New driving license
Expedited driving license appointment + auto pass test just by showing up.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Expedited driving license appointment + auto pass test just by showing up.
সরকারি চাকরিতে 3 বছর পরপর মূলবেতনের সমপরিমাণ টাকা শ্রান্তি বিনোদন ভাতা হিসেবে দেওয়াহয়। 2024 সালে 7 জনের ফাইল হিসাব রক্ষন অফিসে পাঠানো হলে এই টাকা চাওয়া হয়, উনাদেরকে খুশি করতে।
আমি আমার বাবার সম্পত্তি নামজারি করতে গিয়েছি, কিন্তু সরকারি ফি ১১,৭০ টাকা। ভূমি অফিসে গেলে তখন তারা ১০,০০০ টাকা নেয়।
সেলাই করার কথা ডাক্তারের তবে ডাক্তার ওয়ার্ড বয়কে সেলাই করার জন্য বলল আমার ঠোঁট কাটা ও আমার সাথে কেউ ছিলো না এবং রক্ত পড়ছিল যার কারণে তেমন কিছু বলতে পারি নাই আর ওয়াড বর টাকা ছাড়া কাজ করবে না ও ডাক্তার ইনট্রান ডাক্তার তো প্রয়োজনের তুলনায় বেশি সরন্জাম লিখেছেন তা এনে দেখলাম আমার কাজে ব্যবহার না করে অন্য জনের কাজে ব্যবহার করে আবার টাকা নিল সরন্জাম এর এখানে আমার মনে হয় ডাক্তারাও এর ভাগ পায়
আমি ডাকের চাকরি ছেড়ে অন্য আরেকটি সরকারি চাকরিতে যোগদান করি যথাযথ নিয়ম মেনে। প্রথমত তারা আমাকে আমার ২৬ দিনের বেতন দিতে অস্বীকার করে, পরে অবশ্য ১০০০ টাকা নিয়ে বেতন সাবমিট করে। দ্বিতীয়ত আমার pay fixation cancel করেনা। ১ মাস পর আইবাস থেকে রিলিজ করছে বলল অথচ আমার ফিক্সেশন ক্যান্সেল করতে হবে। পরে ২০০০ টাকা নিছে, বলছে CGA টাকা ছাড়া কথা বলতে চায়না। তাও সময় নিছে ২৫-৩০ দিন। যেখানে সরকারি চাকরি করে নিজের প্রাপ্য নিতে পদে পদে ঘুষ দিতে হয় সেখানে সাধারণ জনগন তো নস্যি।
আমি যখন ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে যাই তখন আমার সব কিছু ঠিক থাকা সত্বেও তারা বার বার ভুল বলে দিচ্ছে তখন এক ভদ্রলোক এসে আমাকে বলতেছে ওনি নাকি করে দিতে পারবে আমি জিজ্ঞেস করলাম কিভাবে ওনি বল্লো আমাকে ১৭০০০ হাজার টাকা দিতে হবে আপনি যাস্ট একদিন উপস্থিত থাকলেই হবে তখন আমি বলি এত টাকা কেন যেখানে ৫৫০০ টাকায়া সব হয়ে যাওয়ার কথা তখন ওনি বলে এভাবে হবে ভাই। পরে বলতেছে আপনি ১৬০০০ দিয়েন তে আমি বলছি আচ্ছা দেখি বলে সরে আসি তো আমি কিছুদূর আসার পরে আরেকজনের সাথে দেখা ওনি লাস্ট ১১০০০ টাকায় করে দিতে পারবেন আমিও ওনার সাথে দাম মূলামুলি করতে থাকি এক সময় সে ৯৫০০০ তে রাজি হয়।
আমাদের বিভাগীয় শিক্ষা অফিস থেকে ১৪ জন কর্মকর্তার অগ্রিম বর্ধিত বেতন পাস করার চিঠি ঢাকায় প্রেরণের জন্য জন প্রতি ২হাজার টাকা দাবি করা হয় এবং আমরা সেটা পরিশোধ করার পর চিঠি ফরোয়ার্ড করে
নামজারির জন্য ভূমি কর্মকর্তার কাছে গেলে উনি সরাসরি বলে দেন যে ঘুষ ছাড়া আপনার কাজ সম্পূর্ণ করতে পারবেন না আপনার অনেক দৌড়াদৌড়ি করতে হবে সবচেয়ে ভালো হয় আপনি কন্টাকে দিয়ে চলে যান তাহলে হয়ে যাবে এই সময় উনি আমাকে মোট ৭৫০০ খরচ হবে বলে জানান
