ড্রাইভিং লাইসেন্স
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার যাবতীয় কিছু নিজে করার পর পাশ করেও অদৃশ্য শক্তি আমার ফাইনাল পেমেন্ট আটকিয়ে দেয়। পরে দালাল ধরে ৩০০০৳ পেমেন্ট করার মাধ্যমে সব ওকে হয়ে যায়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার যাবতীয় কিছু নিজে করার পর পাশ করেও অদৃশ্য শক্তি আমার ফাইনাল পেমেন্ট আটকিয়ে দেয়। পরে দালাল ধরে ৩০০০৳ পেমেন্ট করার মাধ্যমে সব ওকে হয়ে যায়।
আমি আমার স্টুডেন্ট ভিসার আবেদনের জন্য একটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের আবেদন করেছিলাম। আমার আবেদনটি বেশ কয়েকদিন ধরে আটকে থাকায় আমি থানায় যোগাযোগ করি। আমাকে জানানো হয় যে ক্লিয়ারেন্সটি প্রক্রিয়া করার জন্য আমাকে ১০০০ টাকা দিতে হবে। যেহেতু আমার ভিসার আবেদনের জন্য সার্টিফিকেটটি প্রয়োজন ছিল, তাই আমি শেষ পর্যন্ত টাকাটা পরিশোধ করে দিই।
অবসরে যাওয়ার পরে, সকল পাওনা ইত্যাদি জন্য ধাপে ধাপে আমাকে কয়েকবার ঘুষ দেয়া লেগেছে। ১. প্রথমে একাউন্ট বুক রিভাইস করার জন্য ২. পূর্বের বিলের অর্থ পাওয়ার জন্য ৩. ১৮ মাসের অবসরত্ব ছুটির বেতনের জন্য ৪. প্রভিডেন্ট ফান্ড এর অর্থ উত্তোলনের জন্য ধাপে ধাপে অর্থ গুলো দেয়া লেগেছে এবং সামনেও লাগতে পারে। একবার ৬০০০, ১২৫০০, ১৫০০০, ২৫০০০ ইত্যাদি অর্থ গুলো দিতে হয়েছে এবং সামনেও হয়তোবা হবে। এখানে ঘুষের ভাগ গুলো পায় পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় এর থানা অফিস, জেলা অফিস এবং হেড অফিস। এর সাথে থানার একাউন্টিং অফিস ও জড়িত। একজন কর্মচারী অবসরে গেলে সেই সকল কাজগুলো করার জন্য প্রতিটা অফিস এই ভাগ গুলো নেয়। ঘুষ এর অধিকাংশ অর্থ নগদ দেয়া লেগেছে ।
অনলাইনে সমস্ত ফি পে করে, সমস্ত সত্যায়িত ডকুমেন্ট নিয়ে গিয়েছিলাম, তবুও পেন্সিল একটা বের করে সামনে থাকা পেপারে লিখলো ৩ ৫। মানে তিন হাজার পাঁচ শত টাকা দিতে হবে। না দিয়ে পারলাম না কারণ ভিসা এপ্লিকেশনের তাড়া ছিলো।
২০২২ এর প্রথম দিকে আমার বিদেশে যাওয়ার কথা শুরু হয় এবং এরই মারফতে একটি ভিসা সমগ্র করে আমার পরিবার। যেহেতু পরিচিত লোক ছিলো তাই ভিসা ভালো হবে ভেবে তাড়াহুড়ো করেই আমাকে পাসপোর্ট করতে বলে।আমি কয়েকদিন ভেবেচিন্তে নিজের কম্পিউটার থেকে এপ্লে করার ট্রাই করি কিন্তু তাদের সার্ভার বার বার সমস্যা দিচ্ছিলো পরে ফেসবুকে পাসপোর্ট এর একটা গ্রুপ আছে সেখানে দেখি ২ঘন্টার জন্য সার্ভার সচল হয়েছে আর এটা দেখে আমি তাড়াতাড়ি করে আবেদনটি করতে থাকি আর এই তাড়াহুড়োতে আমার বংশিও নাম টি ২বার টাইপ হয়ে যায়। পরে আমি পাসপোর্ট অফিসে যাই তারা পাত্তাই দিলো না এমন ৫/৭ দিন গেলাম কোনো পাত্তাই দিলো না পরে একটা আনসার (দালাল) আমাকে বলে উপরে স্যার আছে কিছু টাকা দিলে হয়ে যাবে, আমার ভিসার মেয়াদ কম তাই টাকা দিলাম তিনি সাইন দিলেন হয়ে গেলো।
