ড্রাইভিং লাইসেন্স
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য দালালের মাধ্যমে ঘুস দিতে হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য দালালের মাধ্যমে ঘুস দিতে হয়েছে।
জিপিএ ফান্ডখোলা নিয়ে বলেছিল যে দেরি।হবে ওয়েট করতে হবে।তারা অনেক গড়িমসি করছিল। তাই আগে যারা জিপিএফ ফান্ড খুলেছিল তাদেরকে জিজ্ঞেস করেছিলাম তারা বলেছে টাকা দিলে আপনাদের কাজ করে দিবে। তাই বাধ্য হয়ে ৮০০ টাকা তাকে দিয়েছিলাম যাতে করে আমাদেরকে কষ্ট করে আর শিক্ষা অফিসে যেতে না হয়। কারণ আমাদের যাতায়াতে খরচ হয়ে যায় ১০০ টাকার বেশি সেখানে আমরা আটজন শিক্ষক ১০০ করে ৮০০ টাকা দিয়েছিলাম জিপিএফ ফান্ড খোলার জন্য। এছাড়া শ্রান্তি বিনোদনের ভাতা পাবার জন্য আমরা ১০০ টাকা করে দিয়েছিলাম 63 জন শিক্ষক। এভাবে শিক্ষা অফিসে যেকোনো কাজ করতে যাক না কেন কম্পিউটার অপারেটর যারা আছে তারা বিভিন্নভাবে টাকা আদায় করে থাকে। এগুলো থেকে আমরা প্রতিকার চাই।
ঘটনাটা হচ্ছে আমি আমার নাম জারি করার জন্য গেছি অনুযায়ী উনারা বলতেছেন না ১১৫০ টাকা দিয়ে সম্ভব নয় এটা ২২ হাজার টাকা লাগবে আমি এটা নিয়ে প্রতিবাদ করার পর আমার এটা হেরে আটকে দিছে পরবর্তীতে আমি আমার চাচাতো ভাইকে দিয়ে এই জিনিসটা পরে আমি নাম জারি করেছি ওইটাই আমার ২২ হাজার টাকা লাগবে আমার চাচাতো ভাই দিয়ে করাইছি কারণ আমার দরকার প্রয়োজন তাই আমি করাতেও আমায় বাধ্য কি করো অসহায়ের মত করে টাকাটা দেওয়া লাগে করছি সরকারি কাগজে-কলমে ১১৫০ টাকা কিন্তু ভাই এত টাকা লাগবে প্রত্যেক টেবিলে টেবিলে টাকা লাগে তাই আমি মনে করি জিনিসটা অনলাইনের হয়ে গেলে সবচেয়ে ভালো হয় মানে উনাদের কাছে কাগজের ফাইল নিয়ে যাওয়া না লাগে
আমি ২ বারে ২ জনের সাথে তাদের বৃদ্ধ ভাতার মোবাইল নম্বর পরিবর্তন সাহায্য করতে তাদের সাথে কাঠালিয়া উপজেলা সমাজসেবা অফিসে যাই। বৃদ্ধ ভাতার এম. এফ. এস. মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করার জন্য সমাজসেবা অফিসে গেলে তারা প্রথম জনের কাজের জন্য ২০০ টাকা দাবি করে, তখন কথা না বাড়িয়ে দিয়ে আসি। কিছুদিন পরে আরেকজনের একই সমস্যার সমাধানের জন্য ৫০০ টাকা দাবি করে, পরিস্থিতির জন্য ৫০০ টাকা দিয়ে আসতে হয় আমাকে। ওখানে আসলে সরকারি ফি কত টাকা বা আদৌ আছে কিনা আমার জানা নেই।
জমি নামজারি করতে গেলে বিভিন্ন ধরনের কাগজের ভুল ধরে ১০ হাজার টাকা দাবি করে
উপজেলা ভূমি অফিসে প্রতি নামজারীর জন্য ২০০০/- টাকা লাগবেই সার্ভেয়ারের। নিজে নেন না, তার অফিসে ক্লিনার কিংবা ড্রাইভার দিয়ে গ্রহণ করায়। টাকা না হলে কাগজ ছুড়ে মারার দৃশও আছে। এ্যাসিলেন্ড হয়তো বিষয়টি নাও জানতে পারেন। টাকা না হলে ফাইল সমস্যা দলিল অস্পষ্ট কিংবা দাতার পিতার নামের বানানে সমস্যা ইত্যাদি।
