নেই
হারানো পাসপোর্ট পুনরায় করতে গিয়ে, বিভিন্ন ভাবে তা আটক রাখে, পরবর্তী এক দালালের মাধ্যমে যোগাযোগ করলল, তাঁরা উপরোক্ত চাঁদা দাবি করলে তা দিলে, কিছু দিন পর পাসপোর্ট পুনরায় পায়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
হারানো পাসপোর্ট পুনরায় করতে গিয়ে, বিভিন্ন ভাবে তা আটক রাখে, পরবর্তী এক দালালের মাধ্যমে যোগাযোগ করলল, তাঁরা উপরোক্ত চাঁদা দাবি করলে তা দিলে, কিছু দিন পর পাসপোর্ট পুনরায় পায়।
পাসপোর্ট এর আবেদন নিজ মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে করে নিয়ে গেলে কয়েক ডজন ভূল বের করে বলে কাজ হবে না। অপরদিকে সেখানের দোকান থেকে আবেদন করে নিলে ২০০০ টাকা আবেদনের থেকে বেসি নিয়ে কাজ ঠিকই হয়ে যায়। অফিস এর লোক সরাসরি টাকার অফার করে না। কিন্তু আসে পাসের কম্পিউটার মাল্টিমিডিয়ার দোকানগুলো সবগুলোই এই চক্রের সাথে জরিত।
প্রথম বার নিজে নিজে আবেদন করে ব্যাংক ড্রাফট করে আবেদন ফরম নিয়ে জমা দিতে গিয়েছিলাম প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সহ , কিন্তু ওনারা আমার ভুল ধরে , যদিও কোন ভুল ছিল না , কিন্তু দ্বিতীয় বার যখন দালাল দিয়ে আবেদন করা হলো আমার ওই কাগজপত্র দিয়ে তখন সবকিছু ঠিক আছে বলে দিল । এবং এক মাসের মাথায় পাসপোর্ট পেয়ে ও গেলাম
নতুন পাসপোর্ট তৈরির জন্য সরকারের নির্ধারিত টাকার চেয়ে ২০০০ টাকা বেশি দিতে হয়েছে
Ami nije nije shob online a apply kore passport form joma dite gesi kintu tara joma ney na counter a gafargaon theke 4-5 din ektana gesi joma ney na. Pore bujlam dalal sara joma nibe na. Pore ek dalal dhori ora dukaner ki ekta paper lagaya dey just ar kisui kore nai oita deikha counter er luk joma ney amr almost 1k-20k tk gese eshob korte korte. Amr oshustho baba k niye daily eto jatayat onk koshto hoise. 2024 er ghotona eta.
দালাল এ ৯ হাজার টাকার কথা বলে ১৫ হাজা টাকা নিছে।
পাসপোর্ট করতে গেলে তাদের চ্যানেল এর মাধ্যমে টাকা দিতে হয়। আমি পাসপোর্ট এর জন্য কাগজ জমা দিলে তারা বলে এটা মিল নেই সেটা মিল নাই, কাগজ আনতে হবে, ওটা আনতে হবে। তারপর একজন আনসার বাহিনী বললো ওখানে দোকান থেকে ১ টি সিল নিয়ে আসলে এটা দিয়েই জমা করতে পারবেন। পরে দোকানে গেলে বলে ভাই পাসপোর্ট করবেন? পরে বলে ২,০০০ টাকা দিলে করতে পারবেন। পরে আমি ওদের ওখানে ২,০০০ টাকা দিয়েছি। পরে একটা সিল দিয়েছে। তারপর একই অফিসার কথা না বলে কাগজপত্র জমা নিয়েছে। এই হচ্ছে দেশের অবস্থা।
পাসপোর্ট অফিসে এক আনসার সদস্য আমার থেকে ২০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছে। তবে এর সাথে পাসপোর্ট অফিসার ও যুক্ত বলে আমার মনে হয়। কারণ তিনি একটা ডকুমেন্টস এর জন্য পাসপোর্ট এর আবেদন ফিরিয়ে দিয়েছিলেন কিন্তু ঘুষ দেওয়ার পর সেটি ছাড়াই আমার পাসপোর্ট হয়ে গিয়েছে। আমাকে বাধ্য হয়ে তা দিতে হয়েছে কারণ আমার বাসা থেকে পাসপোর্ট অফিস অনেক দূরে আর আমার যাতায়াত করতে সমস্যা হয়।
