সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১৩,৪৯৫ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
কাস্টমস অফিস

কাস্টম অফিস বেনাপোল সীমান্ত

আমি যখন প্রথমবার ভারতে যাওয়ার জন্য বেনাপোল সীমান্তে বাংলাদেশ কাস্টম এর মুখোমুখি হই। তখন আমাকে কাস্টম পুলিশ প্রশ্ন করে আপনি কি করেন। আামি বলি ব্যবসা। যদিও আমার ব্যবসায়িক ডুকোমেন্ট দিয়েই ভিসা সংগ্রহ করেছি। তবুও আমাকে বলে আপনার ভিজিটিং কার্ড দেখান, ভারত যাওয়ার সময় ভিজিটিং কার্ডের প্রয়োজন মনে না করাতে তখন সাথে ভিজিটিং ছিল না। তার জন্য আমাকে ৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে, পরবর্তীতে তারা সীল মেরে আমাকে ভারতে যাওয়ার সুযোগ দিয়েছে।

ঘুষ দিয়েছি
যশোর ৳৫০০
৩১ আগস্ট ২০২৬ KHZE9Z4T
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

পুলিশের ঘুষ গ্রহণ

বোনের বাড়িতে স্থানীয় সন্ত্রাসীদের হামলা হলে আমি পুলিশের সাহায্য নিতে রাতের নয়টা বাজে থানায় যাই, কিন্তু পুলিশকে যতক্ষণ আমি টাকা দিতে রাজি না হই ততক্ষণ তারা থানা থেকে আমার জন্য কোন সাহায্যের ব্যবস্থা করেনি। রাজি হওয়ার পর রাতের দুইটায় তারা আমার বোনের বাড়িতে যায় ঠিকই কিন্তু কোন ধরনের সাহায্য করে নি।

ঘুষ দিয়েছি
নোয়াখালী ৳৪.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ CT7ESCGN
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

My gov appostile( law ministry)

For my scholarship purpose in abroad, I needed to appostile a affidavit that declare my sponsors financial declaration, i applied via my gov site but they rejected it and told me that i need to come in person with the doc, i went to the law ministry and tgey didnt allow me in without a pass, i told my problem to a police and adked for his help, he called someone and told me this things need some "khorchapati". The man came and asked for 3k, I said i am a student and cant give so much then he said its impossible without 2.5 k, igave hime and he immediately forwarded the application to foreign ministry.

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳২.৫ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ DK5AZUPN
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

বদলিজনিত

বদলি হবার কারনে ছাড়পএ দিচ্ছিলো না। ১০০০ টাকা চাইছিলো দেবার পর ছাড়পএ দিছে।এবং ট্রেজারি অফিসে এলপিসি দেবার জন্য ১০০০ টাকা নিছে না দেযা পর্যন্ত কাজ করেনি।অনেকদিন ঘুরিয়েছে।টাকা দেবার সাথে সাথে কাজ করে দিছে।আমরা তাদের কাছে যেন দিনদিন জিম্মি হয়ে যাচ্ছি।বিশেষ করে হাসপাতাল গুলোতে কোনো নার্সদের অফিসিয়াল কাজ করাতে গেলে টাকা ছাড়া যেন কথাই বলা যায়না।

ঘুষ দিয়েছি
আমতলি ৳২.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ BRASV53V
মন্তব্য
কর অফিস

Tax Assessment

কর কর্মকর্তারা চূড়ান্ত কর নির্ধারণের সময় ব্যবসায়িক খরচগুলোকে গ্রহণযোগ্য ব্যয় হিসেবে গণ্য করতে চান না। তারা ইঙ্গিত দেন যে, যদি অর্থ প্রদান করা হয় তবে বিভিন্ন খরচকে ব্যয় হিসেবে মেনে নেবেন; অন্যথায় সেই খরচগুলোকে অগ্রহণযোগ্য ঘোষণা করে মুনাফা হিসেবে গণ্য করবেন। এর ফলে করযোগ্য আয় বেড়ে যায় এবং করের দাবি অনেক বড় হয়ে দাঁড়ায়।

