সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

২,১৬১ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
পাসপোর্ট অফিস

নতুন পাসপোর্ট তৈরি

পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম, সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও আমাকে বারবার ফেরত দিচ্ছিল। যখন পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম তখন কোন তত্ত্বাবধায়ক সরকার — এর শাসনামলে, নাগরিক সনদপত্র চাইতেছিল, নাগরিক সনদপত্র আনার পরও আর অনেক কাগজপত্র চাইতেছিল, পরে বাহির থেকে একজন বলল কিছু টাকা দেন আর কোন কাগজপত্র কিছুই লাগবে না আপনার পাসপোর্ট রেডি হয়ে যাবে। টাকার এমন বলতে দাবি করছিল তিন হাজার টাকা। আমি একজন স্টুডেন্ট মানুষ এত টাকা না থাকার কারণে মুলামুলি করে দুই হাজার টাকা বলেছিলাম শেষমেষ ২৫০০ টাকায় রাজি হয়েছে। টাকা হাতে কাজ করার পর দেওয়ার কথা ছিল। সেই লোকটি ভিতরের কোন এক কর্মকর্তাকে ফোন দিয়ে বলে দিয়েছে আমি যাওয়া মাত্রই আর কোন কাগজপত্র চাইনি। কমেন্ট ছাড়াই আমার পাসপোর্ট এর ফিংগার ভেরিফিকেশন করে দিয়েছে।

ঘুষ দিয়েছি
Mohammadpur ৳২.৫ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট বানানো

পাসপোর্ট অফিস ১২০০ টাকা দিয়া লাগছে নিছে পাসপোর্ট এর সিকিউরিটি গার্ড এরা নিয়ে তাদের অফিসসার দিয়ে কাজ করাছে,, মাগুরা পাসপোর্ট অফিস,,

ঘুষ দিয়েছি
মাগুরা ৳১.২ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

নতুন পাসপোট করতে গিয়েছিলাম

আমি 2024 সালে নিজের পাসপোট নিজে করতে যাই সরকারী ফি 5750 টাকা পরিশোধ করেছি এবং সকল তথ্যাদি সঠিক, কাগজপত্র নিয়ে গেছি অফিসে, আমি লম্বা লাইনে দাড়িয়ে দীর্ঘ 2.45+ঘন্টা পর ফাইলটা নিয়ে সেখানকার কর্মকর্তাদের সামনে যাই তারা বলে কিছু বল রয়েছে এবং আমাকে পিরিয়ে দেয়, পরবর্তীতে অফিসের বাহিরে কয়েকজন মানুষকে ডাকাডাকি করে বলে কী সমস্যা কী সমস্যা আমি সমস্যার কথা বলি এবং তারা বলে এটা ঠিক করে দিবো 1800 টাকা লাগবে, আমি টাকাটা দেই তারা কিছু একটা লিখে দেয় এবং কোন লাইনে না দাঁড়িয়েই আমাকে কর্মকর্তার সামনে দিয়ে যায় এবং আমার কাজটি হয়।

ঘুষ দিয়েছি
চাঁদপুর ৳১.৮ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

নতুন পাসপোর্ট

আমি দালাল না ধরে পাসপোর্টের আবেদন করেছিলাম। পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাদের সাথে দালালদের একটা যোগসাজশ থাকে। তারা বুঝতে পারে কোন পাসপোর্টের আবেদনটি দালালদের মাধ্যমে হয়েছে আর কোনটি হয়নি।আমারটা দালালদের মাধ্যমে করিনি বুঝতে পেরে বলে কাগজগুলো সাজানো হয়নি। আর বয়স ২০ বছর না হলে জন্ম নিবন্ধনের মাধ্যমে আবেদন করা যায়। তখন আমার আইডি কার্ড না থাকায় আমি জন্মনিবন্ধনের দিয়েই আবেদন করি। তখন পাসপোর্ট অফিসের উর্ধতন কর্মকর্তা আমাকে এনআইডি নিয়ে আসতে বলে। তখন আমি বললাম আমি তো সরকারি শর্তাবলি মেনেই আবেদন করেছি। তখন তিনি বললেন তিনি পারবেন না। তখন এক আনসার আমাকে পিছনের রুমে ডেকে বললেন, হুজুর জানেনই তো, এখানে একটা প্রসেস চলে এটা ছাড়া সম্ভব না। আমি আসছেন টাকাটা দিয়ে ছবি তুলে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে খুশি মনে বাসায় যান।..

