নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি আমার দাদার জমির দলিল তলাশির জন্য কুষ্টিয়া জেলা রেজিস্টার অফিসে যাই। ওই খানে যাওয়ার পরে আমার সমস্যা কথা বলি সে বলে আপনার সমস্যা সমাধান করা যাবে আপনার কাগজ পাতি দেন তো আমার কাছে রেকর্ড ছিলো তাকে আমি দি এবং তখন বলে টাকা দেওয়ার জন্য আমি বলি কত টাকা সে আনু মানি আমার কাছে দুই হাজার চাই আমি এক হাজার টাকা দি বলে এই টা নাকি দলিল তলাশির জন্য লাগে তার পরে সে বলে এক সপ্তাহ পরে তার কাছে যেতে আমি এক সপ্তাহ পরে যাই সে বলে খুজে পাইনি এই ভাবে গুরাই এবং বিভিন্ন কথা বলে আমার কাছে থেকে আরও দুই হাজার টাকা নেই মোট তিন হাজার পরে সে বলে দলিল পাওয়া গেছে আর ও দুই হাজার টাকা দিতে হবে আমি বলি তাকে দলিল দিলে তার পরে আমি টাকা দিবো অনি বলে এই ভাবে কাজ করা হয় না আমাকে বলে। পরে আমাকে এড়িয়ে চলে ফোন দিলে ফোন ধরে না।
আমার ৩৬ শতাংশ জমি রেজিস্ট্রি করেছি। ডুমুরিয়া সাবরেজিস্টার অফিসে। আমার কোন দাগে ভিপি সম্পত্তি নাই কিন্তু এস এ খতিয়ানে ভিপি যুক্ত আছে। আমার এস এ দাগে বা আর এস দাগ এবং খতিয়ানে ভিপি নাই। ডুমুরিয়া সাবরেজিস্টার অফিস আমাকে বলেছে ৫০০০০ টাকা লাগবে। আমি উপায় না পেয়ে টাকা দেই। পরে আমার জমি রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হয়েছে।আমরা যারা সাধারণ মানুষ তারা এই সাব রেজিস্ট্রি অফিস, ভূমি অফিসে র কাছে বড় অসহায়। আমি মনে করি শধু ভূমি সংক্রান্ত অফিসের দূর্নীতি রোধ করতে পারলে সাধারণত মানুষ একটু স্বত্বি পেত।
বাটোরানামা দলিল করার জন্য গেলে, ৪০০০০/= রেজিস্ট্রার সাব কে দেওয়া লাগবে বলে নেওয়া হয়। বাকি ১৭০০০/= চালান, লেখক, ইত্যাদি।
জমির রেকর্ড কাটার মামলা করেছিলাম। মামলা পাশ হয়ে নোটিশ আচ্ছে বলেছে এবং সেই নোটিশ উঠাতে হবে এই কথা বলে ৩০০০ টাকা নিয়েছে। পড়ে নোটিশ চাই শুধু ঘুরায় পরে খোজ নিয়ে জানতে পারি ওই মামলা এখনো পাশ এ হয় নি।
আমি একজন প্রবাসী বাংলাদেশি।আমার স্ত্রী কে বিদেশে আনার জন্য কাবিননামা অনলাইন এ আবেদন করার পর জেলা রেজিস্ট্রি অফিসে যায় ওখানে বলে রেজিস্টার এর খরচ না দিলে অনলাইন হবে না, তারা ৪০০০ টাকা দাবি করে আমি বাধ্য হয়ে টাকা দেই।আর টাকা না দিলে কবে হবে বলতে পারে না।ভিসার মেয়াদ কম থাকায় আমি ঘুস দিতে বাধ্য হই।গতো জুলাই ২০২৬ এ ঐ দিন জেলা রেজিস্ট্রার এর লাস্ট কর্ম দিবস ছিলো।পরদিন উনি বদলি হয়ে যায়। ঐ দিন সকালে আমি টাকা দেওয়ার পর বিকালেই অনলাইন হয়ে যায়। ঘুষ মুক্ত দেশ চাই। সবার আগে বাংলাদেশ।
I went to register a Will Deed. I contacted a deed writer and asked for the total fee. I knew the official fee was around 2000 BDT plus the writer's charge. But the writer went to the sub-registrar before writing the Will Deed to confirm the official and unofficial fees. He came back and informed me that the sub-registrar asked for 40000 for the registry. I wanted to talk to the sub-registrar, but the deed writer, along with other deed writers, stopped me, saying that if I raised the issue, then the sub-registrar would not take any file from the deed writer as a punishment. I refused to pay the fee and came back.
