নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সাম বাটোরা দলিলের ফি সচিব মহোদয় বললেন ৫০০০ টাকার বেশি নয় কিন্তু ভেন্ডার রা ৩০০০০ টাকা দাবী করেন। যেখানে দলিল ক্যালকুলেটরে দেখানো হয় ২৩০০ টাকা।বাকি টাকা ঘোষের পর্যায়ে পড়ে যা দলিল লেখক ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ভাগাভাগি করে নিয়ে থাকেন।
১০ আগস্ট আমার উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার অফিসে ২ টা দলিল করি। দলিল দাতার এনআইডি তে নাম এবং দলিলের নামের ভিন্নতা থাকায়, দাতা কোর্ড থেকে নামের এফিডেবিট করে, এবং চেয়ারম্যান এর কাছে নামের প্রত্যয়ন নিয়ে আসে। দলিলের সাথে সেই সব ডকুমেন্টস সাব রেজিস্ট্রার এর সামনে শে করলে উনি দলিল না মঞ্জুর করে। পরে ওনার পিয়নের মাধ্যমে ১০০০০ টাকা দাবি করলে আমি ৭০০০ টাকা দেই, অতঃপর রেজিষ্ট্রেশন আমার দলিল মঞ্জুর করেন।
আমি একটি ব্যাংকের পক্ষে জমি মরগেজের জন্য গেলে ফাইল গুছিয়ে নিয়ে গেলে সাব রেজিস্ট্রার নানা খুটিনাটি বিষয় ধরা শুরু করে।আমি কারেকশনের জন্য বাহিরে বের হলে অফিসের একজন আমাকে সাব রেজিস্ট্রার এর বিশ্রাম কক্ষে নিয়ে টাকা দাবী করে।পরে আমাকে দালালের মাধ্যমে অনানুষ্ঠানিক টাকা পরিশোধ করা লাগে।
সাব রেজিস্ট্রার সাহেব ২০০০০ টাকার বিনিময়ে কাজটি সমাধান করে।বৈধ কাজ তা সত্ত্বেও টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি।
নামজারি করার জন্য দিতে হবে
জেলা রেজিস্টার অফিস আমার একটি নিকেনামা e apostile আবেদন পরপর দুইবার প্রত্যাখ্যান করে এবং পরবর্তীতে ৩৫০০ টাকা ঘুষের বিনিময়ে এপ্রুভ করে
সাবরেজিস্ট্রি অফিসে প্রতিটি দলিল মুল্যৈর বিপরীতে প্রতি লাখে এক হাজার টাকা করে ঘুষ দিতে যা, দলিল লিখকরা ঐ টাকা সাধারণ জনগণের কাছ থেকে সংগ্রহ করে দেয়। বিষয়টা বুঝিয়ে বলি যেমন দশ লাখ টাকার দলিল রেজিষ্ট্রি করতে হলে আপনি যে দলিল লিখক এর কাছে যাবেন উনি সাবরেজিস্ট্রি অফিসের ঘুষ ধরে আপনাকে হিসাব দিবে এবং সাবরেজিস্ট্রি অফিস ও ঐ টাকা নিতে দলিল লিখকদের বাধ্য করেন। তাছাড়া কাগজের সামন্য ত্রুটি থাকলে আলাদা ভাবে হাজার থেকে লাখ টাকার উপরে ঘুষ দিতে হয়। বিঃদ্রঃ এটা সারা বাংলাদেশে হয়। কারণ এর ভাগ জেলা রেজিষ্ট্রার, থেকে আই.জি আর অফিস পর্যন্ত যায়।
জমি মর্টগেজ করতে জাওয়ার পর রেজিষ্ট্রেশন অফিসের সহকারি বলল ৫০০০০ টাকা না দিলে এই মর্টগেজের কাজ জলহবে না। তাই বাধ্য হয়ে চাশ টাকা দিলাম।
টাকা না দিলে তো দলিল রেজিস্ট্রি করে দিবে না
এলাকায় জমির মালিকানা মামলা নিষ্পত্তি বাবদ ৩ ব্যক্তির মধ্যে জমি কেনা-বেচা হয়। তার মধ্যে আমি একজন। আমাদের ৩ জনের মধ্যে ১জন ব্যক্তি মুমূর্ষু থাকায় সাব রেজিস্ট্রার অফিস যেতে অপারগ হলে ভেন্ডারের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হয়। পরবর্তীতে ভেন্ডার জানায় সাব রেজিস্ট্রার আসতে পারবেন কিন্তু প্রত্যেক দলিল বাবদ ২০ হাজার টাকা দিতে হবে, তবেই তিনি দলিলে সই করবেন। উপায়ান্তর না পেয়ে আমরা ৩ জনই রাজি হই। সেদিন সাব রেজিস্ট্রার এসে সই করে টাকা নিয়ে যায়। কিন্তু পরবর্তীতে আবার যেদিন অফিসে যেতে হয় সই দেয়ার জন্য, সেদিন আমার কাছে আরও অতিরিক্ত ৩ হাজার টাকা দাবি না করে। না দিলে নাকি সাব রেজিস্ট্রার ফাইল পাস করাবে না। এ অবস্থায় ভেন্ডারের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। পরবর্তীতে আমি আরও ৩ হাজার দিতে বাধ্য হই।
