trade licence
trade license new make and renue they ask money always
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
trade license new make and renue they ask money always
My father had a shop in Bandarban Bazar Fund. When the agreement copy expired, I went to update it. I was told the actual cost should be only 12,575 taka. However, I was forced to pay 28,000 taka just to start the process, and even then, I did not receive the updated document. Later, they demanded another 2,000–3,000 taka to hand over the papers. In total, I am being charged nearly 31,000 taka, which is about 146% higher than the official cost. This means I am paying almost double the legitimate amount, simply because of corruption and irregular practices. What should have been a straightforward renewal has turned into a burden of bribery, exploitation, and injustice.
সিলেট সেটেলমেন্ট অফিসে আমার ১৫ শতাংশ ভূমি বিএস জরিপের জন্য আবেদন করলে সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার — এর কাছে তদন্তের জন্য দেয়া হয়। তিনি — নামক দালালকে পরিচয় করিয়ে দেয় এবং তার কাছে ২০ লক্ষ টাকা দিতে বলে। আমি বিভিন্ন ধাপে প্রায় ১২ লক্ষ টাকার বেশি দিই —ের মাধ্যমে। পরবর্তীতে জবর দখলে থাকা বিবাদী লন্ডন থেকে এসে তার সাথে মিটিং করে। সে বিবাদীর নিকট হতে টাকা খেয়ে আমাকে দুই বছর ঝুলিয়ে রেখেছে৷ টাকা দেয়ার প্রমাণ আমার কাছে আছে৷
বাসার হোল্ডিং নম্বর পরিবর্তনের জন্য সিটি কর্পোরেশনে আবেদন করি। এর জন্য সরকারি ফি পরিশোধ করি ৫,৭৫০ টাকা। সেখানে কর্মরত কর্মকর্তা অতিরিক্ত ১০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। পরবর্তীতে ৫০০ টাকা দিয়ে সেখান থেকে চলে আসতে হয়।
আমার জন্ম নিবন্ধনের জন্য ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর জোন ১০ এর অফিসে অনলাইন ফর্ম জমা দিতে চাই। সংশ্লিষ্ট কর্মচারী অনুপস্থিত থাকায় তার সহযোগী ফর্ম জমা রাখে। সরকারি ফি ৫০ টাকার বদলে ১০০ টাকা রাখে এবং চা নাস্তার জন্য অতিরিক্ত ৩০০ টাকা রাখে। দীর্ঘদিন পরেও নিবন্ধন না হওয়ায় পুনরায় অফিসে যোগাযোগ করলে দেখা যায় ফর্ম হায়িয়ে ফেলেছে। অনলাইন কপি দেখানোর পর পুনরায় ডেট দিয়ে করে দিয়েছে। এরপর বোন, বাচ্চার জন্ম নিবন্ধন করার জন্য গেলেও ৫০ টাকার সরকারি ফি ১০০ টাকা করে রেখেছে কিন্তু কোন রিসিট দেয়নি।
আমার বৈধ কাগজ থাকার পর ও আমি নামজারি আবেদন করতে গেলে আমার কাছে ১৫০০০ টাকা দাবি করে। আমাদের খলিফার হাট ভূমি অফিস এর এক মহিলা সহকারী। এই মহিলা সহ উক্ত অফিসের সকল সহকারী টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না। এরা জমির দাগ নাম্বার খোজার জন্য বই খুললে মিনিমাম ১০০টাকা দেয়া লাগবেই। না হলে বই খুলবে না। আর হোল্ডিং এর জন্য ১০০০টাকা দাবি করে যদিও সরকারের ১১৫০ টাকা পরিশোধ এর পর অটো হোল্ডিং চলে আসে খতিয়ান এ। আমার নিজের একটা নামজারির আবেদন আমি নিজে করেছিলাম প্রথম বার ১৫০০০ টাকা দিয়ে নামজারি করার কারণে, তাও খলিফার হাট ভূমি অফিস এ গেলে আমার কাছে ১০০০০ টাকা দাবি করে না হলে রির্পোট পাঠাবে না, পরে আমি টাকা না দিয়ে চলে আসি। আমি বাড়ি থেকে শহরে চলে আসলে আমার বাবার থেকে ১০০০০ টাকা নিয়ে যায়।
খাজনা খারিজে টাকা ১২/১৪ হাজার, কিন্তু পরিশোধ করতে হয়েছে ৫৮ হাজার