দলিল উত্তোলন করতে গেলে, মহুরি বলে রিসিট হারিয়ে গেছে, এখন ২০০০ টাকা লাগবে তাহলে অরিজিনাল দলিল উত্তোলন করতে পারবেন
৩০ শে জুন (২০২৬),৮ শতাংশ জমি সাব কবলা করা হয়। রেজিস্ট্রি অফিসে সেই জমিন নকল তুলতে একজন চায় ২০০০ দালাল। আর সাব রেজিস্টার অফিসের একজন কর্মচারী চায় ১৮০০।
একটি নিকাহনামা আইন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এটাস্টেড করার জন্য অনলাইনে আবেদন করার পরে সেটি জেলা রেজিস্টারে নিকট অনুমোদনের জন্য গিয়েছিল। জেলা রেজিস্টার অনুমোদন না দিয়ে একটা ভুলের জন্য ২ সপ্তাহ ঘুরিয়ে পরে ঘুষ নিয়ে সাথে সাথে অনুমোদন দেয় এবং পরদিনই আমি কাগজটা এটাস্টেড পেয়ে যাই। অথচ সেই ভুলটার জন্য ১ টানে তারিখটা কেটে দিয়ে অনুমোদন দিয়ে দিতে পারত।
ওখানে জাওয়ার পর ওরা বলে। ২৫০০৳কম হলে আমরা পারবো না। এটা হইচ্ছিলো নাটোর সাব-রেজিস্টি আফিসে
জমি দলিল দাখিল করা হয়েছিল দলিল পার হবার আগ মূহুর্তে ঘুষ দাবি করে।৩৫০০০ টাকা
পারিবারিক সম্পত্তি তার একটা বন্টন নামা দলিল করবে এই দলিলের জন্য সাব রেজিস্ট্রি অফিসার গুলশান এবং তার দালাল 25 লাখ টাকা দাবি করে এই টাকায় ওপারগতা প্রকাশ করলে দলিলটি বিভিন্ন অজুহাতে রেজিস্ট্রি করতে ধনিয়া প্রকাশ করে
Jome namjhari korar jonno office theke 20000 tk chaice
নিজের নামে দলীল কৃত, দলীলের মুল কপি সংগ্রহ করতে গেলে ২০০০/ দাবি করে।
নিম্নে দলিলের নকল (Certified Copy) এর ফিসের হার দেয়া হলঃ দফা ‘জি (এ)’ অনুসারেঃ কোন হেতু, ভুক্তি বা দলিলের নকল প্রস্তুতকরণ বা প্রদানের ক্ষেত্রেঃ (অ) বাংলায় লিখিত প্রতি ৩০০ শব্দ বিশিষ্ট এক পৃষ্ঠা বা তার অংশ বিশেষের জন্য- ১৬ টাকা। (আ) ইংরেজি ভাষায় লিখিত প্রতি ৩০০ শব্দ বিশিষ্ট এক পৃষ্ঠা বা তার অংশ বিশেষের জন্য- ২৪ টাকা। দফা ‘জি (বি)’: কোন আবেদনকারী, কার্যালয়ের অন্যান্য নকলের কাজ অপেক্ষা, তাহার প্রার্থিত নকলের জন্য অগ্রাধিকার চাইলে, তাহাকে অতিরিক্ত ৫০ টাকা দিতে হইবে, বা যদি নকলটি প্রতি পৃষ্টায় ৩০০ শব্দ-বিশিষ্ট চার পৃষ্টার অধিক হয়, তাহলে প্রতি পৃষ্টার জন্য ১৫ টাকা হারে অতিরিক্ত ফি দিতে হবে। কিন্তু আমার কাছে ২৫০০ টাকা চাওয়া হয়েছে। আমি ২২০০ টাকা দিতে সম্মতি হয়ে জাবেদা নকল তুলতো দিয়েছি।