নামজারির জন্য সরকারি ফি মাত্র ১,২০০ টাকা হলেও দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বেআইনিভাবে ৩০,০০০ টাকা ঘুষ নিয়ে .নামজারির কাজে একজন মহিলা সার্ভেয়ার দায়িত্বে ছিলেন। তার আচরণ ও কাজের ধরণ আমার কাছে অস্বস্তিকর মনে হয়েছে।
স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষক তালিকা প্রেরণ কালীন মাদ্রাসা প্রতি ৩০ হাজার টাকা বাধ্যতামূলক নেয়া হয়।মূল হোতা ছিল- একজন অস্থায়ী কর্মকর্তা আর অফিস সহকারী। সর্বোপরি বিষয় টি জেলা শিক্ষা অফিসার জানতেন।
আমি কিছু পণ্য (কাপড়) ডিএইচএল এর মাধ্যমে দেশে পাঠাই পরিবারের জন্য এই পণ্য ছাড়িয়ে আনতে আমাকে দিতে হয়েছে ৩৮ হাজার টাকা।
পাসপোর্ট রিনিউ করতে গিয়েছিলাম। বিয়ের কাবিনের অরিজিনাল কপি গ্রামে থাকায় ফটোকপি জমা দেওয়াতে উত্তরা পাসপোর্ট অফিস রিজেক্ট করে দেয়। পাশের দোকানে গেলাম সে বললো ভাই ২০০০/- টাকা দেন ব্যাবস্থা করে দিব। ইমার্জেন্সি থাকায় বাধ্য হয়ে দিলাম। সে ভিতরে কারে যেন মেসেজ পাঠালো। আমি গেলাম আর ধুমধাম কাজ হয়ে গেলো।
নার্সিং কলেজে নার্সিং রিসার্চ সাবজেক্ট এর জন্য রিসার্চ পেপার তৈরি করতে হয়। সেই রিসার্চ ঠিকমতো না করিয়ে সংশ্লিষ্ট টিচার জনপ্রতি পনেরশো টাকা করে নিয়ে তারপর আমাদেরকে রিসার্চ বুক বানিয়ে দিয়েছে। আমরা গ্রুপে ছিলাম ১২ জন। এরকম আরও কয়েকটি বেসরকারি কলেজ থেকে করেছে।
নওগাঁ জেলায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শিক্ষা ও কল্যাণ শাখায় টেবিলে টেবিলে টাকা দিলে দ্রুত পাস হচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এডহক কমিটি। টাকা না দিলে দিনের পর দিন কাজ পরে থাকতেছে।
উজান গ্রাম ইউনিয়ন ভুমি অফিস, ভুমি অফিসার বা তশলদার কাছে আমি যায়। আমার দাদার জমি থেকে নামজারি করে কাকার নামে করতে হবে সেই বেপারে, পরবর্তী তিনি জানান খাজনা পরিশোধ করতে হবে আমি আমার আগে হাতে কাটা রশিদ দেখায় যেখানে খাজনা পরিশোধ ছিলো। তবু উনি মানতে নারাজ পরবর্তীতে আমার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করে যে দিলে আমার খাজনা পরিশোধ হয়ে যাবে এবং নামজারি আবেদন সে কোন ঝামেলা করবে না। যেহেতু এজমালি জমি মিটিশন আমি দিতে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে শুনি তিনি বেশির ভাগ লোককে এই ভাবে ট্রাপে ফেলে ঘুশ আদায় করে।
টাকা না দিলে ১০ রকম কাগজ লাগে, টাকা দিলে শুধু আইডি কার্ড বা নিবন্ধন দিয়েই কাজ হয়ে যায়।
