কর অফিস
সিলেট ভ্যাট অফিসে প্রতি মাসে ৫০০টাকা ঘুষ দিতে হয়।সেখানে ভ্যাট দাতাদের নামের তালিকা আছে। প্রতি মাসে তাদেরকে অফিসিয়ালি ঘুস দিতে হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সিলেট ভ্যাট অফিসে প্রতি মাসে ৫০০টাকা ঘুষ দিতে হয়।সেখানে ভ্যাট দাতাদের নামের তালিকা আছে। প্রতি মাসে তাদেরকে অফিসিয়ালি ঘুস দিতে হয়।
জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে,, কম্পিউটার অপারেটর নিজে না করে পাশের দোকানে করতে বলে, ৫০ টাকা দিয়ে আবেদন করি,, পরবর্তীতে অপারেটর ২০০ টাকা নেয় বকশিস বাবদ
আমি নামজারির জন্য আবেদন করেছিলাম, কিন্তু অনেক মাস পেরিয়ে যাওয়ার পরও তা পাইনি। এরপর ভূমি অফিসের এক কর্মীর সাথে আমার দেখা হলে তিনি আমার কাছে ১,৫০,০০০ টাকা দাবি করেন। আমি তাঁকে সেই টাকা পরিশোধ করি এবং প্রায় দুই সপ্তাহের মধ্যেই তারা আমাকে নামজারি সম্পন্ন করে দেয়; এক্ষেত্রে আমার বা আগের পক্ষের কাগজপত্রের কোনো সমস্যা ছিল না।
Renewal of E passport of my two daughters. Unnecessary harassment by the concerned person. Third party engagement. After taking money from me ; sent to the concerned person and File sent by what’s app. It was happened on 7 May 2026 about 10 AM.
আমি আর আমার বন্ধু আসছিলাম।আসার পথে বাইক আটকে রেখে গোলমাল পরিবেশ সৃষ্টি করে এবং মাদক দিয়ে ধরিয়ে দিবে বলে।অনেক ভাবে ভয় দেখায়।যেমন-পরিবারের কাছে কল দিতে,ক্যারিয়ার এলোমেলো করে দিবে আরও অনেক কিছুই।পরবর্তীতে তারা দাবি করে ২ জনের কাছে ৩০০০০টাকা আর নাহয় জেলে পাঠাবে। পরে ৭৫০০ টাকা বিকাশে আনায় আমার নম্বরে।তার নাম্বারে সেন্ড মানি করতে চাইলে গালি দেয়।
বাধ্য হয়ে ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও এসিল্যান্ড অফিস এ অতিরিক্ত টাকা দিছি না কাজ হয় না , সময় নষ্ট করে হযরানি করে ।
আমার বড় ভাইয়ের পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে আবার পাসপোর্ট রি-নিউ করতে চায় কিন্তু পাসপোর্ট অফিস থেকে একটি টেক্যনিকাল ত্রুটির কথা জানানো হয় এবং আড়াই(২.৫) বছর যাবত তাকে সিলেট পাসপোর্ট অফিস টু ঢাকা আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস এই কাগজ নেই সেই কাগজ নেই বলে হয়রানি করা হয়। পরবর্তী আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস একজন উর্ধ্বতনকর্মকতা উনাকে ২ লাখ টাকা দিতে বললে অনেক বুঝিয়ে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা রাজি করানো হয়। পরবর্তীতে ঢাকা মুহাম্মদ বসিলা পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে আমি এবং আমার বড় ভাই সেখানে কর্মরত পাসপোর্ট অফিসের এক কর্মকর্তাকে ১লাখ ৪০ হাজার টাকা দিয়ে পাসপোর্ট নিয়ে বাড়ি আসি।
নার্সিং ইনচার্জ প্রতি ডোজের জন্য ২০০ টাকা চান, আগে টাকা পরিশোধ করে তারপর ভ্যাকসিন দেন।
