নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি খুলনা আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে মাথায় আঘাত পাওয়ার কারনে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখাতে গেলে যিনি ডাক্তারের সিরিয়াল করেন তিনি আমার কাছে ৩০০ টাকা ঘুষ চান। বলে সিরিয়াল শেষ আমি যেই চলে আসব কাছে ডেকে বলে বাড়ি কোথায় আমি বলেছি সাতক্ষীরা,জরুরি হলে আমি ব্যবস্থা করতে পারি ৫০০ টাকা লাগবে ,অথচ আমি খাতা দেখতে চাওয়াই মিজাজ নেই। প্রথমে ভাবছিলাম হ ইত রোগী দেখার লিমিটেশন আছে ,পরে যখন টাকা চাইলো তখন ই সন্দেহ হলো। ঐ হাসপাতালে একজন পুলিশ সদস্য SI কে খুজে পাই কমবয়সী । পরে উনাকে জানাই । উনি বলে চলেন দেখি পরে পুলিশ থেকেই খাতা দেখে , তখন বাধ্য হয়ে আমার দিকে মুখ কালো করে সিরিয়াল লিখে। উনার নামটা ও ভূলে গেছি কৃতজ্ঞতা ঐ পুলিশ ভাইয়ের প্রতি ।
আগারগাঁও নিউরোসায়েন্স হসপিটালে ২০১৯ সালে আমার আপাকে নিয়ে ইমার্জেন্সিতে যাই। আমার ভাগনা ছিল ব্রেইন স্ট্রোক করেছিল , সাতক্ষীরা মেডিকেল থেকে রেফারেন্স ছিল। ইমার্জেন্সি দরকার ছিল। কি কষ্টে পৌছাইছি। যে লোক ইমার্জেন্সি টিকিট করেন ইমার্জেন্সি সামনের গার্ড ইমার্জেন্সি তে টিকিটের জন্য ঢুকতে দেন নি। পরে কাছে ডেকে আমি টিকিট করে দিচ্ছি এক হাজার টাকা দিবেন না হলে এই হসপিটালে দেখাতে পারবেন না। এখানে অনেক ভিড়। তখন আমার ভাগনার জীবন বাচানো সবথেকে বেশি জরুরি। বাধ্য হয়ে 1000 হাজার টাকা দিয়েছিলাম। টিকিট পেলাম ইমার্জেন্সি দেখালাম। তবে আজীবন এই কষ্টটা বয়ে চলি যে ঐ ঘুষ খোর গার্ডের কি দিয়ে সৃষ্টি। একটা জীবন চলে যাচ্ছে তার মধ্যে ই
আমি আমার বাবাকে নিয়ে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আসি। পরে দেখি ওখানে অনেক লম্বা লাইন। পরে ওখানের একজন কর্মচারী যিনি ওখানে কর্মরত ছিলেন তিনি লাইন সঠিকভাবে পরিচালনা না করে ওখানেই দাড়িয়ে মানুষের কাছে টাকা চাচ্ছিলেন। ৪০০ টাকা দিলেই সবার আগে লাইন। উনি ষ্টাফ হওয়ার সুবিদার্থে কাউন্টারে গিয়ে ভর্তির প্রসেস করে দেয়। তাই আমও আমার বাবার প্রচন্ড বেথা দেখে সয্য না করতে পেরে বাধ্য হয়েই টাকা দিয়ে ভর্তি করাই।
আমার বাবা এক্সিডেন্ট করলে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের ইমার্হেন্সি-তে নিয়ে গেলে সেখানকার বয় আমাকে বেশকিছু দৈর্ঘের ব্যান্ডেজ এর কথা বলে এবং জানায় যে, তাদের কাছে সেই ব্যান্ডেজ নেই৷ আমি পাশে থাকা ফার্মেসি-গুলোতে গিয়ে খুঁজেও সেইগুলো পাই নাই৷ এরপর না পাওয়ার বি্য়টি ফিরে এসে জানালে বলে যে- 'চা-পানির কিছু পয়সা দিয়েন ম্যানেজ করে দিচ্ছি।' পকেট থেকে ২০০টাকা বের করে দিলাম, আর সব কাজ হয়ে গেলো। পরিস্থিতি এমন ছিলো যে, ঘুষ দাবীকৃত ব্যক্তির নাম ও পরিচয় যাচাই করার মতো সময় ও সুযোগ ছিলো না৷ তবে, দেখলাম যে, ইমার্জেন্সি-তে আসা সকল ব্যক্তির কাছ থেকেই কম-বেশী টাকা নিচ্ছে
