সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৬৯৭ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
সরকারি হাসপাতাল

— medical college hospital

একটা হাসপাতাল বেডের জন্য গিয়েছিলাম, আনসার এবং আয়ারা আমার কাছে টাকা চেয়েছে।পঙ্গু হাসপাতালে তো আরো খারাপ অবস্থা।এখানে টাকা ছাড়া কোন কিছু করা যায় না।

ঘুষ দিইনি
Dhaka ৳২.০ হাজার
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

ইমারজেন্সি এ কাটা ছেরা বা কোন রকম চিকিৎসা সেবা নিতে গেলে অতিরিক্ত অথ জোর করে নেওয়া

ইমারজেন্সি এ কাটা ছেরা বা কোন রকম চিকিৎসা সেবা নিতে গেলে অতিরিক্ত অথ জোর করে নেওয়া। আমার মাথায় হালকা একটু কেটে যায়। আনার পাশের একটা লোকের পা ভেঙে যায়। তার কাছ থেকে যোর করে ৫০০ টাকা। ও আমার কাছ তেকে ৪০০ টাকা চা খাওয়া নামে নেয়

ঘুষ দিয়েছি
বরিশাল ৳৪০০
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

রোগীর জন্য স্ট্রেচার/হুইলচেয়ার নিয়ে ওয়ার্ডে যাওয়া

— মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বগুড়ায় যেকোনো রোগী নিয়ে ভর্তি করাতে গেলে, ভর্তি করানো শেষে ওয়ার্ডে নিয়ে যেতে হলে হুইলচেয়ার নিতে গেলে ১০০/২০০ টাকা দিতে হয়। না দিলে তারা রোগী নেবে না। এটা রোগী বাধ্য হয়ে দেয় কারণ ওয়ার্ডে না গেলে চিকিৎসা শুরু হবে না। তবে এটি শুধু শজিমেকহা নয়, যেকোনো সরকারি হাসপাতালের জন্য প্রযোজ্য। আমি নিজে ডাক্তার হয়েও এই দৌরাত্ম থেকে বাঁচতে পারিনি। রোগীরা ডাক্তারকে গালি দেয়। কিন্তু হাসপাতালে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারীদের কাছে ডাক্তার নার্সও অসহায়। এটার পেছনে আছে দালাল পোষা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳২০০
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

হার্টের রোগির ভর্তি

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ। আব্বুর হার্টের অসুখে কারনে ভর্তি ছিলো। হাসপাতালে ওয়ার্ড , আব্বু অসুস্থ হলে, সিসিউ তে উয়ুল চেয়ার দিয়ে নিয়ে যেতে গেলে, ওয়ার্ড বয় আসা নেওয়া ১০০টাকা দাবি করে। প্রতিবার, তাদের সাথে বাকবিতণ্ড হয়। ডাক্তাদের জানালে, তারা কোন ব্যবস্থা নেয় নি। ওয়ার্ড যারা কাজ করে, তাদের ভাষ্যমতে তাদের স্যালারি কম। তাই তারা এইভাবে টাকা নিয়ে থাকে।

ঘুষ দিয়েছি
চট্টগ্রাম ৳১০০
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

MRI রিপোর্ট কালেকশন

এম-আর-আই রিপোর্ট আনতে গেলে, যে রিপোর্ট দেয়, সে নিজেই দালাল। বলে যে ৭০০ টাকা চা নাস্তার খরচ দিলে আজকেই রিপোর্ট দিয়ে দিবে। না হলে নাকি ১৪-২০ দিন টাইম লাগবে। আমি বললাম রোগির রিপোর্ট লাগবে ইমার্জেন্সি আর আপনি বলেন ২০ দিন লাগবে। তখন দালাল বলে ৭০০ টাকা খরচ দিলে হয়ে যাবে আজকেই। যেহেতু আমার আম্মু হসপিটালের ভর্তি ছিলো তাই আর আমি সিনক্রিয়েট করি না এবং ৭০০ টাকা দিয়ে দেই। তারপরো ওই দালাল আমাকে ১ দিন পর রিপোর্ট দিবে বলছে। যা দেখলাম, দালাল ছাড়া আমার এম-আর-আই করানোর সিরিয়াল পাইনি, আমাকে বিভিন্ন যায়গায় ঘুরায় এবং ইনডিরেক্টলি দালালের কাছে পাঠায়। নার্স, ওয়ার্ড বয়, আয়া সবাইকে আমার টাকা দেওয়া লাগসে এক্সট্রা। নাহলে তারা কেউ রোগির আশেপাশে আসে না। খুব বাজে ব্যবহার ও করে।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ৳৭০০
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