ঘুষ দিয়েছি
কুমিল্লা ৳১.৫ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

সংশোধন

আমার পাসপোর্টে nid কার্ডের বয়স ছিলনা, সেটা সংশোধন করতে গেলে ১৭০০০ দাবি করে। আমার সংশোধন করার দরকার ও ছিল তাই নিরুপায় হয়ে সংশোধন করে নিলাম

ঘুষ দিয়েছি
বান্দরবান ৳১৭.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

বাবার নতুন পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন

আমার বাবা ওমরা হজ্জে যাওয়ার জন্য জীবনে প্রথম বারের মতো পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করেন,তার NID এবং পাসপোর্ট আবেদনের কিছু মিস ম্যাচ ছিলো,প্রথমে পাসপোর্ট অফিস কে জানানো হলে তারা বিশাল একটি প্রসেস লিস্ট ধরাইয়া দেয় এবং সময় কতোদিন লাগবে তারা নিজেরাও বলতে পারে না। এর পর অফিসের এক দালাল ২০০০ টাকা দাবি করে এবং বলে যে সব ঠিক হয়ে যাবে ম্যাজিকের মতো ৫ মিনিটে, ঠিকি ওই দালাল কে টাকা দেয়ার পর পাসপোর্ট অফিসের ওই অফিসার সব ঠিক করে দিলো সাথে সাথে। ঘটনাটি পটুয়াখালী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের

ঘুষ দিয়েছি
পটুয়াখালী ৳২.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্টের আবেদন জমা

দারোয়ান গুলো টাকার বিনিময়ে সব সমাধান করে দেয়। কোন লাইনে দাড়াতে হয় না। প্রতি ফাইল ২০০ লাইন ছাড়া করতে গেলে। দালাল ছাড়া গেলে প্রতি ডেস্কে হয়রানি করে। মোটামোটি ২০০০-২৫০০ খরচ করতে পারলে ১০ মিনিটে সব কাজ শেষ।

ঘুষ দিইনি
চট্টগ্রাম ৳১.৯ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমার অনেক সহকর্মী পরিচিত লোকের মাধ্যমে টাকা দিয়ে সহজেই পাসপোর্ট করে ফেলেছেন। কিন্তু আমি ঘুষ না দিয়ে নিয়ম মেনে করতে চেয়েছিলাম। তাই টানা তিন দিন ২–৩ ঘণ্টা করে লাইনে দাঁড়িয়েও প্রথম দুই দিন অযৌক্তিক কাগজপত্রের কথা বলে আমাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। দ্বিতীয় দিন একজন আমাকে ৩,০০০ টাকা দিয়ে কাগজপত্র জমা দিতে বলেন, তাহলে আর আসতে হবে না। বুঝতে পারলেও আমি বলেছিলাম, “না, আমি নিজেই করব।” শেষ পর্যন্ত তৃতীয় দিন একই কাগজপত্রেই আমার আবেদন গ্রহণ করা হয়।

ঘুষ দিইনি
কক্সবাজার ৳৩.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

ই- পাসপোর্ট তৈরি

আমরা দুই বন্ধু ই-পাসপোর্ট অনলাইনে আবেদন করে কাগজপত্র জমা দিতে যাই। আমাদেরকে কাউন্টার থেকে বলা হয় আপনারা স্থায়ী ঠিকানা থেকে আবেদন করতে হবে। আমি বললাম আমি যে ফি জমা দিয়েছি সেটার কি হবে তারা বলল এটা আর ফেরত পাবেন না। তারপর উর্দ্ধতন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনিও কোন সহযোগিতা করলেন না পরে অফিস থেকে বের হয়ে একজন আনসারকে বিষয়টা জানাই তিনি আমাদের আরেকজন আনসারের ফোন নম্বর দিয়ে যোগাযোগ করতে বলে এবং আমরা যোগাযোগ করে ৪০০০ টাকায় চুক্তি করার পর আমাদের আবেদন জমা নেয় পরবর্তীতে আমরা পাসপোর্ট পাই।

ঘুষ দিয়েছি
চট্টগ্রাম ৳৪.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

ই পাসপোর্ট ফর্ম জমা নিচ্ছিলনা,,ঘুষ চাইলে যখন ১২০০ টাকা ঘুষ দিলাম,,তখন ছবি তুললো।।

ই পাসপোর্ট ফর্ম জমা নিচ্ছিলনা,,বাহিরে একজন বললো ঘুষ দিলে কাজ হবে। যখন ১২০০ টাকা ঘুষ দিলাম,,ছবি তুলতে আর কোন দেরি হলো না,,সাথে কাজ করে দিল

ঘুষ দিয়েছি
নাটোর পাসপোর্ট অফিস ৳১.২ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

নতুন পাসপোর্ট ইস্যু

পাসপোর্ট এপ্লিকেশন ফর্মে শুধুমাত্র এড্রেসে কমা থাকার অযুহাতে ৩ টা পাসপোর্ট এপ্লিকেশন ক্যান্সেল করেন, যিনি ডকুমেন্টস যাচাই করেন তাকে এর সমাধান কি জিজ্ঞাসা করলে বলেন আশেপাশে অনেকেই আছে সমাধান করে দিতে পারে, কারা করে তিনি জানেন না কিন্তু ইশারায় আনসার সদস্য কে দেখায়ে দেন, আনসার সদস্যার কাছে গেলে তিনি ভেতরের একজন কে ডেকে নিয়ে আসেন। পাসপোর্ট খুব জরুরি থাকায় উপায় না পেয়ে বাধ্য হই টাকা দিতে।

ঘুষ দিয়েছি
জয়পুরহাট সদর ৳৪.৫ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্টের নামের ভুল সংশোধন

প্রতিটা অফিসের মধ্যে অফিসের লোকজন কিছু দরবেশ বাবা রাখছেন তাদের মাধ্যমে কাজ করাতে হয়। দরবেশ বাবা ছাড়া কাজ করতে গেলে ফাইল রিজেক্ট করে দেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা তেজগাঁও পাসপোর্ট অফিস ৳২৮.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

নতুন পাসপোর্ট

আমার ছোট ভাইয়ের পাসপোর্ট করতে আমি নিজেই এপ্লাই করেছিলাম। বারংবার বিভিন্ন ভুল ধরে আমাকে সংশোধন করতে ফেরত পাঠানো হয়। কয়েকদিন যাওয়ার পরে বিরক্ত হয়ে আনসারের সাথে কথা বললে, আনসার বলে, উপপরিচালক টাকা ছাড়া নিজে আবেদন করলে সেটা জমা নেয় না। দালালের মাধ্যমে হলে জমা নেয়া হয়। তখন উপপরিচালকের সাথে কথা হয় এবং ২০০০ টাকা প্রদান করতে হয়। সাথে সাথেই উনি বলেন যে টাকা ছাড়া এটা যে হবে না এটা এখন বুঝলেন? এর পরে কাগজ জমা রাখে এবং ছবি তুলে।। আমি যে পাসপোর্ট অফিসের বাহিরে ২০০০ টাকা ক্যাশ আউট করেছি তার প্রমাণও আছে। এটা শুধু আমার সাথে না সেখানে দালাল মুক্ত যারা যাচ্ছে তারা সবাই এর শিকার।।

ঘুষ দিয়েছি
চাঁদপুর ৳২.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

Passport renewal

I had a previous passport that had expired, Later, when I applied passport renewal at the bogra passport office, they were not taking my documents. they were making me stand in a long line and long time. Later i came out disappointed and some one offered me that if you give me 2000 taka, I will help you to deposit your passport file. I agred and give them 1500 taka.

ঘুষ দিয়েছি
bogra ৳১.৫ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরি করার সময়, এস.বি পুলিশ ভেরিফিকেশনে টাকা দাবি।

২০২২ সালে আমি পাসপোর্ট করার জন্য যে ডকুমেন্টগুলো লাগে আমার সকল বৈধ কাগজপত্র জমা দিয়েছিলাম, আমাকে অফিস থেকে বলছে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য আমাকে কল দিবে, এখানে বলে রাখি আমি পাসপোর্ট করার সময় আমার বর্তমান ঠিকানা উত্তরা দিয়েছি এবং গ্রামের ঠিকানা দিয়েছি স্থায়ী ঠিকানা, এজন্য দুইটা ঠিকানাতেই আমার পুলিশ ভেরিফিকেশন হবে, ভেরিফিকেশনে পুলিশ আমাকে কল দিয়ে সরাসরি সাক্ষাৎ করতে বলেছিল, আমার গ্রামের ঠিকানায় আমি সরাসরি সাক্ষাৎ করি এবং আমার একজন আত্মীয় সরকারি সার্ভিস হোল্ডারে আছে তার সাথে পুলিশের সাথে কথা বলিয়ে দেই, তাই গ্রামের ঠিকানায় পুলিশ আর টাকা দাবি করে নাই, সেইমভাবে উত্তরার ঠিকানায়ও চেষ্টা করি, কিন্তু আমার কাছে টাকা দাবী করে, আমি এস বি পুলিশকে ১০০০ টাকা দেই।

ঘুষ দিয়েছি
উত্তরা, ঢাকা ৳১.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরি

আমি পাসপোর্ট করতে খুলনা পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। আমার কাগজপত্র সব ঠিক থাকার পরেও 2000 টাকা দাবি করে। টাকা দেওয়ার পরে আমার কাগজপত্র জমা নিয়েছে। এমন দেশ আমরা চাই না। পরিবর্তন চাই

ঘুষ দিয়েছি
খুলনা ৳২.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

নতুন করে পাসপোর্ট বানাতে

আমি নতুন করে পাসপোর্ট করার জন্য মেহেরপুর পাসপোর্ট অফিসে আবেদন করতে যাই। প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও আমাকে বারবার বলা হয় যে, কোনো একটি কাগজে ভুল আছে, কোনো তথ্য ঠিক নেই—এভাবে বিভিন্ন অজুহাতে আমাকে একাধিকবার ঘোরানো হয়। অথচ আমার জমা দেওয়া কাগজপত্র ও তথ্য সঠিক ছিল। পরবর্তীতে অফিসের পাশে থাকা একটি দোকানে গেলে সেখান থেকে আমাকে প্রায় ২,৫০০ টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়। পরে ২,০০০ টাকা দেওয়ার পর। এরপর কোনো অতিরিক্ত সমস্যা ছাড়াই একই দিনে আমার আবেদন গ্রহণ করা হয় এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ছবি তোলা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

ঘুষ দিয়েছি
মেহেরপুর ৳২.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য