নতুন পাসপোর্ট করতে
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম । ইমেল নামের সাথে হুবহু মিল না থাকায় নাকি ভুল হয়েছে । অথচ মানুষের ইমেইল অনেক নামেই থাকে । মূলত অন্য কোন ভুল ছিলনা এবং সকল কাগজ ঠিক ছিল বলেই ইমেইল নিয়ে একটা ফালতু ভুল ধরেছিল।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম । ইমেল নামের সাথে হুবহু মিল না থাকায় নাকি ভুল হয়েছে । অথচ মানুষের ইমেইল অনেক নামেই থাকে । মূলত অন্য কোন ভুল ছিলনা এবং সকল কাগজ ঠিক ছিল বলেই ইমেইল নিয়ে একটা ফালতু ভুল ধরেছিল।
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন এর জন্য দক্ষিণখান ডাকে, তারপর একটা ভাতের হোটেল এ নিয়ে আমার কাগজপত্র সামনে নিয়ে পরিবারের তথ্য নিয়ে কিছু চা পানির টাকা চায়। প্রথমে ৩০০ টাকা দেই কারণ আমার কাছে টাকা ছিল না, পরে বিকাশের মাধ্যমে আরো ৫০০ দেওয়া লাগে। ২০২৩ সালের জুলাই মাসে
বাহিরের দালাল, তারা চাড়া অফিসের কাজ হয় নান
আমার দুই সন্তানের পাসপোর্ট বানাতে অনলাইনএ আবেদন করি । কিছু জটিলতার কারণে আমার স্ত্রীর পাসপোর্ট নবায়ন করতে দালাল এর সাহায্য নিয়েছিলাম । আমার স্ত্রীর পাসপোর্ট এর সব কাজ সহজে হয়ে যায়। সমস্যা বাধে আমার বাচ্চাদের বেলায়, যেহেতু আমি কোনও দালাল এর সাহায্য নিনাই । তারা আমার একটা ৩ বছরের একটা ৩ মাসের বাচ্চাকে সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪ পর্যন্ত ওয়েট করিয়ে রাখে । ওদের অফিস বন্ধ হওয়ার শেষ মুহূর্তে জানায় যে তাদের ছবি নতুন লাগবে । শেষ পর্যন্ত পাসপোর্ট হয়ছে । কিন্তু এরকম ছোট বাচ্চাদের সারাদিন ওয়েট করিয়ে রাখা অমানবিক।
During file submission they declined first. After paying 1250tk to broker they took.
এখানকার ঘুষ বাণিজ্যের সাথে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসের এডি সরাসরি যুক্ত। এখানে পাসপোর্ট করতে গেলে কোন না কোন ভুল ধরবেই। আমার নামের এমডির পরে ডট কেন এটার জন্য আবেদন বাতিল করে দিচ্ছিল। ৫০০০ টাকা ঘুষ দেওয়ার পর আমার পাসপোর্ট হয়ে গেছে। ধ্বংসরা সরাসরি নেয় না অফিসের পাশে কম্পিউটারের দোকান আছে সেখানে জমা দিতে হয়। কম্পিউটারের দোকানে ঘুষ জমা দিলে, আবেদনের পর একটা সাংকেতিক চিহ্ন দিয়ে দেয়। তারপর আবেদন পাশ হয়ে যায়।
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম আমার স্ত্রীর। তারা বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে তা ফিরিয়ে দেয় পরে দালাল ধরে কোন ডকুমেন্ট ছাড়াই সব হয়।
পাসপোর্ট করতে হবে, টাংগাইল গেলাম, তারপর জিবরাঈলের মতো কিছু দরবেশ বাবা এলো এসে বল্লো একা একা করতে পারবেন না অনেক সমস্যা হবে, তারপরে খোজ খবর নিয়ে দেখলাম ঘনটা সাত্য, কিন্তু স্বাক্ষী দুর্বল, মানে তারা যে দরবেশ বাবার মাধ্যমে টাকা খাচ্ছে সবাই জানে কিন্তু কেউ কিছু বলবে না স্বীকার ও করবে না,, তারপর নিজেই একবার চেষ্টা করলাম কাজ হলো না,,তখন বাধ্য হয়ে জিবরাঈলের মতো উড়ে আসা দরবেশ বাবার সাথে যোগাযোগ করলাম তিনি প্রথমে ৯৫০০ চেয়েছিলো,, পরে দেখে যে আমি আবেদন করে ফেলছি তারপর তিনি ১৫০০ টাকা হাদিয়া নিয়ে আমাকে বল্লো হাসরের মাঠে যাবো আমাকে ফলো করো,, যেই কথা সেই কাজ তাকে অনুসরণ করলাম কোনো সিরিয়াল নাই, কাগজে কোনো ভুল নাই কোনো সমস্যা নাই সবার আগে আমার কাজ হয়ে গেলো,,
আমি পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম, আমার সমস্ত কাগজ পত্র ঠিক থাকার পর ও আমি সহ আরো অনেকের থেকে নাম কিংবা ঠিকানা ঠিক করার নাম করে ২০০০-১০০০০ টাকা পর্যন্ত দাবি করে। অনেকের থেকে টাকা নিয়েছেও। টাকা না দিলে পাসপোর্ট করতে দেয় না।
অনলাইনে আবেদন করে সবকিছু রেডি করে অফিসে গেছি। কি জানি একটা ভুল ধরল, ওইদিন চলে আসলাম। পরের দিন একজন পীরের সাথে যোগাযোগ হল এবং ১৫০০ টাকা হাদিয়া দিলাম। ব্যাস। একেবারে ছবি তুলে ফিঙ্গার দিয়ে চলে আসলাম ওই একই কাগজপত্র দিয়ে।🤣🤣😅😅
My previous passport had a mismatch with my NID and so I was not allowed to make a passport normally. I had to pay someone around 3000 BDT to process my file, that too without standing in queue, and on the same day.
