সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৬৯৭ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
সরকারি হাসপাতাল

Radio therapy for cancer patient at Mohakhali cancer hospital

After my wife completed her chemotherapy at Japan Bangladesh Friendship Hospital, the doctor referred her to Labaid Hospital for radiotherapy. At that time, arranging treatment at a private hospital was extremely difficult for me because of the high cost. During this difficult period, I contacted the office assistant, — (mobile: [redacted]). I had met him previously and discussed my situation with him. He was from my home district, Bhola, and I trusted him because I was going through a very difficult time after my wife's cancer diagnosis. — assured me that he could arrange my wife's radiotherapy at Mohakhali Cancer Hospital. Based on his assurance, I agreed to the amount he re

ঘুষ দিয়েছি
Mohakhali cancer Hospital ৳৪৫.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

সিভিল সার্জন অফিসে মেয়ের শিক্ষা সনদপত্রের বয়স কারেকশনের জন্য বয়স সংক্রান্ত সনদপত্র সংগ্রহ করতে

সিভিল সার্জন অফিসে মেয়ের শিক্ষা সনদপত্রের বয়স কারেকশনের জন্য বয়স সংক্রান্ত সাটিফিকেট নিতে গিয়ে ঐ অফিসের মাধ্যমে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সাথে চুক্তি মোতাবেক ১০০০০/- দশ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে।

ঘুষ দিয়েছি
শহর ৳১০.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

সেবা

বাবা প্রচন্ড অসুস্থ ছিল, কিছুক্ষণ পর পর খিঁচুনি দিচ্ছিল, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট শেরেবাংলা নগরী নিয়ে গেলে সেখানে ভর্তি হতে ও bed এ নিতে বলে, সেখানে ওয়ার্ড এ নিয়ে গেলে, বেড বরাদ্দের জন্য ৩০০ টাকা চায়, তখন আমার কাছে টাকা ছিল না কিন্তু আমি কি করবো বলে যে ভাইয়া আমায় পরে টাকাটা দিচ্ছি আপাতত একটা বেড দেন, প্রায় ৩০ মতো বেড তখন ফাঁকায় ছিল। এটা সম্ভবত ছিল ফেব্রুয়ারির ১০ তারিখ। তখন উনি বলে যে আচ্ছা দিচ্ছি, কিন্তু ২-৩ ঘণ্টা চলে গেলেও উনি বেড দেয় না। তখন নির্বাচনের আগে কোন মতো বিকাশে তাকে টাকা পরিশোধ করার পর তিনি বাবাকে বেডে দেন। আমি চাইলে উনার বিকাশ নাম্বার দিতে পারব। শুধু এই হসপিটাল না সরোয়ারদী হসপিটালেও এবং ঢাকা মেডিকেল হসপিটালেও একই রকম দেখেছি।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ৳৩০০
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

মৃত ব্যাক্তির লাশ ছাড়িয়ে নিতে

আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিজয় ৭১ হলের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি। আমার বাড়ি দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায়। পাশের গ্রামের এক ভাই এক্সিডেন করে তখন তাকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয় অবশেষে রোগী মারা যায়। লাশ ছাড়িয়ে নিতে জোর প্রর্বক ৫০০০ টাকা নেন দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মচারী

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳৫.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

বেডের জন্য

হাসপাতাল থেকে সীট কেটে দিলে ওয়ার্ড বয় যে থাকে সে ছাড় পত্র দেওয়ার সময় টাকা দাবি করে। অনেকের থেকেই ১০০/২০০৳ করে নিয়েছে। আমার কাছে টাকা দাবি করলে আমি সেটা প্রত্যাখ্যান করি এবং তার সাথে তর্কে জড়িয়ে যাই।

ঘুষ দিইনি
শহর ৳১০০
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

হুইল চেয়ার এর সার্ভিস দিয়ে ২০০ টাকা দাবি প্রায় সবার কাছেই নিচ্ছে রংপুর মেডিকেল

হুইল চেয়ার এর সার্ভিস দিয়ে ২০০ টাকা দাবি প্রায় সবার কাছেই নিচ্ছে রংপুর মেডিকেল

