সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৬৫৮ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দলিল রেজিস্ট্রি

৫০০০ টাকা ন দিলে দলিল রেজিস্ট্রি করবেনা।পরে অনেক কষ্টে, হাতে-পাঁয়ে ধরে ৩০০০ টাকা দিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করি।

ঘুষ দিয়েছি
patuakhali ৳৫.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দলিলের নকল

একটা দলিলের নকল তুলবো তাই বললাম কিন্তু সে বলছে ২০০০ টাকা লাগবে আগে দরখাস্ত করতে হবে তারপরে ১৫ দিন পর পাওয়া যেতে পারে এই হলো অবস্থা

শুধু দাবি করেছে
নিয়ামতপুর ৳২.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি সাব কাবলা করন

প্রতিটি দলিল সাব-কাবলা করার জন্য সাব-রেজিস্ট্রার ফি ১০,০০০ টাকা দিতে হয়৷ অন্যথায় রেজিস্ট্রার দলিলে স্বাক্ষর করেন না৷ অতএব অনেকটা বাধ্য হয়ে ১০০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে৷

ঘুষ দিয়েছি
রামগঞ্জ ৳১০.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দুই একটা কাগজের জন্য ৩-৪ হাজার টাকা দাবি করে।

সাব রেজিস্টার অফিসে একটি ক্ষমতা পত্রের জন্য ৩ হাজার টাকা দাবি করে এবং ভিতরে দুই একটা সাইন এর জন্য এক দুই হাজার টাকা দাবি করে যা ভিত্তিহীন যা কোন প্রয়োজন নেই গাইবান্ধা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে হয়ে থাকে।

ঘুষ দিয়েছি
গাইবান্ধা সদর ৳৬.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জায়গা হেবা করা

আমার বাবা আমার নামে জায়গা হেবা করতে গিয়েছিল emergency. হেবা খরচ আসছে ১৭/১৮ হাজার। কিন্তু অই টাকা পরিশোধের পরও ফাইল আটকে রাখছে। তালবাহানা করছে। ইনিয়ে বিনিয়ে টাকা চাচ্ছিল সরাসরি না চেয়ে। আর ফাইল শুধু ঘুরাচ্ছিল। আরো সময় লাগবে এই সেই নানা কথা বলছিল। যেই না ২০ হাজার টাকা দিয়েছে ২ মিনিটের মধ্যে ফাইল রেডি করে দিয়ে দিয়েছে।

ঘুষ দিয়েছি
ফেনি ৳২০.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

নকল ( সার্টিফাইড কপি)

পূর্বধলা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে দু"র্নী"তি"র মহোৎসব: ​ নেত্রকোনার পূর্বধলা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে চলছে দুর্নীতির মহোৎসব। অফিস সহকারী,,, এবং নকলনবিশ,,, সিন্ডিকেটের কাছে জি"ম্মি হয়ে পড়েছেন সাধারণ সেবা প্রত্যাশীরা। সরকারি নির্ধারিত ফির তোয়াক্কা না করে গ্রাহকদের কাছ থেকে জোরপূর্বক হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এই চক্রের বি"রু"দ্ধে।

ঘুষ দিইনি
জেলা:নেএকোনা থানা: পূর্বধলা ৳৪.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

নতুন জন্ম নিবন্ধন এবং সংশোধন

একটি নির্দিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদে সরকারি ফি ১০০ টাকা হলেও প্রতি জন্মনিবন্ধনে তারা ২৫০ টাকা দাবি করে। অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কারণ হিসেবে তারা ভ্যাট এবং কম্পিউটার অপারেটর এর খরচের কথা বলে যা পুরোপুরি ভিত্তিহীন।

ঘুষ দিয়েছি
বারহাট্টা, নেত্রকোনা ৳২৫০
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি রেজিস্টারে

দলিল লেখক জমি রেজিস্টারে সরকারি ফ্রী এর অধিক ২০ লক্ষ টাকা দাবি করে। ইহা একটা সিন্ডিকেট। শহরের চেয়ারম্যান,পৌর মেয়র, সাংবাদিক সহ সকল স্তরের নেতাকর্মী জড়িত। এরা সবাই বিভিন্নভাবে অংশ পায়। আমার মনে হয় সব সাবেরিস্ট্রি অফিসে একই অবস্থা। সবাই জানে, কিন্তু কোন ফল আসছে না। পুরা সিন্ডিকেট না ভাঙলে, এটার সমাধান হবে না।

