নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এখানে ঘুষের আদানপ্রদানটা হয় মূলত ওপেন সিক্রেট ভাবে। আপনি যদি পাসপোর্ট অফিসের সামনের ফটোকপির দোকান গুলো থেকে এক্সট্রা টাকা দিয়ে পেমেন্ট চালান স্লিপে কোড সিল মেরে না নিয়ে কাগজ জমা দিতে যান আপনাকে তারা প্রচন্ড হ্যারাস করবে। মূল কাবিননামা, সার্টিফিকেটের কপি, জাতীয়তা সনদ, যত রকম কাগজ চাওয়া পসিবল, সব চাইবে। আর যদি ১২০০ বা ১৫০০টাকা বেশি দেন, তাহলে সেই দোকান গুলো থেকে কাগজে একটা সিল দিয়ে একটা সাইন দিয়ে দিবে। আপনি বিনা বাধায় কাগজ জমা দিয়ে বের হয়ে আসতে পারবেন। আমার সামনে অন্তত ৫জনকে তারা ফিরিয়ে দিয়েছে নানান রকম কাগজ চেয়ে। সেখানে আমি ১২০০ টাকা বেশি দিয়েছিলাম তাই কোনো ঝামেলা ছাড়াই, শুধু স্মার্ট এনআইডির কপি দিয়ে কাজ সম্পন্ন করেছি।
আমি আমার ছোট ভাইয়ের জন্য পাসপোর্টের আবেদন করি। বাবা কৃষক ছিলেন কিন্তু NID-তে ব্যবসায়ী হিসেবে ছিল, এরকম প্রায় ৩টি ভুল দেখিয়ে আমাদের দোতলায় একটা রুমে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দেখি আমাদের মতো আরও অনেক লোক। কথা এবং টাকা যা হবে ওই রুম ছাড়া হবে না। পাসপোর্ট অফিসের প্রধান নিজে সেই রুমে ঢুকে বললেন তার সহকর্মী যা বলে তা শুনতে। ওই রুমে ঢোকার পর মোবাইল জমা নেওয়া হয়। লালমনিরহাট পাসপোর্ট অফিস।
আমার পূর্বে জানা ছিল পাসপোর্টে অফিসে ঘুষ না দিলে পাসপোর্টের আবেদন কপি জমা দিতে সমস্যা হয়। তাই নিরুপায় হয়ে ঝামেলা এড়াতে ১০ বছরের মেয়াদে রেগুলার পাসপোর্টের জন্য ৮৫০০৳ দিতে হয়, কিন্তু সরকারি ফি ৫৭৫০৳। আমার একদিনেই সব মিটে যায়। এবং পাসপোর্টের ভেরিফিকেশনের জন্য নিকটবর্তী থানা থেকে পুলিশ ফোন দিলে তার সাথে দেখা করতে যাই, সে ৫০০৳ টাকা দাবি করে । পরে আমি দালালের নাম বললে ঐ পুলিশ দালালকে ফোন করে। সমস্যা সমাধান।
পাসপোর্ট ফাইল জমা নেয় নাহ, এজন্য দিসি, দেওয়ার পর ঠিকি এই ফাইলটাই জমা নিছে পরে।
আমি পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম। সকল ডকুমেন্টস ঠিক ছিলো। তবুও আমার ডকুমেন্টস রিজেক্ট করে এবং বলে যে নাগরিক সনদ লাগবে যদিও আমার NID ছিলো। আমি বলেছি এই ডকুমেন্টস লাগে সেটা তো কোথাও দেখিনি। উনি কোন কথায় বলেনি।পাশে দাড়ানো আনসার আমাকে বলেছে ২০০০ হাজার দেন, সব ঠিক হয়ে যাবে। আমি পরবর্তীতে সরাসরি এডির রুমে যায়, উনাকে সব বলি উনিও আমার সাথে বিরক্তিকর সুরে কথা বলে। তারপর বলে আমার অফিসে কোন ঘুষ নাই, আপনাকে সন্দেহ করেছে তাই নাগরিক সনদ চেয়েছে।পরে বললাম আমি ঢাবির স্টুডেন্ট, রাজশাহীতে তেমন থাকি না।যদি সম্ভব হয় বিষয় টা দেখেন। পরে একটা সাইন দিলো আমার কাজ হয়ে গেলো।আর আনসারকে আসার সময় বললাম ভাই সবাইকেই মরতে হবে।টাকায় জীবনের সবকিছু না।
I do not know why they always want bribe
উত্তরা পাসপোর্ট অফিসে ১৫০০ টাকা জমাদেয়া লেগেছে কাজ করানোর জন্য।
— Passport office er samnei bosen, cotto ekta computer এর দোকান নিয়ে। তার নম্বর হলো ০১৭৪*****০৫, প্রথমে আমি নিজেই অনলাইনে আবেদন করে আবেদনের কপি জমা দিতে যায়, সেখানে আমি পর পর ২-৩ দিন ফিরিয়ে দেওয়া হই পর্যাপ্ত কাগজ থাকা সত্তেও যে পিতামাতার ভোটার আইডিকার্ডের অরিজিনাল কপি লাগবে। আমি ল্যামিনেট করে একটি কপি নিয়ে যাওয়ার পর আমাকে বলা হয় এখন তৈরি করে নিয়ে গেলে হবে না, পূর্বের পরে থাকা আসল কপিটি লাগবে, এটা একটা আজব চাওয়া। আর বুঝতে বাকি রইলো না যে আমাকে সিস্টেম এর মধ্যে দিয়েই যেতে হবে, যেহেতু জরুরী প্রয়োজন ছিলো তাই বাধ্য হয়ে দালাল দিয়ে কাজটা করিয়েছি, মজার বিষয় হলো দালাল এর সাথে যোগাযোগ করার সঙ্গে সঙ্গে সুধু মাত্র আমার আবেদনের কপি এবং ভোটার আইডি কার্ড এর কপি টি লাগলো, প্রমাণস্বরূপ অডিও আছে
আমি মনে করছিলাম টাকা দিতে হবে না। পুলিশ সরাসরি টাকা চেয়ে বসে। এমনকি ভেরিফিকেশন এর জন্য, আমার তথ্যও যাচাই করে নি। রহিংগা/ অন্য দেশের হলেও ভেরিফিকেশন করে দিত। শুধু টাকা নেওয়াই পুলিশের উদ্দেশ্য ছিল।