ঘুষ দিয়েছি
রংপুর ৳২০০
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

হাসপাতাল

মাতুয়াইল মাও শিশু হাসপাতাল ঘুষের স্বর্গরাজ্যে পরিনত হয়েছে। ব্লাড টেস্ট করতে পরের দিন দূপুরে রিপোর্ট দেয়ার কথা বলে। কিন্তু আপনি ২০০টাকা দিলেই ১৫মিনিটের মধ্যে রিপোর্ট রেডি। ওয়ার্ডগুলোতে যে আয়া নিয়োজিত থাকে ঐ খবিসগুলো টাকা ছাড়া বিছানা চাদর বালিস কিছুই দিবেনা। ক্লিনাররা রোগী রিলিজ দিলে টাকা ছাড়া ছাড়েনা। কোনো বাচ্চাশিশু কে ইমারজেন্সী NSU তে ভর্তি করা লাগলে সিট খালি থাকলেও আপনাকে বলা হবে সিট নেই। আনসার বা গার্ডের মাধ্যমে অন্য হাসপাতালে কথা বলিয়ে দিবে। সেখানে ভর্তি হবেন মোটা অংকের খরচ বহন করতে হবে প্রতিদিন। আর সেই খরচের কমিশন যায় ঐ আনসার আর যে ডাক্তার আপনাকে সিট নাই বলে বিদায় করেছে। কিছু সংখ্যক নার্সের আচরন দেখলে নিজেকে তাদের কাছে অসহায় ভাবতে বাধ্য হবেন। তবে সব নার্স না। যারা নতুন তারা কিছুটা ভাল।

ঘুষ দিইনি
ঢাকা ৳১০.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

বেডে ভর্তি এবং টেস্ট করতে নিয়ে যাওয়ার ট্রলি

আমার পা ভেঙে গেছিলো,, আমি পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি হতে গেছি। তখন এম্বুলেন্স থেকে নামানো থেকে শুরু করে প্রতি পদে পদে টাকা দিতে হয়েছে। টাকা ছাড়া ক্ষত স্থানের ড্রেসিং ও করেনা ওখানের দ্বায়িত্ব রত নার্সরা

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳১.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

জরুরী বিভাগে সেবা নিতে

গত শেষ 8 2016 তারিখে আনুমানিক আড়াইটার দিকে বাইক এক্সিডেন্ট করি ভাই কি আমার ছেলে — আহত হয় পুরে ঢাকা মেডিকেল জরুরী বিভাগে নিয়ে যায় সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার একজন ওয়ার্ড বয় কে ডেকে দেয়। ওয়ার্ড ভাই আমাদের কাছ থেকে ৮০০ টাকা দাবি করলো যদি টাকা দেই তাহলে তাকে চিকিৎসা করবে সেলাই ও ব্যান্ডেজ করে দিবে পরে নিরুপায় হয়ে আমরা টাকা দিতে বাধ্য হই। কিন্তু দুঃখজনক আমি উনার নামটা বলতে পারছিনা

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা মেডিকেল ৳৮০০
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

CT Scan

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিট স্ক্যান ও এমআরআই করাতে গেলে দীর্ঘ লাইনে ১০-১২ ঘণ্টাও বসে থাকা লাগে। সকালে ৯ টায় কাগজ জমা দিশে রাত ১০ টায় কাজ সম্পন্ন হয়। সেটাতো সমস্যাই কিন্তু অভিযোগ হলো অনেক লোক ১০ মিনিটে এসে আনসারের হাতে ১০০-২০০ টাকা গুজে দিয়ে স্ক্যান/এমআরআই করে বের হয়ে যায় কিন্তু সকাল থেকে বসে থেকেও সিরিয়াল পাওয়া যায় না। কোন রোগী সিরিয়াস কন্ডিশন হলে সেটা মেনে নেওয়া যায় বা তাকে সুযোগ দেওয়া যায় তবে এটা গণহারে যে টাকা দিতে পারে তার কাজই আগে শেষ করে দেয়।

ঘুষ দিইনি
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ৳১০০
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

অপারেশন

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল. ঢাকা. তিনতলা গাইনী বিভাগের সামনে অপারেশন থিয়েটারেন যেকোন অপারেশন পর টাকা এনেস্থিসিয়া দেওয়ার সময় টাকা নেয়। তবে ১০০০/- নিচে দিলে তারা নেয় না বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে। এই টাকাটা মনে হয় নাস নিয়ে থাকে তাদের পদবী ঊল্লেখ ছিলো না। মা ও শিশু হাসপাতাল, মোহাম্মদপুর বাচ্চা হওয়ার পরই আয়াদের টাকা দিতে হয় ওটি রুম থেকে চেয়ে টাকা নেয় কম দিলে মানে না সাথে আনসার জড়িত। বাচ্চা হওয়ার পরই আয়া

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳২.৫ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