টাকা চেয়েছিলো আমি দেইনি অনেক কাগজ চেয়েছিলো অনেক দিন ঘুরিয়েছে আমি তাও নিজে নিজেই করেছি।
একজন লোক এই কাজে হেল্প করে উনি ওয়াটসএপ্স এর মাধ্যমে পাসপোষ্ট অফিসের ভেতরে কোনো কর্মকর্তার সাথে কথা বলেই আমার থেকে টাকা নেওয়া ছাড়াই শুধু ডিল হওয়ার ৫ মিনিটের মধ্যে কোনো লাইন ছাড়া ডিরেক্ট রুমে নিল.কর্মরত কর্মকর্তাকে ইশারা করে আমার টাই করে দিল যাস্ট কিছু প্রশ্ন করলো অভিনয় টাইপ এরপর ডিরেক্ট বায়োমেট্রিক রুমে মানে পুরো কাজে ৭-৮ মিনিট লেগেছে। বায়োমেট্রিক রুমের কাছে যেতেই একজন বললো কর্মকর্তা তুমি বাইরে যাও তো আমি আছি দেখতেছি এরপরে অই অফিসার লাইন ছাড়া সত্তেও আমাকে সবার আগে দিল ভেতরে। তখন বুজলাম পুরো চেইনে পার্সপোর্ট অফিসের সকল কর্মকর্তা জড়িত সেটা অফিসার হোক বা আনসার। আনসার অই ছেলেকে বললো আমাকে একটা স্প্রিড খাইয়াতো গলা শুখে গেছে। হাউ ফানি।আমি তো অবাক হলাম।
Paid 1000 to officer verifying passport information.
আমি পাসপোর্ট তৈরি জন্য পাসপোর্ট অফিস গেলে একটি অপ্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসের জন্য আমার আবেদন কপি জমা নেয় নাই,,পরে দালাল মাধ্যম ২০০০ টাকা চুক্তিতে আবেদনটি জমা দেওয়া হয়
এই সমস্যা, ঔ সমস্যা সব কাগজ দেওয়ার পরও শেষ বলে অফিস খরচ দিতে হবে। রোগীর অবস্থা খারাপ তাই দিতে বাধ্য হলাম৷
আমার কম্পিউটার দোকান আছে, আমি নিজে পাসপোর্ট এর আবেদন করি এবং ব্যাংক চালান সহ কেটে দেই তাদের সবাইর টা দালালদের চেনেল নাম্বার থাকে, আমি নিজের পাসপোর্ট করার সময় তাদের চেনেল ছাড়া যায় তাই তারা অনেক হয়রানি করে, পরে দালাল ধরে চেনেল বসিয়ে দেই তখন আার কোন সমস্যা থাকেনা। ফাইল সুন্দর করে জমা নেয়
পাসপোর্ট অফিসের লোকজনেরা মিলে একটি সিন্ডিকেট তৈরী করেছে,পাসপোর্ট অফিস থেকে বের হওয়ার বাম।পাশেই তাদের সিন্ডিকেট আছে,তারা পাসপোর্টের আবেদনের পিছনে সাইন করে দিলেই আর কিছু লাগে না।কাজ দ্রুত হয়ে যায়,তবে এর জন্য দিতে হয় নগদ ১৫০০ টাকা। আর টাকা ছাড়া পাসপোর্ট করতে গেলে এই কাগজ সেই কাগজ চাইতে থাকে,হুদাই ঘুরাইতে থাকে।
আমি আমার পাসপোর্ট এর আবেদন নিজে নিজেই করেছিলাম যার কারণে পাসপোর্ট অফিসের যে ভিতরে যে সরকারি কর্মকর্তা ছিল সে আমাকে সব কিছু ঠিক থাকা সত্ত্বেও তার আপনজন বাহিরে কম্পিউটার নিয়ে বসে ছিল তার কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি যার কাছে পাঠিয়েছে সে নিজের মুখে স্বীকার করেছে যে এটা একটা তাদের বাড়িতে ইনকাম এজন্য তারা এইভাবে এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাজটি করে থাকে আমার পাসপোর্ট আবেদনে কোন প্রকার ভুল ত্রুটি ছিল না শুধু শুধু আমার থেকে ৩৫০০ টাকা নিয়েছে ওই কম্পিউটারের দোকানদার আমি যখন জিজ্ঞাসা করি ভাই এই টাকাটা কি কি পায় তখন সে আমাকে বলল আমাদের পাসপোর্ট অফিসের পাশে পুলিশ সুপারের কাছে যায় কিছু আপনাকে যে এখানে পাঠিয়েছে তার কাছে যাই তেছে আর আমরা রাখি এই।
পাসপোর্ট নতুন করতে গিয়েছিলাম। সব কাগজপত্র ঠিক ছিল কিন্তু তিনি বলেন জন্ম নিবন্ধন কাগজ অনলাইন রিপোর্ট লাগবে। অনলাইন রিপোর্ট দিলাম বলে এটা হবে না। আপনি চেয়ারম্যান এর কাছ থেকে সত্যায়িত করে নিয়ে আসেন। বাহিরে চলে এসে এক দালালের কাছে গেছি 2000 টাকার বিনিময়ে আর কোন ডকুমেন্ট লাগে নাই