চিকিৎসা সেবা
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গ্রাম থেকে যারা যায় তারা ভর্তি হতে গেলে হাজার হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয় এবং বিভিন্ন সেবা পেতে ঘুষ দিতে হয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গ্রাম থেকে যারা যায় তারা ভর্তি হতে গেলে হাজার হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয় এবং বিভিন্ন সেবা পেতে ঘুষ দিতে হয়
সরকারি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গুলোতে সিজার করতে গেলে কেবিন নিলে ৫ হাজার , আর ওয়ার্ডে ৩৫০০৳ করে নেয়। না দিলে সিজার করেনা। প্রতিটা রোগির বাধ্যতামূলক দিতেই হবে। আর ওষুধ কিনে দিতে হয় সেটা ঠিক আছে কিন্তু সরকারি হাসপাতালে বেড ভাড়া + অপারেশন ফি নেওয়া হচ্ছে। সাধারণ মানুষ এদের কাছে জিম্মি। কেউ প্রতিবাদ করলে তার হয়রানির স্বীকার হতে হয়। মানুষ এরকম অনিয়মকেই এখন নিয়ম মনে করছে। ভাবছে এটা হয়তো সরকারি রেট। কিন্তু এই টাকার কোনো মানি রিসিট দেওয়া হয়না। একটা রোগীও টাকা না দিয়ে সিজারের সেবা পায়না।
দেশের বাহিরে পড়তে যাব সে রিকোয়ারমেন্টে মেডিকেলে যে পাঁচটি টেস্ট করানো লাগে, পাঁচটি টেস্ট আমি পিজি থেকে করিয়েছিলাম। পরবর্তীতে সে রিপোর্টটি আমার নারায়ণগঞ্জ জেলা সিভিলসার্জন থেকে সত্যায়িত বা তার স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য গিয়েছিলাম। সেখানে যাওয়ার পর দেখি সে পাঁচটি টেস্টের পরেও আরো চারটি টেস্ট ওনারা আমাকে করতে দেয়। এর মধ্যে একটি হলো ব্লাড গ্রুপ অন্যটি হলো কোলেস্টেরল মাপা, যা আমার কোনভাবেই দরকার নেই। কিন্তু তারা ওই চারটি টেস্ট না করালে আমাকে সিগনেচার দিবে না। তারা নিজেরা ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের সাথে মডার্ন ডায়গনস্টিক সেন্টার এর ঠিকানা দিয়ে এবং ফোন নাম্বার দিয়ে সেখানে যোগাযোগ করতে বলে। এবং বলে দেয় অন্য কোন জায়গা থেকে যদি তাদের দেয়া টেস্টগুলো করালে তা তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য হবেনা।
আসলো একজন মানুষ সবচেয়ে বড় অসহায় চিকিৎসা সেবা নিতে যায় যখন আমি তার একজন সামান্য উদাধারন।আমার বাবাকে নিয়ে শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রাত ১১ টাই ভর্তি হই।শুরু হলো ট্রলি ম্যানদের ধান্দা ভর্তি করার পর রসি এ সব লেখা আসে উপর বেডে রেখে আসবে ট্রলি। তারপর ও সেই ট্রলি ম্যান ৫০০ টাকা দাবি করে বলে নাকি এটা সবাই দেয় বকসিস। তারপর থেকে বিভিন্ন পরিক্ষার করার জন্য নিচে নিয়ে যাওয়া আসার বকসিস ২০০/-৩০০/- নিয়ে থাকে। রোগীর চিকিৎসা দিকে তেমন কোন ফোকাস নাহ থাকলেও ২০০/- টাকা কোথায় ধান্দা হবে সেই দিকে সবার ফোকাস। যানি এখানে এই গুলো লিখে মনকে শান্তনা দেওয়া সারা কিছুই হবে বলে আমার মনে হয় নাহ। যাই হোক যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। হাসপাতালে পরিবেশ ফেরাতে গেলেঅবশ্যই মেড প্রশাসনকে এই বিষয়গুলো তদরকি হব
আমি একটি রিপোর্ট করতে গেছিলাম কোন রিসিভ না কেটে ৫০০ টাকা নিয়ে একটি করে দিছে খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল এই জন্য নিষেধ করে চলে আসছি।