জানা নেই

বিষয় হচ্ছে আমি আমার মোটরসাইকেল দিয়ে পার্কে নিয়ে রেখেছি কিন্তু তারা আমাকে অন্য একটি মোটর সাইকেলের রিসিভ দিয়ে আমার থেকে টাকা নেই আপনি আমার গাড়ি নিয়ে প্রবেশ করেছি ৮: ০০ টা বাজে ৎ তারা আমাকে প্রবেশ পি দিয়েছে সেটাতে সময় দেওয়া আছে ছয়টা১১ এবং আমার গাড়ির নাম্বার এর সাথে প্রবেশ বা টিকেটের সাথে মিল নেই

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৩৫
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদনের জন্য চোখের দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষার রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের স্বাক্ষর ও সিলমোহর

ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনের জন্য চোখের দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষার ফরমে একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের স্বাক্ষর ও সিলমোহর প্রয়োজন ছিল। এ উদ্দেশ্যে আমি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাই। নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে প্রশাসনিক বিভাগে আবেদন করি এবং তারা আমাকে অনুমতি প্রদান করে। অনুমতিপত্র নিয়ে চক্ষু বিভাগে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আমার চোখ পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় কাগজে স্বাক্ষর ও সিলমোহর দেন। কিন্তু ডাক্তারের কক্ষ থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাইরে বসা এক অফিস সহকারী আমাকে বলেন, “ভাইয়া, আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স হয়ে যাবে। আমাদের কিছু বকশিশ দেন। এই খালা এখানে কাজ করেন, কোনো বেতন পান না।” আমি তাকে স্পষ্টভাবে জানাই যে, আমি কোনো ধরনের ঘুষ বা অনৈতিক সুবিধা দিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে চাই না। আমি আরও

ঘুষ দিইনি
Dhaka ৳১০০
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

ইসিজি করানো পিজি হাসপাতালে

সকাল ১১ টার পর কমপক্ষে ১০০ টাকা ঘুষ না দিলে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসিজি করানো হয় না।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳১০০
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

সরকারি চাকরির জন্য ড্রাগ টেস্ট

সরকারি চাকরির জন্য ড্রাগ টেস্ট/ইউরিন টেস্ট এর জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল অথবা পিজি হাসপাতালে গেলে ওখানে ঘুষ চায়।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৫০০
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

ঘজগ

কী হচ্ছে, কোথায়, কাদের সমস্যা হচ্ছে, আগে কাউকে জানানো হয়েছিল কি না — এগুলো লিখলে যাচাই করা সহজ হয়। নিজের নাম, ফোন নম্বর বা ঠিকানা লিখবেন না।

ঘুষ দিইনি
জ্ঞজ ৳৫৫৫
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

রিপোর্ট করানোর জন্য অতিরিক্ত টাকা চেয়েছিল

মায়ের ক্যান্সার হয়েছিল, CT Scan করাতে হবে বলেছিল লেট হবে, দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার বলেছে শনিবারে আসতে। এটা ২০২১ সালের কথা ৫০০ টাকা দিতেই সাথে সাথে করে দিল

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka medical college ৳৫০০
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

হাতের ব্যান্ডেজ

আমার মায়ের হাতের হাড় সরে গিয়েছিল। তা জায়গামত এনে ব্যান্ডেজ করতে আমাকে বলে সরকারী ব্যন্ডেজ নাই, দোকান থেকে কিনতে হবে। আমি তাদের টাকা দিলাম, কয়েক সেকেণ্ডের মধ্যে দেখলাম তারা তাদের কাছে রাখা সরকারী ব্যন্ডেজ দিয়েই কাজ শেষ করলো। আমি পরে জেনেছিলাম যে, এখান থেকে ব্যন্ডেজ ফ্রি তে দেয়।