স্বাস্থ্য সেবা

আমার রোগি ফেনী সদর হাস্পাতালে গত বছর এর অক্টোবর মাসে ভর্তি ছিল।ভর্তি হওয়ার পর রোগিকে ৪ তলায় নিয়ে যাওয়া জন্য আমাকে ২০০ টাকা দিতে হয়েছে।এমনকি রোগির পরিক্ষার জন্য রোগিকে নিচে নামাতেও হাস্পাতালের কর্মীকে দিতে হয়েছে ২০০ টাকা।রিলিজ করার পর হাসপাতালের নার্স ১০০ টাকা দাবি করেছে,পরে তাকেও এই টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে।নার্স বলেছে ১০০ টাকা পরিশোধ না করলে ডাক্তারের লেখা প্রেসক্রিপশন সে আমার হাতে দিবেনা।

ঘুষ দিয়েছি
ফেনী ৳১০০
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

ড্রেসিং বা সেলাই

গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের দূর্নীতি থামবে কবে? আজ আমি বাইক এক্সিডেন্ট করে সদর হাসপাতালে যাই। আমার গোরালি ফেটে গেছে এবং অনবরত রক্ত ঝরছে। আমি সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে গেলে তারা আমার পায়ের গোরালি সেলাইয়ের কথা বলে সুতা কেনার জন্য ৩৫০/- এবং ড্রেসিং করার জন্য ৫০/- টাকা দাবী করে। বিষয়টি যে অনিয়ম তা আমি স্পষ্ট জানি কিন্তু আমার করার কিছু নেই্।। গোরালি থেকে রক্ত ঝরছে এবং আমি অসুস্থ। এ। অবস্থায় ঝামেলা করলে হয়তো তারা আমার চিকিৎসায় করতো না আর হয়তো উল্টো পয়জন ইনজেকশন পুস করতো। কারন দূর্নীতিবাজের ধর্ম নেই। আমি প্রমান রাখার জন্য তাকে কৌশল করে বলি ক্যাশ টাকা নেই। বিকাশ নাম্বার দেন। পরে সে বিকাশ নাম্বার দেয় আর আমি ৪০০ টাকা সেন্ড মানি করি। জরুরী বিভাগের যে কয়টা লোক রয়েছে এরা প্রতিনিয়ত রোগীদের সাথে

ঘুষ দিয়েছি
গাইবান্ধা সদর হাসপাতাল ৳৪০০
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

চিকিৎসা গ্রহন

আমি গত দুইদিন আগে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে এলার্জির সমস্যার কারনে টিকিট নিয়ে সিরিয়ালে ২ ঘন্টা দাঁড়িয়ে চিকিৎসার জন্য ডাক্তার কক্ষে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি ডাক্তার সাব একপাশে চেয়ারে শোয়ে আছেন আর উনার ইন্টার্নিরা আমার মতো চিকিৎসা সেবা গ্রহনকারীদের ১/২ মিনিট করে দায় সারা চিকিৎসা দিচ্ছেন। এখন আমার প্রশ্ন হলো একজন ডাক্তার উনার সরকারি দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন না করে টাইমপাস করে প্রাইভেট চেম্বার করতে চলে যাওয়া কি দুর্নীতি বা ঘুষের চেয়ে কম।

ঘুষ দিইনি
সিলেট ৳১
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

করোনা ভ্যাকসিন কার্ড নিবন্ধন

আমি করোনা ভ্যাকসিন কার্ড নিবন্ধন করতে চেয়েছিল, আমি কলেজের মাধ্যমে ভ্যাকসিন নিয়েছিলাম যার জন্য পরবর্তীতে এটি অনলাইন নিবন্ধন করার প্রয়োজন ছিল আমি আমার প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্ট দেয়,উনি ৫০০ টাকা প্রবর্তন যে আমি টাকাটি না দেওয়ার কারণে আমার কাজটি হয় নাই,ব্যবহারও অনেক বাজে ছিল।

ঘুষ দিইনি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া,সরাইল ৳৫০০
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

করোনা ভ্যাকসিন কার্ড নিবন্ধন

আমি একটি করোনা ভ্যাকসিনের কার্ড অনলাইন নিবন্ধন করতে গিয়েছিলাম,আমি কলেজের মাধ্যমে ভ্যাকসিনটা নিয়েছিলাম সবকিছু ডকুমেন্ট সবকিছু দেওয়ার পরেও নিবন্ধন করার জন্য আমার থেকে ৫০০ টাকা দাবি করে যেটি আমি দেই নাই পরবর্তীতে আমার আর কাজটি করা হয় নাই, এবং তার ব্যবহার ছিল খুবই বাজে।

ঘুষ দিইনি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া,সরাইল ৳৫০০
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য