ফিটনেস সার্টিফিকেট
এক হাজার টাকা দিতে হবে। নোয়াখালি সরকারি হসপিটাল।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এক হাজার টাকা দিতে হবে। নোয়াখালি সরকারি হসপিটাল।
অত্র হাসপাতালে ডাক্তারের কাছে দেখানো হলে ডাক্তারের সাথে থাকা ওয়ার্ড বয় টাকা তোলে। জরুরি বিভাগের টিকিট কখনো ২০ টাকা, কখনো ৫০ টাকা এরকম ইচ্ছা মত নেয়। সঠিক টিকেট মূল্য হাসপাতালে কোথাও লীখে দেয়নি। এর সুযোগ নিচ্ছে কতিপয় কর্মচারী।
ঘুষ না দিলে নার্সরা আসে নাহ, আর ডাক্তার কোনো পরিক্ষা দিলে রুগী কে নিয়ে যাওয়ার জন্য চেয়ার গুলো নিলে টাকা দিতে হয়। আর রোগী সিটের জন্য টাকা লাগে, দালালরা সব জিম্মি করে রাখে, তাদের বাহিরে কথা বলা যায় নাহ ইত্যাদি
হাসপাতালে লোক বেশি ছিল, তাই সিট দিতে এই টাকা চায়, টাকা দেওয়ার পর সিট দেয়
নতুন চাকরিতে যোগদান, পে-ফিক্সেসন,ছাড়পত্র, বা অফিসিয়াল যে কোনো কাগজপত্র নিতে অফিসের বড় বাবু, কম্পিউটার অপারেটর, হিসাবরক্ষকে ঘুষ বা চা'র বিল না দিলে কাজ হয় না। ট্রেজারী অফিসও যুক্ত আছে।। কাজের গতি নাই, ফাইলে হাত দেয় না, টাকা না ফেলে। টাকা দিলে কাজ হয়ে যায়।
হৃদরোগ হাসপাতাল ঢাকা,রাতে রক্তের পরীক্ষা করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দাবি করে টেস্ট এর রিপোর্ট দ্রুত দেয়ার কোথা বলে। এই টেস্ট এর রিপোর্ট নরমালি তখন দেয়ার কথা ।রুগি এর অবস্থা খারাপ থাকায় রুগীর সজনেরা তখন ৫০০ টাকা অতিরিক্ত দেয় যার কোনো রিসিট দেয় না তারা ।
রুগীকে নিয়ে যাওয়ার জন্য টেবিল গাড়ি থাকা সত্বেও দিতে রাজি হয় নি,,পরে ১০০ টাকার বিনিময়ে ১ ঘন্টার জন্য গাড়ি দিয়েছিলো,,সরকারি হসপিলে,।
রাত বারোটার পর গাইনি ইমার্জেন্সি ২১২ তে পেসেন্ট ডুকছে। ডাক্তারদের পাশে ৩-৪ জন দালাল বসা যেখানে মহিলাদের অতিব গোপনীয় চিকিৎসা করা হয়। রোগী ঢোকার সাথে সাথে ডিউটি ডক্টর ও ইন্টারনেট ডক্টররা একটা স্লিপে অনেকগুলি টেস্ট লিখে তারপর বলে এদেরকে দিয়ে পেমেন্ট করে।। অস্বাভাবিক এমন দাবি করা হয় পেমেন্ট করলে সেবা শুরু হয় পেমেন্ট না করলে রোগী কান্নাকাটি করতে থেকে কেউ দেখতে আসে না। আমার কাছে সাত হাজার টাকা দাবি করল আমি অনেক বলাবলি করে তাদেরকে ৪৮০০ টাকা দিলাম বলল এক ঘন্টার মধ্যে রিপোর্ট দিবে কোন রিপোর্টই আমাকে দিল না। রাত তিনটার সময় আরেকজন ডক্টর এসে আরেক দালালকে নিয়ে বলতেছে তাকে ৩৭০০ টাকা আমি সেটা আর দেইনি। তবে সেরাটা আমার কাছে ভয়ঙ্কর মনে হয়েছে অসংখ্য গরীব মানুষকে প্রচুর নির্যাতন করা হচ্ছিল।
I was in kushtiya govt sadar hospital, i got injured by an old metal iron. Doctor prescribed an injection and some other things. i bought them and returned to the hospital for taking that injection, i saw a board "Do Not Gave Money For Injection Pushing". After giving me that injuction a person demand 200 taka, i asked why ?? he didn't answered clearly and demanding money. at once he demanded 50. i pointed him to that board and left the place.