ঘুষ দিয়েছি
যশোর ৳৪০০
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

ডায়াবেটিস এর বই

পটুয়াখালী সরকারি ডায়াবেটিস হসপিটালে ডায়াবেটিস রোগীদের বই করার জন্য ৫০০ থেকে ১১০০ টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয় । আমার পরিবারের একজনের ডায়াবেটিস হয়েছে তাই ডায়াবেটিস হসপিটালে গিয়েছিল পরীক্ষা করতে ।তখন জানতে পারে ডায়াবেটিস হসপিটালের বই করলে কিছু সুযোগ সুবিধা আছে । তখন বই করতে গেলে প্রথমে ১১০০ টাকা চেয়েছেন পরে ৫০০ টাকা চাইলেন তারপর ৫০০ টাকা দিয়ে বই করা হয় ।

ঘুষ দিয়েছি
পটুয়াখালী ৳১.০ হাজার
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

পোস্ট মর্টেম

ঘটনাটি প্রায় ১ বছর আগের। আমার সহপাঠী বান্ধবীকে তার স্বামী ও শশুর-শাশুড়ি অত্যাচার করে মেরে ফেলে। তাকে পুলিশের সহযোগিতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যাই, পোস্ট মর্টেম করাতে হয়। ডোমঘরে লাশ কাটার পর একটা রিপোর্ট দেয়। টাকা না দিলে তারা ছাড়পত্র বা রিপোর্ট দিচ্ছিলো না। যদিও তারা পরিচিত, কিন্তু কিছুতেই দিচ্ছিলো না। শেষ পর্যন্ত ২০ হাজার টাকা দিয়েই লাশটি নিয়ে যেতে বাধ্য হয় পরিবার।

ঘুষ দিয়েছি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৳২০.০ হাজার
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

জরুরী সেবার জন্য টাকা চায়।

মায়ের হাত কেটে গেলে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে ডাক্তার দেখার পরে বলে সেলাই করা লাগবে। সেলাই এর জন্য প্রয়োজনীয় সকল কিছু (তুলা, সুচ, সুতা, কয়েকটা ইনজেকশন, এমন কী ভায়োডিন ও কিনে আনতে বলে) বাইরের থেকে কিনে আনতে বলে। সেগুলো কিনে আনার পরে সেলাই শুরু করার আগে বলে আমাদের টাকা দিতে হবে, না হয় বাইরের থেকে সেলাই করান। হাত থেকে অনেক রক্ত বের হচ্ছিল। বাইরে নেবার মতন সুযোগ ছিলো না। এজন্য বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে। এবং পরবর্তী তে, প্রতি ড্রেসিং এ ১০০ করে টাকা নিয়েছে। তাদের ব্যাবহার খুব ই বাজে/ রুড ছিলো।

ঘুষ দিয়েছি
কুষ্টিয়া ৳৪০০
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আয়া, ক্লিনার, নার্স এবং যারা হুইলচেয়ারে করে রোগী নিয়ে যায়, তাদের অনেককেই আলাদাভাবে টাকা দিতে হয়। প্রত্যেকের টাকার পরিমাণও আলাদা। আয়া/ক্লিনার: ২০০ টাকা নার্স: ৫০০ থেকে ১,০০০ টাকা হুইলচেয়ার বহনকারী: ন্যূনতম ৫০০ টাকা টাকা না দিলে ঠিকমতো সেবা পাওয়া খুব কঠিন। বিশেষ করে আয়া ও ক্লিনাররা টাকা না দিলে অনেক সময় খুব খারাপ আচরণ করে। এছাড়া পরিচিত কোনো নেতা বা প্রভাবশালী ব্যক্তি না থাকলে বেড বা কেবিন পাওয়াও কঠিন হয়ে যায়।

ঘুষ দিয়েছি
খুলনা ৳১.০ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য