= মিরপুর বিআরটিএ = কাগজপত্র সব ঠিকঠাক, মালিক ও উপস্থিত, ফাইলে রেডি করে দুপুরের তপ্ত রোদের মধ্যে ৪ ঘন্টা ধরে কুত্তার মত এই ভবন ওই ভবন, এই রুম ওই রুম করেও মালিকানা পরিবর্তনের কাজ করাতে পারি নাই। একটার পর একটা কাগজ আনতে বলে, সর্বশেষ বলে “আপনার বাসা তো অমুক এলাকায়, অমুক এলাকার নাম পরিবর্তন এখানে হবে না, বাসা চেঞ্জ করে এই লিস্টের এলাকাগুলায় বাসা নিয়া ওই বাসার বিদ্যুৎ বা পানির বিলের কপি প্রমাণ সহ জমা দিবেন। ভাই বিশ্বাস করবেন না, কথাটা শুইনা ভরা মজলিশে হারামখোরটারে জুতা খুইল্লা পিডাইতে মন চাইছে। পরে বাইরে এসে — ধরে ১০ মিনিটে কাজ শেষ। হারামখোররা সিস্টেমটাই এমন করে রাখছে যে — ধরতেই হবে আপনাকে।
সার্টিফিকেটের ভুল সংশোধন করতে গিয়ে যেখানে সরকারিভাবে ৩০০ টাকা নেওয়ার কথা সেখানে আমার কাছ থেকে নেওয়া হয়েছিল ৮০০ টাকা অর্থাৎ ৫০০ টাকা তার নিজেরা খেয়ে নিয়েছে। যা রাজশাহী গভর্নমেন্ট সিটি কলেজ সহ অনন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও এমন হয়ে থাকে বলে আমার ধারণা। যেসাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য দুর্ভোগময়। ধন্যবাদ।
সামগ্রিক ভাবে আয় কর রিটার্ন জমা দিতে বাধ্য করা হয়। অথচ যার করযোগ্য আয় নাই , কিন্তু বাধ্য হয়ে টিন করেছিলো এবং বাধ্য হয়েই আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হয়। আমি এমন একজন ২০১৫ সাল থেকে আয়কর মেলায় রিটার্ন দেয়া শুরু করলাম । মেলার খবর প্রচারে সংবাদে আমাকে দেখে আমার মরহুম দুলাভাই আমার নিকট বিস্তারিত জানতে চেয়েছিলেন। শুরুতে আয়কর দপ্তর থেকে কোনো নির্দেশনা বা প্রশিক্ষণ পাই নাই। আইনজীবীদের দিয়ে রিটার্ন জমা দেয়ার বাড়তি টাকা ও ইচ্ছা ছিলো না। রিটার্ন জমা দিতে গিয়ে ফাটা বাঁশে আটকে যাবো এটাও কল্পনা করি নাই । রিটার্নে সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা হয় নাই । জমি বিক্রির বায়নার টাকা আয় হিসেবে আগে দেখিয়েছি এবং জমি রেজিস্ট্রি হয়েছিল পরবর্তী অর্থ বছরে । অডিটে তদন্তে এলে বাধ্য হয়ে ১০০০০ ক্যাশ ও বিকাশ দেই ।
Amader internship dibe eijonno order ante jay clg theke as usual amader previous batch theke o ney er kono recept hoy na kisu din age o kotha hoisilo eita niye j hospital e taka ney jeta free hobar kotha silo per person (8000) intership e ney jeta academic porar por kori amra govt hospital theke amader clg theke e 2lak + nise na jani koto clg theke nibe amn, Dhaka all hospital e ney eta all mean all hok placement (7,30) day duty or 6 month duty taka sobaire e dite hoy naile duty dey na.
