নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য পুলিশ টাকা নিয়েছিল, টাকা ছাড়া ভেরিফিকেশন করতে চাইনি।
পাসপোর্ট এর সকল কাগজ ঠিক থাকার পরে ও বাহানা করে বাতিল করা হয়, পরে অফিস থেকে বের হইবার সময় বাহিরে দায়িত্বরত কিছু পুলিশ আমাকে ডেকে পাশে নিয়ে বলে এইগুলো কোনো ব্যাপার ই না ১৫০০৳ দিলে তোমার কোনো লাইনে ও দারাতে হবে না সোজা গিয়ে ছবি তুলবা ও fingerprint দিয়ে চলে আসবা। আমার দেখা মতে ১০ জনের ভিতরে ৭-৮ জন ই সেইম সিস্টেম এ হয়রানি হচ্ছে।
টাকা না দিলে পাসপোর্ট দিতে লেইট হবে বলে দুটি পাসপোর্টের জন্য ১০,০০০/- টাকা নেয় এজেন্ট । এজেন্ট তারপর কাকে টাকা দেয় সেটা জানার চেস্টা করিনি
জেকেজকেজ৷ ওজেহে৷ এ জ্বব্ব জেজে
২০২৪ এর ঘটনা। পাসপোর্ট নবায়ন এর আবেদন করি অনলাইনে কিন্তু প্রথম appointment মিস করি। অফিসার বল্লো কোন ভাবে সম্ভব না। অনলাইন পোর্টালেও এই ধরনের সমস্যা সমাধানের সহিজ কোন উপায় নেই। দালাল কে ১৫০০টাকা দেয়ার পর ঠিকই সাবমিট করে দিল কোন সমস্যা ছাড়া। এর পর সব সাভাবিক তবে কিছুদিন পর একজন নিজেকে ইন্সপেক্টর দাবি করে খরচা চাইলো, ৫০০ দেয়ার পর আরো ২০০০ চাইলো, এর অনেকদিন পর নিজ জেলা থেকে একজন মহিলা নিজেকে কর্মকরতা দাবি করে আবার টাকা চাইলো, তাকেও ৩০০০ টাকা দিলাম। বিদ্র : তাদের টাকা দেয়ার পর যথারিতি এসএমএস ও ফাইল স্টাটাস আপডেট হয়েছিল। আমি সময়ের অনেক আগেই কোন ঝামেলা ছাড়া নতুন পাসপোর্ট পেয়েছি। পাসপোর্টের বর্তমান ঠিকানা ও বৈবাহিক অবস্থা পরিবর্তন করা হয়েছে। কোথাও কেউ আটকায়নি বরং কিছু ক্ষেত্রে লাইনের আগে দিয়ে
১৫০০ টাকা দিতে হয়।তারা টার্গেট করে বিশেষ করে যারা একটু অশিক্ষিত তাদেরকে বা যারা কম বোঝে।এমনি একটা ভুল ধরে বলে যে এইটা ঠিক করতে হবে।এইটা নিয়ে আসলে আরেকটা ভুল ধরে।মানে ১৫০০ টাকা নিবেই।এবং দুপুর দুইটর পরে তারা এই কাজ গুলো করে থাকে যখন সবাই চলে যায়।এবং পাসপোর্ট অফিসের দিজি নিজেই জড়িত এইটার সাথে। উনি উপরে বসে থেকে এগুলো করায় এবং একটা মহিলা এগুলো সাহায্য করে।
সকাল ৯ta থেকে ৫ta পর্যন্ত লাইন এ দাড়িয়ে কাগজ নেই এইটা নেই সেইটা নেই করছিল পরে দালাল ধরেছি আম্র কাগজ এর উপর একটা রিফেন্স এ স্টিকার দিয়ে ইমেল বসিয়ে দিয়েছিলো বাস সব কাগজ জমা নিয়ে বলল ফিঙ্গার প্রিন্ট দিন
নতুন পাসপোর্ট বানানোর জন্য বেশি টাকা দাবি করেছিল
পাসপোর্ট করতে আমি প্রথমে যাই..স্বাভাবিক ভাবেই পাসপোর্ট করাতে যাই কিন্তু আমার সবকিছু ঠিক থাকার পরও ভুল ধরতে থাকে...হতাশ হয়ে বাইরে এসে দাড়াই একজন বলে ভাই মার্কা মেরে নিয়ে যান সব ক্লিয়ার...এই কথা বলার পরে তার সাথে হাতাহাতিও হয়...আমার...আমি সব ঠিক করে অফিসার এর কাছে যাই আবার ভুল ধরে...এখন বাধ্য হয়ে যে লোক মার্কা দিতে চাইছিলেন তার আরেক সহযোগীর কাছে যাই...আমার আবেদন এর কাগজে...কিছু একটা গোপন সংকেত দেয়...আমি কাগজটা জমা দিয়ে...অফিসারকে বল্লাম ভাই কাগজটা একটু দেখেন...ওমা...হাসি মুখে কাগজ জমা নিল...১৫ মিনিট এ আমার কাজও হয়ে গেলো
স্বাভাবিক ভাবে পাসপোর্ট বানানোর সময় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স লাগে,কিন্তু আমাদের দেশে এই জিনিসটা দুইভাবে হয়। ১।কন্টাক্ট এ যেখান থেকে আপনি এইগুলোর কাজ করবেন সেখানে এক্সট্রা টাকা দেওয়া যাতে তাড়াতাড়ি হয় বা ঠিকভাবে আসে (এখানে পুলিশ এর সাথে আর উক্ত প্রতিষ্ঠান কানেক্টেড থাকে) ২।কন্টাক্ট না করে যদি করেন তাহলে পুলিশের সাথে আপনার ফেইস করতে হবে এবং এটি দীর্ঘ টাইম নিবে অথবা কাগজের কোন একটা ভুল খোঁজে সংশোধন এর উদ্দেশ্য টাকা চাইবে এবং টাকা দিলেই দুই একদিন এর মধ্যে আপনার কাজ শেষ।
আমি পাসপোর্ট করতে গেছে, আমাকে বলে এই ডকুমেন্টস নাই ওইটা নাই, কিন্তু পরে একটা দোকানে গেলাম ১৬০০ টাকা নিলো, তারপর একটা আনসার আমাকে রুমে গিয়ে বসতে বললো, সব প্রসেস কম্পলিট করে তারাই আমাকে ছবি তোলার রুমে দিয়ে আসলো।
ফেনী পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট আবেদন ক্যানসেল করতে গেলে সরকারি আবেদন করতে যেখানে ৫১০০ টাকা লাগে সেখানে আমার কাছ তেকে ৮০০০ টাকা দাবি করে বলপ আইডি কার্ড দিবেন ১ ঘন্টা পর এসে ছবি ফিঙ্গার দিয়ে যাবেন ৭ সাপ্তাহ পর পাসপোর্ট নিয়া যাবেন 😑
অফিসে দালালদের কাছে চায় ১১০০। ওরা ৩০০-৪০০ বাড়িয়ে কাস্টমার এর কাছে চায়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ২-৩ হাজার এক্সট্রা চায় ফাইল জমা করতে।
আমার বাডি chittagong কিন্ত আমার বর্তমান ঠিকানা ঢাকা হওয়াতে আমি ঢাকা ( উত্তরা ) জমা দিতে গেলে তারা আমকে এইকাহ্নে হবে না বাদ দিয়ে দে । পরে ১৫০০ টাকা দেওয়াতে তা গ্রহণ করে এবং জমা নে ।
পুলিশ ভেরিফিকেশনে গেলে। আমার থেকে ১০০০ টাকা দাবি করে। যাতায়াত খরচ। যেখানে আমি এই সব already Online pay korsi.
পাসপোর্ট করতে গিয়ে এমন অভিজ্ঞতা হলো, মনে হলো অফিসে পাসপোর্টের চেয়ে টাকারই বেশি মূল্য! নিজে গেলে একটার পর একটা ভুল ধরা হয়, ফাইল আটকে থাকে দিনের পর দিন। কিন্তু দালালের হাতে টাকা তুলে দিতেই সেই ভুলগুলো হাওয়া—ফাইল সরাসরি অফিসারের টেবিলে, কাজও দ্রুত শেষ! তখন বুঝলাম, সাধারণ মানুষের জন্য লাইন, আর টাকার জন্য শর্টকাট!
পাসপোর্ট এর আবেদন এর সময় আইডি কার্ড,জন্মনিয়ন্ত্রণ এর সব তথ্য দিয়েছি,,,খালিঘর থাকায় দিয়েছি, এর পর বাতিলেট আবেদন করতে বলে, আবেদন করেও কাজ হয়নি, বাহিরে এক দালালা কম্পিউটার দোকানে নিয়ে ২৩০০ টাকা দেওয়ার পর কাজ দেখি হয়ে গেছে
পাসপোর্ট আবেদর ফরমে আমার নাম এর আগে মোঃ দেই কারণ এটা আমার সার্টিফিকেটে ছিলো। কিন্তু জন্মনিবন্ধনে ছিলো না এই কারনে আমার পাসপোর্ট রিজেক্ট করে দেয়। বলেছিলো নতুন করে আবেদন করে নিয়ে আসেন। কিন্তু আমি ৬৩০০+ টাকা দিয়ে আর্জেন্ট ডেলিভারিতে পাসপোর্ট আবেদন করেছিলাম, আমি যদি আবার আবেদন করতাম আমার আরো ৬৩০০+ টাকা লাগতো। আমি অনেক রিকুয়েষ্ট করলেও তারা আমার আবেদন গ্রহণ করে নি পরে আমি এক আনসার এর সাথে কথা বলি, সে বলে করে দিতে পারবে। তারপর তাকে ১৫০০ টাকা দিই, আমাকে আবার অন্য একজন কর্মকর্তার কাছে নিয়ে যায় এবং সে আমার আবেদনটি গ্রহণ করে তখনও আমাকে বলে আমার নামের আগে মোহাম্মদ নেই, আমি বললাম ভুল করে আমি ফর্মে লিখেছি আপনি একটু এডিট করে দেন তারপর তারা আমার আবেদনটি গ্রহণ করে।
পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য একটা হোটেলে যেতে বলে,সেখানে অনেকক্ষন বসে থাকার পর আমার সিরিয়াল আসে।দেখলাম সবাই কাজ শেষে হাতে কিছু দিচ্ছে ।একজন হজে যাবে তার কাছ থেকেও নিচ্ছে । এরপর আমাকে ডেকে কিছু ব্যাসিক প্রশ্ন করে আমার দিকে তাকিয়ে থাকে, বুঝলাম আমাকেও হ্যান্ডশেক করতে হবে যার মুল্য ৫০০ টাকা। আমাকে জিজ্ঞেস ক্রছে মনে কিছু করেছি কিনা কোনো দাবি রেখেছি কিনা।
The person who check documents said there is something wrong with my documents. i need to go to my education board and fix my name. it’s just a dot (Md.). after that he said me that go to this room and talk with a person. that person said we can solve this issue but i need to provide money. then i said how much she said 20,000. after arguing with she said 19,000 and after few seconds she said last 18,000.