পাসপোর্ট রিনিউ
পাসপোর্ট রিনিউ দিতে দিয়েছি। বর্তমান ঠিকানার প্রুফ হিসেবে বাসা ভাড়ার ডিডের ফটোকপি দিয়েছিলাম। মূল কপি কয় বলে বের করে দিয়েছিলো। পরে আনসার ১৫০০ টাকা চায় - বাধ্য হয়ে ১৫০০ দিয়েই বায়োমেট্রিক দিয়ে এসেছি!
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পাসপোর্ট রিনিউ দিতে দিয়েছি। বর্তমান ঠিকানার প্রুফ হিসেবে বাসা ভাড়ার ডিডের ফটোকপি দিয়েছিলাম। মূল কপি কয় বলে বের করে দিয়েছিলো। পরে আনসার ১৫০০ টাকা চায় - বাধ্য হয়ে ১৫০০ দিয়েই বায়োমেট্রিক দিয়ে এসেছি!
জমির দলিল উঠানো তে সরকারি খরচের বাইরে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হয়।
asked 400 taka and said if paid the work will be done without any delay or hassle. and they delivered as promised
এক্সিডেন রুগি নিয়ে গেছিলাম রংপুর মেডিকেলে, নার্স ওটিবয়রা জোড় করে, ১০ হাজার টাকার, সুই, সেলাইয়ের সবকিছু গজ কাপর সাদা, ইনজেকশন, ওষুধসহ সবকিছু বাইরে থেকে কিনতে বলছে, তারপর ওটিবয় হাসপাতাল থেকেই চোখের সামনে ফার্মেসিতে, সবকিছু বিক্রি করছে। তারপর ওগুলোই কিনছি।। ১০ হাজার টাকা এভাবে আমি প্রতারিত হয়েছি।।
দেশের প্রতিটি সাব- রেজিস্ট্রি অফিসে প্রত্যেকটি দলিল করার সময় উৎস কর এবং ৫.৫% সরকার নির্ধারিত করের বাইরে দলিল লেখক সমিতির নাম করে মানুষের টাকা হরিলুট করে দলিল লেখকেরা। এছাড়া সাব রেজিস্ট্রি অফিসের প্রতিটা পদক্ষেপে টাকা দেওয়া লাগে। যে টিপসই নেয়, সেও ৫০ টাকা ঘুষ নেয়। এটা সবাই জানে কিন্তু এর কোন প্রতিকার নাই।
একটা পারিবারিক সনদ বানানোর জন্য ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে পারিবারিক সনদ বানানোর পর চেয়ারম্যানের রুমে গেলাম সিগনেচার নেওয়ার জন্য। কিন্তু সে ৫০০ টাকা ব্যতীত সিগনেচার করবে না। উল্টো তাকে চেয়ারম্যান বলায় আমার সাথে ক্ষিপ্ত হয়েছে কারণ আমি তাকে স্যার বলে সম্বোধন করি নাই। আমি এর আগে জীবনে কখনো ঘুষ দেই নাই। কিন্তু আমার ইমারজেন্সি কারণে পারিবারিক সনদ প্রয়োজন হওয়ায় ঘুষ দিতে বাধ্য হই। সেদিন এতটাই ছোট ফিল করেছিলাম যে, সেদিনই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে আল্লাহ যদি কখনো তৌফিক দান করেন দেশ ত্যাগ করবো।
BPDB এর অধীনে থাকা একটি মিটারে কিছু যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য পরিবর্তন করার জন্য আবেদন করা হলে বলে ৮০০০ টাকা দিতে হবে তাদের। এতটাকা কিসের জন্য জানতে চাওয়া হলে বলে এত টাকায় নাকি খরচ। টাকা দিতে অস্বীকার করলে বলা হয়, পরের মাস থেকে মিটার ত্রুটি দেখিয়ে ৫০০ ইউনিট বিল বা তাদের ইচ্ছামতো ৩০০০/৪০০০ টাকা করে বিল করার হুমকি দেয়। উপায় না দেখে টাকা দিতে বাধ্য হয়তে হয়েছে।
my mother went to issue a new passport for her with her cousin who is working as OC in police department. despite bringing a police officer with her they refused to issue her passport. then they took 1500 taka and later 500 more.