আমি সরকারি চাকরি করি আমার দপ্তর থেকে প্রাপ্ত ভ্রমণ বিলের ফাইভ পার্সেন্ট নিউজ একাউন্টস অফিসার কে দিতে হয় শুধু আমি না উপজেলা সকল কর্মকর্তাকেই দিতে হয় না হলে বিভিন্ন ধরনের হয়রানি করে
আমি এমপিওভুক্ত শিক্ষক। আমি যখন প্রথম জয়েন করি, আমার বেতন করাতে গিয়ে ৫০০০ টাকা দিতে হয়েছে। টাকা না দিলে ফাইল এপ্রুভ করে না। কুড়িগ্রাম জেলার DEO সেই টাকা নিয়েছিলেন। টাকা না দিলে নানান কারণ দেখিয়ে ফাইল রিজেক্ট করে দেয়।
প্রায় ছয় মাস আগে আমার ব্যবহারিত মোবাইলটি ছিনতাই হয়ে যায়, আমি থানায় গিয়ে জিডি করলে তারা জিডিতে উল্লেখ করতে বলে আমার নিজের অজান্তে মোবাইলটি হারিয়ে গেছে যেখানে আমার মোবাইল ছিনতাই হয়েছে , পরবর্তীতে আমি মোবাইল কিনার পর শাওমি একাউন্ট এড করার পরে আমার মোবাইলের লোকেশন দেখতে পাই, পুলিশকে জানালে বলে যেহেতু দেখতেই পারছেন কোথায় উদ্ধার করে নেন, আমরা বন্ধুরা মিলে উদ্ধার করি, তারপর জিডি পত্যাহার করতে গেলে তারা ৩০০ টাকা চায় যা আমি পরিশোধ করি।
পাসপোর্ট অফিসে আমার পাসপোর্ট এর ফরম থেকে আমার ছবি সরিয়ে ফেলে এই অজুহাতে পাসপোর্ট দেয়নি পরবর্তীতে 15 দিন ঘুরার পর ৩০০০ টাকা করে দাবি করে যে আমি পরিশোধ করেছি এবং বিকেল বেলায় পাসপোর্ট হয়েছে
আমাদের একই অফিসের ১৪ জন কর্মকর্তার বর্ধিত বেতনের বকেয়া বেতনের ফিক্সেশন এবং উত্তোলনের জন্য ৫০ হাজার টাকা খুলনা বিভাগীয় হিসবা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে দাবি করা হয় এবং সেটা আমরা না দিয়ে ১মাস যাবৎ চেষ্টা করি কার্য সম্পাদনের। কিন্তু কোনক্রমেই সেটা সম্ভব হয়নি। ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার পর তারা কার্য সম্পাদন করে।
মায়ের নাম নিজেই সংশোধন করি সংশোধনী ফরমে, সাথে মায়ের পরিচয় পত্র দিয়েছি। এসব দিয়ে হবে না বলে এবং ফাইল ফেরত দেয়। অতিরিক্ত পরিচালক বরাবর যাই এবং ব্যাপারটি খুলে বলি। তিনিও বল্লেন এসব হবে না। টোন দেখে বুঝলাম টাকা সমাধান। বিনয়ের সংগে সব খুলে বললাম যে আমি সব তথ্য প্রমাণাদি দিয়েছি এতে সমস্যা কোথায়, তিনি বলেন পারবেন না। এরপর নিচে নেমে আসতেই একজন আনসার জানতে চাইলেন কোন সমস্যা আছে নাকি কাজ হয়েছে? আমি খুলে বলার পর - আনসার এমজন মহিলা দিয়ে পরিচালিত কম্পিউটার/ফটোকপি দোকান এ নিয়ে গে্লেন আর বলেন ২০০০, এটা করে দেন। এরপর অই ভদ্র মহিলা নামমাত্র একটি সিটি করপোরেশনের পরিচয় পত্র এড করলেন যেখানে একটি গোপন কোড আছে। কিন্তু আমার বাসা সিটি করপোরেশনের কোথাও না। যাইহোক,৩০ মিনিটের ব্যবধানে আবার জমা দিতেই নিয়ে নিল।
the officers asked big sir needs motivation, cha-nastar taka, they can't approve my application. So i paid one of the lower level staff the amount to get the passport.
