নামজারী
১১৭০ টাকার নামজারী করার জন্য ২২ হাজার টাকা নিছে। দলিল লেখক বলেছেন এখানে প্রতিটি টেবিলে বসে থাকা স্যারদের চা-পানির টাকা না দিলে ফাইল সামনের দিকে আগায় না !
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
১১৭০ টাকার নামজারী করার জন্য ২২ হাজার টাকা নিছে। দলিল লেখক বলেছেন এখানে প্রতিটি টেবিলে বসে থাকা স্যারদের চা-পানির টাকা না দিলে ফাইল সামনের দিকে আগায় না !
Namjari korte 7000Tk gush dite hoise
আমার এসএসসি এর মার্কশিট টা হারায় সেজন্য বোর্ড থেকে সে মার্কশিটটা পুনরায় তোলার জন্য জিডির কাগজ লাগে সেটার জন্য আমি টঙ্গী পশ্চিম থানায় গিয়েছিলাম সেখানে সকল প্রসেস করার পরে আমাকে বলা হয়েছে লেখালেখি বাবদ টাকা দিতে ২০০ টাকা দাবি করেছিল পরে বললাম যে আমি স্টুডেন্ট আর টাকা তো কিসের জন্য দিতে হবে? জিডি করতে তো টাকা লাগে না। বলল লেখালেখি বাবদ যা পারো দাও। আমার কাছে টাকা ছিলনা তেমন তাও ১০০ টাকা দিয়ে আসছি প্রথমে বুঝতে পারিনি কারণ প্রথম থানায় গেছিলাম।
যোগ্যতার মাধ্যমে NTRCA পরীক্ষায় উত্তীর্ণ, গণ বিজ্ঞপ্তিতে সিলেক্ট হয়েও ফাইল রিজেক্ট হওয়ায় ২০১৯ সালে New MPO এর জন্য উপজেলা, জেলা ও ঢাকা DD অফিসে এই টাকা বাধ্য হয়ে দিতে হয়।
ভূয়া রিপোর্ট সহ গুস ছাড়া যশোর বি আর টি এ অফিসে কাজ হয় না।
২ টি নামজারী আবেদনের প্রস্তাব পাঠানোর জন্য তহসিলদার সাহেব ৪,০০০ (চার হাজার) টাকা দাবী করেন, উপায়ান্তর না দেখে বাধ্য হয়ে MFS এর মাধ্যমে পরিশোধ করি।
40 শতক জমির নামজারি করতে ১০ হাজার টাকা চাইছে এবং ১০ হাজার টাকা ই নিছে।
NTRCA কতৃক সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে MPO শিক্ষক হিসাবে যোগদানের পর স্যালারির আবেদন শিক্ষা অফিসার (উপজেলা শিক্ষা অফিসার, জেলা শিক্ষা অফিসার, বিভাগীয় অফিস) থেকে ফাইল এপ্রুভ করে ঢাকাতে পাঠাতে স্কুলের প্রদান শিক্ষকের মাধ্যমে টাকা চায়। বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এ যেকোন ফাইল এপ্রুভ করে আনতে কমপক্ষে ৬ মাস- ১ বছর লেগে যায়। পুরো বাংলাদেশ সব শিক্ষা অফিসে কম/বেশি টাকা দিতে হয়।
যেখানে সরকার থেকে এই সেবাটি দেয়ার জন্য ৫০ টাকা চার্জ নির্ধারণ করা, সেখানে আমার থেকে ৩০০ টাকা চার্জ নিয়েছে, অর্থাৎ যেই টাকা সরকার থেকে নির্ধারণ করা তার পাঁচ গুণ...!বেশি এবং আমাকে অনেক কাগজ পাতি হয়রানি করেছে, যেহেতু ভুলটা তাদের ছিল, তারা ভুল করেছে আমাকে সেই ভুলের মাশুল দিতে হয়েছে....!
