সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৬৯৭ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
সরকারি হাসপাতাল

ছোট ভাইয়ের পা ভাঙার পর প্লাস্টার এর পর চা খাওয়ার টাকা

HSC পরীক্ষা চলাকালীন ছোট ভাইয়ের পা ভেঙ্গে যায়। জুলাই মাসের ১৭ তারিখে।ঐদিন সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পৌঁছায়। ছুটির দিন ছিল। ইমারজেন্সি যে পৌঁছানোর পর ডাক্তার রিপোর্ট দেখে প্লাস্টার করতে বলে। দায়িত্বরত সহকারীরা কাজ করার পর চা খেতে টাকা চাই। ১০০ টাকা দেয়। তাতে তারা সন্তুষ্ট না হলেও আমি আর দিতে অস্বীকার করি।

ঘুষ দিয়েছি
সাতক্ষীরা ৳১০০
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

ইমারজেন্সি সার্ভিস

যখন আমি আমার ফ্যামিলি মেম্বার নিয়ে ইমার্জেন্সি সরকারি হাসপাতালে গিয়েছিলাম তখন আমার রোগীকে মেডিকেল ডিপার্টমেন্টে নেওয়ার জন্য একটা মোভেবল বেড লাগত। তখন ওইখানকার যারা কর্মচারী ছিলেন তারা আমাদের পোষাকা দেখে এবং তারা মেডিকেল ডিপার্টমেন্টে পৌছে দেয় ।তারপর তারা ২০০ টাকা চার্জ করে। মাঝে মাঝে অনেক গরিবরা যদি আসে তাহলে তারা বেড দিতে চায় না কারণ তারা যদি পোশাক আশাক দেখে বুঝতে পারে এরা গরিব তখন তারা খারাপ দিতে চায় না কিন্তু কুমিল্লা সরকারি মেডিকেল কলেজে প্রায় ৮০ এর বেশি ব্যাট প্রবাসী বাঙালিরা ফ্রিতে দিয়েছিল!!

ঘুষ দিয়েছি
কুমিল্লা ৳২০০
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

কারখানার ভেতরে কাজ করার সময় আহত হওয়া অধস্তন কর্মীর জরুরি চিকিৎসা গ্রহণ করা।

প্রথমে জুরুরী বিভাগে টিকিট সংগ্রহ then আমি ডাক্তারের চেম্বারে গেলে তিনি সব ঢেকে শোনে বাহিরে ওয়ার্ডে পাঠালো গিয়ে দেখি সেই লোক যে আমাকে প্রথমে ইমপ্রেস করে ছিল এবং তর্ক করলো খুব রাখ দেখালো আর বললো ২৫০০ টাকা লাগবে ড্রেসিং করে সেলাই করে দিবে। আমি রাজি না হয়ে প্রসেস এ থাকলাম এবং ইমার্জেন্সিতে পাঠালো। সেখানে আর এক চিত্র ১৫০০ টাকা সিকিউরিটিকে না দিলে সিরিয়েল দিবে না এবং বাধ্য হয়ে দিলাম সাথে সাথে সিরিয়াল দিল এবং ভিতরে ডাকলো। ভিতরে যাওয়ার পর মেডিসিন লিস্ট দড়িয়ে দিল এবং বললো ৪০০০টাকা দিলে ভিতর থেকে ব্যবস্থা করবে, বাহির থেকে আনলে ৭০০০টাকা লাখবে আমি লিস্ট এর দিকে তাকিয়ে দেখলাম ৭০০০এর মতোই লাগতে পারে। টাকা দেওয়ার সাথে সাথেই পাশের রুম থেকে ডাক এলো আপনার রোগীর কাজ শেষ, নার্স ১০০০ টাকা লাগবে বখশস এবং দিলাম.

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৬.৫ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে রোগী ও স্বজনদের কাছ থেকে বিভিন্ন সেবার নামে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার

আমার অভিজ্ঞতায়, রোগী বহন/স্থানান্তরের জন্য ১০০ টাকা, বেডের জন্য ৮০০ টাকা, রোগী এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নেওয়ার জন্য ১০০ টাকা এবং রিং (স্টেন্ট) পরানোর ক্ষেত্রে চিকিৎসককে প্রায় ২০,০০০ টাকা দিতে হয় বলে দাবি করা হয়। এছাড়া লোকজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসার ক্ষেত্রেও ৩০০ টাকা নেওয়ার বিষয় রয়েছে। এসব অর্থ সরকারি নির্ধারিত ফি-এর বাইরে নেওয়া হচ্ছে তা তদন্ত করে দেখা এবং অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি।

