Power of Attorney
No direct ghush - request for Umrah/Hajj trip, all expenses paid for officer and family.
17,743 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
No direct ghush - request for Umrah/Hajj trip, all expenses paid for officer and family.
এলাকায় জমির মালিকানা মামলা নিষ্পত্তি বাবদ ৩ ব্যক্তির মধ্যে জমি কেনা-বেচা হয়। তার মধ্যে আমি একজন। আমাদের ৩ জনের মধ্যে ১জন ব্যক্তি মুমূর্ষু থাকায় সাব রেজিস্ট্রার অফিস যেতে অপারগ হলে ভেন্ডারের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হয়। পরবর্তীতে ভেন্ডার জানায় সাব রেজিস্ট্রার আসতে পারবেন কিন্তু প্রত্যেক দলিল বাবদ ২০ হাজার টাকা দিতে হবে, তবেই তিনি দলিলে সই করবেন। উপায়ান্তর না পেয়ে আমরা ৩ জনই রাজি হই। সেদিন সাব রেজিস্ট্রার এসে সই করে টাকা নিয়ে যায়। কিন্তু পরবর্তীতে আবার যেদিন অফিসে যেতে হয় সই দেয়ার জন্য, সেদিন আমার কাছে আরও অতিরিক্ত ৩ হাজার টাকা দাবি না করে। না দিলে নাকি সাব রেজিস্ট্রার ফাইল পাস করাবে না। এ অবস্থায় ভেন্ডারের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। পরবর্তীতে আমি আরও ৩ হাজার দিতে বাধ্য হই।
টাকা না দিলে তো দলিল রেজিস্ট্রি করে দিবে না
জমি মর্টগেজ করতে জাওয়ার পর রেজিষ্ট্রেশন অফিসের সহকারি বলল ৫০০০০ টাকা না দিলে এই মর্টগেজের কাজ জলহবে না। তাই বাধ্য হয়ে চাশ টাকা দিলাম।
মৌজা রেট অনুযায়ী প্রায় ৪০ লাখের অধীক মূল্যের আমাদের বাপ-চাচার ৩ পরিবারের উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমির বন্টননামা রেজিস্ট্রি করতে আমার এলাকার রেজিস্ট্রি অফিস , আমিন-উকিল সহ বিভিন্ন জনের সাথে যোগাযোগ করে অর্ধ লাখ থেকে লাখ টাকা দাবি করছে! যা সরকারি হিসেবে সব মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৩ হাজারের বেশি নয় জানলাম। সীমাহীন আর্থিক দুর্বলতা থাকায় আমরা দীর্ঘদিন থেকে উক্ত বন্টননামা রেজিস্ট্রি করতে পারছিনা এর ফলে আমরা পৃথক নামজারীও করতে পারছিনা।
যশোরের বাঘারপাড়া সাবরেজিস্টার অফিসের আওতাধীন ৯৩ নং মহিরন মৌজার ২১ শতাংশ ও ৪ শতাংশ জমি যথাক্রমে আমার মা ও আমি আমার বোনকে হেবা দলিলের মাধ্যমে ২২/০৭/২০২৬ তারিখে জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে গেলে জৈনক দলীল লেখকের মাধ্যমে পঁচিশ হাজার টাকা এ-চালানের অতিরিক্ত নগদ ঘুস দাবি করেন। আমরা ঘুস দিতে রাজি না হয়ে সরাসরি সাব-রেজিস্টার মহোদয়ের নিকট গেলে উনিও দলীল রেজিষ্ট্রেশন করতে এরুপ খরচের কথাই বলেন। আমরা হেবা-দলীল রেজিষ্ট্রেশন করতে না পেরে ফেরত চলে আসি।
