জমির খারিজ
জমির খারিজের জন্য ৮৫০০ দেওয়ার পরেও খারিজ করে দেয়নি। ওখানে ঝাড়ুদার হিসাবে কাজ করে। ভাবসাব দেখলে মনে হয় জমিদার
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমির খারিজের জন্য ৮৫০০ দেওয়ার পরেও খারিজ করে দেয়নি। ওখানে ঝাড়ুদার হিসাবে কাজ করে। ভাবসাব দেখলে মনে হয় জমিদার
গনকখুলীর, একবাড়িয়া, ১৩ নং আদ্রা ইউনিয়ন, বরুড়া,কুমিল্লা আমার থেকে ঘুষ নেয়, কিন্তু জন্ম নিবন্ধন দেয় ভুয়া। আমি সৌদি আরব যাওয়ার সময় আমার জন্ম নিবন্ধনে এক বছর কম হওয়ার কারণে পাসপোর্ট করতে পারতেছি না, তখন এলাকার মেম্বারকে বলছি আমার জন্ম নিবন্ধনের বয়স যদি এক বছর বাড়িয়ে দিতেন ইউনিয়ন পরিষদের লোকদের বলে তাহলে পাসপোর্ট করতে সুবিধা হতো। তখন তিনি আমার কাছ থেকে জন্ম নিবন্ধন ঠিক করার কথা বলে ৩০০০ হাজার টাকা নেন। কিন্তু তিনি আমার জন্ম নিবন্ধনের কিছুই করেননি, আমাকে যে জন্ম নিবন্ধন ওনি করে দিছেন সেটা ছিলো অন্য কারো নামে জন্ম নিবন্ধন, এখন আমি পাসপোর্ট করতে পারতেছি না, আমার নামে কোনো জন্ম নিবন্ধন নেই, যেটা দিয়ে পাসপোর্ট করছি সেটা অন্য কারো নামে, এখন আমার পাসপোর্ট হচ্ছে না।
নামজারী করতে তহসীলদার একজন একজন স্টাফের সাথে গোপনে কথা বলতে পাঠিয়ে দেয়। সে ৮০০ টাকা দাবি করে। পরে ৭৫০০ টাকায় রফা হয়। এটা ছিল আমার উপর জুলুম।
I worked as a development worker in a national NGO. I got 18 foreign grants from different Donar agencies from abroad. I paid more then 200000( 2 lack’s) to get approved 18 projects of around total 4 crore. ( June 2020 to June 2022) This the regular thinks of this office which is also named by prime ministers office.
অনলাইলে আবেদন করলাম। পেইন্ডিং। আবেদন এপ্রুভ হয় না। পরে অফিসে ২৩৮ টাকার খাজনা ৪ হাজার টাকা দাবি করল। না দিলে খাজনা রশিদ দিবে না; মানে পরিশোধিত হবে না। খাজনা পরিশোধ না হলে জমির দলিল হয় না। বাধ্য হয়ে দিতে হলো।
চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা জ্বালানি তেলের পাইপলাইন স্থাপনের জন্য আমাদের জমি সরকার অধিগ্রহণ করে। সরকারি হিসাবে ৭,৩৭,০০০ টাকা নির্ধারণ হলেও বিভিন্ন কর্তনের পর বরাদ্দ হয় ৭,১৬,৭৩৪ টাকা। এই টাকা পেতে প্রায় আড়াই বছর বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরতে হয়েছে এবং বিভিন্ন পর্যায়ে ঘুষও দিতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত চেক আসার পরও পাস করাতে ৪৬,০০০ টাকা দাবি করা হয়; বহু অনুরোধের পর ১৫,০০০ টাকা দিয়ে চেকটি পাস করাতে হয়েছে। সাধারণ মানুষের ন্যায্য পাওনা পেতে এমন হয়রানি ও ঘুষের শিকার হওয়া সত্যিই দুঃখজনক।
পাসপোর্টের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন । না দিলে নেগেটিভ রিপোর্ট দিবে বলে জানিয়েছে ।
অতিরিক্ত আদায়,,, সরকারি ফি ছিল ৪০০০ হাজার আর আমার কাছ থেকে নিছে ১০০০০ হাজার
১১৫০ টাকার জায়গায় সর্বনিম্ন ৫০০০ টাকা দিয়ে নামজারি করা লাগে কলারোয়া উপজেলার এসিল্যান্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ের ভূমি অফিসে, দালাল ছাড়া তো সম্ভাব ই না।
আমার বাবার নামের বাড়ি নামজারি করার ও ভাঙ্গা গড়ার অনুমোদন করার জন্য সরকারি ফি বাদে ভুমি অফিস ১,৫০,০০০ টাকা নিয়েছে ২ বছর ঘুরাইছে।
After my fathers' death in 2010, I was trying to get the pension amount from Bangladesh Railway (He was a station master). It took total 2 years to get things settled and get money. But I had to move from table to table both in Dhaka and Chittagong office. I had to give bribe to many tables that will be total around BDT 40,000 to 50,0000. One day, I went to a table for a file, the person working in the table looked very religious according to his dress and outlook, and he asked me to sit down and wait until he comes back from his noon prayer. After coming from prayer, he asked the bribe money from me to do the work. I was just speechless..!!!