মামলাদিন সম্পত্তিতে কার দখল বিদ্যমান সেই রিপোর্ট প্রদান তৈরি করতে
আমার ওয়াইফের গর্ভবতী কার্ডের আবেদন করতে গিয়ে ময়মনসিংহ গৌরীপুর সদর ইউনিয়নের কম্পিউটার কর্মকর্তা আমার কাছে আবেদনের জন্য ২৫০ টাকা দাবি করে তারপর আমি দিতে বাধ্য হয়েছি। এর আগে আমি মা ও কল্যাণ শিশু হাসপাতালে গিয়ে জানতে পেরেছিলাম এই কার্ড আবেদন করতে একটাকাও দিতে হয় না।
আমার মায়ের নাম তার জাতীয় পত্রে — ব্যবহার করা হয় ।আর আমার জাতীয় পত্রে আমার মায়ের নামের — ব্যবহার করা হয়। এই ভুল ধরে আমাকে হয়রানি করা হয় এবং আমি পরে বাড়িতে যাই বাহিরে তাদের অনেক দালাল থাকে তারা বলে যে আমাকে টাকা দিলে কাজটি এখন করে দিবে।
police variation time
আমাদের এলাকায় জন্মনিবন্ধন করতে গেলে ১০০০ টাকা করে দিতে হয় কার্ড প্রতি
আমি যখন আবেদন করে ভূমি আফিসে যাই তারা বলল খরচ লাগবে। নাহলে আবেদন বাতিল হবে।তাই আমি দিতে ব্বাদ্য হয়।
চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভর্তি হয়ে সিটের জন্য ২০০-৪০০টাকা দিতে হবে বাধ্যতামূলক না হলে সিট দিবেনা, যারা ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতার কাজ করে তাদেরকে। তারপর হুইলচেয়ারের জন্য দিতে হয় ২০০টাকা।তারপর রিলিজ নিয়ে আসার সময় দিতে হয় ২০০-৫০০টাকা।অর্থাৎ জায়গায় জায়গায় ঘুষ।আর না দিলে আপনি সেবা পাবেননা।আমি নিজে ভুক্তভোগী ৭মাস আগে আমার মাকে ভর্তি করিয়েছিলাম।
জমা খারিজ সরকারি ফি 1100 টাকা কিন্তু আমাদের কে হযরানি করে 15000/20000/50000 টাকা দাবি করে । আমরা নিরুপায় হয়ে দিতে হয়।
প্রথমে বলি। যেকোন বিল, পেশশন হলে তো কাথায় নাই। এখানের সকল অডিটর, সুপার, হিসাব রক্ষণ অফিসার সকলেই দূর্নীতিবাজ। কন্টিজেন্সি বিলের উপর ৫% দাবি থাকে। সেটা ৪% তো দেয়ায় লাগে নাহলে বিল পাশ হয়না। প্রেনশনারদের নানান ধরনের হয়রানি করা হয়। টাকা ছাড়া পেনশন পাশ হয়না। সেটা কয়েক হাজার টাকা দেয়া লাগে। —, এসএএস সুপারিনটেনডেন্ট, —, এসএএস সুপারিনটেনডেন্ট মেহেরপুর হিসাব রক্ষণ অফিস। এরা দীর্ঘদিন এখানে চাকরি করে যাচ্ছে। কোন বদলি নাই। — ১১ টার আগে তো অফিসে ই আসেনা। এলপিসি তে ও টাকা। মোট কথা টাকা ছাড়া কোন কাজ হয়না। এই একমাত্র অফিস যারা সরকারি চাকরিজিবীদের থেকে ঘুষ খায়। সারা দেশে একই অবস্থা। সবাই তাদের কাছে জিম্বি। এর সুরহা হওয়া প্রয়োজন
আমি জানি জমি খারিজ করতে কোনো টাকা লাগে নাহ, কিন্ত তারা টাকা ছাড়া কোনো কাজ করে নাহ। অফিস সহায়ক থেকে শুরু করে অফিসার সবাই টাকা নেয়।
এনটিআরসিএ কর্তৃক এমপিওভুক্ত মাদ্রাসায় নিয়োগ সুপারিশ পেলেও এমপিওভুক্তির জন্য মাদ্রাসা সুপার প্রথমে ৩০ হাজার টাকা দাবি করেন। না দিতে চাইলে আমাকে কাগজ পত্র প্রদানে হয়রানি করেন এবং টাকা দাবি করেন। উপায়ান্তর না পেয়ে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দেই।
আমার পাসপোর্টে সংশোধন ও ইমারজেন্সি সার্ভিস নেওয়ার জন্য আমাকে ১৮ হাজার টাকা দিতে হয়। ১০ থেকে ১২ হাজার সরকারি টাকার পরিমান বাকি টাকা অফিসারদের দালালরা নিয়েছে।
যেখানে ফাইল জমা নেয় সেখান থেকে আমাকে বলেছিলো যে ২/৩ দিন পর আপনি পেয়ে যাবেন, আমি প্রায় ২০ দিন পর যোগাযোগ করার পরে আমাকে ডাইরেক্ট বলতেছে যে ১০০০ হাজার দিলে আমরা এখনি দিয়ে দিবো যদি না দেন তাহলে কবে পাবেন তা আমরা বলতে পারবো না , এখন আমার জরুরী লাগতো তাই আমার কিছুই করার ছিলো না তাই আমার ১০০০ টাকা দিতে হয়েছে।