passport
amar passort bhule ache bole amar passport reject kore dey pore 3k taka cahi ami deoyar por passport approve kore
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
amar passort bhule ache bole amar passport reject kore dey pore 3k taka cahi ami deoyar por passport approve kore
দালাল ছাড়া কোন কাগজ পাতি ফাইল জমা নেয় না এক হিন্দু স্যারের সাথে অনেক তর্ক হয়েছে। বলে যে আপনার লোক থাকলে তাকে দিয়ে ফিঙ্গার করান আনসার বাহিনীরা ঘুষ খায়, এডিসি স্যার ফাইল আটকে রাখে যে টাকা দেয় তার টা করিয়ে দেয়, সারাদিন বসায় রেখে সারর্ভারের সমস্যার কথা বলে । নিজে নিজে আবেদন করলে সে কাজটা করে দেয় না। দালাল ধরতেই হবে। এমনকি একজন ব্যক্তির পাঁচ থেকে সাত দিন পর্যন্ত ঘুরতে হয় তারপরেও দালাল ধরতে হয়। এই সমস্যার জন্য পাবনা থেকে অনেক কয়টা অফিসারকে সরিয়ে দিয়েছে দেড় বছর আগে আনসারদেরকেও সরিয়ে দিয়েছে। তারপর থেকেও ভালো হয় নাই।
পাসপোর্ট রিনিউ করতে দ্রুত জমা দেবার জন্য ৪০০০ টাকা ভেতরের পুলিশকে দিয়েছিলাম। পরে শালার পুলিশ টাকা নিয়েও আমাকে লাইনেই দাড় করিয়ে দিয়েছিল। আর লিয়াজু হয়েছিল সামনের কম্পিউটার দোকানের সাথে। এখানে টাকা নিয়ে ভেতরের পুলিশের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু সে পুলিশ সুন্দরী মেয়েকে সাথে নিয়ে গেলো আর আমার মত আবালকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে বলল। পরে দোকানদার আমার কাছে ক্ষমা চাইলো কিন্ত অতিরিক্ত টাকা আর ফেরত দিল না। সব শালা হারামজাদা। কারন আওয়ামী লীগ, বি এন পি সব সরকারই হারামজাদা। আবার হারামজাদা জনগণ তাদের ছাড়া অন্যকে ভোটও দেয় না।
আমি তিন বার গিয়েছিলাম ফেনী পাসপোর্ট অফিসে। যাথাযথ কাগজপত্র থাকার পরও অতিরিক্ত নতুন ধরনের ডকুমেন্ট তাদের প্রয়োজন ছিল প্রতিবার আবেদনপত্র জমা দিতে গিয়ে। আমি লাইনে দাঁড়িয়ে জমা দিতে গিয়ে আগেই জানতে পারি আমার আবেদনটি বাতিল হতে পারে যদি না একটি অতিরিক্ত সীল আমার আবেদনপত্রে না থাকে। আমি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম যে আমার সমস্ত ডকুমেন্ট এবং তথ্য আছে যে আমি নিজই আবেদনটি জমা দিতে পারবো। কিন্তু তিন বার গিয়ে আমি জানতে পারলাম আমি ভুল ছিলাম। সবশেষ আমার বাড়ির দলিল নিয়ে গেলও আমি ব্যর্থ ছিলাম। আবশেষে পাসপোর্ট অফিসের পাশের দোকানে গিয়ে অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা দিয়ে একটি সীল যুক্ত একই তথ্য দিয়ে আবেদনপত্র নেই এবং জমা দেই।
পাসপোর্ট এ ২ বছরের বয়স কমাতে ও নাম থেকে ১ টা অক্ষর বাদ দিতে এমন টাকা দিয়ে কাজ টা করে নিয়েছিলাম। আসলে এগুলো সবাই জানে। কিছুই হয়না। এখানে লিখেই বা কি হবে।
পাসপোট নবায়নের জন কাবিননামা না থাকায় ।
