নতুন পাসপোর্ট
পাসপোর্ট করার জন্য, নরসিংদী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে টাকা দিতে হয়ছে ব্যাংক ড্রাইব থেকে ১৫০০ টাকা বেশি দিতে হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পাসপোর্ট করার জন্য, নরসিংদী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে টাকা দিতে হয়ছে ব্যাংক ড্রাইব থেকে ১৫০০ টাকা বেশি দিতে হয়।
মাগুরা পাসপোর্ট অফিস এর সকল কর্মকর্তা ঘুষখোর
New passport korar Jonno application nijei joma dite jai. But amar application e bhul ase bole amar application joma neina. Pore 2000 tk die same application joma nei
অনেক কিছু শশযযরঠররঠরঠরঠযঠঠযনঠনঠনঠনঠণ
পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম রিজেক্ট করেছে পরবর্তীতে আনসার ছিল যার করে দেওয়ার করেছিল তো আমি আরো চার বার ঘোরার পরে আমি আমার পাসপোর্টটি রিনিউ করতে সক্ষম হয়েছিলাম টোটাল আমার প্রায় ৭ মতো পাসপোর্ট অফিসে যাওয়া লাগছিল তাই ভুল দ্বিতীয় সপ্তাহে ভুল এই কাগজ নেই ওই কাগজ নেই এখান থেকে সংশোধন পরবর্তীতে আর সময় টিমের সাংবাদিক — তার পরিচয় দেওয়ার পরের দিন জমা নিয়েছেন।
পাসপোর্ট নবায়ন এর জন্য গিয়েছিলাম সিরাজগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে। সকল কাগজ দেয়ার পর, অনারা আগের পাসপোর্ট দেখে নবায়ন আবেদন রিজেক্ট করেন। কারণ আইডি কার্ডে আমার নামের প্রথমে (মোঃ) নাই, কিন্তু আগের পাসপোর্ট এ আছে। আমাকে জজ কোর্টে যেয়ে এফিডেভিড করে আনতে হয়েছে। অফিসার কে রিকুয়েস্ট করে, পাসপোর্ট নবায়ন আবেদন জমা দিলাম। তারপর দীর্ঘ ৩ মাস কোনও খবর নেই। আমি অফিসে গেলে, অনারা বলল কাজ চলছে, আরও কিছুদিন পর এসে খোজ নিয়েন। বার বার যেতে যেতে ৬ মাস হয়ে গেলো, তখন একজন লোক (দালাল) বলল, আপনার নবায়ন আবেদন ফেলে রাখা হয়েছে, ১০ হাজার টাকা দিলে, ৩ দিনের ভিতরে কাজ হয়ে যাবে। টাকা দেয়ার পর চলে আসলাম। দ্বিতীয় দিনেই মেসেজ আসলো, পাসপোর্ট হয়ে গেছে।
পুলিশ দাবি করে আমার ডিভোর্স লেটার কোই অথচ আমার বিয়েই হয়নি, কিন্তু পুলিশ বলে না ডিভোর্স পেপার লাগবে
ফিংগার ও চোখের স্ক্যানের জন্য জন প্রতি ৫০০ থেকে ১২০০ টাকা নিয়েছে। যখন ছোট্ট কক্ষে ফিংগার নেওয়া হয় তখন ওখানের একজন থাকে যে টাকা চেয়ে নেয়।
না দিলে ঘুরায়। পাসপোর্ট এর আবেদন পত্র নিয়ে ঘুরাবে। তাই টাকা দিয়ে করিয়েছি। কোনো ভুল বা মিথ্যা ডকুমেন্ট ছিলো না।
২০২২ সালে আমার পাসপোর্ট যখন নবায়ন করা হয় তখন ডেলিভারি আনতে পাসপোর্ট অফিস মনসুরাবাদ গিয়েছিলাম চট্টগ্রামে অনেক কষ্টে লাইন ধরেছিলাম কিন্তু খেয়াল করলাম আমাদের সিরিয়াল আসতে আসতে কোথ থেকে যেন হঠাৎ অন্যান্য মানুষের নাম ভেসে আসে যারা লাইনে দাঁড়ায় নাই সকাল গড়িয়ে দুপুর হয়ে গেল তখন আবার ভার্সিটিতে পরীক্ষা আছে কিছু করতে না পেরে একজন পুলিশ ভদ্রলোক এর সাথে দেখা হয় দেখলাম তিনি সবার কাগজপত্র নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করছেন ভদ্রলোক আমার চাহনি দেখে জিজ্ঞাসা করলেন কি সমস্যায় পড়ছেন বলেন আমি সব খুলে বললাম যে দেরি হয়ে যাচ্ছে পরীক্ষা আছে তিনি ৭০০ টাকা চাইলেন পরবর্তীতে স্টুডেন্ট বলে নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে ৪০০ আনা হলো এবং তাকে টাকা দিলাম অবাক হয়ে গেলাম মাত্র ৮ মিনিট লাগলো আমার পাসপোর্ট পেতে!
