নাম জারি
ইউনিয়ন ভুমি অফিস থেকে এসিলেন অফিসে কাগজ পাঠানোর জন্য ৫০,০০০.০০ ( পন্চাশ)) হাজার টাকা দাবি করলে ৩,০০০.০০ (তিন) হাজার টাকার বিনিময়ে কাগজ পাঠানো হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ইউনিয়ন ভুমি অফিস থেকে এসিলেন অফিসে কাগজ পাঠানোর জন্য ৫০,০০০.০০ ( পন্চাশ)) হাজার টাকা দাবি করলে ৩,০০০.০০ (তিন) হাজার টাকার বিনিময়ে কাগজ পাঠানো হয়।
খারিজ এর আবেদন জমা দিতে গিয়েছিলাম, এইখানে নাকি খারিজ রেট করা। কম নেয়া তো দূরের কথা, কথা বলার সুযোগও নাকি নেই।
আমাদের পুকুর খনন করতে ও বসতভিটা মাটি কাটার জন্য ডেজার বসিয়েছিলাম এমতাবস্থায় ডিসি সাহেবের কাছে অনুমোদন পত্র নিয়েছিলাম কাজ চলমানঅবস্থায় সাংবাদিক সাহেবরা এসে নিউজ করার নামে ও টাকা দাবি করে দুই দিনে দুই গ্রুপ সাংবাদিক আছে আমার বাড়িতে এবং প্রথম দিনে ১০০০ টাকা এবং দ্বিতীয় দিনে ২০০০ টাকা নিয়ে যায়। এখন আমার প্রশ্ন হল আমার কি বসতভিটায় মাটি কাটার কোন অধিকার নেই এবং অনাবাদি জমি ও মাটি কেটে বসতভিটা ভরাট করতে পারবো না।
আসসালামুয়ালাইকুম আমি একজন প্রবাসী দেশের ছুটিতে গিয়েছিলাম যাওয়ার পর আমার পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল তখন আমি ইমারজেন্সি পাসপোর্ট করবো তার জন্য আবেদন করেছি কিন্তু উনারা বলেছে এটাতে অনেক সমস্যা আছে আমি বললাম তো এখন কি করা যাবে ওনারা বলেছে যদি আপনি টাকা দেন তাহলে সবকিছু সমাধান হয়ে যাবে যেহেতু আমার হাতের সময় বেশি ছিল না তাই আমি বললাম আমার ইমারজেন্সি দরকার ওনারা বলল ৳50000 দিলে এক সপ্তাহের ভিতরে পাসপোর্ট দিয়ে দিব তাই আমি কোনদিকে না তাকিয়ে দিয়ে দিলাম কারণ আমি যদি লেট করতাম আমার ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যেত তাই এক ধরনের অসহায় হয়েই আমি ৳50000 দিয়ে পাসপোর্ট রিনিউ করে আসলাম আমাদের এখানে পাসপোর্ট অফিসে সামনে কয়েকটি দোকান আছে ওইখানে পাসপোর্ট অফিসের এজেন্ট বসে থাকে আপনারা সরেজমিনে গিয়ে
আমাদের বিভাগীয় শিক্ষা অফিস থেকে ১৪ জন কর্মকর্তার অগ্রিম বর্ধিত বেতন পাস করার চিঠি ঢাকায় প্রেরণের জন্য জন প্রতি ২হাজার টাকা দাবি করা হয় এবং আমরা সেটা পরিশোধ করার পর চিঠি ফরোয়ার্ড করে
আমি যখন ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে যাই তখন আমার সব কিছু ঠিক থাকা সত্বেও তারা বার বার ভুল বলে দিচ্ছে তখন এক ভদ্রলোক এসে আমাকে বলতেছে ওনি নাকি করে দিতে পারবে আমি জিজ্ঞেস করলাম কিভাবে ওনি বল্লো আমাকে ১৭০০০ হাজার টাকা দিতে হবে আপনি যাস্ট একদিন উপস্থিত থাকলেই হবে তখন আমি বলি এত টাকা কেন যেখানে ৫৫০০ টাকায়া সব হয়ে যাওয়ার কথা তখন ওনি বলে এভাবে হবে ভাই। পরে বলতেছে আপনি ১৬০০০ দিয়েন তে আমি বলছি আচ্ছা দেখি বলে সরে আসি তো আমি কিছুদূর আসার পরে আরেকজনের সাথে দেখা ওনি লাস্ট ১১০০০ টাকায় করে দিতে পারবেন আমিও ওনার সাথে দাম মূলামুলি করতে থাকি এক সময় সে ৯৫০০০ তে রাজি হয়।
আমাদের একই অফিসের ১৪ জন কর্মকর্তার বর্ধিত বেতনের বকেয়া বেতনের ফিক্সেশন এবং উত্তোলনের জন্য ৫০ হাজার টাকা খুলনা বিভাগীয় হিসবা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে দাবি করা হয় এবং সেটা আমরা না দিয়ে ১মাস যাবৎ চেষ্টা করি কার্য সম্পাদনের। কিন্তু কোনক্রমেই সেটা সম্ভব হয়নি। ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার পর তারা কার্য সম্পাদন করে।
নামজারী খতিয়ান সৃজন নতি, প্রস্তাব, স্বত্ব, অপিত সম্পত্তি সংক্রান্ত