পাসপোর্ট অফিসে সামানে অনেক দোকান আছে, তাদের কাছে অনলাইন আবেদন করি এবং তারা বলে ১৫০০ বেশি লাগবে, আমি বলাম এত কেন। আমি যা যা লাগে সব কাগজ পত্র নিয়ে আসছি। তখন বলে আবেদন করে ব্যাংক আপ করে দিচ্ছি চেষ্টা করে দেখে। আমি সব কাগজ নিয়ে যাই তারা ৩ বারা আমাকে বলে এটা ঠিক নাই, জিমেল এত গুলা কেন, অনেক কিছু তারা গুষ ছাড়া করবে না। আমি আবার দোকানে যাই তার পরে আমি আর লাইনে দাড়াই নাই, সরাসরি আমার ছবি তুলেছে,তখন কিছুই জিজ্ঞাসা করে, সব ওকে। গুষ ছাড়া পাসপোর্ট হয়না বলে চলে
পাসপোর্ট এপ্লিকেশনের জন্য যা যা লাগে সব আমি তৈরি করছি, যখন জমা দিতে গেলাম,তখন ২/১ টা জিনিস খালি দাগাই দিলো,ভুল ভাল কোনো ইনফরমেশন দিলো না।বাহিরে আসলেই দালাল খালি আইসা বলে, ৩৫০০ টাকা দেন, এখনি ফাইল জমা কইরা দেই,ফাইল আবার ঠিক কইরা, আবার গেছি। এবারও রিজেক্ট। কোনো কারণ বলে না। শেষে দালাল ধরছি
নতুন পাসপোর্ট এর আবেদন করতে যায়ে আমার সার্টিফিকেট ও আইডি কার্ডে নাম ঠিক ছিল কিন্তু- পিতার নামের আগে মোঃ ছিল না। (পিতার আইডি কার্ডে)
Tara amar fro bar bar reject korechilo, pore ami joto bar thik kore ani tara vul dhorche. Pore bole hobe na amar baba GOVT accounts office-e job korto pore ami baba ke call kori, baba tar boss ke call kore oder bole jano erom problem na kore sathe mr vai gesilo se bisoy ta handel korche. Ami kono ghush daini.
আসসালামু আলাইকুম , আমি একজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নাগরিক , আমি যখন আমার নিজের জন্য একটি নতুন ইপাসপোর্ট করতে যায় , আমি নিজে নিজে পাসপোর্ট অনলাইনে আবেদন করি . যে পরিমান এর ডাটা দেওয়া দরকার আমি সব কিছু দিয়ে ফাইনাল সাবমিট করি , ১ দিন পর আমার পাসপোর্ট অফিস এ ফিঙ্গার এর সিডিউল আসে , যখন আমি ভেরিফিকিশন রুম এ যায় তারা আমাকে নানা রকম ভুল আছে বলে ফাইল জমা নেই নাই , তার পর আমাকে বলা হয় আমি যেন AD স্যার এর রুম যায় গেলাম সেই খানে যাওয়ার পর অনি আমার ফাইল দেখে বলে এই ফাইল সমস্যা আছে , আমাকে ফেরত দেওয়া হল । আমি যখন বাহিরে আসি ঐ খান এক আনসার আমাকে বলে কি সমস্যা আমি সব কিছু বিস্তারিত বলার পর সে আমাকে একটা নাম্বার দিয়ে বল ঐ খানে যান তারা সব কিছু করে দিলে কাজ এখন এই হয়ে যাবে .
পাসপোর্ট অফিসের হেল্পলাইনে কল দিয়ে জানতে পারি স্টুডেন্ট পাসপোর্ট আবেদনের সময় স্টুডেন্ট আইডি কার্ড তাদেরকে শো করতে হবে কিন্তু বাস্তবে আবেদন করার সময় তারা প্রত্যায়ন পত্র দাবি করে এবং আমার আবেদনটি গ্রহণ করেনি। এরপরে পাশে থাকা আনসার আমার কাছে এসে বলে আপনি যদি এখনই কাজটি করে নিতে চান ১৫০০ টাকা হলে কোন কাগজপত্র আর লাগবেনা যা আছে তারা দেখে নেবে এরকম প্রস্তাব দেয় আমি সেটি না করে দেই পরবর্তীতে সকল ডকুমেন্ট দিয়েই কোন প্রকারের ঘুষ ছাড়া কাজটি করে নেই
কাগজ সরাসরি জমা দিতে গেলে বলে এলাকার চেয়ারম্যান দিয়ে সত্যায়িত করে আনেন। চেয়ারম্যান কে দিয়ে করে আনলে বলে কোর্ট থেকে করে আনেন। এইভাবে ঘুরায়। দালাল ছাড়া কাগজ জমা হয় না। দালালের মাধ্যমে টাকা খায়। অতিরিক্ত টাকা হিসাব করে দালাল।
