17,326 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
দক্ষিণ কোরিয়ার মেডিকেল সার্টিফিকেট করাটা নিয়ে একটা ব্যবসা শুরু করেছে সরকারি হাসপাতালের কিছু কর্মী, টাকা পরিশোধ না করলে রিপোর্ট আঁটকে রাখার ভয় দেখাচ্ছে কিংবা ভুল দেয়ার। সার্টিফিকেট করার জন্য সময় বেদে দেয়া হয় কম আর তারা এই সুযোগটার ফয়দা তুলে।
গত ৩রা আগস্ট দিবাগত রাত আনুমানিক ৪ টায় নিটোর / পংগু হাসপাতালের জ্যাজুয়ালিটু অপারেশন থিয়েটার এ সিরিয়াল এর জন্য প্রথমে দারোয়ান / আনসার কে ২০০ দিতে হয়৷ তার পর রোগীকে ভিতরে নেয়ার পর একটু পরে একটা ছেলে এপ্রোন পরা ভিতরে থেকে এসে বলে রোগির পায়ে যে মেটাল পিন দিতে হবে তার সাপ্লাই নেই এজন্য তাকে আরো ৫০০ টাকা অবশেষে অপারেশন হওয়ার পরে রিকভারি রুমে অপর একজন ওয়ার্ড বয় বয়স ৪০/৪৫ হবে সে আবার ২০০ দিলে কোন মতে একটা ওয়ার্ড এর এক চিপায় রোগি সহ ট্রলি রাখার একটু জায়গা দেয়। মোট কথা আনসার, ওয়ার্ড বয় এরাই বেশী ধান্দা বাজ। কিন্তু নার্স / ডাক্তার রা খুব ভাল ও হেল্পফুল ছিল৷
সলিমুল্লাহ মিটফোর্ড হাসপাতালে ডাক্তার আমার ভাইয়ের ভর্তি দেয় (মেডিসিন ওয়ার্ডে)। ৩/৪ টি বেড ফাঁকা হওয়া সত্ত্বেও আমাদের বেড দিবেনা বরং ফ্লোরেও জায়গা দিবেনা। ওয়ার্ড বয় গ্রুপ ১০০০ টাকা ঘুষ চাওয়া হয়েছে,৮০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি এবং তৎক্ষণাৎ বেড দেওয়া হয়েছে আমাদের
আমার মা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। যখন আমি তাদের কাছে ক্যাবিন চেয়েছিলাম, তারা আমাকে বলেছিল যে তখন কোনো ক্যাবিন পাওয়া যাচ্ছে না। কিছুক্ষণ পর, একজন মহিলা, যিনি হাসপাতালে পরিষ্কারকর্মী ছিলেন, আমাকে বললেন যে যদি আমি তাকে ১০০০ টাকা দিই তবে তিনি আমাকে একটি ক্যাবিন দিতে পারবেন, কিন্তু আমি তা অস্বীকার করেছিলাম। তারপর তিনি আবার ৪০০ টাকা চাইলেন, এবং আমি তাঁকে ৪০০ টাকা দিলাম; তখন তিনি আমাকে একটি এসি দিলেন, যা পুরোপুরি খালি ছিল, কিন্তু কর্তৃপক্ষ আমাকে বলেছিল যে তখন কোনো ক্যাবিন পাওয়া যাচ্ছিল না।
পুলিশ কেস এর মেডিকেল সার্টিফিকেট এর জন্য ঘুষ দিতে হয়েছিল
১-২ মাস আগের কথা রোগী নিয়ে যাচ্ছিলাম রোগী যেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ নিয়ে গেলাম অনারা রোগী বহন কারী চেয়ার ৮০০ নিচে ছারবে না নাহলে আমাদের ব্যাবস্থা করতে হবে তখন বাধ্য হয়েই ৫৭০ টাকা দর কসাকসি করেই দেওয়া লাগলো
কর্মচারীরা যখন অফিসের কাছে জিম্মি থাকে। বদলি জনিত কারণে অন্য উপজেলায় যাওয়ার পর এক অ্যাকাউন্ট অফিস থেকে অন্য একাউন্টে অফিসে বেতন ট্রান্সফার করতে হয়। সেই জন্য যে নথি প্রয়োজন হয় সেটাকে এলপিসি বলে। এই এল পি সি প্রধানের জন্য অফিসের প্রধান সহকারি এই অর্থ দাবি করেন।
চাকরিতে জয়েন করতে গিয়ে প্রথম দিনেই ২০০০ টাকা চায়। বলি কিসের জন্য বল যে এই যে যারা কাজ করতেছি তারা একটু নাস্তা করব তার জন্য। কয়েকদিন পর যখন বেতন চালু করার জন্য পে ফিক্সেশন করতে হবে তখন আবার ১৫০০টাকা করে নেয়। কিছুদিন পর জিপিএফ চালু করব তখন আবার ১০০০ টাকা চায়। কিছুদিন পর পুলিশ ভেরিফিকেশনের আবেদন করব সেখানেও টাকা চাই। ৩ বছর পর শ্রান্তি বিনোদন ভাতার জন্য আবেদন করব তার আগেই চুক্তি করে নেয় যে ভাতা পাইলে আপনাকে ১০০০ দিতে হবে। বড়বাবু বা হিসাব সহকারী নামে যেসব পোস্ট আছে আসলে তারা শুধু টাকা খাওয়ার জন্যই বসে আছে শুধু এটা আমার হসপিটালের প্রবলেম না হসপিটালেই প্রবলেম। আমি সারাদিন রোগীর পিছনে খাটতে খাটতে মরেই যাই, দিনশেষে আমার কলিগ আমার কাছ থেকে ঘুস চায়।কষ্ট।
