17,326 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
মাদারীপুর জেলার কালকিনি থানায় প্রকাশ্যে কালকিনি রিকশা স্ট্যান্ড ইজি বাইক স্ট্যান্ড এদের কাছ থেকে প্রকাশ্যে চাঁদা নেয়া হচ্ছে কেউ কিছু দেখছে না বিষয়টি আমলে নেয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি এখানে মাসে ঘরে ৬০ লক্ষ টাকার চাঁদাবাজি হয়
স্বাভাবিকভাবেই মাজার রোডের সিগনাল পার হচ্ছিলাম। গাবতলী বাসস্ট্যান্ডের সামনে ট্রাফিক পুলিশ গাড়ি আটকায়ে বলে সিগনাল ব্রেক করেছি, উনাদের কাছে প্রমাণ আছে। আমি প্রমাণ দেখতে চাইলে বলে তাহলে গাড়ি থানায় নেওয়ার পর ভিডিও দেখাবে, সেক্ষেত্রে গাড়ি থানায় নিয়ে যাওয়ার জন্য রেকার ভাড়া দিতে হবে আরো ১২০০ টাকা। আমি বাড়তি আর ঝামেলা নিতে চাচ্ছিলাম না দেখে ওদের চাহিদা মোতাবেক ১০০০ টাকা দিয়ে সমস্যা সমাধান করে নিয়েছি। আপনারা আমাকে বলতে পারেন যে আমি কেন মেনে নিলাম ওদের কথা।আসলে এইরকম পরিস্থিতিতে যারা পরে তারাই বুঝে এই ছাড়া উপায় নাই।
আমি একটি গ্রাম এলাকার মধ্যে মোটরসাইকেল চালাচ্ছিলাম। যেহেতু গ্রাম এলাকা আমার কাছে মোটরসাইকেলের কাগজ ছিল না। পুলিশ কাগজ চাইলে সাথে সাথে কাগজ দেখাতে না পারায় সে মামলা দিতে চাইলো। অন্যথায় ২০০০ টাকা দিতে হবে। কি আর করার মামলা থেকে। বাঁচতে ২০০০ টাকা দেওয়া হয়েছিল।
অভিযোগের প্রতিবেদন বিষয়: নাম ট্রান্সফার না থাকার অভিযোগে পুলিশ কর্তৃক ১,৫০০ টাকা ঘুষ নেওয়ার বিষয়ে অভিযোগ। আমি সিলেট থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে মাধবপুর এলাকায় পৌঁছালে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরা আমার গাড়ি থামিয়ে গাড়ির কাগজপত্র পরীক্ষা করেন। এ সময় তারা জানান যে গাড়িটির নাম ট্রান্সফার করা হয়নি এবং এ কারণে আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। পরবর্তীতে পুলিশ সদস্যরা আমার কাছ থেকে ১,৫০০ (এক হাজার পাঁচশত) টাকা দাবি করেন। কোনো আইনগত প্রক্রিয়া বা রসিদ প্রদান না করে পরিস্থিতির কারণে আমি তাদের দাবিকৃত ১,৫০০ টাকা প্রদান করতে বাধ্য হই। টাকা নেওয়ার পর আমাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। আমি মনে করি, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পরিবর্তে এভাবে টাকা নেওয়া অনিয়ম ও ঘুষ গ্রহণের মধ্যে পড়ে। তাই বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট পুলি
গাড়ির সবকিছু ঠিক ছিল। দাঁড়া করিয়ে বলে স্পিড জরে গেছি বলে। পনেরশো টাকা দেনা ৫০০০ টাকার মামলা দিবো
