17,326 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
বাধ্যতামূলক ঘুষ গ্রহণ: ৩ বছরের একাডেমিক পড়াশোনা শেষ করে জেলা সদর হাসপাতাল এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ বছরের বাধ্যতামূলক ইন্টার্নশিপ শুরু করার সময় চরম হয়রানির শিকার হতে হয়। পদস্থ কর্মকর্তাদের অনৈতিক দাবি: ইন্টার্নশিপের অনুমতি ও চূড়ান্ত স্বাক্ষরের (Sign) জন্য সিভিল সার্জন (Civil Surgeon) এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (UH&FPO) সরাসরি টাকার দাবি করেন। নির্দিষ্ট অর্থের হার: ইন্টার্নশিপের ছাড়পত্র ও স্বাক্ষরের বিনিময়ে সিভিল সার্জন ২০০০ টাকা এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ১০০০ টাকা ঘুষ হিসেবে হাতিয়ে নেন। কর্মকর্তাদের অযৌক্তিক অজুহাত: টাকা দাবি করার সময় কর্মকর্তারা অত্যন্ত নির্লজ্জভাবে অজুহাত দেন যে, তারা নিজেরাও এই পদে আসার জন্য অতীতে বিপুল পরিমাণ টাকা খরচ বা "ফুরাইয়ে" এসেছেন।
এক্স-রে রিপোর্টে নাম ও রিপোর্টের ধরন ভূল আসে, ঠিক করানোর জন্য গেলে রূম বন্ধ থাকে, আরেক যাইগা থেকে বলে ৪দিন পরে আসতে। অথচ কিছুক্ষণ পরে ১৫০ টাকা দিয়েই কাজটা হয়ে যায়, জরূরী প্রয়োজন ছিলো তাই টাকা দিয়ে কাজ করানো।
আমাদের প্রায়ই ঢাকা মেডিকেল থেকে চিকিসার জন্য যেতে হয় কিন্তু লাষ্ট গতবছর একটা কারনে ভর্তি রাখে আমরা রোগীকে ফলে ভর্তির সময়ে কোন ওয়ার্ডে সিট নাই , এটেন্ডেস রা এসে টাকা দাবী করলে সিট পাওয়া যায় , পরে দামাদামী করে সিট নেয়া হলো , আবার তারা এটাও বলল যাওয়ার দিন আমাকে ফোন দিয়ে জানিয়ে যাবেন । অর্থাৎ সরকারি সিটের জন্য তারা টাকা নিচ্ছে এবং চিকিতসা শেষে তারা আবার ভাড়া দিচ্ছে । এ ধরনের ঘটনা গুলো হরহামেশা হচ্ছে ।
আমার বাবার রেটিনা অপারেশন এর সিরিয়াল দিবে বলে ঐ হাসপাতাল এর ঘুষ চক্র এর এক আনসার আমার কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করেছিলো
টাকা না দিলে বেতন শুরু হবে না বলতেছিল।
০৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আন্ডারে হাসপাতালগুলোতে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পদে বদলির হিরিক পড়ে যায়। নিজের পছন্দের একটি জায়গাতে যাওয়ার জন্য বিএমটিএ (মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের সংগঠন) কতিথ সভাপতি মঞ্জুর কাছে অনুরোধ করেছিলাম বিনিময়ে তিনি তিন লক্ষ টাকা দাবি করেছিলেন। এই বাটপার গুলোর শাস্তি হওয়া উচিত। এরা কোটি কোটি টাকা ইনকাম করে ফেলেছে তৃতীয় শ্রেণীর চাকরি করে। পত্রিকায় মেডিকেল টেকনোলজিস্ট বদলি বাণিজ্য লিখে সার্চ করলে অনেকগুলো লিংক চলে আসবে দেশের প্রথম সারির গণমাধ্যমে এদের নাম একদম উল্লেখ করা আছে তবুও তাদের কোনো বিচার হয় নাই।
ডোপ টেস্টের জন্য ৩ সপ্তাহ পরে সিরিয়াল পাই। তবে ২০০০ টাকা দিলে আগামীকাল ই করা সম্ভব এমন প্রস্তাব ছিলো।
আমি দিনাজপুর সদর হসপিটালে একদিন সাইকেল গেরেজ করতে যাই । সেখানে পোষ্টার লাগানো ছিল সাইকেল গেরেজ ফি 10 টাকা কিন্তু আমার কাছে 20 টাকা নিয়েছিল। এমন আরো কত মানুষের কাছে টাকা বেশি নিয়েছে এটা বলা বাহুল্য। তবে বিভিন্ন মানুষের কাছে বাড়তি অর্থ নিলে তো এর প্রতিরোধ করা উচিত ধন্যবাদ।
