খারিজ
জমি খারিজ করতে এই পরিমাণ টাকা লাগবে না হলে খারিজ হবে না
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৭২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমি খারিজ করতে এই পরিমাণ টাকা লাগবে না হলে খারিজ হবে না
আমি আমার নামজারির জন্য নিজে আবেদন করেছি ভূমি কর্মকর্তা বলেছে আপনার আবেদনে ভুল আছে, আমি তা সঠিক ভাবে পুনরায় আবেদন করেছি এর পর তারা একেক বার একেক কথা বলে আবেদন বাতিল করে দিয়েছে, তারা বলে প্রতিনিদীর মাধ্যমে আবেদন করতে এর পর আমি প্রতিনিদীর মাধ্যমে ১৩০০০ টাকা দিয়ে নামজারি সম্পূর্ণ করি।
বিদেশ যাওয়ার সময় মেডিক্যাল চেক-আপ এ রিপোর্ট ফিট আসার জন্য ঘুষ দিতে হয়েছে। আমার সব রিপোর্ট ঠিকঠাক থাকলেও তারা হঠাৎ করে আমার জন্ডিস হয়েছে বলে আমার রিপোর্টটি আটকিয়ে দেয়। পরে বাধ্য হয়ে আমি ঘুষ দিয়েছি।
নবজাতকের জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন করলে কোনো ফি বা টাকা লাগে না, এটি সম্পূর্ণ ফ্রি। তবে, ৭ নং হোগলাপাশা ইউনিয়ন পরিষদে আমি এই কাজটি করাই আমার কাছ থেকে ১০০ টাকা দাবি করে এবং আমি দিতে বাধ্য হই, ইউনিয়ন পরিষদে কর্তব্যরত কম্পিউটার অপারেটর বলে এটা তার টাইপিং খরচ. আমার বাচ্চা জন্মের এক মাস দুই দিনের মধ্যে আবেদন করি ।
আমার বাবার কাছে বাড়ি এবং আবাদি জমি মোট ৮৭ শতাংশ জমির কয়েকজনের নাম জারির জন্য মোট ২১০০০ টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে ১৭০০০ টাকা পরিশোধ করা হয়। একটি খতিয়ানে ভুল হয় যার জন্য আরও ১০০০০ টাকা দাবি করে। যা পরিশোধ করি নি।
আদালতের জায়গা জমি নিয়ে মামলা আজকে ১৫ বছর যাবত মামলার চলতাছে তাও কোন রায়ের নাম গন্ধ নাই
দলিল দাতা একটি দলিল সম্পাদন করার পর দ্বিতীয় দলিল করতে গেলে বলা হয় দ্বিতীয় দলিল হবে না আজকে। বলে খাস কামরায় চলে গেলেন। ভেন্ডর খাস কামরায় গেলে ৬০০০ টাকার ( যা আগেই দাবি করেছিল) অতিরিক্ত আরো ১০০০০ টাকা দাবি করে। মোট ১৬০০০/ টাকা দেয়ার পর দ্বিতীয় দলিল সম্পাদিত হয়।
জন্মসনদ অনলাইন করলে মনে হয় ২০০ থেকে ৩০০ লাগতে পারে বা ৪০০ তারা আমার থেকে ১৯০০ টাকা নিয়েছে আমার পুরানো জন্মসনদের বই টি নাকি তারা পাচ্ছে না তাই তারা আমার নতুন করে জন্মসনদ করার জন্য ১৯০০ টাকা নিয়েছে তারা আমার বই ঠিক মতন রাখতে পারে নাই এখন আমি কেন ক্ষতি পূর্ণ দিতে হবে, আমাকে যেই জন্মসনদ দিয়েছে সেটা ত আমার কাছে আছে আমার টা যদি হারিয়ে ফেলতাম তালে দরে নিতাম আমি রাখতে পারি নাই, তার পর কয়েক বার গিয়েছিলাম পরিষদে তারা বলত এটার জন্য মেম্বারের কাছে যান মেম্বার সব করবে তার মানে মেম্বার রা মিলে এই টাকা খাইছে।
আমি একটি নতুন প্রিপেইড মিটার সংযোজন করতে চেয়েছিলাম। সরকারি ফি-৫৬০০ টাকা আমার থেকে ১২০০০ টাকা নিয়েছে। না দিলে মিটার পাবো না।
সরকারি ভাবে ফি জমা নেবার পর আইডি আর ভেরিফাইড না করে ৩ মাস ফেলে রাখা এর পর সেটার জন্য তদবির করলে ২০০০ টাকা ঘুস নিয়ে করে দেয়
এক লক্ষ টাকার বেশি লাগবে না দিলে বিবাদীর খারিজ বাতিল করা যাবে না, পরে এসিল্যান্ড খিলক্ষেত অফিসে ৬০ হাজার টাকা দিলাম, দক্ষিনখান অফিসে দিলাম ৭০০০ টাকা, আবার আসতে হলো খিলক্ষেত এসিল্যান্ড অফিসে আবার শেখানে তামিল করতে নিলো পাঁচ হাজার টাকা ৬০,০০০+৭,০০০+৫,০০০=৭২,০০০/দিলাম
আমি ৪র্থ গণবিজ্ঞতিতে ডুমুরিয়া উপজেলার একটি স্কুলে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করি এবং আমার এমপিও করানোর জন্য যথারীতি আবেদন করি। ফাইল উপজেলাতে গেলে প্রধান শিক্ষক বলে টাকা ছাড়া ডুমুরিয়া শিক্ষা অফিসার ফাইল ছাড়বে না তখন প্রধান শিক্ষককে নিয়ে থানা শিক্ষা অফিসে যাই। প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে ৩০০০ টাকা দিলে তিনি ফেরত দেন এবং বলেন ৫০০০ টাকা দিতে।আবশেষে ৫০০০ টাকা দেই এবং তারপর সেইদিন রাতে ফাইল জেলায় ফরওয়ার্ড করে দেয়। আর কোথাও কোন টাকা দেয়নি