ভাইয়ে ভাইয়ে দানপত্র বা হেবা দলিল করতে চাইলে দলিল লেখক বলে যে এখন সাব কবলা ছাড়া সাব রেজিস্ট্রার দলিল পার করে না। সাব কবলার সরকারি হিসাব আসে ২৬ হাজার। আর সেখানে দলিল লেখক অফিসের ব্যক্তিগত খরচের কথা বলে নেয় ৩৭ হাজার। তারপর দলিল লেখক আবার একটু পর সাব রেজিস্ট্রার অফিসে ঢুকে এসে একটু পর আমাদের জানায় আরও ৩ হাজার লাগবো নামের নামের এ,কার আ, কার ভুলের জন্য। তাও দেই কারণ জমিটা কবলা করা খুব জরুরি ছিলো। যখন সাব রেজিস্ট্রার এ দলিল জমা দিলো একটুপর ডাক পরলো সাব রেজিস্ট্রার আইডি কার্ড ও রেকর্ড অনুযায়ী মূল নামের শেষে আলী ও হোসেন এর জন্য আটকে দিলো সাব রেজিস্ট্রারের জন্য আলাদাভাবে সে নাকি আরও ৩ হাজার টাকা নিবে। মনে করছিলাম দলিলই করবো না কিন্তু নিরুপায় হয়ে আরও ৩ হাজার সহ ৪৩ হাজার লাগলো+হয়রানি।
দলিল রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য দিতে হয়েছে। দলিল লেখকগন এই ডিল করেছেন। এই চক্র ভাংগা প্রায় অসম্ভব। এটাই নিয়মে পরিনত হয়েছে। দলিল রেজিষ্ট্রেশন এ অনলাইন আবেদনের ব্যবস্থা করতে হবে। গ্রাহক যে কোন স্থান হতে সঠিকভাবে দলিল লিখে অনলাইন আবেদনের মাধ্যমে জমা দিবে।
নবীগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, হবিগঞ্জ। আমার ৩০ শতক জমির দলিল রেজিস্ট্রি করতে গেলে আমার কাছ থেকে ১৫,০০০ টাকা অতিরিক্ত নেওয়া হয়েছে (প্রতি শতক ৫০০ টাকা হারে)। অথচ সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়াও এভাবে নগদ টাকা নেওয়ার কোনো নিয়ম নেই। এ বিষয়ে অফিসে জানতে চাইলে তারা বলে যে 'এই টাকা সরকার নেয়'। এটি সম্পূর্ণ অবৈধ ও হয়রানিমূলক
দলিল রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য দলিল লেখক বলেন সাব রেজিস্ট্রার কে টাকা দিতে হবে। এটাই নিয়ম, এটা নাকি তার হকের টাকা। ভেতরের টিপ সহি দিতে গেলেও ১০০ টাকা দিতে হয়। এই অচলায়তন ভাঙার জন্য কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
আমি ভুমি রেজিস্টেশন করতে গেছি যখন আমাদের দলিল লেখক সাব রেজিস্টারের কাছে দলিল নিয়ে গেছে তখন সাব রেজিস্টার ২০০০০ হাজার টাকা দাবি করে ঘটনাটি ২০২১ সালের