ইমারজেন্সিতে চিকিৎসা নিতে গিয়েছিলাম। চিকিৎসকের অ্যাসিস্ট্যান্ট ঘুষ নিয়েছে।
জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে বিকাল ৩ঃ৫০ এর দিকে ইমারজেন্সিতে ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলাম। ডাক্তার দেখানো শেষে আমাকে বাইরে বসতে বলা হয় এবং প্রেসক্রিপশন আমার হাতে বুঝিয়ে দেওয়ার আগে ডাক্তারের অ্যাসিস্ট্যান্ট বলে খুশি হয়ে যা দেওয়ার দেন, ৫০ টাকা দিলে প্রেসক্রিপশন দিতে আর অস্বীকার করে এবং সর্বনিম্ন ১০০ টাকা দাবি করেন।