পাসপোর্টের জন্য
আমি অন্য জেলার লোক বিধায় বগুড়া পাসপোর্ট করতে ৮০০০ টাকা লাগবে৫ বছর মেয়াদ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি অন্য জেলার লোক বিধায় বগুড়া পাসপোর্ট করতে ৮০০০ টাকা লাগবে৫ বছর মেয়াদ।
আমার কাগজপত্রের অন্য কোথাও কোনো ভুল না পেলেও NID-তে বাবার নামের পদবী ইংরেজিতে “—” ও বাংলায় “—” থাকাকে ভুল দেখিয়ে প্রথমে আবেদন জমা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। অথচ আমার সব কাগজপত্র, এমনকি আগের পাসপোর্টেও একই বানান রয়েছে। কোনো উপায় না পেয়ে একজন দালালকে ২,৫০০ টাকা দিলে সে ফর্মে একটি রেফারেন্স ই-মেইল লিখে দেয়। এরপর একই কাগজ নিয়ে গেলে আর সেই ভুলটি তাদের চোখে পড়েনি। এতে প্রশ্ন ওঠে—দালালের রেফারেন্স থাকলে যে বিষয়টি আর সমস্যা নয়, সেটি আগে কেন অযথা বাধা হয়ে দাঁড়াল?
যখন আমি নিজে আবেদন করে সব ডকুমেন্ট সাথে নিয়ে যাই। তখন ঐখানের অফিসার বলে আবেদনে ভুল আছে এটা হবে না। তারপর আবার বলে 2000 টাকা দিলে ঠিক করে দিবে
আমার কাগজপত্র সব ঠিক ছিলো। কিন্ত দালাল ধরে পাসপোর্ট করতে আসে নি তাই আমার কাগজে ভুল ধরা শুরু করেছিলো। কিন্ত যারা দালাল ধরে এসেছিলো তাদের কোনো ভুল ধরে নি। দালাল একটি বিশেষ চিহ্ন দিয়ে দেয় কাগজের মধ্যে।
I want to renew my passport that time I filled up my form by myself but they say you need to submit different different paper . If I filled up this with any agency they charge 1000 taka extra and everything ok . Then I went to passport office 2 days then they take my paper and accept it
২০১৬ সালের জুন-জুলাইয়ে গাজীপুর সদরের ফ্রন্ট ডেস্ক আমার পাসপোর্ট ইশ্যুর কাগজ জমা নিচ্ছিল না এবং দুইদিন ধরে অবান্তর কাগজ চাইছিল যা দরকারই না। এরপর সেখানে নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত পুলিশ ও দালালদের দেখিয়ে ১,২০০ টাকা জমা দিতে বলে ঐ লোক এবং না দিলে আবেদন রিসিভ করবে না জানায়।
গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যখন পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক ছিল, তখন আমার ব্যক্তিগত একটি তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছিল। পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য একজন পুলিশ কর্মকর্তা আমাকে ফোন করে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে অবস্থিত একটি হোটেলে যেতে বলেন। সেখানে প্রবেশ করার পর দেখতে পাই, ভেরিফিকেশনের দায়িত্বে থাকা একজন পুলিশ কর্মকর্তা রমজান মাসে বসে সিগারেট ও চা পান করছিলেন এবং অন্য একজন ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নিচ্ছিলেন। এরপর আমরা সামনে গেলে ওই পুলিশ কর্মকর্তা সরাসরি আমার কাছে ১,০০০ টাকা দাবি করেন। আমি জানাই যে, সঙ্গে টাকা নেই। তখন তিনি আমাকে বলেন, টাকা না দিলে আমার পাসপোর্ট তিন মাসের মধ্যে পাব না।
নিজের পাসপোর্ট আবেদন নিজেই করে নীলফামারী পাসপোর্ট অফিসে যাই গিয়ে অফিসার ভুল ধরলো MD পরে এাটি ডট দেই NID তে ডট আছে, রিজেক্ট করল সাথে একজন দোকানদার আসলো এসে বলল ভাই আপনি যত চেষ্টায় করেন ভুল আপনার ধরবেই আমাকে ১৫০০/- টাকা দেন কাজটা এখনই হয়ে যাবে আমি হাল ছাড়ি নি, ঘুষ প্রত্যাখান করে আবেন বাতিলের দরখাস্ত দিয়ে পুনরায় আবার নতুন করে আবেদন করি এবার উনি বলল শুধু স্টুডেন্ট আইডি কার্ড দিলে হবে না আপনার কলেজ থেকে প্রশংসা পত্র নিয়ে আসতে হবে! আবারো সেই দেকানদার হাজির দেখেই বলল ভাই বলেছিলাম না কাজ হবে না! আমি তবুও হাল ছাড়ি নি কলেজ থেকে প্রশংসা পত্র নিয়ে এসেছি আবারো ফাইল জমা দিলাম এবার উনি বলল NID কার্ডের ভেরিফিকেশন কপি আনেন, আশ্চর্য হয়ে গেলাম যেখানে NID কার্ড সাথে করে আনছি, আবার আবেদন করার সময় NID কার্ড যা
Asked by creating fear of misinformation as per NID documents. Just when I paid the Ghush amount, the same officer processed my Passport renewal!
