লাইসেন্স বানানো
নিজে চেষ্টা করে কিন্তু লাইসেন্স বানাতে পারি নি।।পরে দালাল এর মাধ্যমে সব কিছু সহজে হয়ে যায়।কোন ঝামেলা ছাড়া। বর্তমানে গাড়ির নাম ট্রান্সফার করতে ও একই জিনিস ফেইস করছি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নিজে চেষ্টা করে কিন্তু লাইসেন্স বানাতে পারি নি।।পরে দালাল এর মাধ্যমে সব কিছু সহজে হয়ে যায়।কোন ঝামেলা ছাড়া। বর্তমানে গাড়ির নাম ট্রান্সফার করতে ও একই জিনিস ফেইস করছি।
DNCC Ward 10, Doesn't show my birth registration number had to do the whole process even though I have proof of Certificate from 2006. While trying to register through local city corporation office darussalam near police station. The office workers claim 200tk for each copy as process to just verify without any receipt calls it official fees and even gives photocopy of form to unaware public to register with 100tk. They lost my form on the 1st attempt and no response. I had to go to higher officials of DSCC to tell them to complete my work. All the office workers share this comission from each person trying to register renew or renewal. The website is shit.
পাসপোর্ট অফিসে সবকিছু ঠিক থাকার পরেও বারবার ঘুরিয়ে টাকা নিয়ে দালালের মাধ্যমে কাজ করে দিয়েছে। সিরাজগঞ্জ পাসপোর্ট অফিস।
আমার আবেদনটির অবস্থা জানতে কয়েকবার অফিসে যোগাযোগ করেও পরিষ্কার উত্তর পাচ্ছিলাম না। একদিন একজন দালাল আমাকে বলেন, সংশ্লিষ্ট ডেস্কে কথা বলে ফাইলের বর্তমান অবস্থা জানাতে এবং দ্রুত নড়াচড়া করাতে ১১,৯০০ টাকা দিতে হবে। আমি জানতাম এটি নির্ধারিত ফি নয়, কিন্তু দীর্ঘ অপেক্ষার কারণে রাজি হয়ে যাই। টাকা দেওয়ার পর তিনি আমাকে ফাইলের অগ্রগতি জানান এবং পরের সপ্তাহে নতুন বার্তা পাই।
পাসপোর্ট নবায়নের আবেদন নিয়ে দ্বিতীয়বার অফিসে গেলে একজন মধ্যস্থতাকারী আমার সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, ফাইলে ছোটখাটো অসঙ্গতি দেখিয়ে আবেদন ফেরত পাঠানো হতে পারে, কিন্তু ৬১,২৫০ টাকা দিলে ভেতরের কর্মী সেটি ঠিকভাবে এগিয়ে দেবেন। আমি বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিত ছিলাম না, তবু দীর্ঘ বিলম্ব এড়াতে শেষ পর্যন্ত অনানুষ্ঠানিক অর্থ প্রদান করি। এরপর আমার আবেদনটি পরবর্তী পর্যায়ে পাঠানো হয়।
পাসপোর্টে মায়ের নামের বানান সংশোধনের আবেদন নিয়ে অফিসে যাই। আমার আবেদনটি দেখছিলেন এমন একজন ব্যক্তি বলেন, সংশোধনের ফাইল আলাদা করে খুঁজে অনুমোদনের জন্য পাঠাতে অতিরিক্ত ৯,৬৫০ টাকা লাগবে। তিনি এটিকে সরকারি ফি হিসেবে কোনো রসিদে দেখাতে পারবেন না বলেও জানান। ভুলটি দ্রুত ঠিক করা দরকার ছিল, তাই অনিচ্ছা সত্ত্বেও আমি টাকাটি পরিশোধ করি এবং সংশোধনের কাগজ জমা নেওয়া হয়।
আমার পাসপোর্টের নামের বানান সংশোধনের জন্য আগারগাঁও অফিসে আবেদন জমা দিই। কাগজপত্র পরীক্ষা করার পর কাউন্টারের একজন কর্মী আমাকে আলাদা করে বলেন, অতিরিক্ত টাকা দিলে সংশোধনের কাজ দ্রুত শেষ হবে, নইলে ফাইল অনেকদিন পড়ে থাকতে পারে। তিনি ১৮,৭৫০ টাকা চান। আবেদনটি জরুরি হওয়ায় এবং দেরির আশঙ্কায় আমি শেষ পর্যন্ত ওই অনানুষ্ঠানিক টাকা পরিশোধ করি। পরে আমার আবেদনটি গ্রহণ করে সংশোধিত পাসপোর্ট দেওয়ার সম্ভাব্য তারিখ জানানো হয়।
বিআরটিএ থেকে গাড়ির লাইসেন্সের জন্য এপ্লাই করেছিলাম। এবং সবাই বলসে দালাল না ধরলে পাস করতে দেয় না। এবং সত্যি সত্যি যেয়ে দেখলাম যারা দালাল ধরসে ওদের গাড়িতেও উঠা লাগে নাই। ওখানের যিনি প্রধান তিনি পর্যন্ত এর সাথে জড়িত। যেহেতু লাইসেন্স জরুরী তাই আমিও সেইম ওয়েতে নিয়ে নিসি ঝামেলায় না যেয়ে।
বিগত ৮ বছর আগে, হেবা দলিল নামজারি করার সময় আমার বাবাকে এই ঘুষ দিতে হয়েছিল। ১২ শতাংশ জমি
পাসপোর্ট এর এন আইডি ভেরিফিকেশন করে দেয়া
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম
বায়োমেট্রিক দেওয়ার নির্ধারিত দিনে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার সময় একজন কর্মচারী আমাকে আলাদা করে বলেন, নিয়মিত সিরিয়ালে আজ আমার কাজ নাও হতে পারে। ১২,৮০০ টাকা দিলে দ্রুত আঙুলের ছাপ ও ছবি নেওয়ার ব্যবস্থা করবেন বলে তিনি জানান। অপেক্ষা ও যাতায়াতের সমস্যা থাকায় আমি শেষ পর্যন্ত চাওয়া টাকাটি দিয়ে দিই। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই আমার বায়োমেট্রিক সম্পন্ন হয়।
orem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Integer hendrerit est sed porttitor egestas. Quisque rhoncus id velit eu viverra. Mauris ac eros tempus, consequat sapien at, aliquam erat. Ut sed urna vitae diam scelerisque pellentesque. Mauris porta tincidunt leo, vel fermentum augue vulputate finibus. Integer sit amet nisl eget lectus malesuada eleifend quis nec massa. Sed ut scelerisque ipsum. Aliquam facilisis id urna sit amet bibendum. Suspendisse a viverra erat, quis sollicitudin diam. Cras eget erat neque.
আমাদের মরহুুম বাবা- মার জমি, ওয়ারিশ হিসেবে আমাদের নামে নামজারি করানোর জন্য ভুমি অফিসে ২ বার ৫,০০০+৭,০০০/- মোট ১২,০০০/- টাকা ঘুষ দেয়ার পর জয়কালী মন্দির ভুমি অফিসের এসি ল্যান্ড ২ বার ফাইল রিজেক্ট করে। যা ৬ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত হয়রানি করা হয়। পরবর্তীতে ৩০,০০০/- টাকা ঘুষ দিয়ে ১ দিনের মধ্যে নামজারি করে দেয়।
Directorate General of Drug Administration Jashore এ প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র নিয়ে যাওয়া এবং সকল সরকারি ফি পরিশোধ করার পর ও বড় স্যার কে দিতে হবে বলে ১০০০ টাকা দাবি করে কর্মরত ব্যাক্তি
পৌরসভার নামে পরিবহনের জন্য চাঁদার দাবিতে গাড়ি আটকে দেয়। টাকা দিয়ে আসতে হয়েছে।
I was mugged near banasree, and when I reported it to the Rampura Thana located in Banasree, the assigned investigation officer worked on the case. He asked if he should put "full effort" into it. I wasn't sure what he meant, but I told him to do so. It took four to six months to recover the phone. Once it was recovered, he called to deliver it and mentioned that he required abo20% of the phone's value (around 10K–12K BDT) or he wouldn't hand it over. After going back and forth for some time, I had to pay about 10K BDT just to get back the phone that was stolen from me! These people are paid from my tax money, yet I am forced to pay for their service and effectively buy back my own phone.
আমার মায়ের পেনশন এর টাকা চালু করার সময় জেলা একাউন্ট অফিসার সই করার পূর্বে তার সহকারী কে ডেকে টাকা দাবি করে, নাস্তা খাওয়ার কথা বলে। আমরা দিতে বাধ্য হই।
যাচাই বাছাই এর সময় বলে আমার কাগজে সমস্যা আছে । জিজ্ঞেস করলাম কোথায় সমস্যা বলে খতিয়ান, কারেন্ট বিল বং চং । যাওয়ার সময় এক দালাল বুঝতে পারলেন । বললেন উনার লোক আছে । এপ্লিকেশন এর পেছনে একটা সিরিয়াল নম্বর লিখলেন তারপর বললেন সরাসরি জমা দিতে । আমি সরাসরি ওই অফিসারের কাছে জমা দিলাম। সে নম্বরটি দেখে আর কিছু বললেন না । আমাকে ভেতরে পাঠিয়ে দিলেন । তবে একটা জিনিস লক্ষ করলাম ২ বার ওই অফিসারের সামনে গিয়েছি, তিনি আমার চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারেননি। বুঝলাম আসলে এসব ইতরামি করে টাকা খাওয়া যায় কিন্তু তাতে আত্ম সম্মান থাকে না ।
মাদক বিক্রি করি এমন মিথ্যা অভিযোগ নিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একজন পরিদর্শক আমাদের বাড়িতে আসেন। তল্লাশির সময় আমাদের ব্যাগ থেকে ৩০,০০০ টাকা ও একটি স্মার্ট মোবাইল নিয়ে যান। কিছু দিন পর শুধু মোবাইল ফেরত দিয়েছেন, কিন্তু টাকা ফেরত দেননি।