সৌদি আসার ১ম ধাপ হলো সরকারি মেডিকেল টেষ্ট এলাউ বা এপ্রোভ হওয়া। আমি বেসরকারি মেডিকেল থেকে আমার টেষ্ট করর পর আমার স্আাস্থের অবস্থা সম্পূর্ণ ফিট ছিল। যখন আমি রিকোটমেন্ট এজেন্সি থেকে সরকারি মেডিকেল এপয়েনমেন্ট নিয় তখন, মেডিকেল এর দারোয়ান বলে, "আগে থেকে টাকা দিয়ে কথা না বলে রাখলে মেডিকেল ফিট হয়না" মেডিকেল ফিট হওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে ৩৫০০০ টাকা নিয়েচে৷
they offered my dad a job for me on post office 19 grade job for the sallerya of 12000 TK, and i don't know about it and my dad has been paid the money to them for getting me the job, but its been 2 years my job is not ready yet and its pending all the time, and also if i want my money back the just say wait you will get the job soon !
২০১৬ সালে পিতার মৃত্যুর পর পেনশন ভোগ করেন মা। ২০২১ সালে মা মারা যান। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিবন্ধী সন্তান পেনশনের দাবীদার। ডিসি অফিস, সিভিল সার্জন, অফিস, পৌরসভায় বহুবার কয়েকমাস দৌড়াদৌড়ি ক কাগজপত্র প্রস্তুত করে আটকা পড়লাম জেলা একাউন্টস অফিসে। আইনের ফ্যাঁকরা দেখিয়ে ফেরত পাঠালো। হবে না। দৌড়ালাম মহা হিসাব নিয়ন্ত্রক বরাবর। কয়েকমাস পর একই উত্তর না। ২০২৫ সালে জেলা একাউন্টস অফিস থেকে ফোন পেয়ে দৌড়ালাম সেখানে। তারা পেনশন রানিং করে দিবে বিনিময়ে এরিয়ার যা পাওয়া যাবে (৩লক্ষ ২০ হাজার টাকা) ছেড়ে দিতে দাবী। রাজী হলাম না। আবার গেলাম মহা হিসাব নিরীক্ষণ অফিস, ঢাকায়। তারা পরামর্শ দিলা জেলা অফিস যা অফার দিয়েছে তাতেই রাজী হয়ে পেনশন চালুর ব্যবস্থা করেন। একটা পর্যায়ে কোন ভাবেই হচ্ছে না দেখে DAO এর সাথে ফয়সালা করি।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য গিয়েছিলাম। পরে বলতেছে যে আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে ২৫০০ টাকা লাগবে। আমি বললাম ব্যাংক চালান ১৫০০ আমি ২৫০০ দেব কেনো। বললো আমাদের একটা খরচ আছে।
আমার কম্পিউটারের দোকান আছে। জনগণকে পাসপোর্ট ফরম পূরণ করে পাঠালে তারা বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় কাগজপত্রের চাপ, সার্ভার সমস্যাসহ অনেক রকমের অজুহাত দিয়ে ফেরত পাঠায়। আবার বাইরে থাকা আনসার সদসদ্যকে অথবা অফিসের কাউকে ১৫০০ টাকা দিলেই কোন সমস্যাই আর সমস্যা থাকে না। অনায়াসে হয়ে যায়। যে সকল কাগজ চাই তার আর লাগে না। ফলে বাধ্য হয়ে আমাকে যত জনের ফরম দিয়ে পাঠায় কাগজ প্রতি ১২০০/- টাকা করে অফিসে দিতে হয় যাহা বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে অত্যন্ত কষ্টের। এভাবে প্রতি মাসে প্রায় ৪০ হাজার টাকারও বেশি অনিচ্ছাকৃত বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়। একজন গরীব মানুষের এই ভাবে ঘুষ দিতে বাধ্য হওয়াটা একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে ঘৃণা করি। আমরা এই সিস্টেম থেকে মুক্তি চাই।
আমার জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য চার হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে
আমার নাম জারি করতে বারো হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে
আমার বাড়ীর জমির নামজারি করতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাই কাগজপত্র দেখে আবেদন করে তার পর ভুমি কর্মকর্তা ৬০০০ হাজার দাবি করে যার সরকারি মুল্য ১১৭০ টাকা আমি ৬ হাজার টাকাই দেই এবং আমার নামজারি হয় বি:দ্র: এর আগে আমি নিজে আবেদন করে কাগজপত্র জমা দেই কিন্তু নামজারি হয় নাই। ঘুষ ছাড়া এসিল্যান্ড অফিস এর ফাইল এক টেবিল থেকে অন্য টেবিল এ যায় না।