ঘুষ দিয়েছি
Sher-e-Bangla Nagar ৳৫০.০ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

রোগী দেখা

রোগী দেখার জন্য ওয়ার্ডে ঢুকতে বাধা দেয়। নলে সময় শেষ। তারপর অনেক তর্কের পর বলে চা-নাস্তার টাকা দিলে দেখতে দিবে। কত টাকা দিব জিজ্ঞেস করলে বলে ১০০ টাকা। বললাম এতো টাকা। বলে আমি একা ভাগ পাবোনা, আরো অনেককে দিতে হবে। তাই ১০০ টাকা দিতে হবে।

ঘুষ দিয়েছি
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ৳১০০
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

কমিউনিটি ক্লিনিক, রসুলপুর, চান্দুরা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

When someone goes for basic health issue like fever, headache, gastric problem etc., the clinic govt employer first charges BDT10 taka per person to get govt medicine. It's totally illegal. Anyone can come here anonymously to verify it. It's happening almost during 5 years.

ঘুষ দিয়েছি
বিজয়নগর ৳১০
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

চিকিৎসা জন্য টিকেট ক্রয় থেকে মৃত্যু পর্যন্ত ঘুষ চিত্র

ট্রলি/হুইল চেয়ার ট্যাক্স =৩০০, রোগীর বেড় প্রাপ্তি ট্যাক্স ৫০০, পোস্ট অপারেটিভ বেড় ট্যাক্স ১০০০, বিভিন্ন টেস্ট এর জন্য অতিরিক্ত ট্যাক্স ২০০০,, ড্রেসিং ট্যাক্স প্রতিবার ৫০০, অতপর রোগীর মৃত্যু। লাশ ছাড়করণ ট্যাক্স ২০০০ (তিন তলা থেকে নিচে আনা), লাশ বাড়ি আনার খরচ বাদ দিলাম। এগুলো রংপুর সরকারি হাসপাতালের ফিক্সড খরচ , এই খরচের কোন ভাউচার পাবেন না।

ঘুষ দিয়েছি
রংপুর ৳১০.০ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

সরকারি হসপিটালে অপারেশন এর ডেট নেয়া

সরকারি হসপিটালের সার্জন একজন রোগীকে দেখে সিদ্ধান্ত নিয়েছে অপারেশন করার জন্য। কিন্তু ডেট দিয়েছে দুই মাস পর বলল কাছাকাছি সিরিয়াল নেই। তারপর একটা চক্র এসে রোগীকে বলল আমরা আপনাকে এক দুই সপ্তাহের মধ্যে ডেট ঠিক করে দিতে পারব এবং এজন্য টাকা দাবী করেছে। টাকা হাতে পাওয়ার পর তারা এক্ সপ্তাহের মধ্যেই ডেট ঠিক করে দিল অথচ ডাক্তার প্রথমে বলেছিল দুই মাস পর সিরিয়াল প্রাইভেট থেকে করে নিতে। এখানে দুইটা বিষয় ১ হলো সরকারি হসপিটালের সার্জনরা চায় সরকারি হসপিটালে অপারেশন না করে প্রাইভেটে বেশি টাকায় অপারেশন করাতে আর ২ হলো যারা প্রাইভেট হসপিটালে অপারেশন করতে পারেনা হসপিটালের সিন্ডিকেট স্টাফদের মাধ্যমে ঘুষ দিয়ে সরকারি হসপিটালে অপারেশন করতে হয়।

ঘুষ দিইনি
ফেনী ৳৫.০ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

নরমাল ডেলিভারিতে নার্সদের পক্ষ থেকে রোগীদের কাছ থেকে নিয়ম বহির্ভূত মোটা অংকের টাকা চাওয়া

কোন রোগী যখন বাচ্চা প্রসবের জন্য সরকারি সদর হসপিটালে যায় তখন নার্স এবং মিড ওয়াইফ এর একটা গ্রুপ সক্রিয় হয়ে যায় রোগীর অভিভাবকদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা আদায় করার জন্য। তারা সরকারি হসপিটালে ব্যক্তিগতভাবে টাকা গ্রহণ করার মাধ্যমে এর নরমাল ডেলিভারি করে থাকে।