আব্বা মারা যাওয়ার সময় Janata ব্যাঙ্ক এ ৫০,০০০ টাকা রেখে গেসিলেন আম্মার নাম এ নমিনী করা ছিল। আমরা চিটাগাং থাকি এই টাকার জন্য ঢাকা মতিঝিল শাখায় আসতে হয়। প্রথম একবার আসছি ব্যাঙ্ক ম্যানেজার টাকা দিতে বললো কিন্তু এমপ্লয়ী রা দিলো না। সারাদিন ব্যাঙ্ক এ বসিয়ে রাখল। ঢাকায় আমাদের তেমন কেউ নাই। আমাদের কে বললো পরের দিন আসতে। পরের সপ্তায় আবার আসি আম্মু কে সহ। বলছে আম্মু না গেলে দিবে না। আবার গেলাম। ব্যাঙ্ক এর আরেকজন এমপ্লয়ী বললো ২,০০০ টাকা দিয়ে নিয়ে নিতে। আমরা পরে ১,২০০ টাকা দিয়ে টাকা তা উঠাই
একটা জন্মনি বন্ধন বয়স ঠিক করতে গেছিলা বলে যে বয়স ঠিক হবে না ২০০০ টাকা লাগবে তাহলে ঠিক হবে
এ অফিসের পেশকার কয়েকজন সরকার দলীয় আইনজীবীর সাথে হাত মিলিয়ে দুর্নীতি করেন। তিনি এ অফিসের কার্যক্রম স্বাভাবিক নিয়মে চলতে বাধা প্রদান করেন। তিনি বিচারককে বিচার করতে দেন না। বিচার করার দায়িত্ব দেন আইনজীবীদের উপর। তিনি আদালত অবমাননা করেন, বিচারককে অসম্মান করেন আর ক্লায়েন্টদেরকে বিপদে ফেলেন।
মায়ের পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম।২দিন ফেরত দিয়েছে সত্যায়িত সঠিক হয়নি বলে। পরে দালালের মাধ্যমে ৩৫০০টাকা বেশি পাসপোর্ট করেছি। দালাল ভূয়া শিল দিয়ে সত্যায়িত করেছিল।আমি বলেছিলাম আমি অরিজিনালি সত্যায়িত করেছি তাতেও ফেরত দিয়েছে আর আপনিতো ভুয়া সত্যায়িত দিলেন এখন ফেরত দিবে না? দালাল বলল এই শিলটাই আমাদের চিহ্ন।দেখবেন কিছুই চেক করবে না। আসলেই তাই হয়েছে।এবার কিছুই চেক করেনি।পাসপোর্ট হয়ে গেছে।
আনলাইনে নামজারির জন্যে খাজনা পেমেন্ট করতে যেয়ে অনুমোদন প্রয়োজন হয় মোট খাজনা ২০০০ টাকার মত ছিল । এটা পরিশোধ করার জন্যে ভূমি অফিস যেই অনুমোদন দিল তা এক লাফে ৪৫০০০ হয়ে গেলো। টাকা নিলো ৩০০০০ আর রসিদ দিলো যৎসামান্য হাজার খানেক হবে। আমি ঐ ৪৫০০০ টাকার প্রিন্ট কপি করে রেখেছি। নামজারির তথ্য এখনো রয়েছে।