ঘুষ দিইনি
ভাংগুড়া,পাবনা ৳২০.০০ লাখ
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দলিল উত্তোলন করতে সরকারি ফি এর চাইতেও অধিক টাকা দিতে হয়

আজ পর্যন্ত কোন মানুষ বলতে শুনি নি সরকারি ফি দিয়ে দলিল উত্তোলন করেছে। দলিলের সার্টিফাইড কপি সংগ্রহ করতে গেলে অতিরিক্ত টাকা দেয়া লাগে এটা বাংলাদেশে সকল স্থানের চিত্র।। সাবরেজিস্ট্রার অফিস এক গোলক ধাধার নাম। জনগন বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে সরকারি ফি এর অতিরিক্ত টাকা দিয়ে কাজ করাতে হয় এ অফিসে

ঘুষ দিয়েছি
সব জেলা ৳৩.০ হাজার
৩০ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

প্রতারণামূলক দলিল তৈরি করে।

আমার আত্মীয়ের রেকর্ড ভুক্ত জমি শেষ রেকর্ডে আরেকজনের নামে উঠেছিল বলে সেই বলে দলিল করে দেয় তার স্ত্রীর নামে যা, সম্পূর্ণ বেআইনি এবং মামলা চলমান অবস্থায় এই কাজটি করে। এবং মিস কেস করার পরেও এমন কোন উদ্যোগ কর্তৃপক্ষ থেকে নেওয়া হচ্ছে না।

ঘুষ দিইনি
মাধবপুর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, চারা ভাঙ্গা । ৳১৫.০০ লাখ
৩০ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দলিল রেজিষ্ট্রেশন

একটি হেবা দলিলের ভুল সংশোধনের জন্য ঘোষণা পত্র রেজিস্ট্রি করতে গিয়েছিলাম, সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিস চট্টগ্রাম এর কেরানি ৩০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে, একদিন ঘুরানোর পর দ্বিতীয় দিনে ২০ হাজার টাকায় দফারফা করে টাকা পরিশোধ করে কাজটি করতে হয়

ঘুষ দিয়েছি
কোর্ট হিল, কোতোয়ালি চট্টগ্রাম ৳৩০.০ হাজার
৩০ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমির ওয়ারিশ অনুযায়ী বন্টন ও রেজিস্ট্রেশন

আমার নানারবাড়ির সম্পত্তি ভাগ-বাটোয়ারা হচ্ছে। এর মধ্যে এক মামা ১বছর ধরে দেশে পড়ে আছে, উনি বর্তমানে অন্য দেশের নাগরিক। আর আরো দুই মামা মারা গিয়েছেন। যার কারনে উনি ছাড়া এই কাজ করার কেউ নাই। সম্পত্তি আমার সকল মামা-খালা ও তাদের ওয়ারিশ দের মধ্যে বন্টন করে সবার নামে রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট প্রায় ৬মাস ঘুরানোর পর এই মাসে ১৫লাখ টাকায় তারা সব কাজ সম্পূর্ন করে দিতে রাজী হয়। যেহেতু নানার বাজারে বেশ কিছু দামী সম্পত্তি ছিলো এরিয়ার নাম উল্লেখ করলাম না, তার জন্য তারা এত বেশি পরিমান টাকা দাবি করে।

ঘুষ দিয়েছি
নোয়াখালি ৳১.৫০ লাখ
২৯ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমির মিউটেশন বাবদ

আমি একটি জমি ক্রয় করেছি, জমিটি মালিকানা সমস্যার কারনে মামলা হইয়েছিল, সেই মামলার রায় হয় আমার পূর্ববর্তী মালিকের পক্ষে, জমিতে মামলা নিষ্পত্তি থাকার কারনে নাকি এইটা মিউটেশন করতে ঝামেলা হবে, তাই এইটা করতে হলে আমাকে দিতে হবে 1,10,000-1,20,000 টাকা, এই ছারাও তাদের নরমাল মিউটেশন খরচ নিতেছে ২৫,০০০-৪০,০০০ টাকা করে,