আমার পাসপোর্ট করার সময় আমি আমার NID মেইন কপি নিয়ে আসি নাই। আমার কাছে ফটোকপি এবং লেমিনেটিং করা একটি NID ছিল। এই কারণে আমার পাসপোর্ট আবেদনটি গ্রহণ করতেছিল না। অবশেষে যখন অন্য মাধ্যম দিয়ে একজনের বিকাশে পনেরশো টাকা পাঠিয়েছি তখন আমাকে একটা রুমে যেতে বলা হয়। সেখানে যাওয়ার পরে ওই একই কর্মকর্তা আমাকে বলে, আপনার সমস্যাটা আমাকে আগে বললেই তো হতো, পরে উনি আমার সাথে গেলেন এবং অন্যান্য আরো তিনটি টেবিলে নিজে দাঁড়িয়ে থেকে সিগনেচার করায় দিলেন আমার সময় লেগেছে মাত্র 15 মিনিট। অতঃপর আমি লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম তখন একজন আনসার এসে আমাকে বলল ভাই ৫০০ টাকা দেন আপনার ছবি তোলার কাজটা করে দিচ্ছি। তখন আর আমি কোন টাকা দেই নাই । পরে আমাকে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে দেড় ঘন্টা পরে ছবি তুলতে হয়েছে।
এটা ঢাকা বিভাগ,গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নে আমার সাথে ঘটা ঘটনা,এসএসসি পরীক্ষার পর যারা পাশ করে তাদেরকে রেজিষ্ট্রেশন করতে হয়। তখন আমি সব বিষয়ে কৃতকার্য হওয়া সত্বেও আমার কাছ থেকে ৪০০০ হাজার টাকা ফি আদায় করা হয়,জানতে চাইলে উনারা বলে এটা মেনেজিং কমিটি নির্ধারিত ফি।তথাপি আমার আরে কিছু বন্ধুবান্ধব যারা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া সত্বেও রাজনৈতিক ব্যাক্তিদের সাথে নিয়ে দেখা করার ফলশ্রুতিতে সরকার নির্ধারিত ফি তেই রেজিষ্ট্রেশন করে।তবে আমার মতো এমন অনেককেই অতিরিক্ত ফি হয়েছিলো।
রেজিস্ট্রেশন এর সময় বিভিন্ন ভুলের অজুহাতে আমাদের হয়রানি করছিল। আমাদের জমির মূল্য ছিল ১,২৩,০০০০০ টাকা। পরে এক দালাল এসে বললো এখানে টাকা ছাড়া কাজ হয় না। আমরা চাকরিজীবী একটা গ্ৰূপ এটা কিনেছি। বারবার অফিস থেকে ছুটি নেওয়া অসম্ভব, তাই ঘূষ দিতে বাধ্য হই।
মোট বিলের ১০% অর্থ অগ্রীম পরিশোধ ছাড়া অফিস কতৃপক্ষ কোন কাজে হাত দেয়না। বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
নামজারি করার জন্য ৭০০০ টাকা চায় না দেওয়ায় অনেক দিন ঘুরতে হয়। অবশেষে উক্ত টাকা পরিশোধ করি এবং এক মাসের মধ্যে আমার নামজারি হয়ে চলে আসে।
সদর হাসপাতালে সার্জারি বাবাদ দালাল টাকা নিয়েছে
গর্ভধারিণীর ভাতা দিতে চাইয়া ৫ হাজার টা ঘুস খায়। কিন্তু কিন্তু পরে কোনো ভাতা দেয় নাই
ওয়ারিশান সম্মপতির নামজারি
ami ekjon medical senior staff nurse . 2 month ago amar pore giye leg fracture hoy ami dinajpure medical ei doctor dekhai and doctor er prescribe e 1 month er chuti nei ei chuti nite jaoay beton verify koren jini take 5k tk dite hoy and ami oi monthei abar pore jai and same leg abar fructure hoy ami dinajpurer baire jai doctorn dekhaite er majhe ami office o korchi .doctor er prescription dekhi ami abar 1 month er off nei kintu ei mashe amar bill ashe na ami dekhlam ibas++ theke je beton verify koren ni . ami khoj niye janlam jake ami age 5k diychilam sei kore nai ami baddho hoye aro 5k dei kintu se tao call dhore na massage o dekhana pore ami aro 5k dei tarpor se ans dey amar bill hoy .
এর পর উনি আসেন জমি মাপেন এবং ৫০০০ টাকা নিয়া যান।
ঘটনা টি ২০২২ সালের আমি ইউটিউব ভিডিওতে দেখলাম উত্তরা পাসপোর্ট অফিসে টি দালাল মুক্ত এখানে সহজে পাসপোর্ট করা যাবে,কিন্তু রমজানে গিয়েও দেখি সেখানে নিস্ম থেকে উচ্চ কর্মকর্তা সবাই ঘুস খোর ১৫০০ টাকা দেয়ার আগে আমাকে ১ ঘন্টা ঘুরিয়েছিল তারা।
পিয়ন টাকা নেয়। টাকা না হলে জেলা শিক্ষা অফিসার ফাইল সই করবে না। হয়রানি এড়াতে টাকা দিতে হয়। জেলার প্রায় সব স্কুলের কাছ থেকেই টাকা ব্যয় করে। এভাবে।