গত ৭ এপ্রিল ২০২৬ আমার জমির নামজারির জন্য আবেদন করি আমার পরিচিত উকিলের মাধ্যমে। পূর্বের অভিজ্ঞতাই ১১৭০ টাকার কাজ ২০ হাজার টাকায় কারাতে রাজি হয়। কারণ আমি নিশ্চিত ছিলাম ১১৭০ টাকার কাজ ১১৭০০ টাকায়ও হবে না। প্রাই ২০/২৫ দিন পরে কানুনগো/ সার্ভেয়ার করতে এসে, গাড়ি ভাড়া দিলাম ৫০০ টাকা। কিছু দিন পরে আমার ফোনে মেসেজ আসে আমি শুনানির দিন উপস্থিত ছিলাম না তাই আবেদন না মঞ্জুর করেছে। যোগাযোগ করলাম আমার প্রতিনিধির সাথে। বললো আরো নাকি ৫ হাজার লাগবে। দিলাম, তারপর দিন যায় মাস যায় কিন্তু আমার নামজারি হয়না। খবর নিয়ে দেখি সার্ভেয়ার পরিবর্তন এবং ম্যাজিস্ট্রেট পরিবর্তন হয়ে গেছে। নতুন ম্যাজিস্ট্রেট আসছে কাজ হতে সময় লাগবে সাথে বাড়তি টাকাও লাগবে। দিনশেষে এই নামজারি করাতে আমার ৬৯৫০০ টাকা লেগেছে।
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে যেয়ে আমি ঘুস দিতে বাধ্য হয়েছি। ঘুস না দিলে লোন দিবে না। ব্যাংকের ভিতর থেকে সরাসরি ঘুষ গ্রহণ করে থাকে তারা। এক জন ডিল করে যে প্রাথমিকভাবে সকল কাগজপত্র চেক করে লোনের প্রসেস করে। তারপর অন্য একজন টাকা নেয় টাকা না দিলে সে তার সই দেয় না।
৫০০ টাকা দিয়ে নামজারি আবেদন করে নায়েব এর কাছে নিয়ে যাই, নায়েব ১৫০০টাকা নিয়ে রিপোর্ট দেন, না দিলে কেস খারিজ করে দেন,, এরপর সার্বিয়ার এর কাছে নিয়ে গেলে ৫০০ টাকা নিয়ে রিপোর্ট দেন, এবং বড় বাবুর কাছে নিয়ে যেতে বলে, তার কাছে গেলে তিনি দেখেশুনে এসিডেন্ট সাহেবের টাকা সহ ২ হাজার টাকা নেন, তারপরে এসিল্যান্ড অনুমোদন করেন, উপরের কাউকে যদি টাকা না দেওয়া হয় তাহলে নথি খারিজ বলে রিপোর্ট দেয় বিভিন্ন সমস্যার কথা বলে টাকা দিলে আর সমস্যা থাকে না, অনুমোদন হলে বারোশো টাকা দিয়ে ডিসিআর কাটতে হয়, বাদবাকি টাকা দালালটা খেয়ে নেয়, মোট সাত থেকে আট হাজার টাকা লাগে। যদি নথি কিলিয়ার থাকে, আর যদি কোন ভুল ভেরান্তি থাকে,তাহলে আর হয়রানীর শেষ নেই, টাকাও নেয়ার শেষ নেই। যতদূর পারে ঘোষ বাণিজ্য চালিয়ে যায়।
ইয়াতিমখানার জি আরের চাল আনতে গিয়ে ২ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছিলো।
আমাদের ট্রাক, বাস,হাই এক্স গাড়ি সকল কাগজপত্র ঠিক করার পরেও, সার্জেন্ট মামলা দেওয়ার কথা বলে, টাকা দাবি করে, এইজন্য সারা বাংলাদেশে, মাসিক মানতি সিস্টেম চালু আছে, মাসে ১০০০ হইতে ১৫০০ টাকা দিতে হয়, আমার দাবি হলো পুলিশ সার্জেন্ট যেন কাগজপত্র সব ঠিক থাকলে, কোন অজুহাত ছাড়া, গাড়ি ছেড়ে দেন
সামান্য ভুল হওয়াতে আমাকে ফেরত পাঠাই, এরপরে ২হাজার টাকা দিয়ে দালালের মাধ্যমে করতে হয়ছে৷ সাথে সাথে কাজ হয়ে গেছে,
আমি খুলনা সিটি কর্পোরেশন এর ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে দেখি জমা কৃত মূল্যের চেয়ে ৩০০-৪০০ টাকা বেশি চাচ্ছে এবং সবাই দিয়েও যাচ্ছে। এক এক জন ইন্সপেক্টর এর আন্ডারে যদি সর্বনিম্ন ২০০০ খুদ্র বয়বসায়ী ট্রেড লাইসেন্স থাকে তাহলে ৬- ৮ লক্ষ টাকা ঘুষ নিচ্ছে। মেয়র মহাদয় এর চোখের সামনে দিয়ে।
এটা নতুন কানেকশন নিতে গেলে লাগবেই। সরকারি খরচ এর দ্বিগুন দিতে হয়।
online mutation for my land
আমি গত এপ্রিল মাসে ১১৭০ মিউটেশন ফি জমা দেই। কিন্তু ভুমিকা অফিসের পিয়ন থেকে কর্মকর্তা পর্যন্ত ডিসিআর আমার হাতে পাওয়া পর্যন্ত ৩০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল।