সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৭৩১ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
সরকারি হাসপাতাল

স্বাস্থ্য

আমি একজন শিশুর জর অবস্থায় হাসপাতালে নিলে সরকারি ডাঃ রোগীকে না দেখে ১০ ফিট দুরে রেখে ৫ টা পরীক্ষা লিখে দেন। যা দরকার ছিলনা, যা ছিল অবহেলা।

ঘুষ দিইনি
শহর ৳১
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

ঢাকা মেডিকেল কলেজ বহি: বিভাগীয় চিকিৎসা (Outdoor)

বাংলাদেশের সবচেয়ে পরিচিত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহি:বিভাগে আমার মা কে ডাক্তার দেখাতে যেয়ে দেখলাম লম্বা লাইন। লাইন সামনে আগায় না৷ পরে টিকিট কাউন্টারে যেয়ে বলায় উনি বললেন ৫০০ দিন। ডাক্তার দেখাই৷ পরে ৫০০ দেয়ার পর উনি আমাদের পিছনের দরজা দিয়ে ডাক্তার দেখান। সেখানে বের হয়ে আসার সময় আবার ডাক্তারের সহকারী ২০০ টাকা চেয়ে নিয়ে নিল নাহলে প্রেসক্রিপশন দিচ্ছিল না৷

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳৭০০
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

হাসপাতালের দুর্নীতি

আমার দুঃসম্পর্কের এক ভাইয়ের শাশুড়ির জরায়ু টিউমার ,তো তার বেড পড়েছে 4তলায় আর উনি বয়স্ক তাই বেশি হাঁটতে পারেন না,জরায়ু টিউমার গুরুতর অবস্থায় পৌঁছানোর পরে রংপুর মেডিকেলে ভর্তি করালে শুধু 4তলায় নিয়ে যাইতে ট্রলি ভাড়া 200আবার নিচ তলায় প্যাথলজি পরীক্ষার জন্য নিয়া আশা 200টাকা,এখন এইসব ট্রলি সরকারি হওয়া সত্ত্বেও ট্রলি গুলা দখল করে আছে যুগের পর যুগ কারো কোনো হস্তক্ষেপ নেই,একটা দরিদ্র পরিবার যার এক দিনের দিনমজুরি 400 থেকে 500টাকা তাকে শুধু এই ট্রলির কাছেই মাথানত করে 400টাকা দিতে হচ্ছে,এই সিস্টেম কি আদৌ পরিবর্তন হবে,এ কোন দেশে বসবাস করি,মাদারবোর্ড বড়লোক এমপি মন্ত্রী ra তো কখনও এমন সরকারি হাসপাতালে সেবা নেয় না,নিলে বুঝত কেমন হয়রানির শিকার সাধারণ পাবলিক।

ঘুষ দিয়েছি
রংপুর সদর ৳৪০০
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

আল্ট্রাসোনোগ্রাফি, এক্স- রে, ব্লাড টেস্ট, হরমোন টেস্ট, আরও অন্যান্য যেকোনো টেস্ট

আমার মায়ের অসুখ এর জন্য আমি আমার মাকে নিয়ে বিএসএমএমইউ (পিজি) হাসপাতাল এ যাই, করা গেছেন তারা জানেন সেখানে সব কিছু তেই অতিরিক্ত সিরিয়াল । ডাক্তার দেখাবেন সিরিয়াল, তবে যদি নার্সদের অথবা আনসার দের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করতে পারেন আপনি আগে দেখাবেন, রোগী প্রতি ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকা । এবার আপনি ডাক্তার দেখালেন আপনাকে টেস্ট দেয়া হলো, টেস্ট করাতে গিয়ে দেখলেন টেস্ট করানো পর্যন্ত যেতে আপনাকে কয়েক ধাপে , সম্ভবত ৩ ধাপে সিরিয়াল দিয়ে টেস্ট এর সম্পোল দেয়ার জায়গা পর্যন্ত যেতে হয় এই ৩ ধাপ আপনাকে সহজ করে দিবে আনসার সদস্যরা যদি আপনি ১০০০- ২০০০ টাকা খরচ করেন প্রতি ধাপে টেস্ট এর খরচ ৬০০ টাকা সাথে আরও ৬০০০ টাকা আপনার ঘুষ দিতে হলো । আপনি ভাবতে পারেন ঘুষ দিবনা সিরিয়াল এ দাঁড়িয়েই টেস্ট করাবো, সে গুড়ে বালি।

ঘুষ দিয়েছি
শাহাবাগ, পিজি হাসপাতাল (বিএসএমএমইউ) ৳২.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

Yes

এক্সিডেন রুগি নিয়ে গেছিলাম রংপুর মেডিকেলে, নার্স ওটিবয়রা জোড় করে, ১০ হাজার টাকার, সুই, সেলাইয়ের সবকিছু গজ কাপর সাদা, ইনজেকশন, ওষুধসহ সবকিছু বাইরে থেকে কিনতে বলছে, তারপর ওটিবয় হাসপাতাল থেকেই চোখের সামনে ফার্মেসিতে, সবকিছু বিক্রি করছে। তারপর ওগুলোই কিনছি।। ১০ হাজার টাকা এভাবে আমি প্রতারিত হয়েছি।।

ঘুষ দিয়েছি
Rangpur ৳১০.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

Medical certificate

তো একটা মামলার মেডিকেল সার্টিফিকেট নিতে গিয়ে দিতে হয়েছে। এছাড়া থানাতেও পুলিশেরা আমাদের কাছ থেকে হুমকি ধামকি দিয়ে প্রায় ২০০০০ টাকা নিয়েছে।

ঘুষ দিয়েছি
Kurigram & Rangpur medical ৳৫৬.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

হাসপাতালের বকশিস বিষয়ক

হাসপাতাল প্রধান ঘুষ বাণিজ্য করে,,সেটা কেউ যানেনা,,তিনি নিজেই পার্সেন্টেন্স(%) খায়।।।।।ওনি সবার সামনে পীরজাদা সেঁজে বড় বড় কথা বলেন,,কিন্তু দিন শেষে ওনি আবার ভাগ করেন সব,,,(প্রত্যক্ষদর্শী)

ঘুষ দিইনি
সকল সরকারি হাসপাতাল ৳১০.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

ডোপ টেস্ট

হাসপাতালে গিয়ে টেস্ট করানোর লাইনে গেলে তারা বলে যে এই সপ্তাহে হবে না। ১০ দিন পরে এই টেস্ট করা হবে। অথচ হাসপাতালের বাইরে হাসপাতালের এক কর্মচারি ৬০০০ টাকার বিনিময়ে করে দিতে পারবে বললেন। তাই টেস্ট না করে চলে আসি।

ঘুষ দিইনি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ৳৬.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

অসুস্থ রুগীর জন্য টলি না দেওয়া

আমার বাবাকে নিয়ে হাসপাতালে জাই সেখানের আয়া এবং কিছু নার্স আমাকে বলে টলি নাই হাতে উঠান বাবার জন্য কষ্ট লাগলে আর না হলে চার্জ দেন আমি বললাম কিসের চার্জ বললো এটা এখানের নিয়ম জানেননা ধমকের সহিত অত:পর টলির জন্য ১০০০ হাজার টাকা নেয়।

ঘুষ দিয়েছি
বরিশাল বিমানবন্দর ৳১.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য প্রমাণ আছে
সরকারি হাসপাতাল

ক্যান্সার হাসপাতালের রোগী ভর্তি, পরিক্ষা, ডাক্তার সিরিয়াল।

২০২২ সালে আমার পিতা ক্যান্সার হয়। আমি মহাখালী ক্যান্সার হাসপাতালে ভর্তির জন্য সেখানে যাই। সেখানে অফিস থেকে বলে কোন সিট নেই। পরে আমি সেখানকার পিয়নের সাথে কথা বলে ভর্তি করানোর চেষ্টা করি, সে আমার কাছে ৫০০০ টাকা দাবি করে, পরে আমি অনেক হাতে পায়ে ধরে ২০০০ টাকা দিয়ে ভর্তি করাই।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳২.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

অ্যাম্বুলেন্স

সময়টা কোনো এক কোরবানি ঈদের দিন। হঠাৎই পাশের বাড়ির একজন অসুস্থ হলে পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলাম। ট্রলি ম্যান টাকা নিল। গিয়ে দেখি কোনো ডাক্তার নাই। ডাক্তারের নম্বর ছিল বিধায় কল দিয়ে নির্দেশনা নিলাম। উনি আসলেন না, তবে রংপুরে নিয়ে যেতে বলল। রংপুরের জন্য অ্যাম্বুলেন্স খুঁজি, ড্রাইভার নাকি আছে একজন। উনি নানান কথা শুনালো। যাওয়ার কোনো ইচ্ছা নাই। সরকারি অ্যাম্বুলেন্স তাও অনেক বেশি টাকা চাইলো। নির্ধারিত যা আছে তার দ্বিগুন। বাধ্য হয়েই দিতে হলো। অসুস্থ মানুষ তাদের কাস্টমার। লাভের বিরাট জায়গা। সেদিন নিজেকে খুব অসহায় মনে হয়েছে।

ঘুষ দিয়েছি
পঞ্চগড় ৳৪.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

“সরকারি হাসপাতালে আল্ট্রাসোনোগ্রাফি পরীক্ষা”

তৎকালীন ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ঢাকা মেডিকেল কলেজ ইমার্জেন্সি বিভাগে জরুরি অবস্থায় আল্ট্রাসোনোগ্রাফি করার প্রয়োজন হয়। সেখানে গেলে জানানো হয় যে নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হয়ে গেছে, তাই স্বাভাবিক নিয়মে আর পরীক্ষা করা সম্ভব নয়। পরবর্তীতে সেখানে কর্মরত একজন আনসারের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, অতিরিক্ত ১,৪০০ টাকা দিলে পরীক্ষাটি করিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে। অথচ পরীক্ষাটির নির্ধারিত ফি ছিল ৫০০ টাকা। রোগীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় এবং জরুরি ভিত্তিতে পরীক্ষাটি প্রয়োজন হওয়ায় বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে হয়। টাকা দেওয়ার পর কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই খুব সহজে এবং দ্রুত পরীক্ষাটি সম্পন্ন করে দেওয়া হয়।

ঘুষ দিইনি
dhaka ৳৯০০
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য