ঘটনা সত্য। বিশ্বাস না হলে নিজে এসে যাচাই করুন। আপনি যাচাইকারী পরিচয় না দিয়েই বিড়াল কামড়েছে বলে টিকা চান। প্রথমে টিকেট করতে বলবে ৫ টাকার। যেটি সরকারি ফি। টিকেট নিয়ে আসলে ডোজ লিখে ভ্যাকসিন দেয়ার আগে ১০০ টাকা দাবি করবে।
রোগী নিয়ে গেলাম মাথা ফাটা এক্সিডেন্ট করছে, সেলাই করবে দামি সুতা নাই বাইরে থেকে সুতা আনা লাগবে ভালো সুতা সেটা আমরা চিনি না সুতরাং সব মিলে ১০০০ এর মতো টাকা এক্সট্রা দিয়ে রোগী ঠিক করলাম
Mymensingh Govt Hospital Bad nite taka deya lage aya der or staff.
Medical Form Signature by Civil Surgeon. Only one signature it costs 500 tk per person.
আমি আমার খরগোশ নিয়ে গিয়েছিলাম। সেখানে ডাক্তার দের যারা হেল্প করেন তারা আমার কাছে ১০০ টাকা চান।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় সেনবাগ নোয়াখালীর সদর ক্লিনিকে বসে —, পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা, গর্ভবতী চেক আপ, মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য কার্ড, জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি, ইনজেকশন এই সেবা গুলোর জন্য টাকা নেয়, বিনামূল্যে লেখা থাকলেও টাকা ছাড়া কোনো সেবা দেয়া হয়না। চিকিৎসা দেয়ার মত কোনো সার্টিফিকেট কিংবা বৈধতা কিছু না থাকলেও সে গাইনি ডাক্তারের চিকিৎসা দেয় প্যাড ব্যাবহার করে। নিজেকে ডাক্তার পরিচয় দেয়।সত্যতা যাচাই করার জন্য রুগি একজন পাঠালে প্রমান পাবেন।
ঘুষের বিনিময়ে ভালো সিট দেয় যেইটা দিয়েছিল সেখান থেকে আরেকজন কে উঠিয়ে দিয়েছে
বেতন চালু করার জন্য এই টাকা দিতে হয়েছে
মাতৃত্বকালীন ছুটি অনুমোদনের সময় দিতে হয়েছে। সাধারণ চিকিৎসা বিল প্রাপ্তি হলে দিতে হবে।
After my father's heart stent surgery, the ward boy and the other person who assisted with the surgery demanded an amount of money as payment for my happiness. As we were unprepared for the surgery and had just gone through the sudden shock of the event, and due to uncertainty about managing the money, I offered them 500, but they refused, claiming they had done a lot of Work. Then later I had to manage the money and give it to them. It was such a big amount of money at that time, and at that moment I couldn't express how I felt.
আমি আমার ছেলেকে ডেঙ্গু ওয়ার্ডে ভর্তি করতে চেয়েছিলাম তারা বলে বেড খালি নাই তবে টাকা দিলে সম্ভব
জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে বিকাল ৩ঃ৫০ এর দিকে ইমারজেন্সিতে ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলাম। ডাক্তার দেখানো শেষে আমাকে বাইরে বসতে বলা হয় এবং প্রেসক্রিপশন আমার হাতে বুঝিয়ে দেওয়ার আগে ডাক্তারের অ্যাসিস্ট্যান্ট বলে খুশি হয়ে যা দেওয়ার দেন, ৫০ টাকা দিলে প্রেসক্রিপশন দিতে আর অস্বীকার করে এবং সর্বনিম্ন ১০০ টাকা দাবি করেন।