আমি পর পর ২ বার ড্রাইভিং পরিক্ষা দিয়ে ফেইল করি, সন পাস করলেও প্র্যাকটিকাল টাকা ছাড়া পাশ করাবে না, এটাঈ সিস্টেম। পরে সেখানে একজন বয়স্ক দারিওয়ালা ( দারিতে সুন্দর করে মেহেদী দেয়া ছিলো, মুখে ছিলো সুন্দর হাসি) ব্যাক্তি, খুব সম্ভবত সে কোন স্যার এর পিয়ন, আমি দেখে সিস্টেম কি পাস করার জিজ্ঞাসা করার পরে, ৩০০০ টাকা সিস্টেম এ আসলে, কালকেই পাস, কোন পরিক্ষা দেয়া লাগবে না বলে টাকা চেয়ে বসে। এবং বলেই দেয়, কে কে কত কত করে এই টাকা থেকে ভাগ নিবে। উচ্চ শিক্ষিত লোকেরা, অনেক বছর সিস্টেম এ থাকা লোকেরা সকলেই এই টাকা ভাগ করে নেয়, এটা এক রকমের তাদের দাবী। এখন আমি যেমনি হই না কেনো, এটা ব্যাপার না। এবং বিকাশ এ করে টাকা দেয়ার পরে, আমি পরের দিন পাশ হয়ে যাই। এবং সত্যি বলতে টাকা দেয়ার জন্য আমার দিকে তাকায় দেখেও নি।
আমাদের একটি জমির ৩০ বছর আগে ক্রয় করা হয়েছিল, পারিবারিক ভাবে জমি সংক্রান্ত জ্ঞান বা শিক্ষা তখন না থাকায় আমরা সেটার খতিয়ান করতে পারিনি। বর্তমানে সব কাগজপত্র ও ভূমির খাজনা ও সরকারি বিধি মোতাবেক কোর্টে যাই,ভূমি অফিস ৫০ হাজার টাকা ঘুষ খেয়েছে এখন কোর্ট কতৃপক্ষ সব ওকে থাকার পরেও রায় দিচ্ছে না, ২০ হাজার টাকা ঘুষ চাচ্ছে।
কিছুদিন আগে চাকরী স্থায়ীকরণের জন্য আমাদের নিয়ন্ত্রণকারী জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চট্টগ্রাম এর রাজস্ব শাখায় কাগজপত্র জমা দিতে গেলে আমাদেরই সহকর্মীকে এই অর্থ দিতে হয়েছে।
আমার একটা জমির খাজনা বকেয়া ছিল। তো খাজনা দিতে গেলাম। খাজনা বকেয়া প্রায় ৩৫০০০ টাকার মতো।তারা আমার থেকে ৩০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করলো। ঘুষ না দিলে জমি লাল তালিকা ভুক্ত করে ফেলবে।উপায় না দেখে ৩০০০০টাকা দিলাম। ৩০০০০ টাকার পরিবর্তে তারা আমাকে ১০টাকার একটা খাজনা পরিশোধ রশিদ ধরিয়ে দিল। তারা কতটাকা এখান ঘুষ খেল একবার ভেবে দেখেন। আমাকে বললো খাজনা পরিশোধ হয়েছে।আমিও ওয়েবসাইটে লগিন করে দেখলাম হ্যাঁ আসলেই পরিশোধ হয়েছে। কিন্তু ৩০০০০টাকা বা ৩৫০০০টাকা না সেখানে ১০ টাকা পরিশোধ করে বাকি বকেয়া তারা সিস্টেমিক্যালি ১০টাকায় কনভার্ট করেছে।
টাকা না দিলে ফেইল করিয়ে দিবে এবং কার্ড দিবে না
এইচ এস সি সার্টিফিকেট সংশোধন আবেদন কলেজে গিয়ে বাধ্যতামুলক ভাবে আবেদন করতে হয়, কম্পিউটর অপরাটের পদে যিনি আছে তিনি চা নাস্তা হিসেবে ছয়শো টাকা দাবি করে নাহয় আবেদন করবে না নাকি, তিন বছর আগে আমার এক ফ্রেন্ডের কাছে আবেদনের জন্য দশহাজার টাকা ও দাবি করেছিল। পরে ও আর তাই আবেদন ই করে নাই। অথচ এস এস সির আবেদন আমি ঘরে বসেই বিনা টাকা খরচ করে আবেদন করতে পেরেছিলাম।
১২০০ টাকার যায়গায় ৮০০০ চেয়েছে। তাহলে ৭ দিনের মধ্যে নামজারি হয়ে যাবে, না হলে ২ মাস লাগবে। বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়েছি। আমিও সমান অপরাধী
অফিস সহকারী ও হিসাবরক্ষক আমার কাছ থেকে ১০০০০ দশ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ছে বিনিময়ে আমার বাবার পেনশনের কাজ করে দিয়েছে
টাকা কমিয়ে দিবে বলে ঘুষ নিসিলো।
সহকারী পোস্টমাস্টার পদের জন্য ১২০০০ টাকা দাবি করেন উর্দথনও কর্মকর্তা । এই পোস্টের বেতন মাত্র ৪৫০০৳ ।
জমির নাম জারি বাবত এই টাকা দেওয়া হয়েছিল।