দলিল লেখক নিয়েছে, অরিজিনাল রেট লিখেছি বলে, দলিল লেখা বাবদ এবং রেজিস্ট্রেশনের সব কাজ সম্পূর্ণ করে কথা বলে। চেয়েছিল ৭০ হাজার। ১৪/১/২৬...তেজগাঁও সাব রেজিস্ট্রি অফিস.... দলিল লেখকের সব বায়োডাটা আছে । এই কাজ শেষ হলে পরবর্তীতে ভূমি অফিসে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে নামজারি করিয়া ছি
দলিল রেজিস্ট্রি অফিসে তল্লাশী করতে গেলেই মোটা অংকের টাকা দাবী করা হয়। এইসব দলিল এর অভাবে মানুষ তার জমির বিভিন্ন মামলাইয় হয়রানি হয় সাথে অন্য লোকেরা দখল নিয়ে নেয়। এইগুলা স্ক্যান করে অনলাইনে আনতে সারা দেশে ১ মাসের বেশি লাগার কথা না কিন্তু আনা হচ্ছে না।
দলিল রেজিস্ট্রেশন এর জন্য নির্ধারিত অর্ধের থেকেও অতিরিক্ত 35 হাজার টাকা দাবি। পরবর্তীতে সেবা গ্রহনের জন্য নিরুপায় হয়ে 15000 টাকা পরিশোধ করতে হইসে।
প্রতিটি দলিল রেজিস্ট্রি করতে একজন সাব রেজিস্ট্রিার 1500 টাকা নেয়। দলিলের ভুল ভ্রান্তি থাকলে পরিমান কয়েকগুন বেড়ে যায়
Sub Register denied registration without money.
সিলেট বিভাগের ভূমি অফিসে পরচা তুলতে গিয়ে
যার ৬০% সাব রেজিস্ট্রার, কেরানী ২৫%, মোহরারগণ-৫% (৩) জন করে নিয়ে থাকেন। আবার দলিলের বিভিন্ন প্রকার ভেদে সাব রেজিস্ট্রার আলাদা করে ঘুষ নিয়ে থাকেন। সাব রেজিস্ট্রার —, কালেকশন করেন —। প্রতিদিন সন্ধ্যার সময়। সাব রেজিস্ট্রার এর বাসা ভাড়া পর্যন্ত অফিসের ঘুষের টাকা থেকে যায়। উনার বাবার বাড়িতে ঘর বানিয়েছেন। স্বামীর নামে মৌলভীবাজারে রিসোর্ট এর জন্য জায়গা ক্রয় করছেন।
To Namzari of land, i have payee 33000 but govt rate was only 1100 .
জায়গা বিক্রি করতে গিয়ে রেজিস্ট্রি অফিসে ভিন্ন ভাবে হয়রানি করা হয়, শেষে ৫০ হাজার টাকা দিলে কাজ হয়ে যাবে বলছে৷ তাই বাধ্য হয়ে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে কাজ করালাল
নামজারি আবেদনের সরকারি খরচ ১১৭০ টাকার মত কিন্তু আমার কাছে ১২০০০ টাকা চেয়েছে কাজ করে দেওয়ার জন্য। দালাল বা ওদের লোক ছাড়া আবেদন করলে আবেদন ফেলে রাখে। যার জন্য বাধ্য হয়ে দালালের মাধ্যমে করতে হয়।
জমি কিনেছি। দলিলের লিখায় ভুল ছিল অল্প। পরে সাব-রেজিস্ট্রারকে মুহুরির মাধ্যমে ৫০০০ টাকা দিয়েছি। রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেল।
আমি বগুড়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশন সেবা গ্রহণের জন্য গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার মাধ্যমে নির্ধারিত ফি ও খরচের অতিরিক্ত অর্থ দাবি করার সম্মুখীন হই।
৪ টা দলিল করার জন্যে এই টাকা দিতে হইছে।
রেজিষ্ট্রেশন করা দলিল আনতে গেলে ১৫০০/- টাকা দাবি করে, পরে ১ হাজার টাকা দিয়ে দলিল আনতে বাধ্য হই!!