সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

২,০৭২ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
পাসপোর্ট অফিস

নতুন পাসপোর্ট

আমি একদিন এপয়েন্টমেন্ট এর একদিন পরে যাওয়ায় আমার কাগজে সিরিয়াল নাম্বার দেয় নাই, উপরে, নিচে সব ফ্লোরে ঘুরতে হইছে। অথচ ওয়েব সাইটে লেখা যেকোনো দিন গেলেই হবে। পরে উপরে এক আনসার আর পিয়ন মিলে আমার কাজ করে দেয়, বিনিময়ে ২০০০টাকা চায়। অনেক মূলামুলি করার পর ১৫০০তে রাজি হয়। মাত্র ০৭ মিনিটের মধ্যে কাগজ ও ফেস ফিংগার দেওয়া শেষ করে দেয়।

ঘুষ দিয়েছি
আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস ৳২.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্টের জন্য আবেদন।

২০২০ সালে আমি পাসপোর্ট বানাই। ইউটিউব দেখে নিজে আত্মবিশ্বাস পাই নিজে নিজে আবেদন করার। আবেদন করিও। যে পাসপোর্ট বড়জোর ২ মাসে পাওয়ার কথা। সেই পাসপোর্ট আমার হাত পর্যন্ত পৌঁছাতে ৭ মাস সময় নেয়। কোনো প্রকার দালাল ছাড়া নিজে নিজে করায় সম্ভবত এই হয়রানি করা হয়। আমার কোনো আর্জেন্সি ছিলো এজন্য, আমিও রেখে দিসি। যদিও পাসপোর্ট হাতে পায়েছি, কিন্তু এই ৬/৭ মাস সময় নেয়া সম্পূর্ণ অবান্তর।

ঘুষ দিইনি
সুনামগঞ্জ ৳১
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

নতুন পাসপোর্ট করার সময়

পাসপোর্ট করতে যে সব কাজগ লাগে সব কিছু ঠিক থাকার পরও বিভিন্ন ভুল ধরে যেমন এনআইডি ভেরিফিকেশন, বউয়ের বাবা মায়ের এনআইডি, আমার কোম্পানির প্রত্যয়ন পত্র আরো অনেক কিছু যাতে আমি দালালের কাছে যায় পরিবর্ততে অনেক গেনজাম করে করতে সক্ষম হই যদিও আমার সামনেই ৫/৬ জন কে এরকম হইরানি করে দালালের কাছে পাঠালো জাস্ট এনআইডি কপি দিল আর পাসপোর্ট করল। এটা প্রমানের জন্য জাস্ট পাসপোর্ট অপিসে যান দেখবেন এভাবেই চুরি ডাকাতি করছে পাসপোর্ট অপিসের লোকেরা।

ঘুষ দিইনি
টাংগাইণ ৳১.৫ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

নতুন পাসপোর্ট

নতুন পাসপোর্ট করার সময় অফিস থেকে অ্যাপ্লিকেশন রিজেক্ট করে দেয়, বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা আনসার সদস্যরা আড়ালে ডেকে নিয়ে, সমাধান করে দিবে এই জন্য প্রথমে ১৩০০ টাকা দাবি করে পরে বারোশো টাকাতে রাজি হয়, এরপর ওই একই কাগজগুলো নিয়ে আমাকে লাইন থাকা সত্ত্বেও একবারে রুমে গিয়ে নিয়ে ছবি তোলা একজনের পরেই আমি ছবি তুলি

ঘুষ দিয়েছি
মাগুরা পাসপোর্ট অফিস ৳১.২ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট নবায়ন

আমি আমার আইডি সংশোধন করে পাসপোর্ট নবায়ন করতে গিয়েছিলাম কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে,তারা প্রথমে আমার ফাইল পেরত দিয়ে দেয়, পরে আমি চলে যাওয়ার সময় গেট পুলিশ আমাকে ডেকে বলে আপডনার তো ভাই চ্যানেল লাগানো নাই তাই ফেরত পাঠাইছে,পরে পুলিশ স্থানীয় একজন দালাল ডেকে 2000 টাকা নিয়ে আমার ফাইলে লাগায়,তারপপর আমার কাজ হয়্ এ বিষয়টা আমি মহাপরিচালককেও অবহিত করি,কিন্তু তিনি কোন একশান নেননিঅ বরং আমার মনে হয়েছে এই চক্রের সাথে তিনিও জড়িত