আমার জীবনে এইটা ঘুষ দেওয়ার প্রথম অভিজ্ঞতা ছিল পরে আরও দিতে হয়েছে।আমরা বাইক এ করে শেরপুর থেকে বাড়ি আসছিলাম,সময় কই রোড এলাকায় এসে কয়েকজন পুলিশ আমাদের বাইক আটকায়,তারপর একজন আরেকজনকে বলতে থাকে আজকে অনেকগুলো বাইক থানায় নিয়ে যেতে হবে। এটা সম্ভবত ২০০৯ সালের ঘটনা।আমরা অনেক রিকুয়েস্ট করি ছেড়ে দেওয়ার জন্য।তখন আরেকজন কনস্টেবল এসে এক হাত আর এক হাতের বগলের নিচে ইশারাতে টাকা চায় আমরা তখন বুঝতে পারিনা,তখন সে পুলিশ কনস্টেবল বাধ্য হয়ে সরাসরি মুখে বলে ৫০০ টাকা দাও দিয়ে চলে যাও স্যার কে মেনেজ করতে হবে।আমাদের কাছে তেমন টাকা পয়সা ছিল না, আমরা সবার পকেট চেক করে মাত্র ১২৭ টাকা আছে এটা ওই কনস্টেবল কে জানাই তিনি রাগান্বিত হয়ে বলে এটা তো হবে না তোমাদের বাইক থানায় নিয়ে যাব পরবর্তীতে এস আই কে জানায় এরা ছ
আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স গারির লাইসেনস সবই ছিল সুধু হালকা জান, মোটরসাইকেল সংযোজন ছিল না তাই আমাকে কেস দেয়।সার্জেন্টের সামনে দিয়ে ১০০ সহ সহ মানুষ হেলমেট ছারা গাড়ি চালাচ্ছে, তাদের কোন কাগজ নাই,এটা তাদের কোন সমস্যা না, আমাকে কেস দেয়।বর্তমান পরিস্থিতি এরকম চলতেছে ।
পাসপোর্ট করব তাই টাকা চাইছে।
গাড়ির সব কাগজ আছে পড়ে ডেকে নিয়ে বলে ওভার লোড
আমার বাইকের দ্বিতীয় রোগের হেলমেট ছিল না, মামলা দিবে ২০০০ টাকার, ১০০০ টাকা দাবি করে এবং টাকাই দেই
লাইসেন্স ছিল, তবে নাম ট্রান্সফার ছিল না। সুতরাং সে ঘুস দাবি করে
আমাকে বলেছে চালান,করলে অনেক খরচ হবে এখানে আমাদের কে চা পানির টাকা দেন শেষ করে দিব
আমি একটি জিডি করতে চেয়েছিলাম কিন্তু করিনি এরপর ও আমাকে 500 টাকা দিতে হয়েছিল। আমি একজন প্রবাসী
Cumilla Barura te amar Passfort er jonno verify korte police bollo thana te jaite gelam tokhon bollo 500 taka dite Cha khabe
লাইসেন্স ছিলোনা বাইক চালাচ্ছিলাম মামলা না দিয়ে টাকা ঘুষ নিয়েছে
কিছুদিন আগে আমি রাত ৩ টার দিকে ট্রাকে মাল নিয়ে ঢাকা থেকে কটিয়াদি যাচ্ছিলাম তখন থানার ঘাট ব্রিজ সংলগ্ন ডিওটিরত কয়েজন পুলিশ ট্রাক ড্রাইবারকে সালাম দিয়ে হাত বাড়ায় তখন ১০০ টাকা দিতে হয় আমি ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করেছিলাম দিলেন কেন উনি বললো মামা টাকা না দিলে অযথা হয়রানি করবে দাড় করিয়ে কোনো কারণ ছাড়াই।
আমার সব কিছুই ঠিক ছিলো আমি রেগুলার বাইক চালাই তার পরেও কাগজ নিয়ে ১০ মিনিট ধরে বসে থাকে আমি কোনো টাকা না দিতে চাইলে ২ টা মামলা দিয়ে দেয়
অভিযোগ দিতে গিয়ে তদন্তে আসার জন্য Asi/si তাকে গাড়ি ভাড়া সহ ৫০০০ টাকা দিতে হবে তবে এতেও সেবা পাওয়া যায় নি এভাবে ৩০থেকে ৩৫ হাজার টাকা চলে গেছে
চেকপোস্টের কাগজে নামে হয়রানি সবকিছু ঠিকঠাক থাকার পরও বিটের নামে ঘুষ দেওয়া লাগে আর যদি না দেই মামলা অযাজিত অনর্থক মামলা দিয়ে হয়রানি করে তাই হয় না থেকে বাঁচতে ঘুষ দেওয়া লাগে
আমার বাইকের মালিকানা পরিবর্তন করা ছিলো না। এই কারননে আমাকে ১০,০০০ টাকা জরিমানা করতে চায়। তার একটু পর৷ সারজেন্ট এর সাথে কথা বইলা আইসা সারজেন্ট এর কন্সটেবল আমাকে ৩০০০ টাকা দিতে বলে। পরে আমি ২০০০ টাকা দিয়ে দেই। আমি রশিদ চাওয়ার পর বলে যে, রশিদ লাগবেনা। আমরা আছি এদিক বাইক আমরাই ধরি, তুমি টেনশন কইরোনা।