পাসপোর্ট আবেদন
আমি পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম এখানে দালাল ঘুষ নিয়েছিল সেটি পাসপোর্ট অফিসার কে দিয়েছিল
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৭২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম এখানে দালাল ঘুষ নিয়েছিল সেটি পাসপোর্ট অফিসার কে দিয়েছিল
হারানো ফোন উদ্ধারের জন্য জিডি করে। পুলিশ ফোন পায় এবং ফোন নিতে গেলে উক্ত টাকা দাবি করে।
জমির মিউটেশন/নামজারির কাজ করে দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে মোট প্রায় ২৩,০০০–২৫,০০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। টাকা দেওয়ার পর কয়েকটি কাজ করে দেওয়া হলেও বাকি কাজগুলো এখনো সম্পন্ন করে দেওয়া হয়নি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে অসম্পূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
নোয়াখালী LGED লাইসেন্স নবায়ন বাবদ ২৩০০ টাকা। কিন্তু হিসাবরক্ষন — ৩০০০ টাকার নিছে নেয় না। ২৫০০ টাকা দিলে বিভিন্ন রকম জটিলতা দেখায়
আমি অনলাইনে এসএসসি মার্কশিটের জন্য আবেদন করছিলাম, কিন্তু ৪-৬ সপ্তাহ পরেও কোনো সাড়া পাইনি। ফাইলটি ইচ্ছাকৃতভাবে আটকে রাখা হয়েছিল। এরপর বোর্ডের একজন কর্মচারী, যিনি মূলত অনুমোদন দিতেন এবং আমার সার্টিফিকেট ছাপানোর কথা ছিল, তিনি আমাকে ২ দিন অপেক্ষা করিয়ে একজন পিয়নের কাছ থেকে টাকা নেন।
একটি অবিবাহিত সনদ সংগ্রহের জন্য নির্ধারিত চার্জ ট্রেজারির মাধ্যমে পরিশোধ করে সুষ্ঠুভাবে আবেদন সম্পূর্ণ করি। তারপর পুলিশ ভ্যারিফেকিশনের নামে ৫,০০০৳ এবং ডিসি অফিস অনুদানের নামে ১০,০০০৳ চাওয়া হয়। আমি বাড়তি টাকা পরিশোধ না করে প্রায় ২মাস ডিসি অফিসে চক্কর কাটিয়ে ক্লানত হয়। পরবর্তীতে কোনো উপায়ন্তর না দেখে দাবীকৃত টাকা বিনা রশিদে পরিশোধ করি। — নামে একজন পুলিশ সদস্যকে ৫,০০০৳ এবং — নামে ডিসি অফিসে কর্মরত একজনকে ১০,০০০৳ টাকা পরিশোধ করার পর ২য় দিনেই আমি সনদ সংগ্রহ করি। — মোবাইল নাম্বার — — মোবাইল নাম্বার —
নোয়াখালী LGED লাইসেন্স নবায়ন বাবদ ২৩০০ টাকা। কিন্তু হিসাবরক্ষন ৩০০০ টাকার নিছে নেয় না। ২৫০০ টাকা দিলে বিভিন্ন রকম জটিলতা দেখায়। LGED তবে মোট ১৭০০ লাইসেন্স রয়েছে।
প্রতিটা বিল বা হিসাবের সর্বো নিম্ন ৫% ঘুষ না দিলে তারা ফাইল টা ওঠাই না। আক্কেলপুর হিসাব রক্ষণ অফিস যেন ঘুষের একটা কারখানায় পরিণত হয়েছে। অফিসের সকল কমকর্তা যেন ঘুষ ছাড়া কিছুই বোঝেন না। ঠিকানা: আক্কেলপুর থানা, জয়পুরহাট জেলা।
