সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৬৫৮ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

রেজিষ্ট্রেশন

৫ কাঠা জায়গা গাজীপুর বাসন থানার রেজিষ্ট্রেশন করতে যাই । সরকারি সকল ফি দিয়ে সকল নিম মেনেও সাব রেজিস্ট্রার আটকে রেখেছিলেন । ফেরত দিলে তার পাশে ২/৩ জন লেক থাকে যারা দলিল গুলো এগিয়ে দেয় , তারা যখন টাকার কথা বললো তারপর টাকা দিলাম এবং কাজ সাথে সাথে করে দিল । যদিও সকল কাগজ পত্র এবং সরকারি ফি দেওয়া হয়েছিল ।

ঘুষ দিয়েছি
গাজীপুর ৳১৫.০ হাজার
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দলিল নিবন্ধন

খতিয়ান এ যার নাম দেওয়া আছে তিনি মৃত এবং তার এক ছেলে ওয়ারিশ রেখে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। খতিয়ান এ মালিক এর নামের সাথে তার রেখে যাওয়া ওয়ারিশ এর এনআইডি কার্ডে উল্লেখিত মালিকের নামের ভিন্নতা আছে। কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একই নামের প্রত্যয়নপত্র নেওয়া হয়েছে, তারপরেও ঘুষ দাবি করেছে । ঘুষ না দিলে দলিলে স্বাক্ষর করবে না এমন কথা বলেছে। পরবর্তীতে আমি ৳১০০০ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হই। এছাড়াও দলিল এ ছিল ও অন্যান্য স্বাক্ষর এর জন্য ৳৫০০ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়। এবং দলিল লেখক, ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায়ের জমি দলিল করার জন্য সাব-কবলা দলিল এর জন্য ৳২০০০০০ লক্ষ টাকায় ক্রয়কৃত ২.৭৫ শতাংশ জমির জন্য সরকারি ফি/চালান এর কথা বলে ৳১৮০০০ টাকা নিয়েছিল। এছাড়াও অন্যান্য ভুয়া সার্ভিস এর কথা বলে অতিরিক্ত ৳৩৫০০ টাকা নেয়।

ঘুষ দিয়েছি
মাদারীপুর ৳১.০ হাজার
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দলিল রেজিষ্ট্রেশনে বিভিন্ন ভুল ধরে প্রতিনিয়ত প্রকাশে নেওয়া হচ্ছে বড় অনেক ঘুষ

শ্রীবরদী উপজেলার সাব রেজিষ্ট্রেশন অফিসে কোন দলিল করতে গেলে যদি ভুল খতিয়ানের কপি না থেকে ফটো কপি থাকে তাহলে ৪ হাজার টাকা ঘুষ ছাড়া দলিল হয় না নামের প্রত্যয়ন থাকলে দিতে হবে ৫০০০ টাকা মিস কেস খতিয়ান হলে দিতে হবে ৫০০০ টাকা ১৮ বছরের উপরের দাতা বা গ্রহীতার এনআইডি না থাকলে সনদ হলে দিতে হবে ৫০০০ টাকা আদালতের রায় ডিগ্রির মাধ্যমে দাতা জমির মালিক হলে দিতে হবে ৫০০০ টাকা ইত্যাদি আরো অনেক ঘুষ লেনদেন হচ্ছে প্রতি নিয়ত আরো অনেক অভিযোগ আছে এই সবগুলোর সত্যতা পাবেন সাব রেজিষ্ট্রেশন অফিসে গিয়ে কোন দলিল লেখকের সাথে জমি রেজিষ্ট্রেশন বিষয়ে কথা বললেই

শুধু দাবি করেছে
শ্রীবরদী ৳৫.০ হাজার
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

সার্টিফাইড কপি উত্তোলন

একটি দলিলের নকল কপি প্রয়োজন হওয়ায় নকল কপি তোলার জন্য যাই। সরকারি খরচ সহ ৩০০০ টাকা প্রদান করতে হয়েছে। সম্ভবত সরকারি কোষাগারে ৫০০-৭০০ টাকা লাগে। বাকিটা কই গেল। প্রশ্ন করার সুযোগ না। এটাই অলিখিত নিয়ম।

ঘুষ দিয়েছি
রাজশাহী ৳৩.০ হাজার
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি রেজিস্ট্রি

হেবা দলিল রেজিস্ট্রি করার জন্য প্রতিটা টেবিলে টাকা দিতে হয়। সরাসরি টাকা নেয় না কেউ। সবার পকেটে দালালের মাধ্যমে টাকা যায়। আর দালাল ছাড়া কাজ ও হয়না। যে ছেলেটা টিপসই নেয় সরাসরি ও টাকা নেয় ২০০ করে প্রতিটা টিপসই এর জন্য। দালালকে দিসি ১৭০০০ টাকা সরকারি খরচ ৩-৫ হাজারের মত। বাকিটা প্রতিটা টেবিলে যায়। আর দালাল ৫ হাজারের মত খায়।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳১৭.০ হাজার
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