আমি এবং আরও একজন মাওনা থেকে ঢাকা যাব তখন একটি মাইক্রোতে আমরা ১০০ টাকা বাড়া দিয়ে উঠি।ঘটনা ক্রমে একজন পথচারী অসতর্কতা বশত গাড়ির সামনে এসে যায়। কিন্তু শরীরে আঘাত লাগেনি ট্রাফিক পুলিশ এটা দেখে ড্রাইভার কে ডাকে গাড়ির কাগজপত্র সব ঠিক ছিল কিন্তু যাত্রী নিছে এটাই নাকি অপরাধ। পরে বলে মামলা করবে কিন্তু আরেকজন পাশ থেকে বললো আপনি কিছু টাকা দেন বিষয়টা মিমাংসা করে ফেলুন। তখন ৩০০ টাকা দেই কিন্তু ১০০০ হাজারের কম মানতে চাইনা অনেক বলে ৪০০ দিয়ে কেটে গেছি আমি শুধু মাত্র ঐ গাড়ির যাত্রী ছিলাম। ড্রাইভারের কাছে টাকা না থাকায় তিনি পা পর্যন্ত ধরছিল তাও মানেনি পরে বাধ্য হয়ে মানবতা দেখিয়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হলাম।
অফিস আনসার সিকিউরিটি গার্ড
আমি পার্সপোর্ট করার জন্য নিজে নিজে অনলাইনে আবেদন করি, তারপর পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পর আমাকে বলা হয় ফরমে নামের বানান ভুল রয়েছে, আমি জানতে চাই কি ভূল, তখন বলা হয় মো: এর পর ডট রয়েছে (যেমন : MD.) , আমি তাদের বলি আমার নাম সার্টিফিকেট এ এভাবেই আছে, এটা ভুল নয়, তারপর তারা কথা না শুনেই রিজেক্ট করে, আমি লাইন থেকে বাহিরে আসা মাত্রেই এক আনসার সদস্য আমার কাছে আসে এবং সমস্যা সমাধান করে দিতে পারবে বলে 2500 টাকা দেওয়ার কথা বলে, আমি দীর্ঘ সময় কথা বলার পর যখন দেখি তা ছাড়া উপায় নেই, তখন তাকে টাকা দিলে সেই একই ফরম আমার মোবাইলে ছিলো সেটা প্রিন্ট দিয়ে তিন পৃষ্টায় তিনটি সাংকেতিক সাইন দিয়ে আবার যেতে বলে, তখন আমি পুনরায় ফরম জমা দেই এবং কিছু না বলেই নিয়ে নেয়।
আমার খালু ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে মারা গেলে তার পেনশন খালার নামে আনতে গেলে গণপূর্ত (বিদ্যুৎ বিভাগ) হিসাব রক্ষক অফিস সেগুনবাগিচা ১২ তলা ভবনে পাঠান, আমি সেখানে টাকা উত্তোলনের জন্য ৪ মাসের অধিক ঘুরে অবশেষে ১১,০০০/- ঘুষ দিতে বাধ্য হই।
বাবার পেনশনের ১০ লক্ষ টাকা পোস্ট অফিসে রাখা হয়েছিল। পাঁচ বছর পর মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় উত্তোলন করতে গিয়ে ৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। ১০০০ টাকা দিয়ে উত্তোলন করেছিলাম।
আমি এবং আমার ভাই ইলিশ মাছ নিয়ে ঢাকায় যাওয়ার জন্য চাঁদপুর লঞ্চঘাটে লঞ্চের অপেক্ষায় ছিলাম। এ সময় একজন ব্যক্তি আমাদের কাছে এসে মাছ নিয়ে যাওয়ার কারণে ৫০ টাকা ঘাট ফি দিতে হবে বলে জানান। তিনি অন্য একজন ব্যক্তিকে দেখিয়ে দেন এবং ওই ব্যক্তি একটি রসিদ দেখিয়ে আমাদের কাছে ৫০ টাকা দাবি করেন। আমি জানতে চাই, কীসের জন্য এই টাকা নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু তিনি বিষয়টি স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা না করে বলেন, টাকা না দিলে আমাদের মাছ নিয়ে যেতে দেওয়া হবে না। এ নিয়ে আমাদের সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি ও গ্যাঞ্জাম শুরু হয়। একপর্যায়ে কোনো ঝামেলা না করে বাধ্য হয়ে আমরা ৫০ টাকা পরিশোধ করে লঞ্চে উঠি। এই ৫০ টাকা নেওয়ার নিয়ম, নির্ধারিত ফি এবং টাকা নেওয়ার বৈধতা সম্পর্কে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ
ট্রেড লাইসেন্স ফি দিয়ে নবায়ন করতে গেলে, সাইনবোর্ড কর, অমুক কর, তমুক করে ইত্যাদি বুঝিয়ে আমাকে ৩/৪ দিন ঘুরানো হয়েছে। এরপর যখন আমি নিজে থেকে টাকা দিচ্ছি না, সে নিজ মুখের টাকার কথা উল্লেখ করে বলেছেন, ২০ হাজার টাকা লাগবে সাইনবোর্ড কর, এটা নাকি সরকারি নতুন নিয়ম, পরে ২০+ হাজার টাকা নিয়ে গেলে ১০ হাজার টাকার মত ট্রেড সংশোধন ফি হিসেবে বিল করে দিয়ে বাকি ১০ হাজার টাকা সে নিজে রেখে দিয়েছে। অথচ সাইনবোর্ড কর ১০০০ টাকা আমি আগেই পরিশোধ করেছিলাম ডাচ বাংলা ব্যাংকের মাধ্যমে। ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন ফি এর সাথে।
আমার কাছে চা নাস্তার টাকা চেয়েছিলো আমিও ঘুরাচ্ছিলাম। তারপর ডাইরেক্ট বলে কিছু ফাইল কিনে এনে দাও। ৫০ টাকার অই ফাইল আমি কিনে এনে দেয়ার পর আমাকে আরেক টেবিলের আরেকজন বলে আজকে সিডিসি পেতে চাইলে আমাদের কম্পিউটার চালানোর মাল্টিপ্লাগ এনে দাও। তারপর আরেক টেবিলের লোক আমার ছবি গ্রহণ না করে বলে নতুন ছবি তুলতে হবে। প্রত্যেকেই জিনিসপত্র কিনার জন্য অফিসের বাহিরে নির্দিষ্ট দোকানের কথা বলেছিল। তাদের কথা মত কাজ না করলে সিডিসি পেতে আমার ২/৩ দিন দেরি হতো। যেহেতু চট্টগ্রাম এ থাকার মত সুযোগ ছিলো না তাই আমি তাদের কথা মত কাজ করতে বাধ্য হই।
বাবার ওয়ারিশ আমরা দুই ভাই দুই ভাই দুটি নাম চারি আবেদন করি। প্রতি আবেদন প্রতি ছয় হাজার টাকা করে ঘুষ দাবি করে ভূমি অফিসের এক কর্মকর্তা। আবেদনগুলো সম্পূর্ণ করার পর আমরা যখন ডিসিআর কাগজ হাতে পাই তখন দেখি যে দুইজনেরই খতিয়ান নাম্বার এক। এর সমাধানের জন্য তারা আবার মিসকেদের আবেদন করতে বলে এবং সেই অনুযায়ী মিসকিনের আবেদন করতে গিয়ে আরও পাঁচ হাজার টাকা ঘুষ চায়। এবং আমি সেই পাঁচ হাজার টাকা পরিশোধ করেছি পরবর্তীতে আরো কোন টাকা দাবি করবে কিনা তা এখনও বলতে পারতেছি না।
Baggage was held due to delay in clearance beyond 21 days due to lack of action from the customs and carrier’s side. I requested a waiver of the penalty due to valid reasons but the customs official demanded bribe of 3000 tk.
বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সিভিল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, ইন্ডাস্ট্রিয়াল এটাজমেন্ট এর সময় শিক্ষকদের ইন্ডাস্ট্রি ভিজিটের কথা বলে প্রত্যেক শিক্ষার্থী থেকে ৭০০ টাকা করে নেয়। সর্বমোট শিক্ষার্থী সংখ্যা ২৫০ জন এবং সবার থেকে এ টাকা নেওয়া হয়। ইন্ডাস্ট্রি ভিজিটের জন্য এই টাকাগুলো সিভিল ডিপার্টমেন্ট ব্যতীত অন্য কোন ডিপার্টমেন্ট নেয় না।
আমার চাকুরীর পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য পুলিশ আমার বাড়িতে যায়। তিনি তেল খরচ বাবদ তিন হাজার টাকা দাবি করেন। আমি বলছি তেল খরচ তো সরকার দেবে। উনি পরে বলেন সরকার দেয় না। আমি বললাম তাহলে 1000 টাকা নেন। তিনি নাছোড় বান্দা তিন হাজার টাকাই নিলেন।