ঘুষ দিয়েছি
CUMILLA ৳২.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

নিজে নিজে আবেদন করছিলাম, ফাইল স্ক্যানিং আটকে রেখেছিল, ২০০০ টাকা চেয়েছে, ১৮০০ টাকা দিয়ে সাথে সাথেই কাজ হয়েছিল,

ঘুষ দিয়েছি
ব্রাহ্মনবারীয়া ৳১.৮ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

নতুন পাসপোর্ট

5 বছর মেয়াদি ৪৮ পাতার জন্য ৬২০০ দাবি করে। যা সরকারি দাম ৪০২৫৳. পাসপোর্ট অফিস থেকে নানা ধরনের হয়রানি করা হয়। পরে বাধ্য হয়ে ৬০০০ দিয়ে করতে হয়েছে। 2টি পাসপোর্ট এ ২০০০ করে ৪০০০ বেশী দেওয়া লাগছে

ঘুষ দিয়েছি
লক্ষ্মীপুর ৳৪.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

Apply for new passport

I went to passport office with my elder brother to apply for him, i went to passport office with Necessary documents. After submitting the documents to the checking officer he pointed a mistake in Nikanama. My sister in law's name was incorrect. So i with my brother back to home, suddenly a broker came after us and told what happened? I described him. He offered us that he will do this for 1500 taka. We took the offer and told him to process the documents for 1200 taka. Our work have been done within 2 hours.

ঘুষ দিয়েছি
Rajshahi ৳১.৫ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট এর আবেদন করার সময় বারোশো টাকা ঘুষ নিছে দেশকে বসে ন্যাড়া মাথার একটা লোক

আমি কেয়ামতের মাঠে এই বারোশো টাকার দাবি না ছাড়া পর্যন্ত আর বিচার হইতে দেবো না আমি যেভাবে খুচরা ঢাকায় তার টাকা পরিশোধ করছি তাকেও সে টাকা পরিশোধ করে আল্লাহর বিচারের সম্মুখীন হতে হবে

ঘুষ দিয়েছি
নওগা ৳১.২ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

Passport create

১৫০০ টাকা না দিলে নতুন পাসপোর্ট পাওয়া যাবে না। ঘুষ না দিলে ভুল আর ভুল। দালালরা পাসপোর্ট ফর্মের ইমার্জেন্সির জায়গায় একটা কোড লেখে দেয়। পাসপোর্ট অফিসাররা ফর্ম হাতে নিয়েই ওই কোড দেখে

ঘুষ দিয়েছি
Natore ৳১.৫ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট এর আবেদন

আমার কাগজপত্র সব ঠিক থাকার পরও তারা আমার কাগজ রিসিভ করেনি। স্মার্ট কার্ড দেওয়ার পরও এনআইডির ভ্যারিফিকেশন কপি চায়। অথচ আমার এনআইডি সঠিক নাকি ভুল তারাই চেক করতে পারে এক ক্লিকে। পরে দালালকে ১০০০ টাকা দেওয়ার পর আবার জমা দিতে গেলে নির্দিষ্ট সংকেট থাকায় আর কিছুই জিজ্ঞেস না করে কাগজপত্র রিসিভ করে। অথচ কাগজ সেই আগের গুলোই।