ঘুষ দিয়েছি
Shegunbagicha ৳৫.০০ লাখ
৩১ আগস্ট ২০২৬ DK2NNLFG
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

ওয়াসার পানির মিটার পরিবর্তন প্রক্রিয়া

ওয়াসার পানির মিটার পুরোনো হয়ে যাওয়ায় পরিবর্তন করার প্রয়োজন ছিলো। সাইট ম্যানেজার ১২০০০ টাকা দাবি করেন যা প্রায় ৫৪০০ টাকা বেশি, অফিসিয়ালি যা ৬৬০০ টাকা । ওয়াসার অফিসে সিনিয়র অফিসারদের সাথে যোগাযোগ করেও লাভ হয় নাই৷ বরং সিনিয়র অফিসার, সাইট ম্যানেজার এর সাথে কথা বলেই মিটার পরিবর্তন করতে বলেন, তবে উনি সাইট ম্যানেজারকে বলে ১০০০০ টাকায় মিটার পরিবর্তন করে দিতে বলেন৷ বাধ্য হয়ে শেষে ১০০০০ টাকা দিয়ে, ৩৪০০ টাকা বেশি দিয়ে পানির মিটার পরিবর্তন করতে বাধ্য হই৷

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳৫.৪ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ DKFDR3AC
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

নাম সংশোধন

আমার মেয়ের নাম ভুল করেছিল তেজগাঁও সরকারি স্কুল। তারপর তারা আমাকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাঠাল। আমি সোনালি ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করে অপেক্ষা করতে থাকি দেড় বছর ধরে। মাঝে বোর্ডে গিয়ে খোজ নিই, তারা বলে, হবে হচ্ছে। একদিন আমার এক চাচা আমার বাসায় আসেন আমার অসুস্থ বাবাকে দেখতে, তাকে জিজ্ঞেস করি আপনার বাসা কোথায়, তিনি জানান, বকশিবাজার। আমি বলি, আমি তো মাঝে মাঝে যাই ওখানে, তিনি বলেন কেন যাও। আমি ঘটনা বলি। তিনি হো হো করে হেসে উঠে বলেন, আরে আমি তো ওখানে বহু বছর থাকি, সব জানি। ওরা তো এখন ডিরেক্ট কাজ করে না। ‘মামা’র মাধ্যমে করে। পরে এক ‘মামা’র সঙ্গে কথা বলে ৮ হাজার টাকায় কাজ সমাধান হয় এবং ১৫ দিনের মধ্যেই মেসেজ আসে।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ৳৮.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ DKKEM4PW
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

নাগরিক সনদপত্র

নিজের আর নিজের পরিবারের দুইজন সদস্যার জন্য নাগরিক সনদপত্র নিতে গিয়েছিলাম সিটি করপরেশন অফিসে। বলল যে এটা নিয়ে আরেক জাগায় জেতে হবে কারন এখন এখানে মেয়র নেই(এটা ২০২৫ এর ঘটনা)। এরপর বলল অন্য আরেকটা অফিসে জেয়ে তাদের সাইন করাতে হবে, আর যাতায়াত বাবদ ৫০০ টাকা দিতে হবে। আমি ৫০০ টাকা দেয়ার পর বলে যে একেক জনের জন্য ৫০০ করে দিতে হবে। আমি অবাক হলাম, কিন্তু আমার কাগজ তা জরুরি দরকার ছিল জন্নে বেশি কথা না বারিয়ে দিয়ে দিলাম। পরেরদিন সেই লোক আমাকে ফোন দিয়ে বলে আমি গেসিলাম কিন্তু উনি আজকে বশেনাই জন্য সাইন হয়নাই, তাই আবার যেতে হবে, র আবার টাকা দিতে হবে যাওয়ার জন্য। পরে আবার কিছু টাকা দেই, সম্ভবত ১০০০ টাকা। তিনজন এর কাগজ একই জায়গা থেকে সাইন করালে কেন প্রত্তেকের জন্য আলাদা যাতায়াত খরচ দিতে হবে সেটাই আমার প্রশ্ন।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৩.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ DKY4PQFR
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