I need a icu sit in DMC , But i cant manage it .....then a 4th grade officer manage the sit and his demand is 20000 taka... when i pay the 20000 icu sit manage after 20 minute.... shame
২০ টাকা দিয়ে টিকেট কেটে বাচ্চার নাকের চিকিৎসা করিয়েছি। আসার সময় পিয়ন ও আয়া মিলে জোর করে বকশিশ নিয়েছে ১০০০ টাকা।
আমার বন্ধু হঠ্যাৎ বুকে অসুস্হতা অনুভব করে৷ আমি দ্রুত বাইকে করে তাকে সদর হাসপাতাল ঝিনাইদহে নিয়ে যাই। ইমার্জেন্সি টিকিট কেটে তাকে ইসিজি করাই। ইসিজি করানোর পর — যিনি ইসিজি করান তিনি ১০০ টাকা দাবি করেন। ১০০ টাকা দিলে রিসিপ্ট দেননি এবং তখন বুঝতে পারি এটা তার পকেটে ঢুকলো।
ভাল করে রেডিওথেরাপি দিয়ে দিব, সবাই খুশি হয়ে আমাদের টাকা দেয়। আমার নিকট এক হাজার চাইলো। আমি দিলাম এই ভেবে যে, যদি টাকা না দেই তাহলে খারাপ করে রেডিয়েশন দিতে পারে
চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভর্তি হয়ে সিটের জন্য ২০০-৪০০টাকা দিতে হবে বাধ্যতামূলক না হলে সিট দিবেনা, যারা ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতার কাজ করে তাদেরকে। তারপর হুইলচেয়ারের জন্য দিতে হয় ২০০টাকা।তারপর রিলিজ নিয়ে আসার সময় দিতে হয় ২০০-৫০০টাকা।অর্থাৎ জায়গায় জায়গায় ঘুষ।আর না দিলে আপনি সেবা পাবেননা।আমি নিজে ভুক্তভোগী ৭মাস আগে আমার মাকে ভর্তি করিয়েছিলাম।
আমি একজন পুলিশ অফিসার। বিভিন্ন মামলার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য আমাদের মেডিকেল সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে হয়। সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এমসি (মেডিকেল সার্টিফিকেট) এর আবেদন করলেও তা ১০০০/ টাকা প্রদান না করলে মাসের পর মাস ঘুরতে হয়। অপর দিকে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বিজ্ঞ আদালত সবাই তদন্ত রিপোর্টের জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন। তাদের কে এটা জানালে তারাও বলেন ম্যানেজ করো। বাধ্য হয়ে এমসি প্রতি ১০০০/- টাকা প্রদান করতে হয়। টাকা দেয়ার ১ সপ্তাহর মধ্যে কিন্তু এমসি পাওয়া যায়। এটা একটা সিস্টেম এ রূপ নিয়েছে। দেখার কোথাও কেউ নেই। বারবার বলেও প্রতিকার পাচ্ছি না।
টিভি রোগের ওষুধ একসাথে দুই মাসের টা নেয়ার জন্য দিতে হয়েছিল।
রোগীর হাতের ইনজেকশন বা স্যালাইন দেওয়া হল ক্যানেলা খোলার জন্য 100 টাকা বরাদ্দ । এই অর্থ না দিলে কাজ হবে না দিতেই হবে । জোরাজোরি চলবে । আমি পরিশোধ করেছি।
