসে কথা বলে জানায় আমি নাকি ওদের সাথে তর্ক করেছি তাই আমাকে শাস্তি দেওয়ার জন্য আজ জমা নিবে না। সারা দিন না খাওয়া এবং খুব অসুস্থ ছিলাম অনেক কাকুতি মিনতি ওদের মন গলাতে পারি নি। যে পাসপোর্ট আবেদনে আগের দিন ভুল আছে বলে নেয় নি, দালাল পরের দিন আরো ৫০০ দাবি করে, ৫০০ দিয়ে মোট ২৭০০ দিয়ে সেইম আবেদন দিয়ে পাসপোর্ট বানাই।
পাসপোর্ট নবায়নের জন্য সরকার নির্ধারিত নবায়ন ফি জমা দিয়ে কাগজপত্র জমা দিতে গেলে তাদের সার্ভারে ডাটা নাই বলে তথ্য নতুন ইনপুট দিতে হবে এবং ৫০০ টাকা দিতে হয়। অথচ ডাটা ইনপুট ও অন্যান্য কাজ ঐ অফিসের দায়িত্ব যার জন্যে বিপুল নবায়ন ফি সরকারি তহবিল জমা করেছি।
সব ডকুমেন্টস ঠিক থাকার পরেও পাসপোর্ট প্রতি ১৫০০টাকা করে দিতে হয়েছে।
অফিসার আমার আবেদন ক্যান্সেল করে দিয়েছিল। আমার ভুল ছিল আমার ওয়াইফ নাম এড করেছি। আগে আমি সিংগেল ছিলাম। এখন বিবাহিত। তাই বিয়ের রেজিস্ট্রার দেখাতে হবে। কিন্ত আমাদের হিন্দু দের মধ্যে এখনও সে ভাবে বিয়ের রেজিষ্ট্রেশন শুরু হয়নি। পরে দালাল এর মাধ্যমে ২ হাজার টাকা দিয়ে যে আমার ফাইল ক্যান্সেল করেছিল, তাকে দিয়েই অনুমোদন করায়।
আমি ইমারজেন্সি পাসপোর্ট করতে আবেদন করি কিন্তু পাসপোর্ট অফিসে জমা দিলে তারা বিভিন্ন অজুহাতে ফাইল ফিরে দেই পরে একটা দালালকে দিছি সে আমার থেকে সর্বমোট ১৭০০০টাকা চাই, আমি তখন তাকে টাকা টা দিয়ে দিছি তখন সে বলে তুমি পাসপোর্ট অফিসে যাও সেখানে আমার মানুষ আছে পরে সে যে ভাবে বলছে সে ভাবে গিয়ে তার নাম বলে জমা দিছি কিছুক্ষণ পর সেটাতে সাইন করে দিয়ে দেই!
আমি কুমিল্লা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আমার পাসপোর্টের আবেদন জমা দিতে গিয়েছিলাম। আমার প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র সঠিক ও সম্পূর্ণ থাকা সত্ত্বেও সেদিন আমি ফাইলটি জমা দিতে পারিনি। কারণ আমি কোনো দালালের সহায়তা না নিয়ে নিজে সরাসরি পাসপোর্টের আবেদন জমা দিতে গিয়েছিলাম। বিষয়টি আমার জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক ছিল। পরে দালালের সহযোগিতায় অবশেষে পাসপোর্ট এপ্লিকেশন জমা করে পাসপোর্ট পাই । উল্লেখ্য সব মিলিয়ে আমার পাসপোর্ট ৪ টি । ১ কি সিঙ্গাপুরে করিয়েছি কোন ঘুষ ছাড়া, বাকি তিনটি বাংলাদেশে ঘুষের বিনিময়ে।
মোহাম্মদপুর বেরিবাদ এলাকায় পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম প্রথমে আমার কাগজ দেখে বলে দেখা করবে অনেক সমস্যা আছে আপনি পরে আসেন তারপর এক দালাল আছে বলে ওকে আপনি আড়াই হাজার টাকা দিয়েন আমি পাসওয়ার্ড করে দেবো আমি বাধ্য হয়ে আড়াই হাজার টাকা দেই তারপর আমার পাসপোর্ট করে দেয়
আমাদের পাসপোর্ট করতে গেলে, কতটা হয়রানি পোহাতে হয়, কক্সবাজারের নাগরিক হয়ে ও আমরা সেবা পাই না, ভিন্ন দেশের রোহিঙ্গাদের যেভাবে টাকা খেয়ে কাজ করে, কিন্তু আমরা ঘুষ না দিলে করে না,সরকারি সেবা পেতে ও আমাদের স্টুডেন্ট বলেন, সাধারণ মানুষ বলেন নাজেহাল করে।
There are so many broker in front of Passport office ,Agargaon where they requested me to provide 10 k taka bribe and that person communicate with officer where the token were given ( Mathar chul kom) and he just take the money and communicate with high official and broker to settle the dead. Unfortunately that day the server was not functioning, the broker told me if you want to make the pasport you have to go to Siddirganj branch-Narayanganj, can I arrange it? Then I went to Siddirganj Passport office and agreed to provide 10 k taka to respective broker and he sent me to Siddirganj and I give my finger. This is the process of ghush, but after getting the passport, i didn't provide gush.
পার্সপোটের কাগজ জমা দিতে গিয়ে ফটোকপির দোকানদার এর মাধ্যমে তারা ঘুষ নেয়।টাকা দিলে কাগজে কোনো ভুল ধরে না এবং তাড়াতাড়ি দেয়।
পরপর ৫ দিন গিয়েছিলাম দীর্ঘ ২-৩ ঘন্টা লাইনে থেকে গেলে আমার Application লেটার এ তাদের কোড না থাকলে হুদাই একটা ইস্যু দিয়ে পাঠায় দেয়! যেদিন এক্সট্রা টাকা পে করেছি ওদিন আমার ৭-৮ টা অনিয়ম এর পর ও পাসপোর্ট সাবমিট হয়েছে!
আমি হজ্জের উদ্দেশ্য পাসপোর্ট করতে গেলে, সমস্ত কাগজ পত্র ঠিক থাকার পরেও আমাকে সার্টিফিকেট এর নামের মাঝে স্পেস নেই অথচ এনআইডি কার্ডের নামের মাঝে স্পেস আছে এটা বলে ফিরিয়ে দেয়। আমি সকাল থেকে দুইটা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। পরবর্তীতে বের হয়ে আসার সময় বাইরে থেকে একজন দালাল আমার কাছে ১৫০০টাকা চায় এবং বলে পাঁচ মিনিটে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে দিবে। আমার হাতে সময় কম থাকাই নিরুপায় হয়ে ১২০০ টাকার বিনিময়ে রাজি হয়। যেহেতু আমি হজ্জ এজেন্সিক অলরেডি টাকা জমা দিয়ে দিয়েছিলাম। বারোশো টাকার বিনিময়ে সাথে সাথে আমার ফিঙ্গারপ্রিন্ট করে দেয়।