Passport Renewal
আমি প্রবাসী বাংলাদেশি। দেশে ৪ মাসের ছুটিতে গিয়ে পাসপোর্ট রিনিউ করতে দিছিলাম. নরমাল ডেলিভারি ১ মাসের মধ্যেই দেয়ার কথা থাকলেও ৩ মাস অতিবাহিত হওয়ার পরেও পাসপোর্ট পাই নাই। পরে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে ১ সপ্তাহের মধ্যেই পাসপোর্ট পাই
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি প্রবাসী বাংলাদেশি। দেশে ৪ মাসের ছুটিতে গিয়ে পাসপোর্ট রিনিউ করতে দিছিলাম. নরমাল ডেলিভারি ১ মাসের মধ্যেই দেয়ার কথা থাকলেও ৩ মাস অতিবাহিত হওয়ার পরেও পাসপোর্ট পাই নাই। পরে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে ১ সপ্তাহের মধ্যেই পাসপোর্ট পাই
আমি প্রথমে পাসপোর্ট করতে ফাইল রেডি করে অফিসে যাই । প্রথমে তারা আমার ফাইল দেখে বিভিন্ন অজুহাতে আবেদনে ভুল আছে, কাগজ সব নেই এইরকম অনেকগুলো অজুহাতে আমার ফাইল রিজেক্ট করে দেয় । আমি তাদেরকে কি কি সমস্যা আছে সেগুলো লিখে দিতে বললে তারা আমার সাথে ধমক দিয়ে বের করে দেন। পরে অফিসের বাইরে একজন আমাকে পার্শ্ববর্তী কম্পিউটার দোকান থেকে অতিরিক্ত ২০০০ টাকা দিয়ে আবার আবেদন করতে বললে আমি আবার আবেদন করে নিয়ে গেলেই তারা পাসপোর্ট করার সুযোগ করে দেন। আগের আবেদন আর নতুন আবেদনের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে তাদের বানানো একটি ইমেইল আইডি বসাতে হয় যা দ্বারা অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সন্ধ্যার পর টাকা পেয়ে থাকেন।
আমি নিজেই অনলাইনে আবেদন করি এবং আবেদন কপিটা পাসপোর্ট অফিসে নিয়ে যাই আমার সবকিছু ঠিকঠাক ছিল কিন্তু তিনি বললেন দু-একটি জায়গাতে তোমার ভুল আছে এই জায়গাগুলো পূরণ করে নিয়ে আসো তাই আমাকে উপরে পাঠিয়ে দিল। ওই জায়গাগুলো মূলত আবেদন করার সময় অপশনাল ছিল এজন্য আমি সেগুলো দেইনি। উপরে যাওয়ার পরে তিনি বললেন তোমার এনআইডিতে সমস্যা আছে। এনআইডি পরিবর্তন করে নিয়ে আসো। এরপরে আমি আমাদের বাজারে দালালের মাধ্যমে আবার আবেদন করে অফিসে নিয়ে আসলে তখন আর কোন ভুল ধরল না আর দালাল নিজে আমাকে বলে দিল এখন আর কোন সমস্যা হবে না সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে যাবে। সে ২ হাজার টাকা অতিরিক্ত নিলো।
আমি পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম। আমি ঢাকার বাসিন্দা নই—এই বিষয়টি আগে না বলায় আমাকে দুইবার ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরে একজনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি ২,০০০ টাকা নেন। এরপর ছবি তোলার রুমে নিয়ে গিয়ে আমার সব কাগজপত্রের কাজ সম্পন্ন করে দেন
আমি আমার বাবার জন্য পাসপোর্ট নবায়ন করিতে ফরম এ পেশা পরিবর্তন করে ব্যবসা লিপিবদ্ধ করি। আমাকে ট্রেডলাইসেন্স দিতে বলে আমি সাথে ট্রেডলাইসেন্স নিয়ে যায়নি। পবর্তীতে আমি তথ্য কেন্দ্রে জিজ্ঞেস করলে তিনি আমাকে দায়িত্বরত পুলিশ কষ্টেবলের সাথে যোগাযোগ করতে বলে, সে 2500 টাকা দাবি করে আমি 2000 দিব বলে তার সাথে চুক্তিতে আবদ্ধ হই। পরে সে কলম দিয়ে পেশা পরিবর্তন করে একটি স্বাক্ষর দেন। এরপর আর কোন জটিলতায় পড়তে হয় নি কাজ সম্পূর্ণ শেষ হয়ে গেছে। ভিতরে যে অফিসার প্রথমে হবে না বলছে সে তখন স্বাক্ষর দেখে কিছুই বলে নি।
