ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য পরিক্ষা বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমি পর পর ২ বার ড্রাইভিং পরিক্ষা দিয়ে ফেইল করি, সন পাস করলেও প্র্যাকটিকাল টাকা ছাড়া পাশ করাবে না, এটাঈ সিস্টেম। পরে সেখানে একজন বয়স্ক দারিওয়ালা ( দারিতে সুন্দর করে মেহেদী দেয়া ছিলো, মুখে ছিলো সুন্দর হাসি) ব্যাক্তি, খুব সম্ভবত সে কোন স্যার এর পিয়ন, আমি দেখে সিস্টেম কি পাস করার জিজ্ঞাসা করার পরে, ৩০০০ টাকা সিস্টেম এ আসলে, কালকেই পাস, কোন পরিক্ষা দেয়া লাগবে না বলে টাকা চেয়ে বসে। এবং বলেই দেয়, কে কে কত কত করে এই টাকা থেকে ভাগ নিবে। উচ্চ শিক্ষিত লোকেরা, অনেক বছর সিস্টেম এ থাকা লোকেরা সকলেই এই টাকা ভাগ করে নেয়, এটা এক রকমের তাদের দাবী। এখন আমি যেমনি হই না কেনো, এটা ব্যাপার না। এবং বিকাশ এ করে টাকা দেয়ার পরে, আমি পরের দিন পাশ হয়ে যাই। এবং সত্যি বলতে টাকা দেয়ার জন্য আমার দিকে তাকায় দেখেও নি।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৩,০০০
যে কাজের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য পরিক্ষা
দপ্তর বিআরটিএ
বিভাগ রাজশাহী
থানা / উপজেলা পাবনা
রিপোর্টের তারিখ ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

বিআরটিএ

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছে। নতুবা লাইসেন্স তারা করতে দিচ্ছে না। অন্যদিকে, আমার পিতার লাইসেন্স করার জন্য আবেদন করেন। নির্দিষ্ট তারিখে সেখানে গেলে সফল দক্ষতা যাচাইয়ের পর যখন ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার সময় হয়, তারা টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা দেন নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ঠিকই নিয়েছিল। পরেরদিন লেখা আসে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। হতে পারে, টাকা না দেওয়ায় তারা ফেইল করে দিয়েছে।

ঘুষ দিইনি
গাজীপুর ৳১৩.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

Car ownership change

বিআরটিএর যেখানে মালিকানা বদলি হয় সেখানে একজন সে তার এক দালাল এর মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিকানা বদলি বাবদ। রুম নাম্বার ৩১৫। এবং যে ইন্সপেক্টর আছে গাড়ির ইনস্পেকশন করে সেও ১০০০ টাকা নিয়েছিল।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৩.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য