নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
তখন কার মহিলা দারগা ছিলো রুনা আমি একটা অভিযোগ দিতে গিয়ে পটুয়াখালী থানায় অভিযোগের সাথে তাকে পাচ হজার টাকা দিতে হয় এবং তার ফোন নাম্বার টা আজকেও আছে আমার ফোনে।
স্যার, চট্ট মেট্রো পাবলিক গাড়ি গুলো আটক করে ৪৭৫০ থেকে শুরু করে ১০৭৫০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয় ।কিন্তু তারা মানি রিচিপট দেয় শুধু ৭৫০ টাকা বাকি টাকা তারা সবাই মিলে আত্মসাৎ করে ।এই টাকাটা সবাই ভাগাভাগি করে খায় ।কোন গাড়িকে মামলা দেয় না।শুধু আটক দেখানো হয় ।যাতে করে টাকাটা নিয়ে ভাগাভাগি করা যায়। আমার আকুল আবেদন আপনারা বিষয়টি যাচাই করে ব্যবস্তা নিবেন ।চট্ট মেটো ২ টা ডাম্পিং আছে ১। সদর ঘাট ২।খুলশী ।উত্তর এবং দক্ষিণ ।
আমি ঢাকায় রাইড শেয়ার করতাম। গত ১৮/০৬/২০২৬ তারিখে আমি বাইক নিয়ে গাবতলি মাজার রোডে সিরাজ চুই গোস্ত এর সামনে গিয়ে দাড়াই। এক ট্রাফিক সার্জেন্ট আর — নামের এক কনস্টেবল সবার বাইকের কাগজ চেক করতে শুরু করে। আমার কাছে বাইকের কাগজ ও ড্রাইভিং লাইসেন্স দুটোই অনলাইন কপি ছিলো। সেই সার্জেন্ট বলে অনলাইন কপি দিয়ে কিছু হবে না। পাশে থেকে কনস্টেবল — বলে ২০০০ টাকা দে তা না হলে গাড়ি ডাম্পিং এ দিবো। আমি জানি এই ঘটনা টা অনেক সিলি মনে হচ্ছে, কিন্তু ছিনতাইকারীরা যেভাবে ফাকা স্থানে ছিনতাই করে সেদিন কনস্টেবল — আমার কাছে ওভাবেই টাকা নিয়ে নেয়। এই ঘটনার পরে আমি আর ২ দিন ঢাকাতে ছিলাম। বাইক রাইড ছেড়ে আমি গ্রামের বাসাতে চলে এসেছি।
একজন ব্যক্তি বিদেশ নেওয়ার কথা বলে ৩০০০০০ টাকা হাতিয়ে নেয়। কোন ভাবেই তার থেকে টাকা উদ্ধার করতে না পেরে মানবাধিকার কমিশনের নামে চলা ব্যক্তির পরামর্শে থানায় জিডি করা হয়। জিডি এনট্রি শেষে এসআইকে ৩০০০ টাকা দিতে বলা হয়। উল্লেখ্য মানবাধিকার কমিশনের লোক দাবীকারী ব্যক্তিও একাধিক বার বিভিন্ন অযুহাতে টাকা নেয়।
আমার একটা মোবাইল হারিয়ে গিয়েছিল। আমি জিডি করেছিলাম উদ্ধারের জন্য। নতুন ফোনের দাম ছিল 13900 টাকা। কিছুদিন ইউজ করেছিলাম। আমাকে বলেছিল অগ্রিম 5000 টাকা দিতে হবে। আমি বলেছিলাম উদ্ধার করার পর দিব। উনি রাজী হয় নি পরে ফোন ও উদ্ধার করে দেয়নি।।
I crossed the road on Gulshan 1 Shooting Club, it was 2016. Then the crossing was open. I crossed the road and tried to drive on S Badda Road. This road is situated between Police Plaza and Gulshan Shooting Club. I am a local person in Badda and have been using this road since my childhood, for more than 15 years. Suddenly, a police stoped me and told me that this road is a one-way road but still lot of vechele are running toward opposit derection boght lane at opposit derection, and still it is two way roads. I told him that there is no one-way signboard. Then the police add more cases like misbehaving, obstructing, and road blocking. than police behaved very badly, took all the papers.
নারায়ণগঞ্জ জেলার রুপগঞ্জ থানার আওতাধিন কাঞ্চন ব্রিজ এর টোল প্লাজা এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ এর একটি টহল দল থাকে যাদের কাজ হচ্ছে অটো cng থেকে monthy নামক মাসিক চাদা আদায়, ট্রাক থেকে টাকা নেওয়া, CNG অটো থেকে অবৈধ ভাবে monthy চাদা নেওয়ার কারণেই ১০ টাকার ভাড়া সাধারণ মানুষকে দিতে হয় ২০-৩০ টাকা। CNG ভাড়া ৩০ টাকার ভাড়া ৪০/৫০ টাকা।
আমাদের মোটর রিকশা যখন পুলিশ টু করে দেয় এবং সেগুলো ছাড়ানোর সময় হয়। তখন সেখানে নির্ধারিত টাকা ব্যাতিত নাস্তার টাকা বলে ১০০+২০০ টাকা নেওয়া হয়। যা প্রতিটি মানুষ থেকে নেওয়া হয়। টাকা না দিলে বলে ২-৩ দিন পরে আসো। কাগজ জমা নেই না।
garite kono kagoj cilo na , shariatpur sadar er court area te. gari atkiye 7000 taka dabi kora hoi. porobortite 5000 taka ghush niye gari sere dei.