Passport office er daalal ke diye hoyechhe 2500tk and for police verification i had to pay 1000tk to the sub-inspector
আমি একটি মিসস কেস আবেদন করি।অনেক গুলা তারিখ দেয়ার পর ও রায় হয় না। পরে দালাল এর মাধ্যমে রায় করাইছি।
আমার দলিল করা হয়েছে। এখন নামজারি করতে চাইছি। নকল দলিল প্রয়োজন। কিন্তু নকল তোলা ১৩০০ টাকা লাগে। কিন্তু কমিটির খুশির জন্য অতিরিক্ত ১০০০ টাকা দাবি পরিশোধ করেছি।
আমার বাবার ইনকাম ট্যাক্স সার্টিফিকেট এম্বাসিতে সাবমিট করা আবশ্যক ছিলো। যেহেতু ট্যাক্স রিটার্ন অফলাইনে আগেই সাবমিট করেছিলো, আমি অফিসে গিয়ে সার্টিফিকেট উত্তোলন বিষয়ে জানতে চাই। আমাকে দুইদিন ঘুরিয়ে এরপর ট্যাক্স ফাইল বের করেন। তারপর বিভিন্ন ভুলভ্রান্তি দেখাতে থাকে। এরপর আমি নতুনভাবে আবারো ট্যাক্স ফাইল সাবমিট করি। পরবর্তীতে আবারো ২/১ দিন ঘুরিয়ে যখন ট্যাক্স সার্টিফিকেট নিতে যাই তখন কর কমিশনার নিজে ডেকে আমার সামনে সাইন করিয়ে আমাকে দেন। পরবর্তীতে অফিস/কম্পিউটার অপারেটর দেখার কথা বলে সার্টিফিকেট নিয়ে নেন। এরপর আমাকে বলেন উনাদের অনেক কষ্ট হইছে ফাইল খুজতে, সেগুলো উনারা আবার আপডেট করছেন কিন্তু আমি নিজেই ট্যাক্স ফাইল বানিয়ে নিজেই সাবমিট করেছিলাম। উনাদের একটু চা পানির টাকা দিলে ফাইল দিবে।
Passport er Police Clearance korar somoy OC Nasta er jonno tk nilo. Na dile naki Passport next step e pathabe na.
আমি একজন সৌদি আরব প্রবাসী সেই সুবাদে আমার স্ত্রীকে প্রবাসে নিয়ে আসার জন্য কাবিননামা অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করি। আর সেই জন্য কাজী সাহেব ৭০০০ টাকা দাবি করেন । কারণ হিসেবে তিনি বলেন রেজিস্টার অফিসে নাকি বসকে এবং পিয়নকে খুশি করতে হবে। তা না হলে আমার কাবিননামা অনলাইন রেজিস্ট্রেশন হবে না। আর অনলাইন রেজিস্ট্রেশন না হলে সৌদি আরবের ভিসা উঠবে না এবং আমার স্ত্রীকে নিয়ে আসতে পারবো না বিদায় আমি 7000 টাকা উনাকে দিতে বাধ্য হই। যার বিভিন্ন প্রমাণাদি আমার কাছে আছে।
আমি এবং আমার বাবা একইসাথে পাসপোর্ট এপ্লিকেশন করি এবং ভেরিফিকেশন প্রসেসের জন্য পুলিশ আমাকে কল দেই। উনি আমাদের ঠিকানায় এসেই কল দেওয়াতে উনাকে বাসায় নিয়ে আসি। বাবার সব ডকুমেন্টস চেক করে কোন প্রবলেম না পেলেও আমার এপ্লিকেশনে ছোট একটি ভুল ছিলো যেটি সংশোধন করিয়ে উনাকে আবার দিয়ে আসতে বলেন। যাওয়ার সময় উনি বলতে থাকেন যে একটু তো সমস্যা আছে তো কিছু দিয়ে দিলে কাজ হয়ে যাবে, যদিও সংশোধন কপি আমাকেই দিয়ে আসতে হবে। বাবা বুঝতে পেরে অল্পকিছু দিলে উনি বলেন যে দুটি এপ্লিকেশন এতো কমে কি হয় নাকি!! আরো কিছু দেন, আসা যাওয়ার ও তো খরচ আছে।