সব কিছুই ঠিক ছিল।আমাকে বলা হয়েছিল ১ দিন পর আসতে। আমি বেরিয়ে যাওয়ার পর ফোন দেয় আমার পাসপোর্ট ডাস্টবিন এ পরে আছে পাসপোর্ট হবে না।তারপর দালান এর মাধ্যমে ১৫০০ টাকা নিয়ে পাসপোর্ট করে দেয়।
এনআইডি, ভাড়া বাসার বিদ্যুৎ বিল থাকা সত্বেও জমা না নেবে না। তারা ভাড়া বাসার এলাকার কমিশনারের কাছে থেকে সনদ এবং বাড়িওয়ালার পত্র দাবী করেন। ৪২০০ টাকা পরিশোধের পরে ৫ দিনের মধ্যে ছবি তোলার ডাক পরে। ওখানে কর্মরত এক আনসার সদস্য ক্যামেরার আড়ালে গিয়ে এই টাকা গ্রহন করেন। টাকা প্রদানের পরে আর কোন কাগজের প্রয়োজন পরে নাই
Passport office এর গেট এ একজন আনসার সদস্য আমার কাগজ পত্র তে একটু প্রবলেম হয় তার কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে সে 1500 টাকা দাবি করে এবং বলে টাকা দিলে সে সব করে দেবে আমি না করছি ।এছাড়া অফিস এর বাইরে computer এর দোকানে সবাই দালালি করে।
পুলিশ এসে ১০০০ টাকা দাবি করে ভেরিফিকেশন এর জন্য
অনলাইন এপ্লিকেশন সুসম্পন্ন হলেও নানা অজুহাত দিয়ে ভুল দেখিয়ে সেটি আবার টাকার বিনিময়ে ঠিক করে দেয়ার কথা বলছে রংপুর পাসপোর্ট অফিস।প্রায়ই এই ঘটনা ঘটছে। প্রত্যেক পাসপোর্ট এপ্লিকেশন ফাইল জমা দিলে ১৫০০/২০০০/৩০০০ করে টাকা চাচ্ছে। এই ঘটনা প্রায় ২-৩ বছর ধরে চলে আসছে।
আমার জরুরি প্রয়োজনে পাসপোর্ট করার দরকার ছিল চিকিৎসার জন্য তখন আমি আমার নিজ জেলায় পাসপোর্ট অফিসে যাই গাইবান্ধাতে সেখানে যাওয়ার পর যে ব্যক্তি আমার পেপারসগুলো দেখতে চাই ঠিকঠাক আছে কিনা পরবর্তীতে সে অযৌক্তিকভাবে একটা ভুল বের করে সে বলে আপনাকে এগুলো ঠিকঠাক করে আনতে হবে এবং সেগুলো ঠিকঠাক করার জন্য অনেক কষ্টসাধ্য হত বিশেষ করে গাইবান্ধা থেকে আমাকে অন্য একটি জেলায় আবার যেতে হতো কলেজের প্রত্যায়ন আনার জন্য আমাকে নাকি প্রমাণ করতে হবে আমি ছাত্র কিনা? অন্যথায় আপনার একটা সুযোগ আছে ২৫০০ টাকা দিলে আজকেই করে যেতে পারবেন পরবর্তীতে ঝামেলা কমানোর জন্য তাকে ১৫০০ টাকায় রাজি করিয়ে কাজটি সমাধান করে আসি সে সরাসরি তার টেবিলে টাকা নেয়নি আমাকে অন্য রুমে ডেকে নিয়ে গিয়ে টাকা নিয়েছিল।
আমি আমার ছেলের পাসপোর্ট বানানুর জন্য অনলাইন আবেদন করি জমা করার পর অফিসার আমার ছেলের প্রফেশন আদার কেন দিলাম আবেদন আবার করে নিয়ে আসতে হবে বলে আবেদন গ্রহণ করে নি বলে যে। ডিপনেন্ডে দিতে কম্পিউটার এর দুকানে গেলে তার বলে ১৫০০ দিলে এইটায় হবে আর তাই করলাম কাজ হলো
পাসপোর্টের আবেদন জমা দিতে অরিজিনাল পরিচয়পত্র থাকার পরেও “সার্ভার কপি” দাবি করে। পরে অফিসের এক কর্মচারী টাকার বিনিময়ে সম্ভব বলে। বাহিরে শালবাগান বাজার সংলগ্ন এক কসাই এর দোকানে নিয়ে ১২০০ টাকার বিনিময়ে অনেকের কাছে আবেদন পত্র হাতে নিয়ে প্রথম পেজের ছবি হোয়াটস এপে আবেদন জমার কাউন্টারে পাঠায়। তখনই কাউন্টারে আবেদন নিয়ে জমা দিতে গেলে টু শব্দ ছাড়াই আবেদন গ্রহন করে নেয়। আমার সাথে আরো ৫ জনের কাছে টাকা নিয়েছে। কিছুক্ষন অপেক্ষা করে দেখতে পাই আনসার সদস্য থেকে দোতলার সিনিয়র কর্মকর্তারাও সরাসরি জড়িত। গোপন সুত্রে জানতে পারি এটা ভাগবাটোয়ারা হয়। ডিডি থেকে গেটম্যান সবার মাঝেই।