আমি পার্সপোর্ট করার জন্য নিজে নিজে অনলাইনে আবেদন করি, তারপর পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পর আমাকে বলা হয় ফরমে নামের বানান ভুল রয়েছে, আমি জানতে চাই কি ভূল, তখন বলা হয় মো: এর পর ডট রয়েছে (যেমন : MD.) , আমি তাদের বলি আমার নাম সার্টিফিকেট এ এভাবেই আছে, এটা ভুল নয়, তারপর তারা কথা না শুনেই রিজেক্ট করে, আমি লাইন থেকে বাহিরে আসা মাত্রেই এক আনসার সদস্য আমার কাছে আসে এবং সমস্যা সমাধান করে দিতে পারবে বলে 2500 টাকা দেওয়ার কথা বলে, আমি দীর্ঘ সময় কথা বলার পর যখন দেখি তা ছাড়া উপায় নেই, তখন তাকে টাকা দিলে সেই একই ফরম আমার মোবাইলে ছিলো সেটা প্রিন্ট দিয়ে তিন পৃষ্টায় তিনটি সাংকেতিক সাইন দিয়ে আবার যেতে বলে, তখন আমি পুনরায় ফরম জমা দেই এবং কিছু না বলেই নিয়ে নেয়।
আমি প্রথমে নিজেই আনলাইন থেকে আবেদন করেছি এবং ডেট আনুপাতে ফিঙ্গার আর ছবি তুলার জন্য সিরিয়ালে দাডিয়েছি। প্রায় ৪ ঘন্টা পর আমি গেট এর সামনে আসি। তারা আমার পেপার দেখতে চাইলো আমি দিলাম ঐ কমকর্তা কিছুখন দেখার পর বলো তুমি কি করো? আমি বলাম আমি স্টুডেন্ট সে বললো তোমার সাটিফিকেট কই তাকে তখন আমি আমার সাটিফিকেট দিলাম। সে দেখে বল্লো এটা হবে ঠিক করে নিয়ে আসুন। এর পর আমাকে কথা বলার কোনো সুযোগ দিলো না।যোর করে বের করে দিলো। এর পর অনেকক্ষণ ঘুরার পর আনেক দালাল এর সাথে কন্টাক করার পর এক দালাল এর মাধ্যমে ২৩০০ টাকায় সে আমাকে পেপার পিছে কয়টা সিল মেরেদিয়েছিল। এর নিয়ে গিয়ে জমা দেওয়ার পর ঐ একি কমকর্তা সে পেপার সাইন করে ভিতরে যারয়ার জন্য দিয়েছে
Passport korar jonno tk niyecilo..1500 tk diyecilam
পুরাতন পাসপোর্টের বয়স ভুল ছিলো, সংশোধন করতে আবেদন করার পর পাসপোর্ট অফিসে থাকা এক ব্যক্তি টাকাটা দাবি করেছিলো
আমার পাসপোর্টের সব ডকুমেন্টস্ ঠিক থাকার পরও। এটা সেটা বাহানা দিয়ে বার বার রিজেক্ট করছিল। গাজীপুর পাসপোর্ট অফিসের যাচাই-বাছাই করে যে কর্মকর্তা তিনি। বাধ্য হয়ে প্রয়োজনের তাগিদে ৩,০০০/- টাকা দিয়ে দরবেশ (দালাল) ধরে পরে করতে হইছে।
অতিরিক্ত টাকা ওদের লোকের মাধ্যমে না দিলে কাগজ এ অনুমোদন দেয় না। টাকা না দিলে তথ্যের নানা ভুল হয়ছে বলে কাগজ ফেরত দেয়৷
পাসপোর্ট তৈরির সময় বিভিন্ন কাগজ পত্র চায় সব গুলা দেয়ার পরে ভাড়াটিয়া বাড়িয়ালার বিদ্যুৎ বিলের কাগচ চায় না দিতে পেরে ঘুস চায়
আমার পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশনে এসে ২ পুলিশ ২ হাজার টাকা নিয়েছে। আরও চেয়েছিলো কিন্তু দিইনি
মানে অযথা কারনে পাসপোর্ট এর কাগজপত্র বাতিল করে দিসিল পরে অফিস থেকে বের হয়ে দালাল এর সাথে কথা বলে ১৬০০ টাকা দাবি করে যে শব ঠিক করে দিবে আজকের ভিতরেই সব কাজ শেষ করে দিবে তারপর টাকা নিয়ে অফিস এর কাগজ আপ্রভাল কারির কাছে কল করতেই শব ঠিক হয়ে যায়
পাসপোর্টের করার সময় পুলিশ ভেরিফিকেশন এর সময় পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে একজন পুলিশ কল দিয়ে ডকুমেন্ট নিয়ে দেখা করতে বলে। কোন ডকুমেন্টের সাথে ১ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে আমার পাসপোর্টটি করা খুব জরুরী ভিতরে আমি ১০০০৳ টাকা পরিশোধ করে ওখান থেকে বের হয়ে আসি।
বাবার নামের মো: আ: নাকি এখন পাসপোর্ট অফিসের সার্ভারে নেই। আমাকে ৩ বার ঘুরিয়ে। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে আমাকে টাকা দিয়ে পাসপোর্ট করতে হয়েছে।
পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করার পর, পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য লোকাল থানা পুলিশ আমার কাছে এসেছিল, আমার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেওয়ার পর কোনো ত্রুটি না থাকা সত্তেও নাস্তা বাবদ ১০০০ টাকা দাবি করে, এবং টাকা না দিলে নেগেটিভ রিপোর্ট দিবে বলে হুমকি দেয়। উপায় না দেখে আমি দিয়েছি