বন্টননামা করা প্রসঙ্গে

যে কোন সাব রেজিষ্ট্র অফিসে বন্টন নামার জন‍্য সর্বোচ্চ সরকারি ফি বা খরচ ২০০০-২৫০০ টাকা হয়ে থাকে। কিন্তু বন্টন নামা রেজিষ্ট্রি করতে ১০০০০০ টাকার উপরে নিয়ে থাকে। আমার এক গ্রাহক যশোর সদর সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে বন্টননামা করতে গেলে উক্ত টাকা দাবি করে।

শুধু দাবি করেছে
সমগ‍্র বাংলাদেশের সব সাব রেজিস্ট্র অফিস ৳১.০০ লাখ
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দলিল রেজিস্ট্রি করতে দলিল লেখক ও সাব রেজিস্ট্রার কে অতিরিক্ত টাকা প্রদান করতে হয়

দলিল রেজিস্ট্রি করতে যাওয়ার পরে দলিল লেখক বললো বাড়তি ১০০০০ টাকা না দিলে দলিল রেজিস্ট্রি অফিসার রেজিস্ট্রি করবে না। পরে বাড়তি টাকা দিতে হয়েছে।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳৬.০ হাজার
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

সহায্যের আকুল আবেদন

মনগড়া টাকা চায় জায়গা জমি রেজিস্ট্রি করতে গেলে, একটা প্রকাশ নামের জন্য ১০/২০হাজার টাকা চায়, দানপত্র,হেবা কোনটাতেই ছাড় দেয়না, গরীব দুঃখী দেখার টাইম ওদের নেই, কক্সবাজার জেলার রামু সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের মত দুর্নীতি আর কোথাও নেই, সেখানের সাব-রেজিস্টার একটা আস্ত বিবেকহীন জানোয়ার আর তার সহচরেরা তো আরও বেশি অমানুষ। প্লিজ, যদি সম্ভব হয় তাহলে এই রামু সাব রেজিস্ট্রি অফিসের এমন দুর্নীতি রোধে কিছু একটার ব্যাবস্হা নিন.....

ঘুষ দিইনি
রামু,কক্সবাজার ৳১.০০ লাখ
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি রেজিষ্ট্রেশন

জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে গেলে অতিরিক্ত ৫০০০ টাকা দিতে হয়।না হলে কাজ ফেলে রাখে।সবাই এই টাকা দিয়েছে। তাই আামাকে ও দিতে।সবার সমনে ওপেট কাটা নিয়ে ড্রয়ারে রাখছে।

ঘুষ দিয়েছি
কক্সবাজার ৳৫.০ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি রেজিস্ট্রি, সাব কবলা

গত ২৫/০৮/২০২৬ খ্রি. জমি রেজিস্টেশনের জন্য বিক্রেতারা সাব রেজিস্টারের এজলাসে হাজিরের পর দলিল লিখকরা সব ক্রেতা থেকে নিজ উদ্যোগে ২০০ টাকা সাব রেজিস্ট্রি অফিসের একজনক স্টাফকে দিচ্ছে, যে দলিলে টিপসই ও নির্ধারিত ফরমে ক্রেতা ও বিক্রেতার নাম সনাক্তকরণ স্বাক্ষর নিচ্ছে । বিষয়টি একটি সেটেল ইস্যু হয়ে গেছে এবং দলিল লিখকদের সবাইকে দেখলাম প্রতি দলিলে টিপসই দেয়ার সময় ২০০ টাকা করে স্টাফের ড্রয়ারে রাখছে! আমিও টাকা না দিয়ে উপায় দেখিনি, আশংকা করেছি ২০০ টাকা নিয়ে কথা বললে ওরা আমার দলিলের ক্ষতি করতে পারে বা দলিল উঠাতে গেলে হয়রানির শিকার হতে পারি।

ঘুষ দিয়েছি
লেমুয়া, ফেনী সদর, ফেনী ৳২০০
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

হেবা দলিল বা জমির রেজিস্ট্রি চেঞ্জ করা।

সরকারি হেবা দলিল এর নির্ধারিত ফি 1800 থেকে 2500 টাকা। কিন্তু রেজিস্ট্রি অফিসে গেলে ভিন্ন চিত্র। কেউ বলে 15, কেউ 14,12 হাজার টাকা। যখন আমি জিজ্ঞেস করি সরকারি ফি এতো বেশি না, তখন বলে যে প্রত্যেক পদে পদে অফিসারেরা টাকা খায় তাই বেশি। এমনকী সকল কাজ করতে যাওয়ার পরও একটা শীল নাকি কি দেয় ঐখানে বসেও চা খাওয়ার টাকা দিতে হয়। জনগণ কখন জাগবে? সরকারের কাছে আমার প্রশ্ন এইসব খাতে এতো অনিয়ম কেনো? জমির সকল ধরনের কাজে পদে পদে ঘুষ এবং বাড়তি টাকা কেনো দিতে হয়???

ঘুষ দিয়েছি
DC মোর রংপুর। ৳১১.০ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য