সরকারি কর্মচারীদের টিএডিএ বিলের মোট টাকার ২২% অগ্রীম দিতে হয়।আগে টাকা নেয় তারপর বিল অনুমোদন করে।সেবা গ্রহণের জন্য এসএফসি(পূর্ত)অফিস, ঢাকা সেনানিবাসে, লজিস্টিক এরিয়া সদর অফিসের পার্শ্ব লাগোয়া ভবন।বেতন বিল শাখা।৪ তলায় গেলে ছালাম দিলে তাঁরা ছালাম নেয় না।অফিসের ঝাড়ুদার — ও অন্যান্য চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী বিলাসবহুল গাড়ি চালায়।অন্যান্য কর্মচারীদের জীবন যাপন খুবই উচ্চ বিলাশী।ডেসপাসে বিল নথিভুক্ত করে রিসিভ করতে প্রতিটি কাগজ প্রতি ২০০ টাকা নেয় এবং ডাকযোগে পৌঁছলে টাকা হাতে না পাওয়া পর্যন্ত বিল রেকর্ড এবং রিসিভ না করে ফেলে রাখে এবং এভাবে কয়েকদিন পর বিল হারায় আবার তাদেরকে বেশি টাকা জরিমানা সহ দিলে সেই বিল খুজে পায়।
পাসপোর্ট অফিসে সব ঠিক থাকা সত্ত্বেও কয়েকবার কাগজ জমা দিয়েছি কিন্তু ডকুমেন্ট সবকিছু ঠিক থাকা সত্ত্বেও বারবার রিজেক্ট করে পরে কম্পিউটার দোকানে গিয়ে জানতে পারলাম তাদেরকে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দেওয়া লাগে ওই টাকার বিনিময়ে তারা কাগজে একটা কোড বা নাম্বার লিখে দেয় ওটা তাদের কাছে গেলে তারপর হয়ে যায় বাধ্য হয়ে দিয়েছি তারপর কাজ হয়ে গেছে
এসএফসি (পূর্ত),ঢাকা সেনানিবাসে লজিস্টিক এরিয়া সদর দপ্তরের লাগোয়া ভবন।সরকারি কর্মচারীদের বেতন ভাতা এখান থেকে অডিট নিষ্পত্তি করে পরিশোধ করে।সরকারি কর্মচারীদের বেতন ব্যতীত যাবতীয় বিলের মোট টাকার ২৩% পর্যন্ত তাদেরকে অগ্রীম ঘুষ দিতে হয়।তারপরও ভালো আচরণ করে না।
আইবাসে বদলি ভাতা বিল সাবমিট করেছিলাম কিন্তু অডিটর সাহেব অ্যাপ্রুভ করছিল না। প্রায় ১ মাস অপেক্ষা করার পর আমার অফিসের অফিস সহকারীকে ওনার সাথে কথা বলতে বললাম। কথা বলার পর জানতে পারলাম তিনি ১০০০ টাকা দাবি করেছেন। তা না হলে বিল অ্যাপ্রুভ করবেন না। অতঃপর অডিটর সাহেবের দাবি অনুযায়ী টাকা পরিশোধ করার পর বদলি ভাতা বিল পেয়েছি।
সরকারি খাদ্য বান্ধব ডিলার প্রতিবার চালের ডিও করার সময় জামালপুর সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় ডিও লেটার সাইন এবং উপকার ভোগীদের নাম সম্বলিত মাস্টাররোল প্রদানের জন্য প্রতি মাসে 1200 টাকা ঘুষ নিয়ে থাকে।
নামজারির কারণে চেয়েছিল
আমি একজন প্রবাসী গত জুলাই, ২০২৫ তারিখ প্রবাসী কল্যন ব্যাংক বোয়ালমারী, ফরিদপুর শাখায় জায় প্রবাসী লেন নেয়ার জন্য। সেখানে যাওয়ার পর লোন এর সকল শত পুরন করার পরেও আমাকে লেন পেতে লাখে ৫,০০০ টাকা ঘুস দিতে হয়। ৩,০০,০০০ টাকার বিপরীতে আমাকে ১৫,০০০ (পনেরো হাজার টাকা) ঘুস দিতে হয়। এটা এক প্রকার নিয়মে পরিনিত হয়েছে। কোন উপায় না থাকায় ঘুস দিতেই হয়। ব্যাংক এর ম্যানেজার থাকে পিওন সবাই এটার ভাগ পাই।
আমি একজন সাধারণ কৃষক সরকার আমন ধান ক্রয় করার লটারিতে আমার নাম আসে তারপর আমি ধান এল এস ডি গুদামে দিতে গেলে সদর ওসি এল এস ডি অফিসার আমার কাছে কেজি প্রতি ৩ টাকা করে দাবী করে বলে টাকা না দিলে ধান ঢুকাইতে দিবে না ব্যবসায়ীদের দিয়ে দিবে উপায় না পেয়ে আমি টাকা দিতে বাধ্য হই
RAJBARI VUMI KHAJNA .ROSHID DHAY 7000 TAKA
ভুমি কর, পরে আমাকে ৬হাজার টাকার কর রশিদ দেয়। রাজবাড়ী ৭ নং শহিদ ওহাব পুর
সব কাগজ ঠিক থাকলেও ওরা আপনার কাজ করবেনা। বলবে বানান ভুল বা পরে আসেন। বাহিরে ওদের দালাল থাকে ,যখন দালাল এর কাছে যাবেন ওরা ওই ফটোকপি ফরম এর মধ্যে একটা সিল বা একটা চিনহ দিবে ,তখন এটা নিয়ে ভিতরে গেলে এক মিনিটএ কাজ সেস। কুমিল্লা পুরো অফিস করাপশন এ ভরা।টাকা ছাড়া কোন পাসপোর্ট হয় না।
Kichui na. Ohetuk ekta bul dhorche baire onader thik kore rakha dalal chilo tara kore diche. 2000 taka niche.