ঘুষ দিইনি
পাবনা ৳৩.০ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

স্টুডেন্ট নার্সদের ইন্টার্ন ভাতা উত্তলন

“১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে নেত্রকোণা সদর হাসপাতালে আমরা নার্সিং ই্ন্সটিটিউট নেত্রকোণার নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কোর্সের সর্বমোট ৬৯ জন শিক্ষার্থী ইন্টার্ন করতেছি । সবাই প্রতিমাসে ৬০০০ টাকা করে পাওয়ার কথা।আমাদের ৬ মাস ইন্টার্ন করতে হয়। প্রতিমাসে পাওয়ার নিয়ম থাকলেও তারা বলে যে বাজেট নেই । তাই আমরা অপেক্ষা করি । চারমাস পর করতৃপক্ষ বলতেছে অনেক দৌড়াদৌড়ি করেছি তোমাদের টাকার জন্য । তাই কিছু খরচা পাতি দিতে হবে । পরে সবার থেকে ৫০০ টাকা করে তুলতে বলে । আমাদের ছেলেমেয়েরা টাকা দিতে রাজি হয় কিন্তু আমি একা রাজি হ্ইনি। পরে আমাদের শিক্ষার্থীরা টাকার পরিমাণ কমিয়ে ২৫০ টাকা করে দেয় । আমি টাকা দেইনি । আমার টাকা ছাড়াই আমাদের ছেলেমেয়েরা হাসপাতালে প্রায় ১৭০০০-১৮০০০ টাকা দেয় ।” ( আগেও লিখেছিলাম কিন্তু তারিখে একটু ভুল ছিলো)

ঘুষ দিইনি
নেত্রকোণা ৳৩৫.০ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

মেডিকেল সার্টিফিকেট সংগ্রহ/পোষ্ট মর্টেম রিপোর্ট সংগ্রহ

মেডিকেল সার্টিফিকেট সংগ্রহ/পোষ্ট মর্টেম রিপোর্ট সংগ্রহ। ঢাকা সরাসরি দাবি করা হয়নি। তবে দীর্ঘদিন কাগজ ফেলে রাখা হয়েছিল। নানা অজুহাতে রিপোর্ট দিয়ে দিতে লেট করেছিল। পরে বাধ্য হয়ে আমাকে টাকা দিতে হয়েছে। এই ঘটনার ডাক্তাররা জড়িত নয়। অফিসের কর্মচারীরা যারা মেডিকেল সার্টিফিকেটের কাগজ প্রসেসিং করে তারা জড়িত।

ঘুষ দিয়েছি
রংপুর ৳১.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

ডা.(ইন্টার্ন) কর্তৃক প্রাইভেট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে টেস্টের রেফার করে সেখান থেকে কমিশন গ্রহণ।

১. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডা.(ইন্টার্ন) কর্তৃক প্রাইভেট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে টেস্টের রেফার করে সেখান থেকে কমিশন গ্রহণ। ২. ঢামেকের নতুন বিল্ডিংয়ের ৪ তলায় ECG টেস্টে রশিদ ছাড়াই টাকা নেয়।

ঘুষ দিইনি
ঢাকা(ঢামেক) ৳১৫০
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

পরীক্ষার রিপোর্ট এবং ফাইল সংগ্রহ করতে

জাতীয় পঙ্গু হাসপাতাল ( নিটোর)৷ আমার মামার আটো-সিএনজি সংঘর্ষে হাত তিনখানা ভেঙে যায়৷ আমরা চিকিৎসার জন্য পঙ্গু হাসপাতালে (নিটোর) হাসপাতালে ভর্তি হই৷ সেখানে রোগীদের এক্স-রে করার পর রিপোর্ট সংগ্রহ করতে গেলে ভিতরে ডেকে নিয়ে বখশিশ দাবি করে এবং প্রতি রোগ থেকে ১০০ টাকা করে নিচ্ছে৷ হাসপাতালে নিয়োজিত আনসারগণ সিরিয়াল আগে এনে দিবে বলে বখশিশ চায় এবং ১০০ টাকার কমে নিতে চায় না৷ অপারেশন করার পর আবজারবেশনে রাখার সময় দায়িত্বরত নার্স ১০০ টাকা চায়৷ রোগীর ছাড়পত্রের ফাইল সংগ্রহ করতে টিন শেডে গেলে সেখানে ৫০ টাকা বখশিশ দিতে হয়৷ এগুলো প্রতি মুহূর্তে ঘটে চলেছে৷