নতুন পাসপোর্ট বা নবায়ন যে সেবাই অনলাইনে এপ্লাই করেন না কেন, এই পাসপোর্ট অফিসে যাবেন এবং এরা আপনার সাথে কুকুরের ন্যায় আচরণ করবে এবং কোনো না কোনো সমস্যা বা ভুল বলে বারবার আপনাকে ঘুরাবে। অফিসের ভিতরে এবং বাইরে (গেটের ঠিক পাশেই প্রিন্ট-ফটোকপির দোকানগুলো দালালদের) তাদের দালালরা ঘুরাফেরা করবে এবং আপনাকে দ্রুত সমাধান অফার করবে, তাদের আবার নির্দিষ্ট রেট আছে যেটা সেট করে দেয় পাসপোর্ট অফিসের এডি থেকে নিয়ে সকল কর্মকর্তা কর্মচারিরা এবং প্রতিদিনের ঘুষ ভাগাভাগি করে নেয়। এপ্লিকেশন যদি দালাল দ্বারা করা হয় তারা বিভিন্ন কোডের মাধ্যমে তা যাচাই করে, যেমন দালালের নির্দিষ্ট ইমেইল এড্রেস, মার্ক এছাড়া ফোনের মাধ্যমে কনফার্মেশন। এই দালালের মার্ক না থাকলেই আপনাকে হয়রানি করা হবে, যতক্ষণ না আপনি তাদের দালালকে টাকা দিচ্ছ
Jara passport office eh kagoj verify koreh tara iccha koreh boleh je apnar original kagoj lagbe and hen and ten jokhon adesh dewa je photocopy lagbe tao tara erokom koreh pathai de so eteh jara dureh thake tader original ante jhamela so bahire dalal der hath e 2k dhorai dile dalal ra eta clear koreh de betare comission diye. Ami nije first hand eitar shikar hoisi kintu taka di nai since amr basha kache. Shob original ansi ami anar por upre 5 ta finger n picture dewar jaiga thakar kotha kintu chalu shudu ekta .. okhane 3 ghonta line e thakar por dekhi amr shob original kagoj amr hath e diye dise ask korlam egula lagbe na uni dhomok diye boleh lekha photocopy anben apni original kno anben.
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের সময় পুলিশ টাকা দাবি করেছিল। প্রথম দিন আমি কম টাকা নিয়ে যাই, ৪০০ মত নিয়ে যাই। পুলিশ সেটা নেয় না। আমাকে ফেরত পাঠায়, এর পরে অন্য আরেকদিন আবার ডাকায় এবং আমার মানি ব্যাগ কেড়ে নিয়ে যা ছিল সব নেয়। ১৫০০টাকা আর কিছু ভাংতি ছিল।
Passport verification er jonno police ashe bashay. Tokhon taka chawar por na dite chaileo jor kore taka adaay kore Tara duijon.
পাসপোর্ট করতে গিয়ে কিছু ডকুমেন্ট এর অরিজিনাল কপি লাগবে বলে রিজেক্ট করে দিয়েছিল। পরে দালাল এসে বলে আমাকে দেন করে দিচ্ছি। দুইটা পাসপোর্টে ৩০০০ হাজার করে ৬০০০ টাকা এক্সট্ট্রা দেওয়া লেগেছিল।
By mistake I put my nickname in the passport renewal process.Which was not in the passport details earlier. Though they have the access to modify it.They told me to apply again after removing the nickname.When I asked it is obviously possible to modify the personal info as they have the access of it.They offered me that yes it's possible if I pay 2000BDT otherwise I have to reapply by paying nearly 6000BDT.So I have to pay 2000BDT. If they takes money for modifying peoples info in the passpory registration process,then what are the work they get paid from the government!!!
Nid name problem so have to paid 33k , original nid name correction fees would be 1k 2k.
They forced me to give that.
Ofcourse without payment I have to circle the divisional passport office for days. I dont have any options
They don't work smoothly without the medium of broker (Dalal).
I recently had to go through the process of getting my passport, and honestly, the experience was extremely frustrating. Even after having all my documents in order, I was turned away by an officer at the Narail Passport Office for no clear reason. On another day, I went there with my elder brother and met a different officer, who was actually helpful and approved everything without any unnecessary hassle. And the problems didn’t even start at the passport office. Before applying, I had to get several documents corrected and prepared, which meant going through both the Upazila Office and the Pourashava Office. The amount of unnecessary hassle, I had to face just to get basic paperwork do