আমার ছোট ছেলে অসুস্থ হওয়ায় তাকে সরকারি শিশু হাসপাতালে ভর্তি করি। সন্তানের চিকিৎসা নিয়ে এমনিতেই মানসিকভাবে কঠিন সময় পার করছিলাম। ভর্তির শুরু থেকেই হাসপাতালের কিছু নার্স, আয়া ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী বিভিন্ন কাজের পর টাকা চাইতেন। সামর্থ্য অনুযায়ী যতটুকু পেরেছি দিয়েছি, কিন্তু সবসময় চাহিদামতো দেওয়া সম্ভব হয়নি। এরপর হঠাৎ আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়—আমি নাকি হাসপাতালের ওয়াশরুমের কল ও বেসিন ভেঙেছি! অথচ আমি এমন কোনো কাজই করিনি। এই অভিযোগের পর আমাকে একপ্রকার আটকে রেখে ৫,০০০ টাকা দাবি করা হয়। আমি পরিস্থিতির ভিডিও করতে শুরু করে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করার কথা বলতেই শেষ পর্যন্ত আমাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি একজন রোগীকে সিট ম্যানেজ করে দিবে বলে টাকা দাবি করে।
ঢাকার পঙ্গু হাসপাতাল (নিটোর) এ এক্সরে করাতে গিয়ে পেমেন্ট স্লিপ জমা দেওয়ার পরে দেখি আমার সাথের লোক এক্সরে ফিল্ম নিয়ে চলে গেল। আর ৩ ঘন্টা ধরে সিরিয়ালে থাকা ব্যাক্তিরা সিরিয়াল পাচ্ছে না। তাদেরকে বলা হচ্ছে আরো ১.৫ ঘণ্টা পরে আপনাদের স্লিপ নিবো। পরে আমি ডাক্তার দেখানোর সময় পার হয়ে যাচ্ছিলো দেখে ভিতরে গিয়ে তার সাথে কথা বলে দেখি ঘুষ ছাড়া স্লিপ ধরাই হয় না। লাগলে পরের দিন আবার আসবেন। পরে আমি এক্সরে করিয়ে ছাত্র বলে ৫০-১০০ টাকার মধ্যে মানাতে পেরেছি নইলে আরো বেশি দেয় দেখলাম লোকজন।
শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আয়া+কিছু ছেলে ওয়ার্ড বয় রয়েছে তাদের নাকি হাসপাতাল থেকে কোনো প্রকার বেতন দেওয়া হয় না রোগীর সাথে যা তা ব্যবহার করে ১০০,২০০,৫০০ টাকা ইত্যাদি নিয়ে থাকে। প্রত্যেকটা মানুষ ই ভুক্তভোগী। মেডিকেল কর্তৃপক্ষ পক্ষ্যের এই সিন্ডিকেট কখনোই ভাঙ্গা যায় না। এরপরে অনেক সময় এই আয়াদের ভুল সিদ্ধান্তেও অনেক মানুষ মারা যায়। যেমন দেখা গেলো একটা গরিব পরিবার চিকিৎসা নিতে গেছেন তিনি তাদের বকশিস দিতে পারেননি। এরা চুপি চুপি স্যালাইন বাড়িয়ে দেয় কিংবা অন্যান্য যেভাবে পারে ক্ষতি করার চেষ্টা করে। আর গরিব অশিক্ষিত মানুষ তো এতোকিছু বুঝেও না। এদের কারণে হাসপাতালের পরিবেশ ও নাম দুটোই খারাপ হচ্ছে এদের বিরুদ্ধে কেউ অ্যাকশন ও নেয় না।
গাজীপুর সদর হাসপাতাল যেটি বর্তমানে শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নামে পরিচিত রয়েছে, সেটিতে ভর্তি হলে, বেড পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কর্মচারীকে ঘুষ দিতে হয়, হুইলচেয়ার বা ট্রলি বহনকারি হাসপাতালের স্টাফরা প্রতিবার রোগী বহন করার জন্য টাকা চান, অপারেশন থিয়েটার ফাইল জমা দিলে সিরিয়াল মেইনটেইন করা হয়না, যে টাকা দেয় তাকে আগে ওপারেশন থিয়েটার এ ঢোকানো হয়। যদিও টাকারা উচ্চপর্যায়ের কোনো কর্মকর্তারা নেন না তবে সাধারণ স্টাফরা নেন। অপারেশন শেষে ওয়ার্ড বয় বা আয়া, চা খাওয়ার জন্য টাকা দাবি করেন।
একটি ডাক্তার সরকারি হসপিটালে ওষুধ বিতরণ করার কাজে থাকেন। তিনি প্রত্যেক রোগী থেকে পাঁচ টাকা করে নিয়ে তারপর ওষুধ দেন। উনাকে বললে উনি বলেন যে এটা নিয়ম
সরকারি চাকুরীজীবীদের TA DA বিল ও শ্রান্তি বিনোদনের ভাতার কাজ করতে বলায় বেসিকের অর্ধেক টাকা দিতে হবে বলে দাবী করেন — প্রধান অফিস সহকারী। এছাড়া অন্যান্য ছোট খাট কাজ ও টাকা না দিলে করে না, ফেলে রাখে দীর্ঘদিন। সবাই এদের হাতে জিম্মি।