ঘুষ দিয়েছি
কুমিল্লা ৳১.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

নতুন পাসপোর্ট

অনলাইনে নিজে আবেদন করলে বিভিন্ন অযৌক্তিক সমস্যা ও ইস্যু দেখায় কিন্তু পাসপোর্ট অফিসের সামনে কম্পিউটারের দোকান থেকে আবেদন করলে শুধু আইডি কার্ড হলেই হবে নাগরিকদের কোন ভোগান্তি হয় না কিন্তু নিজে থেকে আবেদন করা যাবে না তাহলেই তারা নানা সমস্যা ধরে এবং দোকান থেকে আবেদন করলে ২৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকা আবেদনটির সাথে বাড়তি ঘুষ নেওয়া হয়

ঘুষ দিয়েছি
বরিশাল ৳২.৫ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

সাতক্ষীরা পাসপোর্ট অফিস ফাইল প্রতি ১১০০ টাকা করে ঘুষ নেওয়া হয়। ঘুষ ছাড়া জমা হয় না।

সাতক্ষীরা পাসপোর্ট অফিসে সব ঠিক ঠাক থাকার সত্বেও ফাইল প্রতি ১১০০ টাকা করে নেওয়া হয়। আমি যেহেতু একজন কম্পিউটার দোকান্দার। ফাইল প্রসেস সহ পাবলিকের কাছ থেকে আমাদের আরো বেশি নিতে হয়। আপনি চাইলেও ঘুষ ছাড়া জমা দিতে পারবেন না। যদিও গুষ্টিসমুথ ডকুমেন্ট দিয়ে তর্কাতর্কি করে জমা করেন- তারপরও পাসপোর্ট পেতে সময় লাগবে ১/২ মাস। এমন কি রিজেক্ট হতেও পারে। আর টাকা দিলে ১২-১৫ দিন। প্রতিদিন এই অফিসে ৩০০-৪০০ ফাইল জমা হয়। যাহা প্রতিদিনের ঘুষের পরিমান 300x100= 330,000 taka.

ঘুষ দিয়েছি
সাতক্ষীরা ৳১.১ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

নতুন পাসপোর্ট বানানো

নতুন পাসপোর্ট করতে গেছিলাম। ফটোকপির সাথে অরিজিনাল সব কপি ছিলো।খানকির পোলা বলে কি মূল NID কার্ড নাকি নির্বাচন কমিশন থেকে ভেরিফাই করা লাগবে।এরপর এক দালাল ৫০০০ টাকা নিছে।সুদানির পুয়া এবার আর কোনো পেপার চেক করেনি,ইভেন নাম পর্যন্ত জিজ্ঞেস করেনি।৫০০০টাকা পুনমেরে দিছে মাদাচ্চুদে

ঘুষ দিয়েছি
চট্টগ্রাম ৳৫.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট নবায়ন

আমি নিজে অনলাইনে আমার পাসপৌর্টের ফরম ফিলাপ করে ফিঙ্গার প্রিন্ট দেয়ার তারিখে সিলেট পাসপোর্ট অফিসে উপস্থিত হতে আমাকে প্রথমে রুহিঙ্গা টেষ্ট করতে বলা হয়। পরবর্তিতে একজন আনসার সদস্য দাবি করেন নিজে নিজে ফরম ফিলাপ করলে হবেনা, দালাল ওথভা কোন ট্রাভেন এজেন্সি দিয়ে করাতে হবে। আমাকে ৫০০০টাকা দিলে করে দিতে পারবেন বলে তার মোবাইল নাম্বার দেন। পরবর্তিতে আবার ফিঙ্গার প্রিন্ট দিতে ২য় তলায় গেলে অফিস থেকে কোন কারন ছাড়াই হবেনা বলে আমাকে বের করে দেয়া হয়। এভাবে অনেকবার এই রুম থেকে অই রুমে ঘুরতে ঘুরতে এক সময় কর্তব্য রত আর এক পুলিশ একই ভাবে ৫০০০টাকা দিলে করে দিতে পারবেন বলেন। উপায় না দেখে বাধ্য হয়ে ৫০০০টাকা দিয়ে ছবি ও ফিঙ্গার প্রিন্ট দিয়ে আসি। পরে তদন্ত কর্মকর্তা আমার ১০০০টাকা দাবি করেন।

ঘুষ দিয়েছি
সিলেট ৳৬.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য