আমি ঢাকা মেডিকেল কলেজে পায়ের ফোঁড়া অপারেশন করতে গিয়েছিলাম। অপারেশন বিনামূল্যে করা হলেও যারা করেছে তারা আমার সাথে থাকা বাবাকে রুমে ডেকে বকশিস বাবদ ঘুষ দাবি করেছে এবং বাধ্য হয়ে আবার বাবা ২৫০ টাকা দিয়েছে। আবার পরের দিন ড্রেসিং করার জন্য ২৫০ টাকা দাবি করেছে এবং সেটাও আমার বাবা দিয়েছে।
কর্মির নাম —, তিনি প্রতিটি রোগী থেকে ৫০/১০০ টাকা দাবি করেন। কারন হিসেবে বলে , সাপ্লাই না থাকার কারনে বহির থেকে কিনে নিয়ে আসছে । আমার প্রশ্ন হল আমি ৪/৫ বার ইনজেকশন নিয়েছি কোন বার কি সাপ্লাই ছিল না? সাপ্লাই যদি না থাকে কর্তৃপক্ষ কেন প্রকাশ করে না? জোর আবেদন জানাই এই টাকার ভাগ কার কার পকেটে যায় তদন্ত করা হোক। গরিবদের হক নষ্ট করা যাবে না।
সরকারী ফ্রি ঔষদ দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়
There is a six months waiting list to be able to get an MRI. A person who works for the Hospital said that I can get it done today, if I had paid him taka 1000.
India treatment chilo 1 week ager sokol report chilo je bektitir liver cirrhosis hoice, mara zabar age blood vomiting hobe. Akdin office e zeye vomiting hoi, r sesob t-shirt e lege zai. Rajshahi medical hospital a admit er somoy registry accidental case likhe dei. R sedin ratei 11tar somoy mara zai r 1 year er medical report dekhanor poreo police dead body release kore nai 3 lakh nebar pore body release koreche. Manus more zeyeo tar family ke kivabe hoirani korche. Aha taka! 3 lakh takai oi vaba mora family 3 yrs dal vat kheye bazte parto.
আমার বাবা হার্টের রোগী,হসপিটালে ভর্তি করেছিলাম( হৃদরোগ ইনস্টিটিউট) সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের সাথে. প্রথম কোন বেড পাই নাই , পরে আমাকে একজন ওখানে কর্মকর্তা বেডের জন্য ১০০০ টাকা দাবি করে আমি বাধ্য হয়ে তাকে টাকা দেই ,পরে উনি সিটের ব্যবস্থা করে দেয় তাছাড়া কোন সিট দেয়নি, পরে জানতে পারলাম যে এখানে তারা সিট নাই বলে পরে টাকার বিনিময় সিট বিক্রি করে
সরকারি হাসপাতালে সরকারের পক্ষ থেকে অনেক ওষধ বিনামূল্য দিয়ে থাকে। সে গুলো বাজার মূল্যের থেকে ও কিছু টাকা কম দিলে নার্স হাসপাতালে থেকে দিয়ে দেয়। সরকারি ওষধ টাকার বিনিমে। এছাড়াও সিট বাণিজ্য রয়েছে। ওষধ বাণিজ্য রয়েছে। টেস্ট বাণিজ্য। দালালি রয়েছে। টাকার নিদ্বিষ্ট পরিমাণ হিসাব করে বলা সম্ভব নয়। আমাদের উদেশ্য থাকে সুস্থ্য হওয়া। অসুস্থ্য হলে হাসপাতালে যাই না। জীবনের শেষ পর্যায়ে গেলে হাসপাতালে যাই। তখন আর কিছু করার থাকে না।
একটি এক্সরে রিপোর্ট করেছিলাম। এক্সরে রিপোর্টে তাড়াতাড়ি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে সে আমার কাছে ৫০ টাকা দাবি করে কিন্তু আমি তার দাদির সাথে একমত হইনি
সেবা দেওয়ার বিনিময়ে টাকা চাওয়া হয়
হাসপাতাল এর ভিআইপি কেবিন নিতে গেলে । 1500 টাকা দিলে সিট পাওয়া যাবে ।
—। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ এর কিডনি বিভাগের অধ্যাপক। ডায়ালাইসিস পন্যের দরপত্র মূল্যায়নে তার দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ না করলে ভালো পণ্যও খারাপ হয়ে যায়।
হাসপাতালে রোগী দেখার জন্য আমি ১০ টাকা দিয়েছি তা খাতায় লিষ্টি না করে টাকা নিয়ে নিচ্ছে। আমি প্রতিবাদ করেছি। যা সরকার বড় রাজস্ব হারাচ্ছে