ঘুষ দিইনি
সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ ৳১.১০ লাখ
২৯ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

রেজিষ্ট্রি

ফেনী সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে সাব রেজিস্ট্রার একজন সর্বোচ্চ দূর্নীতিবাজ অফিসার। তার কাছে কারো রক্ষা নেই। ১৫% থেকে শুরু করে ৩০% টাকা তাকে আগে পরিশোধ না করলে জায়গা রেজিস্ট্রি দেয় না। পুরো জেলা তার জন্য অতিসঠ। একাধিক গণমাধ্যম তাকে নিয়ে রিপোর্ট করলেও কাউকে পাত্তা দেয়ার এখতিয়ার মনে করে না।

ঘুষ দিইনি
ফেনী ৳১.৮০ লাখ
২৯ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জেলা রেজিষ্টার অফিস নোয়াখালী-অনলাইন কাবিন যাচাই মোটা অংকের ঘুষ ছাড়া হয় না ।

জেলা রেজিষ্টার অফিস নোয়াখালী- কম্পিউটার অপারেটর এবং প্রধান সহকারীর চাহিদামত ঘুষ না দিলে প্রবাসীদের কাবিন অনলাইন যাচাই হয় না । সংশ্লিষ্ট কাজী, ভলিয়ম বই এবং সেবাপ্রত্যাশী হাজির হলে ও ঘুষ অব্শ্যই দিতে হয় । আমি এজেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করেছি । স্কিনশট দেয়ার অপশন নাই তাই দেয়া যাচ্ছে না । স্থানীয় মিডিয়া অনেক নিউজ করছে তার পরে ও নোয়াখালী জেলা রেজিষ্টার অফিসে প্রবাসীদের হয়রানি বন্ধ হয় নাই । নতুন নতুন নিয়মের দোহাই দিয়ে ঘুষের অংক নির্ধারন করে থাকে । আমরা প্রবাসীরা অসহায় । অনেকের কাছে জানতে পারলাম শুধুা আমাদের নোয়াখালী জেলা নয় প্রত্যেক জেলায় ই রেজিষ্টার অফিস এবং কাজীদের চাহিদামত টাকা ছাড়া সেবা পাওয়া যায় না ।

ঘুষ দিয়েছি
নোয়াখালী ৳৫.০ হাজার
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জেলা রেজিষ্টার অফিস/ কাবিন নামা অনলাইন যাচাই প্রক্রিয়ার জন্য জেলা রেজিষ্টার অফিস এবং সংশ্লিষ্ট কাজী

আমারা প্রবাসীদের নিকাহ নামা সত্যায়নের জন্য নতুন নিয়মে জেলা রেজিষ্টার অফিস হতে যাচাই করতে হয় । এই প্রক্রিয়ায় আমাদের লক্ষীপুর জেলা রেজিষ্টার অফিস এবং সংশ্লিষ্ট কাজীগন উচ্চহারে ঘুষ ছাড়া কোন কাবিন যাচাই করে না । জেলা রেজিষ্টার অফিসের কম্পিউটার অপারেটর এবং জেলা রেজিষ্টার কাজীর মাধ্যমে সরাসরি ঘুষ গ্রহন করে । ঘুষ ছাড়া কোন কাবিন যাচাই করা সম্ভভ হয় না । রেজিষ্টার অফিসে যোগাযোগ করলে ওরা বলে কাজির সাথে যোগাযোগ করেন । কাজী জেলা রেজিষ্টার অফিস এবং তার চাহিদা মত টাকা না পেলে কোন তথ্য দেয় না । জেলা রেজিষ্টার অফিস বেশ কিছুদিনের মধ্যে টাকা না পেলে । আবেদন সরাসরি বাতিল করে দেয় । মন্তব্যে লেখে কাজীর কাছ থেকে কোন তথ্য পাওয়া যায় নাই/ অথবা কাজীর অসহযোগিতার জন্য বাতিল করা হলো । প্রত্যেক জেলায় বর্তমানে একই অবস্থা

ঘুষ দিইনি
লক্ষীপুর ৳২৫.০ হাজার
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য