আমার বড়বোনের স্বামী বিষপানে মৃত্যুবরণ করায় ময়নাতদন্তের জন্য ৫২০০ টাকা নেন।টাকা ছাড়া লাশবল হস্তান্তর করবেনা তাই বাধ্য হয়ে অপারগতা সত্বেও ধারদেনা করে টাকা পরিশোধ করেছি।
শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ বরিশাল, আমার রুগিকে ইমার্জেন্সি থেকে ওয়ার্ডে নিয়ে যাবার জন্য স্টেচার গাড়ি দরকার ছিলো। স্টেচারে করে বেডে নিয়ে যাবার পরে, স্টেচার হেল্পার ৫০০ টাকা জোর করে নিয়া গেছে। আমার রুগির কন্ডিশন খারাপ ছিলো, অসহায় মতো টাকা দিতে বাধ্য হইছি। এছারা ওয়ার্ড বয়, সুইপার, OT বয়, এদের কে টাকা দিতে হইছে। টাকা না দিলে গালাগালি করে, নার্সদের রুমে গিয়ে রুগি দেখাই দেয়। নার্সরা খারাপ ব্যাবহার করে।
ঢাকার মালিবাগ গুলবাগ জামে মসজিদের আশেপাশের এলাকায় অবস্থিত সরকারি টিকাকেন্দ্রে (ইপিআই টিকাদান কেন্দ্র) শিশুদের নিয়মিত টিকা দিতে গেলে সেবাগ্রহীতাদের সাথে চরম অনিয়ম ও হয়রানি করা হচ্ছে। সরকারের নিয়ম অনুযায়ী শিশুদের সব ধরনের টিকাদান এবং নতুন টিকা কার্ড সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়ার কথা থাকলেও, এখানকার প্রায় প্রতিটি টেবিলে কর্মরত ব্যক্তিরা জোরপূর্বক টাকা আদায় করছেন। নতুন একটি টিকা কার্ড তৈরি করতে গেলে ২০০ টাকা এবং প্রতিটি টিকা বা ইনজেকশন পুশ করার জন্য ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয়। টাকা না দিলে টিকা দিতে অস্বীক জানানো হয় বা নানা টালবাহানা করা হয়। শিশুদের ভবিষ্যতের কথা ও স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে এই অনৈতিক অর্থ প্রদান করেন।
সিনিয়র স্টাফ নার্সদের বদলি হওয়ার পর, তাদের নিকট বিভিন্ন ভাবে টাকা দাবি করে, প্রধান অফিস সহকারী — এবং তারই নিজস্ব লোক — চুক্তি ভিত্তিক যাকে দিয়ে অফিসের যাবতীয় কাজ করানো হয়। এরা দুইজন মিলে নার্সদের বদলি হওয়ার পর, এলপিসি ও ছাড়পত্র দেওয়ার নামে প্রত্যেকের কাছ থেকে দশ হাজার করে টাকা দাবি করে এবং প্রত্যেকে টাকা দিতে বাধ্য হয়। থানচি উপজেলা হাসপাতালের এসব দুর্নিতি নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে।
ফি বাবদ 6000 টাকা দিয়েছি। আবার তাদের স্টোর থেকে 3650 টাকার 1 টি সিরিনচ, 1টি হ্যান্ড গ্লাভস, 1লিটার পানি ও 2টি Omnipaue 350. (1টি ব্যবহার করা হয়েছে omnipaue 350.) তাছাড়া এগুলো ছিল সব নট ফর সেল।
পেনশন এর টাকার আবেদন করার জন্য কিছু খরচাপাতি দিতে হবে এমনভাবে প্রস্তাব দিয়েছে।
অন্য সব ক্ষেত্রে তো টাকা নেয়ই, অপারেশন এর দিন স্ট্রেচারে উঠালেও টাকা, স্ট্রেচার থেকে বিছানায় শোয়ালেও টাকা । এবং প্রত্যেক ধাপের জন্য এই টাকা দিতে হয় ।
জিপিএফ ফান্ডের টাকা উঠাতে গিয়েছি। ২লাখ টাকা। ১২ হাজর টাকা ধাবি। চেয়েছে প্রধান অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অফারেটর।