টিএডি বিলের জন্য ঘুষ প্রদান করা লাগতেছে।

টিএডি বিলের টাকা প্রায় অনেক মাস ধরে আটকিয়ে রাখছে, আমাদের পরের বিল গুলো পরিশোধ করেছে। কিন্তু আগের গুলো পরিশোধ করে নাই, ঘুষ প্রধান না, করার জন্য, মোট টিএডি বিলের ১৫% ঘুষ প্রদান করলে, তারপর আমাদের সরকারি কাজে যাতায়াত এর বিল গুলো পাওয়া যায় না হয় পাওয়া যায় না। আমরা তাদের কাছে জিম্মি হয়ে আছি,

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳১.৩ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ DK2FSMWU
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরি

পুলিশের ঘুষ পাসপোর্ট অফিসের নামে যাচ্ছে। তবুও বলি। পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য আসে। সব তথ্য ও ডকুমেন্টস সঠিক থাকলেও বারবার ফোন দিতে থাকে। বলে কর্মচারীরা যারা কাজ করে তাদের নাশতা খাওয়ার টাকা না দিলে নাম ঠিকানা ভুল এন্ট্রি করে দেবে। এসব বলে টাকা বিকাশে দিতে বাধ্য করে।

ঘুষ দিয়েছি
Khulna ৳৫০০
৩১ আগস্ট ২০২৬ KH87G576
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

পুলিশ ভেরিফিকেশন

একটি প্রতিষ্ঠানে চাকুরির জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে হয়েছিল, সরকারি ফি ১৫০০ টাকা চালানের মাধ্যমে জমা দিয়ে আবেদন করি। দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য বাসায় যায় সকল কাগজপত্র পুলিশকে দেওয়ার পর চা-নাস্তা, যাতায়াত বাবদ টাকা দাবি করে, বলে যে আমরা সাধারণত ৫০০০ টাকা নিয়ে থাকি আপনাদের সব কাগজ ঠিক আছে তবে বিভিন্ন খরচ বাবদ ২০০০ টাকা দেন, আমাদেরও উপর মহলে প্রতি ভেরিফিকেশন বাবদ টাকা জমা দিতে হয়। স্থানীয় চেয়ারম্যানও পুলিশকে টাকা দেওয়ার বিষয়ে সহমত দেন, বলে এসব কিছু টাকা দিতে হয়। ওদেরও খরচাপাতি আছে। বাধ্য হয়ে টাকা প্রদান করতে হয়।

ঘুষ দিয়েছি
পত্নীতলা, নওগাঁ ৳২.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ RJD2R7WF
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

জন্মনিবন্ধন সংশোধন

জন্মনিবন্ধন সংশোধনের জন্য গেছিলাম, বলছে আবেদন করতে ১০০+ টাকা লাগবে। আবেদন করার পরে বলে ১হাজার টাকা দেন, না হয় আপনার কাজ হবে না। যেহুতু ইমার্জেন্সি ছিলো তাই ১ হাজার টাকা পরিশোধ করে কাজ টা করাতে হয়েছিলো। পৌরসভা অফিসে যেসব কর্তকর্তারা বসে সবগুলো হচ্ছে ঘুষখোর। সাধারণ কোন একটা কাজের জন্য গেলে টাকা ছাড়া একটা মানুষও কথা বলতে চায় না।

ঘুষ দিয়েছি
নোয়াখালী, সোনাইমুড়ি। ৳১.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ CT4A9F4B
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