উপায় নাই।।লাইসেন্স রিনিউ করতে হলে টাকা লাগবে, যতই আপনি কম্পলাইন থাকেন না কেন?? ফায়ার সাভিস একটা করাপ্টেড প্রতিষ্ঠান।।
ট্রেনের টিকিট স্ট্যান্ডিং, ১৭৫ টাকা। বেনাপোল এক্সপ্রেস। ঢাকা - ফরিদপুর। ট্রেন ছাড়ার আগে আমি প্ল্যাটফর্ম থেকে টিটি এর কাছে বললাম ভাই আমার ১ তে স্ট্যান্ডিং টিকিট দিন। উনি ভাড়া দ্বিগুণ চাইলো। বললাম ভাড়া তো এত না। বলল এটাই ভাড়া। আমাকে কোনো কারণ ছাড়াই জরিমানা টিকিট দিয়ে দিলো। যেখানে আমি তখনও ট্রেনে উঠি নাই। আমার কাছে এটা খুবই বিব্রতকর লাগলো।
তারা টাকা নিয়ে সেবা দেয়নি।
আমি ছাত্র ছিলাম যতাযত সকল কাগজপত্র দাখিল করেছিলাম সাথে পাসপোর্ট এর আবেদন পত্রও। আবেদন পত্রের যে অংশে পেশা লেখা সেখানে আমি Private Service লিখেছিলাম। (আমার ভাই বিদেশ ছিল, সে বলেছিল এটা লিখতে) এটা লেখার জন্য ভদ্রলোক আমার আবেদনটি গ্রহন করেন নি। ওনার ভাষ্যমতে আমি তখন ছাত্র ছিলাম আবেদন পত্রে পেশা ছাত্র লিখতে হবে। আমি ফেরত গেলাম গ্রামে। পরদিন নতুন ফরম করলাম দুইসেট এবং যতারীতি চেয়ারম্যান এর কাছে প্রত্যায়ন এর জন্য গেলে ওনি আামকে প্রশ্ন করলেন এত ফরম কেন? আমি আগের দিমের ঘটনা খুলে বললাম এবং নতুন ফরমের একসেটে পেশা ছাত্র লিখলাম এবং অন্য একটা খালি রাখলাম। ওনাকে বললাম যদি ছাত্রওয়ালাটা জমা না নেয় তবে পেশা খালি রাখাটা জমা দিব, এবং পাসপোট অফিসার যা লিখতে তাই লিখব। পাসপোট অফিসে আসার পর এখই ভদ্রলোকের কাছে গেলাম
নামজারি করতে গেছি তহশীলদার বললো দলিল পুরনো। পরে একটা বহিরাগত লোক দিয়ে টাকা নিয়ে করে দে।
আমার মাকে পাঠিয়েছি ওয়ারিশ সনদ বানাইতে। সাথে প্রয়োজনীয় সকল কাগজ দিয়েছি, তারা অফিস খরছ বলে ২০০০টাকা নিলো। ১মাস পরে হাতে পেয়ে দেখি প্রধান দুইটি ভুল। সবার নামের বানান আর গ্রাম দিয়েছে পাশের গ্রামের নাম। তাকে প্রশ্ন করা হলে বলে আপনার গ্রামের বানান আমার জানা নাই তাই পাশের গ্রামের নাম দিয়েছি। যদিও আমি সকল কাগজ দিয়েছিলাম, সেখানেই আমাদের সকলের নাম এবং গ্রামের বানান ছিলো। এই সনদ পুনরায় ঠিক করতে ৬০০ দিতে হয়েছে।
আমি একটা টিন সনদের আবেদন করিলে আমার কাছে গলাপগঞ্জ কর অফিসের একজন অফিসার বার হাজার টাকা দাবি করেন। আমি একজন নতুন ব্যেবসায়ি তাই স্তানিয় একজন মাহাজনের সহায়তা নিয়ে কর অফিসে গেলে অনেক দর কশাকশি পরে উনি আঠ হাজার টাকা ফাইনেল বলে দেন। এমতাবস্থায় আমি নতুন দোকান খুলবো তাই ৮০০০ টাকা দিয়ে কাজটি করাতে হয়। যদিও সোনালি ব্যাংকের মেসেজ আসে আমার কাছে চার হাজার টাকা সরকারি কুশাগারে জমা হইয়াছে।
