নতুন পাসপোর্ট তৈরির সময়
আমি নতুন পাসপোর্ট তৈরির সময় অর্থটা পরিশোধ করেছিলাম
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি নতুন পাসপোর্ট তৈরির সময় অর্থটা পরিশোধ করেছিলাম
নতুন পাসপোর্টের জন্যে দিতে হয়েছে আমার সবকিছু ছিল
আমি পাসপোর্ট করতে গেছিলাম তারা আমার কাছে ১২ হাজার টাকা চাইছে সাথে আর অন্য অন্য খরচ আছে আমার তারা বলেছে সরকারি খরচে কোন পাসপোর্ট হয় না আমাদেরকে এই টাকা না দিলে আপনি পাসপোর্ট করতে পারবেন না আসলে কি সঠিক একটু জানাবেন
Ami tk.sara krbo bole sob documents niye gecilam.. Tbuo file joma nei nai. Pore AD r kase gclm onio ferot dise..pore baddo hoia dalal r maddome tk diye korsi..kuno documents nei nai sudu ID carad dkyei joma.nise
গত আগষ্ট মাসের ১৭ তারিখ 2026 আমি আঞ্চলিক পাসপোর্ট ময়মনসিংহ অফিসে পাসপোর্ট করার জন্য যাই আমার কাগজ পত্রে কোন ভুল ছিল না, তবুও কোন কারণ ছাড়া ছাত্র প্রমাণের অদ্ভুত দাবি করে বসেন সেখানে থাকা কর্মকর্তা। ফরমে পেশা 'ছাত্র' দেওয়ায় তারা প্রমাণ চাইলেন। আমি আমার এসএসসি (SSC) এবং HSC পরীক্ষার রেজাল্ট ও সার্টিফিকেট দেখালাম। কিন্তু তাদের দাবি—এতে হবে না, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে 'প্রত্যয়ন পত্র' এনে দিতে হবে। এখন এই সামান্য একটা প্রত্যয়ন পত্র আনার জন্য আমাকে ময়মনসিংহ থেকে আবার স্থায়ী ঠিকানার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে হবে! যদিও এটার উদ্দেশ্য ছিল আমাকে বিভ্রান্ত করা,যেন আমি এইসব কাগজপত্র এর হয়রানি নিজের মাথায় না নিয়ে বাহিরে তাদের দাঁড়িয়ে থাকা লোকেদের মাধ্যম ব্যবস্থা করি,তিন হাজার টাকা ঘুষ দাবি করা হয়।
I submitted all the required documents for my new passport according to the rules. On the day of my appointment, the officers repeatedly said there was a problem with my documents but did not clearly explain what was wrong. I had taken a day off from work, yet I was unnecessarily harassed. Later, an Ansar member asked whether I had come through anyone. When I said no, he demanded BDT 5,000, saying money had to be paid to the officers to resolve the issue. I eventually paid BDT 2,000, after which my passport process was completed. During police verification, I also had to pay BDT 1,500 to the police in Lakshmipur and BDT 1,000 to the police in Tongi. In total, I had to pay BDT 4,500 .
Regional Passport Office, Moulvibazar-এ পাসপোর্ট রিনিউ করতে কয়েকবার গিয়েছি, কিন্তু দালাল ছাড়া কোনোভাবেই কাজ হয়নি। বারবার বলা হয়েছে এটা ভুল, সেটা ভুল। প্রয়োজনীয় সংশোধন করে বহুবার জমা দেওয়ার চেষ্টা করেছি, তবুও গ্রহণ করা হয়নি। পরে একই কাগজপত্র নিয়ে দালালের মাধ্যমে গেলে শুধু শেষ পাতায় সামান্য পরিবর্তন করে দেওয়া হয়, যেখানে তাদের সাংকেতিক চিহ্ন ছিল। এরপর সঙ্গে সঙ্গেই সব ঠিক বলে আবেদন গ্রহণ করা হয়। মাত্র ২ হাজার টাকার জন্য আমাকে ৩–৪ বার আসা-যাওয়া করতে হয়েছে। এ ধরনের অভিজ্ঞতা সাধারণ মানুষের জন্য খুবই হতাশাজনক। আশা করি কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করবেন এবং দালালনির্ভরতা ও হয়রানি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেবেন।
Police verifier said that form has some wrong info, he will correct it by taking some money. Then he negitiates with 600.
আমি একজন কম্পিউটার দোকানদার, সব পেপার ঠিক থাকলেও টাকা ছড়া কাজ করে না.
আমার কম্পিউটারের দোকান আছে। জনগণকে পাসপোর্ট ফরম পূরণ করে পাঠালে তারা বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় কাগজপত্রের চাপ, সার্ভার সমস্যাসহ অনেক রকমের অজুহাত দিয়ে ফেরত পাঠায়। আবার বাইরে থাকা আনসার সদসদ্যকে অথবা অফিসের কাউকে ১৫০০ টাকা দিলেই কোন সমস্যাই আর সমস্যা থাকে না। অনায়াসে হয়ে যায়। যে সকল কাগজ চাই তার আর লাগে না। ফলে বাধ্য হয়ে আমাকে যত জনের ফরম দিয়ে পাঠায় কাগজ প্রতি ১২০০/- টাকা করে অফিসে দিতে হয় যাহা বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে অত্যন্ত কষ্টের। এভাবে প্রতি মাসে প্রায় ৪০ হাজার টাকারও বেশি অনিচ্ছাকৃত বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়। একজন গরীব মানুষের এই ভাবে ঘুষ দিতে বাধ্য হওয়াটা একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে ঘৃণা করি। আমরা এই সিস্টেম থেকে মুক্তি চাই।
নতুন পাসপোর্ট করতে গেলে পাসপোর্ট প্রতি ১২০০ করে টাকা নেয়, লালমনিরহাট পাসপোর্ট অফিসে, নয়তো পাসপোর্ট হয় না, কাগজে ভুল দেখায়, বাতিল করে, আমি ২ টা পাসপোর্ট করতে গেছিলাম ২৪০০ টাকা নিয়েছে, লালমনিরহাটর পাসপোর্ট অফিসে দালান ও অফিসারেরা এ টাকা নেয়,
৭৫০০ টাকা দিলে পাসপোর্ট কোরে দিবে যামেলা ছারাই আর টাকা না দিলে জামেলা হব সময় লাগবে বেসি।
During the submission of my passport application, an officer at the passport office demanded a bribe of BDT 1,500 and stated that my application would not be accepted unless I paid the demanded amount. Subsequently, during the police verification process, the police officer responsible for conducting the verification demanded a bribe of BDT 3,000, despite the fact that all of my documents and information were accurate and in order. The officer further threatened that if I did not pay the demanded amount, they would submit a negative verification report, which would result in my passport application being rejected and prevent me from obtaining a passport.
আমার ১৫০০ টাকা দেয়ার পড়ে পাসপোর্ট হয়েছিল আর চাকরির জন্য আনসার অভিসে ৫০০০০ হাজার নিয়েছিল । আমার এলাকায় একটা গাছ কাটার জন্য ২ ঘন্টা বিদ্যুৎ বন্ধ করার জন্য ঘন্টায় ৫০০ দেয়া লাগছে ২ ঘন্টায় ১০০০ । বরিশাল প্রায় সব হাসপাতালে রোগির সিরিয়ালের জন্য আপনি যদি টাকা দেন আপনার সিরিয়াল আগে দিবে। বাংলাদেশের সব যায়গা দুর্নীতি এখন শুধু একটাই সপ্ন দেশ ছাড়া ।
আমার জাপানি ভাষা N5শেষ করার জিএলটি পরিক্ষা ছিল সব ডুকুমেন্ট ঠিক থাকার পর ও ফাইল আটকিয়ে দিয়েছিল, বাধ্য হয়ে 2000 টাকা বেশি দিয়ে করতে হয়
প্রাইভেট সার্ভিসের প্রতায়ন দেয়া ছিল তারপর বলছে হবে না পরে ১৫০০ টাকা ঘুষ দেয়া লাগছে এখন আমার প্রয়োজন বাধ্য হয়ে দিয়ছি
সব ডকুমেন্টস থাকার পরও দালালের মাধ্যমে কাজ করতে হয়,অন্যথায় আবেদন রিজেক্ট করে দেয়। ঘটনাটি ঘটেছে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে। বাড়তি টাকা দিয়ে পাসপোর্ট তৈরি করতে হয় আমাকে।
হয়রানি করার পর পরিশোধ করা হয়
এড্রেস ভেরিভাই করার জন্য ১৫০০ টাকা চেয়েছে। না দিলে উলটা পালটা রিপোর্ট দিবে। খুব দরকার পাসপোর্টটি। তাই বাধ্য হয়ে দেয়া লাগছে। ২ জায়গা তেই ঘুষ দেয়া লাগছে। বর্তমান এড্রেস নোয়াখালী, পার্মানেন্ট এড্রেস কুমিল্লা। ২ জায়গা তেই ১০০০ করে ২ হাজার টাকা খেয়েছে।
আমি পাসপোর্ট অধিদপ্তরের সাইট অনুযায়ী যা যা সাপোর্টিং ডকুমেন্ট প্রয়োজন এবং অনলাইনে যা যা ফিলাপ করা প্রয়োজন সমস্ত কিছু ফিলাপ করে নিয়ে যাওয়ার পরেও, তারা ঘুষ নেওয়ার জন্য বিভিন্ন অজুহাত দেখা এবং এই সমস্যা সেই সমস্যা বলে আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানির স্বীকার করে এবং আমাকে ঘুষ দিতে বাধ্য করে । তাই আমি ঘুষ দিতে বাধ্য হই।