বাসায় ভেরি ভীষণ করতে আসছিল পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য জমা দেওয়ার পরে ভাষাতে পুলিশ হিসেবে ভেরিফাই করতে আসছিল তাকে আমাকে তিন হাজার টাকা দেওয়া লাগছিল
বাংলাদেশের পাসপোর্ট প্রদানের নিয়ম অনুযায়ী পুলিশ নাগরিকের স্থায়ী ঠিকানা সঠিক কিনা অথবা নাগরিক সতি ই ঐ স্থানের স্থায়ী বাসিন্দা কিনা যাচাই করা তিনি নিজ খরচে যেহেতু নাগরিক পাসপোর্ট রাজস্ব বাবদ সরকারকে সেবা অনুযায়ী বেশ ভালো পরিমান রাজস্ব নিয়ে থাকেন। কিন্তু তিনি তার পরিবর্তে আমাকে ফোন করে খোদ নিজ জেলার এসবি. অফিসে নিয়ে গিয়ে ১০০০ টাকা রশিদ বা কোন রাজস্ব, চালান না দিয়ে ১০০০ টাকা ঘুষ চায়,
আমি পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে গিয়েছি। লাইন লম্বা ছিল।আমাকে আনসার বলে ৫০০ টাকা দেন আমি কুইক ভিতর হতে নিয়ে আসব
নতুন পাসপোর্ট করার সময় অফিস থেকে অ্যাপ্লিকেশন রিজেক্ট করে দেয়, বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা আনসার সদস্যরা আড়ালে ডেকে নিয়ে, সমাধান করে দিবে এই জন্য প্রথমে ১৩০০ টাকা দাবি করে পরে বারোশো টাকাতে রাজি হয়, এরপর ওই একই কাগজগুলো নিয়ে আমাকে লাইন থাকা সত্ত্বেও একবারে রুমে গিয়ে নিয়ে ছবি তোলা একজনের পরেই আমি ছবি তুলি
মনসুরাবাদ পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট নবায়ন করতে গিয়ে স্বামীর নাম আইডি কার্ডে মো: এবং উনার পাসপোর্টে মোহাম্মদ থাকায় আবেদন বাতিল করে দেই, পরে আনসার সদস্যের ব্যাক কলে ৩০০০ টাকার বিনিময়ে নবায়ন করি।
আমি গতকাল উত্তরা পাসপোর্ট অফিসে , গিয়ে ছিলাম আমার নতুন পাসপোর্ট তৈরি করার জন্য। তারা আমার কাগজ পত্র দেখে সব ঠিক থাকার পরও আমাকে আরো নতুন নতুন কাগজ দেখাতে বলছিল । এগুলা পাসপোর্ট বানাতে কোন প্রয়োজনই নেই । বাহ আবেদনের রিক্রুটমেন্ট নেই। তাও শেষে যখন তারা আমাকে বিভিন্ন কাগজপত্র চেয়ে আটকাতে পারল না । শেষে তারা বলে আমার দাদার জন্ম নিবন্ধন লাগবে । এইটা কোনো কথা। এরা সরাসরি ঘুষ চাইতে পারবেনা বলে এরকমভাবে মানুষদের হয়রানি করে । তারপর আপনি যখন বাহিরে যাবেন তাদের পরিচিত দালালরা আপনাকে জিজ্ঞাসা করবে কি সমস্যা হয়েছে । তখন যদি আপনি বলেন যে এই সমস্যা হয়েছে তখন বলবে যে চলেন আমি ঠিক করে দেই । এই হলো তাদের অবস্থা? সরকারি দায়িত্বশীল লোকদের কাছে আবেদন তারা যেনো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে।
Passport er documents joma deyar por bivinno vul dhora suru korsilo, Pore r joma ney nai. Pore passport office er baire giye ek computer dokan e bolle tara 1600 taka chay. 1600 taka deyar por amar application e ekta jaigai ekta mark kore dey and again joma dile r kono question na kore joma niye ney.
I had paid 3000 taka to police officer during my police verification.
আমি একদিন এপয়েন্টমেন্ট এর একদিন পরে যাওয়ায় আমার কাগজে সিরিয়াল নাম্বার দেয় নাই, উপরে, নিচে সব ফ্লোরে ঘুরতে হইছে। অথচ ওয়েব সাইটে লেখা যেকোনো দিন গেলেই হবে। পরে উপরে এক আনসার আর পিয়ন মিলে আমার কাজ করে দেয়, বিনিময়ে ২০০০টাকা চায়। অনেক মূলামুলি করার পর ১৫০০তে রাজি হয়। মাত্র ০৭ মিনিটের মধ্যে কাগজ ও ফেস ফিংগার দেওয়া শেষ করে দেয়।
২০১৪/১৫ সালে রিটেন এ পাশ করে ভাইভা তে পাশ করি কনফার্ম করার জন্য ঘুষ চেয়েছে ১৫ লাখ