বাংলাদেশ সদর পোস্ট অফিসে (সদরঘাট) আমার মরহুম বাবার পেনশন মায়ের নামে করাতে ঘুষ দিতে হয়েছে।

বাংলাদেশ সদর পোস্ট অফিসে (সদরঘাট) আমার মরহুম বাবার পেনশন মায়ের নামে করাতে ঘুষ দিতে হয়েছে। তাছাড়া প্রত্যেক বছর জুলাই মাসে মায়ের পেনশনের ইনক্রিমেন্ট লাগাতে 500.00 টাকা ঘুষ দিতে হয়। আরো হচ্ছে সদরঘাট পোস্ট অফিসে সঞ্চয়পত্র ভাঙাতে বা সঞ্চয়পত্রের মুনাফা নিতে গেলে তারা তাদের ক্যাশ কাউন্টার হতে ইচ্ছেমত টাকা ঘুষ হিসেবে রেখে তারপর টাকা ফেরত দেয়। তারা এতোটাই র্নিলজ্জ সরাসরি তারা বলে যাকে ইচ্ছে তাকে গিয়ে বলেন যে আমি টাকা নিয়েছি। দেখি কে আমার বক করে।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳৫.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ ১২ DKVJ9QP7
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

ইমিগ্রেশন

গত ৪-৫দিন আগে ভারত যাওয়ার সময় আমার নতুন পাসপোর্ট ব্যতিত আগের পাসপোর্ট গুলো ব্লকড দেখায় অর্থাৎ ইমিগ্রেশন এ ব্লকড দেখায়। । ইমিগ্রেশনে এ দায়িত্ব প্রাপ্ত পুলিশ অফিসার এয়ারপোর্টে ইমেইল করলে ওরা রেস্পন্স করে খুলে দেয়। সময় আধা-১-দেড় ঘন্টা লাগতে পারে উনি বলেছিলো। সেই ইমেইল পাঠানোর পর উনি ১০০০ টাকা দাবি করেন দালালের মাধ্যমে কারণ টাকা দিলে কাজটা সিউর হবে। অনেকের নাকি ১০ হাজার, ৭ হাজার লেগেছিলো। আর ইমেইল এ রেস্পন্স না করলে ঢাকার এসবি অফিসে গিয়ে ঠিক করতে হবে যেটা ওই মহুর্তে আমাদের জন্য বিড়ম্বনামূলক ছিলো। তাই কাজ হওয়ার পর টাকা দেই আমরা🙂 যদিও এর মাঝে আরও কাহিনি ছিলো শর্ট এ যা আপনি টাকা ফেলবেন আর আপনার এমন কোনো কাজ নেই জা করতে পারবেন না বাংলাদেশে। টাকা ফেলুন কাজ সহজ এ করুন🙂

ঘুষ দিয়েছি
হিলি ৳১.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ RNKA2UXG
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দুই একটা কাগজের জন্য ৩-৪ হাজার টাকা দাবি করে।

সাব রেজিস্টার অফিসে একটি ক্ষমতা পত্রের জন্য ৩ হাজার টাকা দাবি করে এবং ভিতরে দুই একটা সাইন এর জন্য এক দুই হাজার টাকা দাবি করে যা ভিত্তিহীন যা কোন প্রয়োজন নেই গাইবান্ধা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে হয়ে থাকে।

ঘুষ দিয়েছি
গাইবান্ধা সদর ৳৬.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ RNYLEE7P
মন্তব্য
ভূমি অফিস

বণ্টন নামকরা

আমাদের বাবার মোহাম্মদপুরের সম্পত্তি বন্টননামা করাতে গেলে ৩ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করে তেজগা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সাবরেজিস্টার ২০২৩ সালে ।কোন উপায়ে কাজ করানো গেল না ও আমরা পরিশোধ করতে বাধ্য হই।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳৩.০০ লাখ
৩১ আগস্ট ২০২৬ DK7UMENG
মন্তব্য