ফরম পূরণ করে জমা দিতে গেলে সেই ফরমে ভূল ধরে সেইগুলার। সেগুলো ঠিক করে নিয়ে গেলে নতুন কিছু ভূলবের করে। পরে দালাল ধরে অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা দিলে সবভূল নিমেষেই ঠিক হয়ে যায়। এবং অল্প কিছু দিনের ভেতর হাতেও পেয়ে যায়। আবার পুলিশ ভেরি ফিকশন করতে ১০০০ টাকা লেগেছে।
কয়েকবার আবেদন করে জমা দিতে পারিনি। তারপর টাকা দিয়ে জমা দিতে হয়েছে ফাইল।
passport er line e dariye chilam 3 hours then jkhn serial ashlo tkhn sob thik thakar porew joma niccilo na then ekjon er nam mention korlo unar kase jaite then giye 2k tk diyesi and oidin ei fingerprints niye niyese🙃
পাসপোর্ট বানাতে দেওয়ার পর পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য কল আসে। দেখা করার পর অফিসার সব কাগজপত্র দেখে বলেন টাকা দিতে হবে। সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও টাকা দাবির বিষয়টি জিজ্ঞেস করলে বলেন, এটা তো সবাই দেয়। বাড়তি কথা বলার টাইম নাই। আরো অবাক করার বিষয় হলো উনি একজন মহিলা অফিসার ছিলেন। মহিলা অফিসার হিসেবে প্রথমে খুশিই হয়েছিলাম। মনে করেছিলাম মহিলা অফিসার এসব থেকে দূরে থাকবেন। কিন্তু......
২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে কুষ্টিয়া পাসপোর্ট অফিসে আবেদন পত্র জমা দেওয়ার সময় বিনা কারনে তার আমার আবেদনটি জাম নেয় না। যে সকল ডকুমেন্ট দেওয়া প্রয়জন ছিল সবই দিয়েছিলাম (আবেদন পত্র, টাকা জমা দেওয়ার ইনভয়েচ, নিজের পিতা মাতা ও স্ত্রির এন আই ডি, বিয়ের কাবিন নামা, যেই প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করি সেটার প্রত্যয়ন পত্র, নিজের জন্ম নিবন্ধন, SSC, Diploma, BSC Engineering সার্টিফিকেট এর সত্যায়িত কপি)। তারা আমাকে কারন হিসাবে বলে পেশা ইঞ্জিনিয়ার দেওয়ার জন্য সার্টিফিকেট এর অরিজিনাল কপি আনতে বলে, আমার অরিজিনাল সার্টিফিকেট গুলা ঢাকাতে থাকার কারনে, আমি ইউনিভার্সিটির ওয়েবসাইট থকে তাদের ভেরিফাই স্ট্যাটাস দেখাই তাতেও তারা রাজি হয় না। ২ দিন চেষ্টার পর ব্যাপারটা টাকা দেওয়ার মাধ্যমে সমাধান করতে হয়।
পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য প্রথমে কল করে ৫০০ টাকা চাওয়া হয় সেটা আমি কল এই মানা করে দেই। এরপর উনি এসে ঠিকানা দেখে গেঞ্জাম করে ভেরিফিকেশন ফেইল করিয়ে দেই। এরপর আমি ঠিকানা ঠিক করে আবার ভেরিফিকেশন এর আবেদন করি এবার যে আসে সে আগের জনকে টাকা দেই নাই সেটা বলে আর আবারও ভেরিফিকেশন আটকাইয়া দেই। এরপর ১ বছর পরে আমি আবার ভেরিফিকেশন এর আবেদন করি আর ৫০০ টাকা ঘুষ দিয়ে ভেরিফাই করি
৭ দিনের ভেতর পাসপোর্ট রিনিউ করে দেওয়া হবে। নইলে এপ্লিকেশন রিজেক্ট করা এবং নতুন নতুন কাগজ লাগবে বাহানা দিয়ে পাসপোর্ট বাতিল হয়ে যাবে বলা হচ্ছিল।