সিট পেতে অসুবিধা। দেইনি টাকা
অনলাইনে এপ্লিকেশন করার পর বার বার থানা থেকে রিজেক্ট করে। থানায় গিয়ে চা খাওয় বাবদ ৫০০ টাকা দেওয়াতে দ্রুত ফাইল এক্সেপ্ট করে এবং অ্যাপ্রুভ করে
HSC পরীক্ষা চলাকালীন ছোট ভাইয়ের পা ভেঙ্গে যায়। জুলাই মাসের ১৭ তারিখে।ঐদিন সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পৌঁছায়। ছুটির দিন ছিল। ইমারজেন্সি যে পৌঁছানোর পর ডাক্তার রিপোর্ট দেখে প্লাস্টার করতে বলে। দায়িত্বরত সহকারীরা কাজ করার পর চা খেতে টাকা চাই। ১০০ টাকা দেয়। তাতে তারা সন্তুষ্ট না হলেও আমি আর দিতে অস্বীকার করি।
প্রথমে জুরুরী বিভাগে টিকিট সংগ্রহ then আমি ডাক্তারের চেম্বারে গেলে তিনি সব ঢেকে শোনে বাহিরে ওয়ার্ডে পাঠালো গিয়ে দেখি সেই লোক যে আমাকে প্রথমে ইমপ্রেস করে ছিল এবং তর্ক করলো খুব রাখ দেখালো আর বললো ২৫০০ টাকা লাগবে ড্রেসিং করে সেলাই করে দিবে। আমি রাজি না হয়ে প্রসেস এ থাকলাম এবং ইমার্জেন্সিতে পাঠালো। সেখানে আর এক চিত্র ১৫০০ টাকা সিকিউরিটিকে না দিলে সিরিয়েল দিবে না এবং বাধ্য হয়ে দিলাম সাথে সাথে সিরিয়াল দিল এবং ভিতরে ডাকলো। ভিতরে যাওয়ার পর মেডিসিন লিস্ট দড়িয়ে দিল এবং বললো ৪০০০টাকা দিলে ভিতর থেকে ব্যবস্থা করবে, বাহির থেকে আনলে ৭০০০টাকা লাখবে আমি লিস্ট এর দিকে তাকিয়ে দেখলাম ৭০০০এর মতোই লাগতে পারে। টাকা দেওয়ার সাথে সাথেই পাশের রুম থেকে ডাক এলো আপনার রোগীর কাজ শেষ, নার্স ১০০০ টাকা লাগবে বখশস এবং দিলাম.
যখন আমি আমার ফ্যামিলি মেম্বার নিয়ে ইমার্জেন্সি সরকারি হাসপাতালে গিয়েছিলাম তখন আমার রোগীকে মেডিকেল ডিপার্টমেন্টে নেওয়ার জন্য একটা মোভেবল বেড লাগত। তখন ওইখানকার যারা কর্মচারী ছিলেন তারা আমাদের পোষাকা দেখে এবং তারা মেডিকেল ডিপার্টমেন্টে পৌছে দেয় ।তারপর তারা ২০০ টাকা চার্জ করে। মাঝে মাঝে অনেক গরিবরা যদি আসে তাহলে তারা বেড দিতে চায় না কারণ তারা যদি পোশাক আশাক দেখে বুঝতে পারে এরা গরিব তখন তারা খারাপ দিতে চায় না কিন্তু কুমিল্লা সরকারি মেডিকেল কলেজে প্রায় ৮০ এর বেশি ব্যাট প্রবাসী বাঙালিরা ফ্রিতে দিয়েছিল!!
When someone goes for basic health issue like fever, headache, gastric problem etc., the clinic govt employer first charges BDT10 taka per person to get govt medicine. It's totally illegal. Anyone can come here anonymously to verify it. It's happening almost during 5 years.
আমার অভিজ্ঞতায়, রোগী বহন/স্থানান্তরের জন্য ১০০ টাকা, বেডের জন্য ৮০০ টাকা, রোগী এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নেওয়ার জন্য ১০০ টাকা এবং রিং (স্টেন্ট) পরানোর ক্ষেত্রে চিকিৎসককে প্রায় ২০,০০০ টাকা দিতে হয় বলে দাবি করা হয়। এছাড়া লোকজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসার ক্ষেত্রেও ৩০০ টাকা নেওয়ার বিষয় রয়েছে। এসব অর্থ সরকারি নির্ধারিত ফি-এর বাইরে নেওয়া হচ্ছে তা তদন্ত করে দেখা এবং অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি।
রোগী দেখার জন্য ওয়ার্ডে ঢুকতে বাধা দেয়। নলে সময় শেষ। তারপর অনেক তর্কের পর বলে চা-নাস্তার টাকা দিলে দেখতে দিবে। কত টাকা দিব জিজ্ঞেস করলে বলে ১০০ টাকা। বললাম এতো টাকা। বলে আমি একা ভাগ পাবোনা, আরো অনেককে দিতে হবে। তাই ১০০ টাকা দিতে হবে।