করিমগঞ্জ সরকারি হাসপাতালের পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে টাকা ছাড়া কোনো সেবা প্রদান করা হচ্ছে না এবং বিনামূল্যে পাওয়ার কথা এমন ঔষধ ও পদ্ধতি ( জন্মনিয়ন্ত্রন ইনজেকশন) বিনিময়ে ১০০ অর্থ দাবি করা হচ্ছে। প্রশ্ন করলে উত্তরে বলা হয় ঔষধ নেই, যা আছে টাকা দিলে দেওয়া যাবে। বিষয়টির জরুরি তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। করিমগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ
মহোদয়, করিমগঞ্জ সরকারি হাসপাতালের পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে টাকা ছাড়া কোনো সেবা প্রদান করা হচ্ছে না এবং বিনামূল্যে পাওয়ার কথা এমন ঔষধ ও পদ্ধতি ( জন্মনিয়ন্ত্রন ইনজেকশন) বিনিময়ে অর্থ দাবি করা হচ্ছে। প্রশ্ন করলে উত্তরে বলা হয় ঔষধ নেই, যা আছে টাকা দিলে দেওয়া যাবে। বিষয়টির জরুরি তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। করিমগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ
আমাকে বাবার জুরুরি শ্বাস কষ্ট হয়েছিল। সেজন্য আমি সিট কাটকে গিয়ে তারা জানান সিট খালি নেই তারপর বেশি টাকা দেওয়া তারা 1টি সিট ব্যবস্থা করেন।
ঢাকার নিউরোসাইন্স হাস্পাতালের সব আনসার ঘুষ্কখোর।
আমার এক ফুফু মানসিক সমস্যা হয়েছিল জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউট ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে, তখন তার জ্বর থাকায় তাকে নতুন ভবনের ৮ তলায় মহিলা ওয়ার্ডে ভর্তি রাখা হয়েছিল তার অবস্থা ছিলো ইমারজেন্সি কিন্তু তারা অবহেলা করলো ২ দিন পর মরে গেলো, যাক আল্লাহ নিয়ে গেছে। কিন্তু ওখানে ওয়ার্ড ইনচার্জ লোকটা মর্গে লাস টা রেজিস্ট্রার করতে ৫০০ টাকা নিছে, ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার তাকে নিষেধ করেছিলো তাও সে তার কাছে ফটোকপিতে সিল নিয়ে তারপর ৫০০ টাকা দিয়ে লাসটা ছাড়পত্র দেয়, তাও তার বিনিময় তাদের এম্বুলেন্সে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে লাস বাড়িতে নিছি, আমি তখন বুঝতে পারছি বাংলাদেশের জমিনে আমরা মরলেও মুক্তি নেই।
ডাক্তার দেখাতে গিয়ে 500 টাকা ঘুষ
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপা্তাল দিনাজপুর সিনিয়র স্টাফ নার্স দের বিদায় উপলক্ষে প্রত্যেক জনের কাছ থেকে ৩০০ টাকা হারে ২২০ জন সিনিয়র নার্সদের কাছ থেকে মোট ৬৬০০০ টাকার মূল্যের ৪ আনা ওজনের সোনার আংটি অথবা কানের দুল উপহার দিতে বাধ্য করা হয় ।চাঁদা না দিলে খারাপ আচরণ করা হয় ।ডিসেম্ববর ২০২৬ সালে ৪ জনের বিদায় উপলক্ষে ২৬৪০০০ টাকা আদায় করা হবে ।জন প্রতি সকল নার্স ১২০০ টাকা দিতে ইচ্ছুক নয় ।সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ২০০০ টাকার বেশি উপহার দেয়ার কথা নয় । কিন্তু ওনারা জোর করে সোনার কানের দুল আদায় করে নিতে চাচ্ছে ।
বেবী হওয়ার পর লেবার রুম থেকে বের হওয়ার সময় বকশিস চায়, তখন সাথের লোক ৫০০-১০০০ টাকা দিলে নিতে চায় নি, বলতেছে এটা কোন টাকা হলো!! ১৫০০ এর কম হলে নিবে না, তখন আর দেয়নি এবং নার্স হুইল চেয়ারে বসিয়ে বেডে আনার সময় রোগীর সাথে খুব খারাপ (হুইল চেয়ার বাফারিং) বিহেভ করলো, ডেলিভাবি হওয়ার পরপরেই। পরে আরেকজনকে দিয়ে খুজ দিলো যে ১০০০ টাকায় যেন দেই। পরে দিয়ে দিলাম।
যে কোন সেবা পেতে গেলে কুমিল্লা মেডিকেল সেন্টারে গুষ চারা কিছু হ্য় নস
Dr bolesilo sokale patient k ICU te shift korte hobe, ICU te gelam khobor nilam bollo kono seat khali nai.abar bikele dr. round a ashlo bollo keno nissi na icu te. patient k druto icu te nite hobe,ward a treatment hobe na,onar obostha valo na. abar icu gelam,bollo bed khali nai. request korar por bollo — sathe kotha bolen. kotha bola holo 30000 taka chailo taka dilam immediately icu te bed pailam. eta 1 month ager gotona. amar patient mara gelo.
আমার মায়ের সিজার অপারেশন হয় তখন আয়া যে বাবু দিতে আসে সে বখসিস চায় তাকে ৫০০ টাকা দেওা হলে সে প্রত্যাখ্যান করে এবং আরো দাবি করে তখন তাকে আর ১০০ বাড়িয়ে দেওয়া হয় । সমস্যা এইখানে না সমস্যা যখন আমার মাকে অবজারভেশন রুমে রাখা হয়েছিল তখন আয়া বেচে যাওয়া অনেক ওষুধ সরায় ফেলে যেগুলার । জেগুলা আমাদের ফেরত দেওয়ার জন্য ডাক্তার বলেছিল । পরবর্তীতে তাকে জিজ্ঞেস করলে উনি ২০০ টাকা দাবি করে ইহা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সে আমার মায়ের ফ্যান বন্ধ করে রাখে । এবং অক্সিজেন মাস্ক ও বন্ধ করে রাখে । মা বার বার অভিযোগ করে এক পর্যায়ে গালাগালি শুরু করে । তখন বাধ্য হয়ে তাকে অক্সিজেন মাস্ক এর জন্য ২০০ এবং ফ্যান ছাড়ার জন্য আর ২০০ টাকা দেওয়া হয় । —