অকারণে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া। সব কিছু ঠিক থাকার পরেও টাকা নিয়ে কেস দেওয়া।
পিকাপ টি ফিটনেসের জন্য মিরপুর গেছিলো, সব ওকে।আসার পথে ট্রফিক দরছে তেমার গাড়ির এই সমস্যা ওই সমস্যা মামলা দিব। ড্রাইবার বললো গাড়ির সব ঠিক আছে ফিটনেস থেকে আসলাম মাত্র,তারা ত সব ঠিক ঠাক মতো করে দিলো, তার পরো তাকে ৫০০ টাকা কফি খেতে দিতো হলো, না হলে মামলা দিবে।
আমার বাইকের ট্যাক্স-টোকেনের মেয়াদ শেষ হয় ১৯ আগস্ট। আমি ১৮ আগস্ট অনলাইনে ট্যাক্স পেমেন্ট করি। যার কাগজপত্র ডেলিভারি হতে ৩ (তিন) দিন সময় লাগতে পারে বলে ওয়েবসাইটে জানানো হয়। ২০ আগস্ট যাত্রাবাড়িতে এক সার্জেন্ট আমার বাইকের কাগজ দেখতে চায়। আমি যথারীতি সকল কাগজ দেখানোর পর তিনি জানান আমার ট্যাক্সের পেপারের মেয়াদ নেই। আমি তাকে ট্যাক্স পেমেন্টের মেসেজ, ওয়েবসাইটে থাকা আপডেটেড ট্যাক্স-টোকেনের সফট কপি সবকিছু তাকে দেখাই। কিন্তু সে বারবার ট্যাক্সের হার্ড পেপারের জন্য চাপ দিতে থাকে। এক পর্যায়ে তার এক কনস্টেবল এসে আমাকে জানায় যে, তার স্যারকে খুশি করলে ছেড়ে দিবে, এজন্য আমাকে ১০০০ টাকা দেয়া লাগবে। আমি ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমাকে ৪০০০ টাকার একটি অযৌক্তিক মামলা দেয়া হয়।
ঢাকা-মাওয়া হাইওয়েতে, ভাটিয়াপাড়া একটু পর প্রাইভেট কারের স্প্রীড ছিল ৭০, যেখানে হাইওয়ে স্প্রিড ৮০কি.মি. অযথা হয়রানি করে ৭০০০/- টাকা ঘুষ নিয়েছে।
জমিয়তুল ফালাহ এলাকায় আয়ার বাইক টি চুরি হয়ে এলে আমি কোতোয়ালি থানায় রিপোর্ট করতে গেলে আরা আমার কাছে এই অর্থ দাবি করে পরে আমি রিপোর্ট না করেই ফিরে আসি।
Said there was a discount system on traffic cases for students my age🤷
আমাদের কুমিল্লা জেলায় দাউদকান্দি থেকে আমরা যারা স্থানীয়ভাবে ট্রাকের ব্যবসা করি ,আমাদের কিছু স্থানীয় কূচুকরি লোকদের সহযোগিতায় ,আমাদের কুমিল্লা টু দাউদকান্দি হাইওয়ে থানা গুলো ,যেমন দাউদকান্দি হাইওয়ে থানা ,ইলেটগঞ্জ হাইওয়ে থানা, এবং আমতলী হাইওয়ে থানা ,উক্ত হাইওয়ে থানার পুলিশগুলো স্বৈরাচারী সরকার পতনের পর থেকে নতুন করে চাঁদাবাজির মহড়ায় মেতে উঠেছে 🥲 তাদেরকে প্রত্যেক গাড়ি প্রতি ৩৫০০ টাকা চাঁদা না দেওয়া হলে গাড়ির কাগজ পত্র ঠিক থাকা অবস্থায়ও, তারা আইনের বিভিন্ন ধারায় ড্রাইভার ও মালিকদেরকে হয়রানিমূলক মামলা হামলা করে যাচ্ছে, যারা তাদের সাথে মাসিক চাঁদা দেওয়ায় রাজি হয়েছে এবং দিচ্ছে তাদের প্রত্যেকেরই গাড়ির পেপারগুলো ডেট ফেল , চাদা পুলিশ নেওয়ার কারণে রাষ্ট্র বৈধ ট্যাক্স থেকে বঞ্চিত
গাড়ির সবকিছু ঠিক ছিল কিন্তু হঠাৎ করে ধরে বলল ড্রাইভার সিট বেল বাধে নাই এজন্য মামলা দিবে ৬ হাজার টাকার পরবর্তীতে অনেক বোঝানোর পরে ২০০০ টাকা ঘুষ নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে ড্রাইভারের সিট বেল বাধা ছিল
ট্রাফিক সিগনাল থেকে আমার গাড়ি অনেক দূরে দাঁড়ানো ছিল গাড়ির চাকা ঘুরানোর জন্য ৬০০ টাকা মামলা খেতে হয়।
ইজ্জত রক্ষায় পরিশোধ করতে হয়েছে
আমি জ্যামে ছিলাম, জ্যাম থেকে বের হয়ে তারা আমকে ওভার স্পিড মামলা দিতে চেয়েছিলেন, ৫০০ টাকা দিলে মামলা দেয়নি