জমি নামজারি করার জন্য ৩০০০ টাকা অতিরিক্ত দাবি করা হয়
Amar ইনকাম ট্যাক্স 5000 টাকা ami ব্যাংক জমা করে দিয়েছি পরে বলে 3000 টাকা আরো দান আমি বললাম কেন বলে পেপার জমা দিতে লাগে পরে আমি 1500 দিয়ে চলে আসছি
মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন করার জন্য
বিআরটি থেকে বলা হয়েছিল, আপনি এতদিন নাম্বার কেন করেননি, ২০২১ সালের ফাইল, এটা নাম্বার দেয় না সরকার থেকে, এজন্য অনেক হয়রানি হতে হয় পরিশ্রম আছে। তার জন্য এক্সট্রা খরচ আছে, আপনি কিছু টাকার খরচ দিয়ে যান তাহলে হয়ে যাবে আগামী সপ্তাহে এসে নিয়ে যাবেন। আমি অনেক জোরাজুরি করেও কম দিতে পারি নাই। বাধ্য হয়ে ৫০০০ টাকা দিয়ে নাম্বার করেছি।
চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট থেকে আসামি জাবিন পাওয়ার পরেও আসামিকে বের করতে ৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয় বা তার অধিক ও নেয় কোন সময়
নতুন পাসপোর্ট বানানো
আমি একজন সৌদি প্রবাসী, আমার মার বয়স ৭০/৬৮ এমন হবে ওনার ওমরা করার জন্য একটা নতুন পাসপোর্ট বানানোর জন্য দিয়েছি সব কিছু হয়ে গেছে কিন্তু এক দিন না কি আমাদের বাড়িতে পুলিশ ভেরিফিকেশন জন্য লোক গিয়েছেন ওই দিন আমার মা বাড়িতে ছিলো না, পরে আমার বড় ভাই পাসপোর্ট আনার জন্য গিয়েছে বলছেন এখনো ভেরিফিকেশন হয় নাই, পরে আমার বড় ভাইকে একজন বললো আপনি ২০০০ হাজার টাকা দেন আমি তুলে নিয়ে আসবো কিন্তু আজ পরযন্ত এখনো আনতে পারে নাই, আমার কিন্তু ২হাজার টাকা চলে গেছে। এখন বলেন এমন যদি হয় তাহলে কি করে চলবে। আমার মার তো সব তথ্য দিয়েই পাসপোর্ট বানানো হইছে তাহলে আমার ভেরিফিকেশন বা পুলিশ ক্লিয়ারেস কেনো দরকার? ওনি তো আর এমন না উল্টাপাল্টা কিছু করবে!
ওয়ারিশান সনদ তুলতে গিয়েছি চুনারুঘাট পৌরসভাতে, ঐ অফিসের অফিস সহায়ক একজনকে দায়িত্ব দেয়া সরকারি ফি জমা দেয়ার পর তার কম্পিউটার থেকে আবেদন করতে হবে, সে আবেদন করে দিতে এটা সেটা সমস্যা বলে আজকে হবে না, পরে আসেন, এসব বলে কিছু খরচাপাতি দিতে দাবি করে। এবং আমার জরুরি হওয়ার কারণে আমি এটা দিতে বাধ্য হয়েছিলাম, যদিও এটা তার ৫ মিনিটের কাজ ছিল, এবং তখন তার কোন ওয়ার্কলোডও ছিল না।
জন্মসূত্রে আমি কুমিল্লার অধিবাসী সে হিসেবে আমার এনআইডি কুমিল্লায় করা হয়,কিন্তু আমরা এখন স্থায়ীভাবে ফেনীতে বসবাস করি ,এ বছর আমার পাসপোর্ট এর প্রয়োজন হলে আমি যাবতীয় কাগজপত্র নিয়ে ফেনী পাসপোর্ট অফিসে যাই, সেখানে প্রধান অফিসার যিনি ছিলেন তিনি কাগজপত্র নিয়ে ছেড়ে দেখে বললেন আপনি তো কুমিল্লার অধিবাসী সুতরাং আপনার এখানে পাসপোর্ট জমা নেওয়া হবে না, আমি বললাম বর্তমানে আমরা ফেনীতে জায়গা জমি কিনে নিয়েছি এবং জায়গার খতিয়ান দেখালাম তারপরও বলল যে হবে না, পরে আমি যার মাধ্যমে পাসপোর্ট এর আবেদন করিয়েছি তাকে বিষয়গুলো বললাম তিনি আমাকে বললেন যে অফিস টাইম শেষ হলে স্যারের সাথে দেখা করেন আর কিছু চা-নাস্তার জন্য ওনার হাতে দিলে আপনার আর পুলিশ ক্লিয়ারেন্সও লাগবেনা পাসপোর্ট অটোমেটিক আপনার হাতে পৌঁছে যাবে।