Police verification er jonno
2022 সালে পাসপোর্ট করার সময় দিতে হয়েছে
ফিংগারপ্রিন্টের কাজ আজ হবে না বলে ফিরিয়ে দিলে অফিস সংলগ্ন কম্পিউটারের দোকানে টাকা দিলে সাথে সাথে কাজটি করে দেয়।
পাসপোর্ট এর জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন এর সময় পুলিশ আমাকে থানায় ডেকে নিয়ে টাকা দাবি করে। নিরুপায় হয়ে ৫০০ টাকা দিতে বাধ্য হই।
**বিষয়: পাসপোর্ট করতে নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত টাকা নেওয়া ও হয়রানির অভিযোগ।** আমি সিরাজগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করার জন্য গেলে নির্ধারিত সরকারি ফি **৫,৭৫০ টাকা** হওয়া সত্ত্বেও আমার কাছ থেকে **৭,৫০০ টাকা** নেওয়া হয়। এছাড়া অফিসের বাইরে থাকা কিছু দালালের সঙ্গে অফিসের কিছু কর্মকর্তা/কর্মচারীর যোগসাজশ রয়েছে বলে আমার অভিযোগ। তারা ইচ্ছাকৃতভাবে কাগজপত্র বা আবেদনে ভুল দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে এবং অতিরিক্ত টাকা দিতে বাধ্য করে। বিষয়টি তদন্ত করে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া ও দালালদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি।
বিভিন্ন ইস্যুতে ফাইল reject করে দেয়। নিচে আনসারের কাছে তিন হাজার টাকা দিলে ফাইল ছেড়ে দেয়।
বাড়ির কারেন্ট বিলের কাগজ পিতার নামে সেখানে পিতার নাম এবং আমার আইডি কাডে পিতার নাম এক না থাকায় তিনি বলেন টাকা ছাড়া কাজ হবে না
পাসপোর্ট অফিসে যখন আমি নিজে নিজে অনলাইনে আবেদন করে সেখানে যাই তখনই শুরু হয় তালবাহানা এক মাসের ভিতরে ৪ থেকে ৫ বার যেতে হয় তবে আমি অতিরিক্ত এক টাকাও দেইনি
ইমারজেন্সি পাসপোর্ট লাগবে তাই আবেদন করেছিলাম পেমেন্ট করেছি ১০ হাজার ৫০০ না হওয়ায় ৬০০০ হাজার টাকা দিয়ে একদিনে পাসপোর্ট বের করেছি
সামান্য ভুল হওয়াতে আমাকে ফেরত পাঠাই, এরপরে ২হাজার টাকা দিয়ে দালালের মাধ্যমে করতে হয়ছে৷ সাথে সাথে কাজ হয়ে গেছে,
টাকা না দিলে পাসপোর্ট এ আবেদনের কাগজে ঝামেলা আছে দেখিয়ে দেখিয়ে ঘুরিয়ে বেড়াবে সেই হুমকি দেই।