২০২৩ এর শেষ ভাগ পর্যন্ত বাসার পানির বিল আসতো ১৩০০+ টাকা। খুব বেশি ব্যবহার হলে ১৮০০ টাকা। হঠাৎ ২৩ এর শেষে বিল আসলো ১০ হাজার। তারপরের মাসে ১২ হাজার। ওয়াসা অফিসে গেলে তারা মিটার পরিবর্তন এর বুদ্ধি দেয়। তাও করা হলো। মাস খানেক বিল ৩ হাজার টাকা আসল। কিন্তু কিছুদিন পর আবার ৭/৮/৯ হাজার বিল আসা শুরু হলো। তারা সব শুনে, কমপ্লেইন লিখলো আর মিটার টেস্ট করে এবং সেটা তারা ঠিক করে লাগিয়ে দিয়ে গেলো। তার পরের ৩ মাস বিল আসলো ৪-৫ হাজার টাকার মতো। ওরাও বলল এমনি হবে। মেনে নিলাম। এর পর আবার শুরু হলো ৯-১০ হাজার টাকা বিল আসা। আবার তাদের ফোন দেওয়া হলে তারা বললো, তারদের ২ হাজার টাকা দিতে হবে তাহলে বিল রাখবে ৪ হাজার এর মধ্যে। পরে সেটা মাসিক ১৫০০ টাকা চুক্তি তে রফা দফা হয়। গত ৫/৬ মাস ধরে বিল ৪০০০ টাকার আসে পাশে।
পাঁচ বছরের একটি অডিট মামলায় ফাঁসানো হয়েছে, ৯৩ দাঁড়ায় মামলা দিয়েছে, প্রথমত তাদের সাথে কথামতো টাকা না দেওয়াই তারা ক্ষেপে গিয়ে অতিরিক্ত ইনকাম দেখিয়েছে যার কারণে ফাইলটি অডিটে পড়ে, তারপর তারা বলেছে তাদের কথা মত কাজ না করলে ১ থেকে দেড় কোটি টাকার মামলায় ফাঁসানো হবে আর যদি তাদেরকে ৫ লক্ষ টাকা দেওয়া হয় তাহলে সেটি ২৫ থেকে ৩০ লক্ষ টাকার ভিতরে আসবে এই হল আমাদের জীবনের বাস্তব অবস্থা । তখন কোন আর উপায় নাই বাধ্য হয়ে তাদের কথা মানতে হয়েছে । অথচ বাস্তবিক রূপে এই লোকের এত ইনকাম নাই । কিন্তু তাকে ফাঁসানো হয়েছে ।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছিলাম ড্রাইভিং লাইসেন্স এর পরীক্ষা হয়েছিল মিরপুর বিআরটিসি বিআরটিএ তে। সেখানে ড্রাইভিং পরীক্ষায় পাস করাই দেওয়ার জন্য বি আর টি এ কর্মকর্তা চার হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে। আমার সব পরীক্ষা ভালো হয়েছিল এমনকি ড্রাইভিং টেস্টও হয়েছে কিন্তু কোন লাভ হয়নি ঘুষ দিতেই হয়েছে না হলে ফেল করে দিবে।
নবযোগদানকৃত সরকারি চাকরিতে বেতন চালুর জন্য ঘুষ দিতে হয়েছে। সরকারি ভ্রমণ সংক্রান্ত টিএ-ডিএ অনুমোদনের জন্য ঘুষ দিতে হয়েছে। শ্রান্তি-বিনোদন ছুটির অর্থ মঞ্জুরের জন্য ঘুষ দিতে হয়েছে।
টাকা ছাড়া ফাইলের কাজ বন্ধ ছিল।টাকা দেওয়ার পর কাজ শুরু করে।