মৌজা রেট অনুযায়ী প্রায় ৪০ লাখের অধীক মূল্যের আমাদের বাপ-চাচার ৩ পরিবারের উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমির বন্টননামা রেজিস্ট্রি করতে আমার এলাকার রেজিস্ট্রি অফিস , আমিন-উকিল সহ বিভিন্ন জনের সাথে যোগাযোগ করে অর্ধ লাখ থেকে লাখ টাকা দাবি করছে! যা সরকারি হিসেবে সব মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৩ হাজারের বেশি নয় জানলাম। সীমাহীন আর্থিক দুর্বলতা থাকায় আমরা দীর্ঘদিন থেকে উক্ত বন্টননামা রেজিস্ট্রি করতে পারছিনা এর ফলে আমরা পৃথক নামজারীও করতে পারছিনা।
দলিল লেখক নিয়েছে, অরিজিনাল রেট লিখেছি বলে, দলিল লেখা বাবদ এবং রেজিস্ট্রেশনের সব কাজ সম্পূর্ণ করে কথা বলে। চেয়েছিল ৭০ হাজার। ১৪/১/২৬...তেজগাঁও সাব রেজিস্ট্রি অফিস.... দলিল লেখকের সব বায়োডাটা আছে । এই কাজ শেষ হলে পরবর্তীতে ভূমি অফিসে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে নামজারি করিয়া ছি
দলিল রেজিস্ট্রি অফিসে তল্লাশী করতে গেলেই মোটা অংকের টাকা দাবী করা হয়। এইসব দলিল এর অভাবে মানুষ তার জমির বিভিন্ন মামলাইয় হয়রানি হয় সাথে অন্য লোকেরা দখল নিয়ে নেয়। এইগুলা স্ক্যান করে অনলাইনে আনতে সারা দেশে ১ মাসের বেশি লাগার কথা না কিন্তু আনা হচ্ছে না।
যশোরের বাঘারপাড়া সাবরেজিস্টার অফিসের আওতাধীন ৯৩ নং মহিরন মৌজার ২১ শতাংশ ও ৪ শতাংশ জমি যথাক্রমে আমার মা ও আমি আমার বোনকে হেবা দলিলের মাধ্যমে ২২/০৭/২০২৬ তারিখে জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে গেলে জৈনক দলীল লেখকের মাধ্যমে পঁচিশ হাজার টাকা এ-চালানের অতিরিক্ত নগদ ঘুস দাবি করেন। আমরা ঘুস দিতে রাজি না হয়ে সরাসরি সাব-রেজিস্টার মহোদয়ের নিকট গেলে উনিও দলীল রেজিষ্ট্রেশন করতে এরুপ খরচের কথাই বলেন। আমরা হেবা-দলীল রেজিষ্ট্রেশন করতে না পেরে ফেরত চলে আসি।
No direct ghush - request for Umrah/Hajj trip, all expenses paid for officer and family.
দলিল রেজিস্ট্রেশন এর জন্য নির্ধারিত অর্ধের থেকেও অতিরিক্ত 35 হাজার টাকা দাবি। পরবর্তীতে সেবা গ্রহনের জন্য নিরুপায় হয়ে 15000 টাকা পরিশোধ করতে হইসে।
প্রতিটি দলিল রেজিস্ট্রি করতে একজন সাব রেজিস্ট্রিার 1500 টাকা নেয়। দলিলের ভুল ভ্রান্তি থাকলে পরিমান কয়েকগুন বেড়ে যায়
Sub Register denied registration without money.
যার ৬০% সাব রেজিস্ট্রার, কেরানী ২৫%, মোহরারগণ-৫% (৩) জন করে নিয়ে থাকেন। আবার দলিলের বিভিন্ন প্রকার ভেদে সাব রেজিস্ট্রার আলাদা করে ঘুষ নিয়ে থাকেন। সাব রেজিস্ট্রার —, কালেকশন করেন —। প্রতিদিন সন্ধ্যার সময়। সাব রেজিস্ট্রার এর বাসা ভাড়া পর্যন্ত অফিসের ঘুষের টাকা থেকে যায়। উনার বাবার বাড়িতে ঘর বানিয়েছেন। স্বামীর নামে মৌলভীবাজারে রিসোর্ট এর জন্য জায়গা ক্রয় করছেন।
সিলেট বিভাগের ভূমি অফিসে পরচা তুলতে গিয়ে