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা শেরেবাংলা নগর৷ ৳১০০
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

টেস্ট করানো

গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজে লাইনে দাঁড়িয়ে বহিঃবিভাগ এর ১০ টাকায় টিকিট কাটার পরে ডাক্তার চেম্বারের বাইরে হাসপাতালের কিছু কর্মচারী ও স্টাফ থাকে যারা রোগী চেম্বারে প্রবেশে সাহায্য করে। ডাক্তার দেখিয়ে বের হবার সময় তারা ডাক্তারের দেয়া টেস্ট গুলো ওই হাসপাতালে কম খরচে করার বদলে বাইরের নিম্নমানের ক্লিনিকে করতে বলে এবং ওই স্টাফ গুলো ওইসব ক্লিনিকের অনেক দালালের হাতে ওই স্লিপ ধপ্রিয়ে দেয়। বলে নাকি দ্রুত হবে। এভাবে অনেকের থেকে কমিশন বানিজ্য করে আসছে। প্রত্যাখ্যান করলে এসব স্বল্পশিক্ষিত স্টাফগন অসৌজন্যমূলক আচরণ করে নিয়মিত।

ঘুষ দিইনি
গোপালগঞ্জ ৳২.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

সেবা

আমার নবজাতক বাচ্চাকে ইর্মাজেন্সি এনআইসিউ তে ভর্তি করতে হয়। কিন্তু পর্যাপ্ত ডাক্তার না পাওয়াতে ওর্য়াড বয়কে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে আমার বাচ্চার চিকিৎসা করতে হয়েছে। যেখানে সবকছু বিনামুল্যে হওয়ার কথা ছিলো সেখানে পদে পদে আমার অনেক টাকা খরচ হয়েছে। সরকারি হাসপাতাল ছাড়া আমাদের এই দিকে এনআইসিউ সুবিধা না থাকায় আমি বাধ্য হয়ে টাকা পয়সা দিয়েছি।

ঘুষ দিয়েছি
শেরপুর ৳৫.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

টেস্টের সিরিয়াল নিতে ঘুষ চাই

আমি ক্যান্সার রোগী। পেট সিটি টেস্ট এর সিরিয়াল নিতে পিজি হাসপাতালের পরমানু শক্তি গবেষনা কেন্দ্রে মে মাসের লাস্টের দিকে যাই। দায়িত্বরতদের বলেছি,আড়াইমাস পরে আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সিরিয়াল দরকার। তারা জানায়, সেপ্টেম্বর মাসের আগে কোন সিরিয়াল নাই। আমি বললাম, কোন ভাবে ম্যানেজ করে দেন। আমি খুব অসহায়, দুই বছর ধরে ক্যান্সার চিকিৎসা চলমান রেখে আমি প্রায় নিঃস্ব এখন। এরপরে উনি উনার ফোন নাম্বার দিয়ে বলে সন্ধ্যার পরে ফোন দিয়েন। আমি সন্ধ্যার পরে ফোন দিলে তারা জানায় সিরিয়াল তো খালি নাই, দেখি স্যারদের বলে ম্যানেজ করা যায় কিনা? কিন্তু কিছু খরচ লাগবে। আমি রাজি হই।দায়িত্বরত লোক বললো, আপনার কয় তারিখে লাগবে? আমি বললাম আগস্টের মাঝামাঝি টাইমে দিলে হবে। তখন উনি এই আগস্টের ২০ তারিখ আমাকে সিরিয়াল দেই ৫০০ টাকার বিনময়ে।

ঘুষ দিইনি
ঢাকা ৳৫০০
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

রুগি ভর্তি

রুগি ভর্তি করার জন্য গোপালগঞ্জ সরকারি মেডিকেল থেকে ছাড় পত্র নিয়ে আসি মহাখালী বক্ষব্যাধিতে। তারা প্রথমে বলে ছিট ফাকা নেই পরে ৫০০ টাকা দাবি করে অতঃপর ৫০০ টাকা দিয়ে রুগি ভর্তি করি এক্সে করে রিপোর্ট আনার সময় অতিরিক্ত ১০০ টাকা দাবি করে তা নিয়ে তর্ক করি।।।। অবশেষে অতিরিক্ত ৫০ টাকা দিয়ে রিপোর্ট আনতে হয়েছে।

ঘুষ দিয়েছি
মহাখালী কলেরা হসপিটাল ৳৫০০
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য