তার সাধারণ পাবলিক যদি পাসপোর্ট আবেদন করে নিয়ে আসে তাহলে তারা তা জমা নেয় না। তারা বলে এই কাগজ নাই, নাম ভুল আছে ইত্যাদি। কিন্ত বাহিরে বসে থাকা দালাল চক্র মার্ক করা কোনে ফাইল গেলে তারা তা ঠিকমতো দেখেও না বলে যাস পাসপোর্ট এর ছবি তুলে আসুন। ফাইলে তার গোপন ইমেইল এড্রেস বসিয়ে থাকে। সেই ইমেইল এড্রেস দিয়ে তারা চিহ্নিত করে যে এটা তাদের দালালের ফাইল। আবার ইদানিং তারা ইমেইল না দিয়ে গোপনে সরকারি কর্মকর্তাদের যে পাসপোর্ট করতে যাবে তার আইডি পাসওয়ার্ড দিয়ে দেয়। যারা দালালের মাদ্যমে যায় তাদের কেোন বাড়তি কাগজ লাগেনা শুধু আইডি কার্ডের ফটোকপি দিলেই হয়।
আমার দুই সন্তানের জন্য পাসপোর্ট করাতে গিয়েছিলাম। তাদের দুজনের বয়সই ৫ বছরের কম ছিল। ভেরিফিকেশনের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আমাকে ফোন দিয়ে টাকা দিতে বাধ্য করে। তা না হলে আটকিয়ে দেবে।
নিজে নিজে আবেদন করে জমা দিলে এই সমস্যা সেই সমস্যা। আর যখন দালাল ধরে দেওয়া হয়। সেইম কাগজটাই তখন আর কোন সমস্যা থাকে না। আমি ৪টা করছিলাম।
পাসপোর্ট অফিসের সামনের নির্দিষ্ট কম্পিউটারের দোকান এর মাধ্যমে আবেদন না করে অন্য কোথাও দিয়ে আবেদন করে নিলে অফিসে জমা দেওয়ার সময় অফিসারদের বাজে আচরন, ভুল না থাকলেও তারা পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরমের অংশ পূরণ করতে বলে (যা পুলিশ ভেরিফিকেশন যখন ছিলো তখন প্রয়োজন হতো)। এখন পুলিশ ভেরিফিকেশন নাই তার পরও তারা আবেদনকারীর হাতে পূরণ করতে বলেন এবং আরও বলে আপনারা নিজেরা বা অন্যকোথাও দিয়ে আবেদন করেন কেন অফিসের সামনের দোকানে করবেন। আবেদনে ই-মেইল দেখে তারা যাচাই করে কোন দোকান থেকে করেছে, তারা এভাবেই কমিশন বা % নেয়।
পাসপোর্ট করার সময় দালালের মাধ্যমে প্রদান করেছি।
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম পাসপোর্ট অফিসে বিভিন্ন রকম কাগজ চেয়েছিল যেখানে আমার উপযুক্ত কাগজপত্র ছিল পাসপোর্ট করার জন্য । এরপরেও আননেসেসারি কিছু ডকুমেন্ট চেয়েছিল যেগুলোর প্রয়োজন ছিল না । তারপরেও আমি সেগুলো সংগ্রহ করে গিয়েছিলাম ইভেন যাওয়ার পরেও আরো বিভিন্ন অজুহাত দেখাচ্ছিল, এক কথাই বলতে গেলে ওয়ান কাইন্ড অফ হারাসমেন্ট করছিল আমাকে ৷ পাসপোর্ট অফিসে আবেদন করার জন্য একটি দোকান রয়েছে একদম পাসপোর্ট অফিসের সামনেই । যেখানে আমার কাছে ২০০০ টাকা দাবি করেছিল বলেছিল কোন কাগজপত্র লাগবে না, যেগুলোর কথা অফিসে বলেছিল । আপনি আমাকে টাকা দেন এতেই হয়ে যাবে। আর কোন কাগজপত্র লাগবেনা ৷ এভাবেই হ্যারাসমেন্ট এড়াতে বাধ্য হয়েছি টাকা দিতে হয়েছে, এরপর টাকা নেওয়ার পর সরাসরি আমাকে পাসপোর্ট অফিসে ছবি তোলা রুমে দিয় আসে
Shob doc thik thakar por o extra 2500/- dite hoyechilo Aar officer der behaviour chilo sei level er kharap